Entertainment Image
Entertainment Image

‘অভিনয়ের জন্য আকণ্ঠ তৃষ্ণা’

প্রায় একবছর অভিনয় থেকে বিরত ছিলেন ভাবনা। নিয়মিত অভিনয়শিল্পী হিসেবে অভিনয়ের সঙ্গে এই হঠাৎ বিচ্ছেদে তার কষ্ট হয়েছে অনেক । তবু জিরো ডিগ্রি’র পর অনিমেষ আইচ এর দ্বিতীয় ছবি ‘ভয়ংকর সুন্দর’ এর প্রস্তুতিহেতু এ বিচ্ছেদ তাকে মেনে নিতে হয়েছিলো। অবশেষে শুরু হয়েছে তার কাঙ্ক্ষিত চলচ্চিত্রের শুটিং। ইতোমধ্যেই অনিমেষ আইচ সদরঘাট, বরিশাল ও কুয়াকাটায় শুটিং করেছেন। ২২ এপ্রিল আসছেন এ চলচ্চিত্রের নায়ক পরমব্রত। তার আগে ভাবনার সঙ্গে কিছুক্ষণ…
কেন ‘ভয়ংকর সুন্দর’
রুদ্র, আমি জানি না কেন এ ফিল্মটির নাম ভয়ংকর সুন্দর। অনিমেষ আইচ বলতে পারবেন কেন তিনি এ সিনেমার নাম ভয়ংকর সুন্দর রেখেছেন। তবে আমার যেটা ধারণা তা হলো, এ সিনেমায় আমার যে চরিত্র তার নাম নয়নতারা। নয়নতারা খুব সুন্দর একটা মেয়ে। শুধু যে দেখতে তাই নয়, তার ব্যক্তিত্ব আচার-আচরণ সবই সুন্দর। তবে এই খুব সুন্দর মেয়েটা একসময় ভয়ংকর রূপ ধারণ করে, এ জন্যই হয়তো সিনেমার নাম ভয়ংকর।
এটা কি নায়িকা প্রধাণ সিনেমা?
না এটাকে আমি নায়িকা প্রধাণ সিনেমা বলবো না। বলবো গল্প প্রধাণ সিনেমা। এ সিনেমার প্রধাণ আকর্ষণ হচ্ছে এর গল্প।
খুব নির্মোহভাবে বলো, অনিমেষ আইচ কেমন নির্মাতা
অনিমেষ আইচ আমার প্রিয় নির্মাতা। ওনার নির্মাণের সবগুলো দিকই আমার ভালো লাগে। বিশেষ করে তার লেখা। অনেক নাটকে কাজ করি আমি। অনেক স্ক্রিপ্ট হাতে আসে। কিন্তু যখন তার গল্প হাতে পাই, আমার মুখে তখন হাসি ফুটে উঠে। ফলে তার লেখার ফ্যান আমি বরাবরই। আর নির্মাণের জায়গায় অনিমেষ আইচ খুব যত্নশীল একজন নির্মাতা। পর্দায় তিনি প্রত্যেকটা চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। একটা উদাহরণ দেই, ভয়ংকর সুন্দরের শুটিংয়ের জন্য আমরা গিয়েছিলাম সদরঘাট। সেখানে একটা ছোট্ট ছেলের সাথে আমার সিকোয়েন্স আছে। ছেলেটার দুটো ডায়লগ। অনিমেষ দা বাইরের কোন আর্টিস্ট...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

আমাকে সবাই নায়িকা মৌসুমী বলে ডাকতো

মিষ্টি জান্নাত এবার বড়পর্দায় হাজির হচ্ছেন চিনিবিবি হয়ে। ২৪ এপ্রিল মুক্তি পাচ্ছে নজরুল ইসলাম বাবু পরিচালিত ‘চিনিবিবি’।
ছবি নিয়ে আমি বেশ এক্সাইটেড
এটি আমার দ্বিতীয় ছবি। আমাকে নিয়েই গড়ে ওঠেছে ছবির গল্প। ফলে একটু বেশিই এক্সাইটেড বলতে পারেন। আগামীকাল ছবিটি সিরাজগঞ্জের চালাতে মুক্তি পাবে। দর্শকদের সঙ্গে দেখতে আমি চালা যাচ্ছি ২৩ এপ্রিল। চিনি বিবিতে ষোল বছরের একটা মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। চঞ্চল টাইপের একটা মেয়ে।
প্রথমবার মাটির ঘরে
আমি বেড়ে ওঠেছি শহরে। গ্রাম সম্পর্কে আমার তেমন কোনো ধারণাই ছিল না। অভিজ্ঞতা না থাকলেও খুব একটা সমস্যা হয় নি। শুটিং হয়েছে গত বছরের এপ্রিলে শেরপুরের নলিতা বাড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত তিনআনি গ্রামে। এ সময় প্রচন্ড গরম ছিল। তারপর মাঝে মাঝেই কারেন্ট থাকতো না। আর পুরো শুটিং হয়েছে একটা মাটির কাঁচাবাড়িতে। সারাদিন থাকতে হয়েছে মাটির ঘরেই। আর শ্যুটিং করতে হয়েছে খালি পায়ে। যদিও রাতের বেলা থেকেছি শেরপুর শহরে। প্রতিদিন প্রায় আড়াই ঘন্টা জার্নি করে শুটিং স্পটে পৌছতে হয়েছে। সকাল ৬ টায় বের হয়ে রাতের আড়াইটায় ফিরতে হতো। ঘুমিয়েছি মাত্র তিন থেকে চার ঘন্টা করে।
পড়তে হয়েছে মৃত্যুর কবলেও
শ্যুটিং চলাকালে বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়েছে। গ্রামের পরিবেশে মারামারি করার একটা দৃশ্যে একবার পা মচকে গিয়েছিলো। এরপর পায়ে ব্যথা নিয়েই পরেরদিন শুটিং করতে হয়েছে। এরপর আরেকদিন নৌকাডুবির একটা দৃশ্যে পানিতে ডুবে গিয়েছিলাম আমি আর অমিত ভাই। আরেকটু হলেই মরে যেতাম।
আমাকে সবাই মৌসুমী বলে ডাকতো
ঐ গ্রামের মানুষ কখনো নায়িকা দেখে নি। আমাকে দেখেই প্রথমে তার বলতো যে নায়িকা মৌসুমী শুটিং করছে। সবাই আমাকে মৌসুমী মৌসুমী বলে ডাকতো। পরিচালক, ইউনিটের লোকজন ভুল ধরিয়ে দেওয়ার পরও অনেকে বলতো আমি নাকি মৌসুমীর মতো দেখতে। অনেকে শাবনুরও বলেছে। আর...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

৪ দিনব্যাপী ঢাকায় সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র উৎসব

বাঙালি জাতি সত্ত্বার এক মহান প্রতিভূ সত্যজিৎ রায়। শুধু বাংলা ভাষাভাষি অঞ্চলের নয়, উপমহাদেশের এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তিনি। সাহিত্যিক, নির্মাতা, শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এরকম বহু পরিচয়ে তাকে অভিহিত করা যায়। তবে নির্মাতা হিসেবেই তিনি বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত। এই মহান নির্মাতার মৃত্যু ও জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে চলচ্চিত্র উৎসবের।
জানাগেছে, ‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১৫’ শিরোনামে ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। অনুষ্ঠানটি ধানমন্ডির ইএমকে সেন্টারেই অনুষ্ঠিত হবে।
‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১৫’ উৎসবটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে এডওয়ার্ড এম কেনেডি (ইএমকে) সেন্টার এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া। উৎসবটি শুরু হবে প্রতিদিন বিকেল ছয়টায়।
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বড় হয়ে অভিনয়ে ফিরতে চাইছেন দীপু নাম্বার টু

প্রখ্যাত কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা ও সাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস ‘দীপু নাম্বার টু’ অবলম্বনে ও বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় ‘দীপু নাম্বার টু’ মুক্তি পায় ১৯৯৬ সালে।
মুক্তির পর থেকে দেশে-বিদেশে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই চলচ্চিত্রে মূলত ফুটে উঠেছে দীপু নামের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া একটি ছেলের জীবনের চাওয়া-পাওয়া, হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখের এক অনুপম প্রদর্শনী। দর্শকদের মনের আয়নায় আঁকা দীপুর সাথে খুব বেশী পার্থক্য নেই স্ক্রিনের এই দীপুর। চলচ্চিত্রটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অরুণ সাহা।
১৩ বছর বয়সে ‘দীপু নাম্বার টু” ছবিতে কাজ করার সুযোগ পান দীপু ।চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাওয়ার পর কিশোর অরুনের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘তখনকার অনুভূতি অন্য কোন অনুভূতির সঙ্গে তুলনা করার মতো নয়। সব জায়গায় পোস্টারে আমার ছবি দেখে খুব ভালো লাগত। লোকজন আমাকে দীপু নামে ডাকতো, অনেক প্রশংসা বাক্য শুনতাম। চলচ্চিত্রটি জাপানের একটি উৎসবে আমন্ত্রিত হলে জাপানে ভ্রমণেরও সুযোগ হয়। পরবর্তীতে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পীর ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাই। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ট্রফি এবং মেডেল নেয়ার স্মৃতি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
সেই দিপু...
তারপর পড়াশোনার কারনে আর তার অভিনয় করা হয়নি। সম্প্রতি জানা যায়, তিনি মিউজিক নিয়েই কাজ করছেন। 'ক্লাসিকাল মিউজিক একাডেমি অফ ঢাকা'র সঙ্গে ২০১১ থেকে যুক্ত হয়। বিটিভিতে 'ঐকতান' এবং 'চির শিল্পের বাড়ি' নামের একটি অনুষ্ঠানের বেশকিছু পর্বে ওয়েস্টার্ন ক্লাসিকাল মিউজিক পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যতে আরও কিছু পর্বে কাজ করবেন।
এছাড়া শিল্পকলা একাডেমী, ছায়ানটসহ বিভিন্ন জায়গায় অর্কেস্ট্রাল মিউজিক পারফর্ম করেছেন। অভিনয়ে ফিরে আসার ব্যাপারে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই শিশুসত্তা থাকে। আমার মধ্যেও রয়েছে। এখনও আমি অন্তরে দীপুকে লালন করি। তাই অভিনয় বিষয়টি আমার মধ্যে রয়েই গেছে। অবশ্যই অভিনয়ে ফিরে আসার ইচ্ছা আছে। এখন পরিবেশটা অনেক পরিবর্তন...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

লুবনা চর্যার কবিতা ও ছবিতা

বৈশাখের বিচিত্র আবহে আঁলিয়স ফ্রঁসেজের গ্যালারী জুমে একমুঠো জোনাকী উড়িয়ে জয়ধ্বনি দিয়ে উঠলো লুবনা চর্যার চিত্রকর্ম।
হ্যাঁ, পুর্ণেন্দু পত্রীর বিখ্যাত কবিতা ‘এক মুঠো জোনাকী’র মতোন লুবনা চর্যার শৈল্পিক ভাবনা রঙ তুলির রেখায় যেনো চিত্রকর্মে ঠাঁই করে নিয়েছে। এবং সত্যি সত্যিই চিত্রকর্মগুলো যেনো সময়ের জয়ধ্বনি। আর ‘ফায়ারফ্লাই’ বা জোনাকি লুবনা চর্যার একক চিত্র প্রদর্শনী, যা আঁলিয়স ফ্রঁসেজে শুরু হয়েছে ২৪ এপ্রিল শুক্রবার থেকে।
লুবনা চর্যার ‘চিত্রশিল্পী’র পরিচয়ের আগে তিনি একজন কবি। জিওগ্রাফি ইন অ্যা জ্যু, শয়তানের অভিনব কারখানা, পপকর্ন তার প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ। কবি হিসেবে তার পরিচিতি থাকলেও, চিত্রশিল্পী হিসেবে তার পরিচিতিটা খুব পুরনো নয়। তবে কবি সত্ত্বার আড়ালে মনের ক্যানভাসে তিনি রঙ তুলি চালিয়েছেন সচেতন অবচেতনে। একজন কবিও তো শিল্পী, তাকেও দৃশ্যকল্প নিয়ে কাজ করতে হয়। কবি শুধু মনের ক্যানভাসে আঁকা দৃশ্যগুলো শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে তুল ধরেন তার কবিতায়, আর একজন চিত্রশিল্পী তার ভেতর গেঁথে থাকা দৃশ্যগুলো রঙ তুলির আচরে তার ক্যানভাসে আঁকেন।
শিল্পকলার সর্বস্তরে বিচরণ করার সাহসী মনোভাবতো একজন কবির দ্বারাই সম্ভব। লুবনা চর্যাও তাই করলেন। কারণ লুবনা চর্যা প্রতমত একজন কবি। আর তার কবি ও আঁকিয়ে সত্ত্বার সম্মিলনে এঁকে চলা সৃজনশীল চিত্রকর্ম নিয়ে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ ঘটলো একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর।
লুবনা চর্যার ১৮টি অভিনব চিত্রকর্ম নিয়ে ঢাকার ধানমিন্ডর আঁলিয়স ফ্রঁসেজে ২৪ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত চলছে তার একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী। চিত্রকর্মগুলো নিয়ে কথা হলো তার সাথে।
একজন আর্টিস্টটের কাছে তার প্রত্যেকটি চিত্রকর্মই আপন, মায়ের কাছে প্রত্যেকটা সন্তান যেরকম। তারপরও লুবনা চর্যার ‘ফেইসবুক আর্টিস্ট,’ ‘ড্রিমস এন্ড ড্রিম ইটার’, ‘এম্পটি পোট্রেট’, ‘উইংস অব টার্টলস’, ‘ব্যাড টাইম এন্ড স্যাড টাইম’ শিরোনামের চিত্রকর্মগুলো অসাধারণ লেগেছে। এই চিত্রকর্মগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে চিত্রশিল্পী লুবনা চর্যা হেসে ধন্যবাদ জানালেন। এবং মুগ্ধ...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরলাম

অাজ ভোর চারটা-পাঁচটার দিকে বাসায় ফিরেছি। বাসায় এসেই ঘুমিয়েছি। সারাদিন না খাওয়া। মাথাটা মনে হচ্ছে ব্লক হয়ে আছে। থমথমে লাগছে সবকিছু। শারীরীকভাবে আমি সুস্থ থাকলেও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।
ভূমিকম্প শুরুর ঠিক সময়টা মেন নেই। তবে সেটা নেপালের সময় ১১টা বারটার দিকে হবে। আমরা তখন নাগরকোট এর হিমালয় রিসোর্টে শুটিং করছিলাম। আমার মনে হয় রিসোর্টে পৌছার পনের মিনিট পরেই ভূমিকম্প শুরু হয়। ভূমিকম্পের দৃশ্য পুরোটা আমাদের ক্যামেরায় ধারণ করা আছে। অার চোখের সামনেই রিসোর্টটা ধ্বংস হতে দেখি। ঐ রিসোর্টটা এখন আর নেই। রিসোর্টের ভেতর যারা ছিল তারা আহত হয়েছে। আমাদের ইউনিটের রুনা খান তখন ম্যাকআপ রুমে ছিলেন। তিনি বের হতে গিয়ে বেশ আহত হয়েছেন। আমরা অনেকক্ষণ রিসোর্টের উপর দাড়িয়ে ছিলাম পরে আশঙ্কা হওয়ায় নেমে পড়ি। টানা ২ ঘন্টা ধরে একটু পরপর ছোট ছোট ভূকম্পন হয়েছে। ফলে আতঙ্কে আমরা কোথায় যাই নি। এ সময় খোলা আকাশের নিচে সবাই দাড়িয়েছিলাম। এর দেড়ঘন্টা পরে আমরা ফেরার চেষ্টা করি। একটা রেস্টুরেন্ট গিয়ে সবার আগে ওয়াইফাই খুঁজে বের করে অনলাইনে সবাইকে বিষয়টি জানাই। পরে দেশ থেকে অ্যাম্বাসিকে ইনফর্ম করলে তারা আমাদের খুজে বের করে। পরে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসির সহায়তায় আমরা কাঠমান্ডুতে ফিরি। এক ঘন্টার রাস্তা চার আসতে হয়েছে চার ঘন্টায়। এরপর গত দু দিন অ্যামআবাসির সামনে খোলা মাঠে অবস্থান নেই সবাই।
এখনো কল্যাণ ভুলতে পারছেন না । চোখের সামনে ভেসে আসছে ধ্বংসাবশেষের দৃশ্য। কল্যাণ বলেন, পুরো নেপাল এখন ধ্বংসস্তুপ। অকেজো হয়ে গেছে রাস্তা। বড় বড় হোটেল ক্যাসিনো সব ধ্বংস প্রায়। এয়ারপোর্ট এর অবস্থা্ও খুব খারাপ। পুরা দেশটায় এখন হাহাকার চলছে। নেপালের অবস্থা এখন খুবই ভয়াবহ। দু দিন ধরেই থেমে থেমে ভূমিকম্পের কাঁপুনি হচ্ছে। সবাই আতঙ্কে মনে হয়...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

সত্যজিৎ রায়: স্বপ্নগ্রস্ত এক চলচ্চিত্রকার

বাঙালি জাতি সত্ত্বার এক মহান প্রতিভূ সত্যজিৎ রায়। শুধু বাংলা ভাষাভাষি অঞ্চলের নয়, উপমহাদেশের এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তিনি। সাহিত্যিক, নির্মাতা, শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এরকম বহু পরিচয়ে তাকে অভিহিত করা যায়। তবে নির্মাতা হিসেবেই তিনি বিশ্বে জনশ্রুত। তাই বলে তার সাহিত্যিক মানও তার সমকালীন সময়ের কোনো প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক থেকে কম ছিলো না; বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সত্যজিৎ রায় তার সমকালকেও ছাড়িয়ে গেছেন। সত্যজিতের অমর সৃষ্টি ‘ফেলুদা’ তাঁর সৃষ্টিশীলতার স্বাক্ষর বয়ে চলছে যুগ থেকে যুগান্তরে।
গত শতকের বিশ্ব সিনেমার নেতৃত্বশীলদের একজনও সত্যজিৎ রায়। সিনেমা যে একটি শক্তিশালী শিল্প মাধ্যম, তা এই উপমহাদেশে তার আগে আর কে বুঝাতে কিংবা বুঝতে পেরেছেন।
তার স্বপ্ন ছোঁয়ার সাধ
ইতালিয়ান পরিচালক ভিত্তোরি দ্য সিকা’র বানানো ‘বাই সাইকেল থিফ’ ছবিটি দেখে সিনেমা বানানোর স্বপ্নে বিভোর হন এক তরুণ, নাম তার সত্যজিত রায়। সমস্ত আবেগ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন সিনেমা বানাবেন বলে। অন্যদিকে মাথার ভিতর গেঁথে আছে সাহিত্যিক বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসটি। পণ করলেন সিনেমা বানাবেন, এবং মাথার ভেতর গেঁথে থাকা ‘পথের পাঁচালি’ দিয়েই শুরু করবেন।
পথের পাঁচালি’র চিত্রনাট্য নিয়ে চললো দৌড় ঝাঁপ, স্ক্রীপ্ট নিতে মুখিয়ে ছিলেন আরো অনেকে। কিন্তু বিভুতির স্ত্রী সত্যজিৎকেই দিলেন পথের পাঁচালির সত্ত্ব। মুগ্ধ হয়ে সিনেমা বানাতে নেমে পড়লেন সত্যজিৎ।
সিনেমা বানাতে পয়সা লাগে...
সিনেমা বানাতে আবেগ আর আন্তরিকতার অভাব ছিলো না সত্যজিৎ রায়ের। তবে তাঁর অভাব ছিলো অর্থের। সিনেমা বানাতে যে পয়সা লাগে, তার খুব ভালো জানা ছিলো না। ফলে একাধিকবার সত্যজিৎকে বন্ধ করতে হয় ‘পথের পাঁচালি’র শ্যুটিং।
ভারতের নামিদামি প্রযোজক, ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান আর উচ্চবিত্তের ধারে ধারে ঘুরেছেন অর্থলগ্নির জন্য। কিন্তু এমন তরুণ একজন নির্মাতাকে অর্থ দিতে সাহস করে কেউ এগিয়ে আসেনি। নিজের জমানো টাকা, স্ত্রীর গয়না বিক্রি এবং...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

নেপালের সাহায্যার্থে বলিউড

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলায় পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যেমন এগিয়ে এসেছে নেপালের পাশে দাঁড়াতে। তেমনি নেপালের ভূমিকম্পে এবার পথে নামল বলিউড। বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন, অনিল কাপুর, করণ জোহর, আলিয়া ভাট সহ আরও অনেকেই তাঁদের ফ্যান ফলোয়ার বন্ধুদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন আর্থিক সাহায্যের জন্য।
‘জয়েন্ট হ্যান্ড ফর নেপাল’ শিরোনামে অনলাইনে ত্রাণ গ্রহণের ব্যবস্থা করেছেন। আপাতত এক লাখ টাকা তোলার টার্গেট নিয়েছেন আয়োজকরা। পাঁচ হাজার টাকা দামের কুড়িটি সারভাইভ্যাল কিট কিনে নেপালে পাঠাতে চান তাঁরা। এই কিটে থাকবে তারপুলিন তাবু, ম্যাট এবং পরিচ্ছন্নতার জন্য বিবিধ সামগ্রী। ‘কেয়ার ইন্ডিয়া’ বলে যে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থান নেপালে দুর্গতদের সাহায্যে কাজ করছেন তাঁদের সঙ্গেই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নেমেছেন বলিউড সেলিব্রেটিরা।
[…]