Entertainment Image
Entertainment Image

দেড় মাসেই বদলে গেছে জীবন

এই তো সেদিনও মিথিলাকে কেউ চিনতো না। ২৪শে জানুয়ারির আগেও গাজীপুরের এই মেয়েটা ছিলেন কেবলই সাধারণ এক মেয়ে। একটি দিনের ব্যবধানে রূপ কথাকেও হার মানালেন তিনি। বলছি ভিট চ্যানেল আই টপ মডেল সুমাইয়া আঞ্জুম মিথিলার কথা। মাত্র দেড় মাসেই বদলে গেছে মিথিলার পৃথিবী। মিডিয়ার আলো ঝলমলে রঙিন দুনিয়ায় মিথিলা এখন কেবলই ছুটে চলেছেন। ফুরসত নেই দম ফেলারও। মিথিলার কথাতেও ওঠে এলো তাই। বললেন, ‘আগে তো পড়ালেখা, ক্লাস আর বন্ধু বান্ধব নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম। এখন অভিনয় মডেলিং আর ফটোশুট নিয়ে দৌড়াদৌড়িতে আছি।'
হ্যা ঠিকই তো আজ এই পত্রিকার ফটোশুট তো কাল অমুক নাটকের অভিনয়। দম ফেলবার সময় কই!
এ পর্যন্ত দুটি নাটকের কাজ শেষ করেছেন তিনি। আরিফ রহমানের পরিচালনায় ‘প্রজন্ম’ ও তানিয়া আহমেদের পরিচালনায় ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’। এর পরপরই তিনি অংশ নিলেন রাজধানীর হোটেল র্যাহডিসনে আয়োজিত ইন্ডিয়ান একটি পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের র্যাম্প শো-তে। ডেনিমের কাপড় পড়ে হাটলেন আলো ঝলমলে মঞ্চে। জিন্স প্যান্টের সঙ্গে টি-শার্ট, শার্ট, সাধারণ ড্রেস ও ওয়ার্কিং পোশাক পরে ক্যাটওয়াক করেন তিনি। এটির কোরিওগ্রাফি করেন লুনা।

এদিকে দেবজ্যোতি ভক্তের পরিচালনায় একটি নাটকে রূপা চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। এরপর এপ্রিলে শুরু করবেন রায়হান খান পরিচালিত সাতপর্বের একটি ধারাবাহিক নাটকের।
এদিকে ভিটের চুক্তি অনুযায়ী ইমপ্রেস টেলিফিল্মের একটি ছবিতেও অভিনয় করবেন তিনি। এর জন্য অবশ্য প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। খুব শীঘ্রই শুরু করবেন নাচের প্রশিক্ষণ। ডান্স শিখবেন ঈগল ডান্স কোম্পানির কোরিওগ্রাফার তানজিলের কাছে।
সিনেমায় অভিনয় করার আগে নিজেকে আরও ঝালিয়ে নিতেই নাটক, টেলিফিল্মে অভিনয় করছেন বলে জানালেন মিথিলা।
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

কবির সুমন

বাংলা ভাষাভাষি মানুষ মাত্রই জানেন শিল্পী কবির সুমনের মানে!১৯৪৯ সালের ১৬ মার্চ তিনি ভারতের ওড়িশায় জন্মেছিলেন। ২০০০ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে সমস্ত বাংলায় হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে হয়েছিলেন কবির সুমন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে বিয়ে করেছিলেন।
প্রচলিত গানের বাজারে নব্বইয়ের দশকে কলকাতায় এক আলাদা সুর আর কথায় গেয়ে উঠলেন এক গায়ক।তার গানে প্রথমবার মানুষ শুনতে পেলো এক অন্যরকম সুর। ‘প্রথমত আমি তোমাকে চাই,দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই, তৃতীয়ত আমি তোমাকে চাই, শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকে চাই’। অসাধারণ এই গায়কী শক্তির প্রতি মানুষের আগ্রহ জন্মালো, বলতে গেলে মানুষকে সম্মোহনের বন্ধনে আবদ্ধ করে দিলেন প্রথম অ্যালবাম তোমাকে চাই’ দিয়েই; নাম তার কবির সুমন।
কবির সুমন শুধু তার গানের জন্য সমস্ত বাংলায় বিখ্যাত নন, একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও মানবিকতার পরম এক মূর্তি হিসেবেও তিনি অতি পরিচিত একটি নাম। বাংলা গানের মানে যাঁরা বদলে দিলেন, কবির সুমন তাদের একজন।
কবির সুমনের স্পর্শে বাংলা গান শুধু সমৃদ্ধই হয় না, বরং খুঁজে পায় নতুন দিশা। তার গানের বিষয়বস্তু হয় রাজনীতি, ধর্ম,দর্শন, সমাজ; যা আগে কেউ ভাবেওনি হয়তো। অনায়াসে শাসক আর শোষকদের নির্মম সত্য বলে দিতে পারেন গানের মাধ্যমে। সীনা টানটান করে সমাজের সঙ্গতি আর অসঙ্গতিগুলিও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারেন এই গানের মাধ্যমেই। তার গানের মাধ্যমে বাংলা গানে সূচনা হয় এক নতুন ধারার। সুমনের গানের মাধ্যমে মানুষ আরাম খুঁজে পায়, শ্রান্তি খুঁজে পায়,মনকে হারিয়ে ফেলারউন্মাদনা আছে তার গানে।তারগান মানুষের হৃদয়কে ছুঁয়েযায়, অনুভূতিকে স্পর্শ করে, কন্ঠ,সুর আর গানের কথায় মগ্ন হয় মানুষ।

তাই দেখা যায়, ভিন্ন ধারার এই শিল্পীর গান শুধু কলকাতাতেই জনপ্রিয়তা পায় না, বরং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বাংলা ভাষাভাষি মানুষের...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

আজও চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে

যুগস্রষ্টা রাজনীতিবিদদের নিয়ে এ পর্যন্ত অনেক আলোচিত চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে মহাত্মা গান্ধী, আব্রাহাম লিঙ্কন, লেনিনসহ অনেকেই আছেন। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এ পর্যন্ত নির্মাণ হয়নি কোনো চলচ্চিত্র। ছোট ছোট কিছু প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হলেও তার জীবন, কর্ম ও আদর্শকে ধারণ করতে পারে এমন পূর্ণাঙ্গ কোনো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়নি। এ আক্ষেপ সাধারণ মানুষের পাশাপশি দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যেও আছে।
দুর্ভাগ্য হলো, কেউ সাহসই করেনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের। বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী তাকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও তার অগ্রগতির কোনো খবর নেই।।
দেশের খ্যাতিমান নির্মাতারা কি বলছেন এ প্রসঙ্গে…
বিনিয়োগের ঘাটতি ও দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেয়ার আশংকাই বড় প্রতিবন্ধকতা
মোরশেদুল ইসলাম
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এখনো চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি, সত্যিকার অর্থেই এটা লজ্জার ব্যাপার। তবে বাস্তবসম্মতভাবে দেখতে হলে বলতে হয়, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হলে তা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ হবে। বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে হবে। দায়সারা গোছের কিছু বানালে তো হবে না। অনেক আয়োজনের ব্যাপার আছে। এক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা রাখা উচিৎ। সরকার যদি এগিয়ে আসতো তাহলে হয়তো সম্ভব হতো। কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে; সরকারি অর্থে যখন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ হবে তখন সরকার চাইবে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দিতে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতাকে নিয়ে স্বাধীনভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে দেয়া না হলে সত্যিকার বঙ্গবন্ধুকে চলচ্চিত্রে তুলে আনা সম্ভব হবে না।
সরকার ও ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে
শহীদুল ইসলাম খোকন
একটা পৃষ্ঠা কাগজ হলে একটা কবিতা লেখা সম্ভব হবে, একশ পৃষ্ঠা কাগজ হলে উপন্যাস, কিন্তু চলচ্চিত্র বানাতে টাকা লাগে। আবার কোটি টাকা হলেও সবসময় সব চলচ্চিত্র বানানো যায় না। মূল সমস্যা হলো আমাদের বিনিয়োগকারী নাই।...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বাঙালি না হলেও বাংলাদেশ দলকেই চুমু খেতাম

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। জয়-পরাজয়ের খবরও অনেক আগেই জেনে গেছেন সবাই। কিন্তু রেশটা রয়েই গেছে। বাংলাদেশ আজ হারলেও জিতে গেছে! এটাই বলছেন সবাই। বাংলা গানের জনপ্রিয় শিল্পী কবির সুমনও বললেন বাংলাদেশের পক্ষেই। সন্ধ্যার পর নিজের ফেসবুকে একটি স্টেটাস দিয়ে তাই জানালেন তিনি। 
‘আমি প্রাণপণে চাইছিলাম বাংলাদেশ দল জিতুন, যা আমি তাঁদের কোনও আন্তর্জাতিক খেলা থাকলে সব সময়ে চাই। বাংলাদেশ দল পারলেন না। ফলে, তাঁরা জিতলে যে আনন্দটা হতো তার জায়গায় বিষাদ। কিন্তু এরই মধ্যে আমি যা বুঝেছি: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ জন্ম নেয় স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে। তার আগে সেখানে, অর্থাৎ সেকালের পূর্ব পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলার চল কতোটা ছিল, কতোটা ব্যাপক অনুশীলন হতো তা আমি ঠিক জানি না। কিন্তু ভারতে ১৯৭১ সালের ঢের আগে থেকে যে পরিমাণ ও যে মাত্রায় ক্রিকেট চর্চা ও অনুশীলন হতো সেই তুলনায় তা খুব একটা আগুয়ান ছিল বলে মনে হয় না।
আয়তনে ভারত বিরাট। তার নানান জায়গায় ক্রিকেট চর্চা হয়ে থাকে এবং সেইসব জায়গা থেকে প্রতিভাবান ও কৃতী খেলোয়াড়দের নিয়ে জাতীয় দল গঠন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ সে-তুলনায় কতো ছোট। ক্রিকেটের সঙ্গে বিত্তের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। ভারতে সেই প্রিন্সদের আমল থেকে (ব্রিটিশ আমল) ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন রাজা রাজড়ারা। তাঁরা খেলতেনও। যেমন মহারাজকুমার অফ বিজয়নাগরম। আর একজন ছিলেন গায়েকওয়াড়। তেমনি আরও কেউ কেউ। বাংলাদেশ কিন্তু আর্থিক দিক দিয়ে বিত্তশালী নয়। অবিভক্ত ভারতে পূর্ববঙ্গ বা পশ্চিমবঙ্গের জমিদাররা ঘটা করে ক্রিকেট খেলতেন, ক্রিকেট চর্চা করতেন, জমিদারনন্দনরা ক্রিকেট অনুশীলন করে নাম করেছিলেন বলে আমি তো জানি না। বরং অবিভক্ত ভারতে যে ক'জন বাঙ্গালি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন তাঁরা মোটের ওপর মধ্যবিত্ত শ্রেণীরই।
স্বাধীন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট চর্চা ও অনুশীলন...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

একজন লেখক পড়শী’র গল্প

ক্ষুদে গানরাজ প্রতিযোগিতা দিয়ে তারকার খাতায় নাম লেখানো পড়শি এখন আর সেই ছোট্টটি নেই। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এখন বড় তারকাও।
অ্যালবাম, স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ততার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক নিয়েও সমান ব্যস্ত এই কণ্ঠশিল্পী। ১২ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত টানা কনসার্ট করে এলেন ফ্যান্টাসি কিংডমে। আর এরপরই পড়শি তার ব্যান্ড বর্ণমালাকে নিয়ে গেলেন গাজীপুরে। কনসার্টের ব্যস্ততা শেষ হতেই হয় তো আবারো শুরু হবে কোন সিনেমার গানের প্লেব্যাক। তারপর আবারও কনসার্ট, লাইভ শো। এভাবেই চলছে পড়শির দিন।
এত ব্যস্ততার ভেতরে তার অবসর মেলায় দায়। তারপরও কি অবসর মেলে না। নিজের জন্য সামান্য একটু সময় ঠিকই বের করে নেন পড়শি। সেই সময়টুকু কীভাবে কাটান তিনি। পড়শি জানালেন, অবসরে তিনি অনেক কিছুই করেন। নিজের পড়ালেখার পাশাপাশি কখনো কখনো মন ভালো থাকলে, মুড ভালো থাকলে লেখালেখিও করেন। সেসব লেখালেখির খবর নিজ মুখেই শোনালেন । ‘অবসর সময়ে আমার কাজ আড্ডা দেওয়া না। অবসর সময়ে আমার কাজ হয় লেখালেখি করা না হয় গান শোনা। লেখালেখিটা আমার মুডের উপর নির্ভর করে। আমার কাজ কবিতা বা গল্প লেখা না। আমার ভাবনাগুলো লিখে রাখি। আমার মাথায় যখন যে চিন্তা আসে সেটাই লিখে রাখি। দু'তিন পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে যতক্ষণ পর্যন্ত লিখতে ইচ্ছা করে ততক্ষণ পর্যন্ত। একটা ভাবনাকে তুলে ধরা বা একটা ঘন্টা বা একটা দিনকে তুলে ধরায় আমার লেখালেখির মূল বিষয়। এই তো একদিন রাতে সবাই ঘুমাতে গেল কিন্তু আমার ঘুম আসছিল না। তো তখন কি করবো। কিছুক্ষণ গান শুনলাম-এরপর কি করবো?
এবার বারান্দায় গিয়ে লাইটার জ্বালিয়ে লেখালেখি শুরু করলাম। সেদিন বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল। তো ঐটা নিয়েই লেখালেখি শুরু করলাম। আমার লেখালেখি এরকমই। যখন যেটা মনে আসবে সেটা...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

আইরিনের প্রিয় বিষয়গুলো

আইরিন সুলতানা মিডিয়ায় পা রাখেন র্যাপম্প মডেলিংয়ের মাধ্যমে। র্যাডম্পে জনপ্রিয়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ডাক পড়ে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় আইরিন অভিনীত প্রথম ছবি ‘ভালোবাসা জিন্দাবাদ’। দেবাশিষ বিশ্বাস পরিচালিত এ ছবির মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি তিনি কাজ করছেন এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘এক পৃথিবী প্রেম’ ছবিতে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে সাইফ চন্দন পরিচালিত ছেলেটি আবোল তাবোল, মেয়েটি পাগল পাগল’। এ ছাড়া হাতে আছে, আমি দাঁড়ি, তুমি কমা’সহ বেশ কয়েকটি ছবি। এই তারকা জানালেন তার প্রিয় বিষয়গুলো ।
প্রিয় মানুষ
পরিবারের সবাই আমার প্রিয়। আর সবচেয়ে প্রিয় মানুষের কথা বললে মা-বাবার কথায় বলবো।
প্রিয় খাবার
বাঙালি খাবারই আমার বেশি প্রিয়। ভাত, মাছ, ভর্তা ইত্যাদি খেতেই ভাল লাগে আমার। আর নানা ধরনের সবজি তো আছেই।
প্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট
সমুদ্র আমার অনেক প্রিয়। সমুদ্রের নীলজল আমাকে সবসময় টানে। সেক্ষেত্রে কক্সবাজার সম্রদ্র সৈকতই আমার প্রিয় স্পট।
প্রিয় সিনেমা (নিজের করা)
আমার ছবি আমার কাছে সন্তানের মতো। আমার সব ছবিই আমার কাছে প্রিয়।
প্রিয় নায়ক
ছোটবেলায় যার ছবি দেখে মুগ্ধ হতাম, কল্পনা করতাম সেই নায়কের নাম সালমান শাহ। এ ছাড়া রাজ্জাক, রিয়াজ, শাকিব খানও আমার প্রিয় নায়ক।
প্রিয় নায়িকা
আমার প্রিয় নায়িকা অনেক। তবুও যদি বলতে হয় ববিতা, কবরী, শাবানা, মৌসুমী আপু’র নামই বলবো।
প্রিয় বই
আমার এত বই প্রিয় যে কোনটা ছেড়ে কোনটার নাম বলবো। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে আমি প্রচুর বই পড়ি তো তাই হুট করে কোন বইয়ের নাম বলতে পারি না। মনেও থাকে না। তবে শরৎচন্দ্রের রচনাসমগ্র আমার অনেক প্রিয় একটি বই। এছাড়া রবীন্দ্রসমগ্র, নজরুল সম্রগ্রসহ অনেক বই আমারপড়া।
প্রিয় লেখক
সমরেশ মজুমদার, হুমায়ূন আহমেদ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলামসহ অনেকেই।
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

দীর্ঘ বিরতির পর

দীর্ঘ বিরতির পর এক সময়ের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি ফের অভিনয়ে ফিরছেন।
বহুদিন ধরে মিডিয়ার আলোচনার বাহিরে থাকা এই অভিনেত্রীকে টিভি নাটক, চলচ্চিত্র, টক শো, বিজ্ঞাপনেও দেখা যায়নি। সবাই মনে করেছিলো হয়তো আর মিডিয়ায় ফিরবেন না তিন্নি। তার কাছের লোকও তিন্নির মিডিয়াতে ফেরার বিষয়ে আশঙ্কা করে আসছিলেন এতোদিন। তবে সব আশঙ্কা দূর করে শীঘ্রই তিন্নি অভিনয়ে ফিরছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কথা বলে এতোদিন অভিনয়ের ফিরতে পারেননি বলে জানান তিন্নি। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী মে মাসেই অভিনয়ে ফিরবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, অভিনয় সূত্রে হিল্লোলের সাথে প্রেম ও পরে পরিনয়ে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিন্নি। তাদের একটি কন্যা সন্তানও হয়। কিন্তু পাঁচ বছর ঘর সংসার করার পর তাদের দাম্পত্য জীবনে ঘটে বিপর্যয়। ফলে তিন্নি মানসিকভাবে দারুন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন; এবং মিডিয়া থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। তিন্নি মডেলিং, অভিনয় এবং গান দিয়ে নিজের সামর্থের সাক্ষ্য রেখেছেন বিনোদন জগতে। শুধু ছোট পর্দায় নয়, তিনি সিনেমার রূপালী পর্দায়ও অভিনয় করে সুনাম কুড়িয়েছেন। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘সে আমার মন কেড়েছে’ দিয়ে তিন্নির প্রথম সিনেমা শুরু। তার বিপরীতে নায়ক ছিলেন শাকিব খান।
[…]