Health Image +

অ্যাজমার লক্ষণ ও করণীয়

অসুখ কার না হয়? দেহ থাকলে রোগ হবেই, আর আমাদেরকেও চেষ্টা করতে হবে সেই রোগ প্রতিকারের। অসুখের লক্ষণগুলো যদি আমরা আগে থেকে বুঝতে পারি,তা হলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিকার করা সম্ভব আরও ভালো ভাবে। আবার ছোট কিছু ব্যাপার মেনে চললে অনেক শারীরিক সমস্যাকেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিজের শরীরের কথা শুনুন মন দিয়ে।
কোন সমস্যা হচ্ছে মনে হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ছোটখাটো অসুখের লক্ষণগুলি যদি নিজে আগে থেকেই বুঝতে পারেন, কিংবা মেনে চলেন কিছু সাধারণ ব্যাপার তাহলে অনেকাংশেই বাঁচতে পারবেন সমস্যার কবল হতে। চলুন, আজ আলোচনা করা যাক অ্যাজমা নিয়ে।
অ্যাজমা শ্বাসতন্ত্র এবং ফুসফুস ও শ্বাসনালী জনিত সমস্যা। অ্যাজমা হলে মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হয়। যতক্ষণ না মারাত্মক আকার ধারন করছে ততক্ষণ পর্যন্ত অনেকেই জানতে পারেন না যে তাদের এই অসুখটি আছে।
লক্ষন সমূহ–
- নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয়।
- বেশ কাশি থাকে। বিশেষ করে রাতের বেলা কাশি বেড়ে যায়।
- ঘুমানোর সময়ে কাশি বেশি হয় অনেকের।
- কফ থাকতে পারে।
- অনেক সময় বুকে চাপ অনুভব হয়।
- শারীরিক কর্মকাণ্ড করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। কিছুক্ষন হাঁটলে বা সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা করলে শ্বাস কষ্ট শুরু হয়।
আক্রান্ত হলে যা করতে পারেন-
- অ্যাজমা ও অ্যালার্জির ওষুধ সব সময় হাতের কাছে রাখুন। যাতে দরকার হলে সহজেই খুঁজে পান।
- ভিটামিন –এ জাতীয় খাবার যেমন, কলিজা ও গাজর খাবেন।
- সবুজ শাকসবজি বিশেষ করে পালং শাক ও মধু অ্যাজমার জন্য উপকারি। তাই এগুলো বেশি খাবেন।
- নিয়মিত চেকআপ করাবেন।
- শ্বাস কষ্ট শুরু হলে বা নিঃশ্বাস নেবার সময় শিসের মতো শব্দ হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।
- নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে পারেন ।
-...

Read More
Health Image +

হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ধরে রাখবে আশাবাদ

আশাই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। মানুষ যত বেশি আশাবাদী হয় তার স্বাস্থ্য তত ভাল থাকে। হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় এর গুরুত্ব আরো বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আশাবাদী মানুষের হৃদযন্ত্র হতাশ মানুষদের তুলনায় অনেক সুস্থ্য থাকে।
ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রধান গবেষক রোসালবা হার্নান্দেজ বলেন, “হতাশ ব্যক্তিদের তুলনায় প্রচণ্ড আশাবাদী ব্যক্তিদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য দ্বিগুন ভাল থাকে।”
“এমনকি যারা আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে চেষ্টা করছেন অথবা যাদের বিভিন্ন মানসিক সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও আশাবাদ সুনির্দিষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম।”
আশাবাদ এবং হৃদযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য শিরোনামে এ গবেষণায় পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন।
সাতটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে অংশগ্রহণকারীদের হৃদযন্ত্রের অবস্থা বিবেচনা করা হয়েছে। সেগুলো হলো: রক্তচাপ, উচ্চতা অনুযায়ী ওজন, খালি পেটে রক্তে শর্করার পরিমাণ, রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা, খাদ্য তালিকা, শারীরিক পরিশ্রম ও তামাক গ্রহণ।
তাদের মানসিক স্বাস্থ্য, তারা কতখানি আশাবাদী এবং তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যও পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, যারা অনেক বেশি আশাবাদী তাদের হৃদযন্ত্র হতাশ ব্যক্তিদের তুলনায় দ্বিগুন সুস্থ্য।

Read More
Health Image +

পুদিনা পাতায় কফ-কাশি দূর

পুদিনা একটি ঔষধী গাছ। পুদিনার বাকল ও পাতায় আছে হরেক রকম ঔষধী গুন। আজকাল বাজারে পুদিনা পাতার নির্যাস সমৃদ্ধ টিব্যাগও পাওয়া যাচ্ছে। কফ কাশিতে যারা ভুগছেন তাদের জন্য টোটকা চিকিৎসা হতে পারে পুদিনা পাতা।
কফ-কাশিতে আমরা সাধারণত এক্সপেক্টোরেন্ট জাতীয় ওষুধ খেয়ে থাকি। এক্সপেক্টোরেন্টের কাজ হলো গলা থেকে কফ বের করে দেয়া। কিন্তু এর একটা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে।
এসব ওষুধ খেলে ঘুম ঘুম ভাব হয়। তাই এর বিকল্প হিসেবে আপনি পুদিনা পাতার সাহায্য নিতে পারেন। গরম পানিতে সামান্য পরিমাণ পুদিনা পাতা সেদ্ধ করে পান করুন।
পুদিনা পাতা এক্সপেক্টোরেন্টের কাজ করবে। বোনাস হিসেবে আপনি পেতে পারেন আরো একটি বড় ধরনের উপকার। আর তা হলো পুদিনা পাতা আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে।
জ্বর তাপ, অসুখে ভোগে মুখের স্বাদ কমে গেলে স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করবে পুদিনা পাতা সেদ্ধ করা হালকা গরম পানি।
বর্তমানে অধিকাংশ চা দোকানে রং চায়ের সাথে পুদিনা পাতা ব্যবহার করে থাকে। যা আপনার একদম হাতের লাগালে বলেই অতি দ্রুত কফ কাশি সেরে যাবে, আর আপনি পাবেন সতেজ আমেজ।

Read More
Health Image +

সুন্দর দাঁতের রহস্য

দাঁতের যত্ন না নিলে দেখা দিতে পারে দাঁতের নানা সমস্যা। দাঁত এবং দাঁতের মাড়িতে সমস্যার কারণে সৃষ্ট ভাইরাস মুখের ভেতর ইনফেকশনের জন্ম দেয়, যা মুখের ভেতরের ক্যানসারের জন্য অনেকটাই দায়ী।
অ্যামেরিকার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যানসার প্রতিরোধ বিষয়ে গবেষণারত এক বিশেষজ্ঞের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিষয়টার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন অ্যামেরিকার একটি মেডিকেল কলেজের ১০ জন শিক্ষার্থী। তাই তাঁরা ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরের একটি স্কুলের বাচ্চাদের দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায় এগিয়ে এসেছেন।
স্কুলের বাচ্চাদের দেখিয়েছেন কিভাবে সঠিক উপায়ে দাঁত ব্রাশ করতে হয়, দাঁতের মাড়ি ও জিভ পরিষ্কার করে সুস্থ-সুন্দর জীবনযাপন করা যায়।
যদি বাচ্চাদের যথাসময়ে এসব বিষয়ে সচেতন করা যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তার ফলাফল ভালো হয়। জার্মানির শিক্ষা মন্ত্রণালয় মারবুর্গ শহরের স্কুল বাচ্চাদের নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল, যার ফলাফলে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।
মারবুর্গের স্কুলের বাচ্চাদের সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করা শেখানোর ফলে পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দাঁতের ক্ষত অর্ধেকে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
নিয়ম করে করলে সবকিছুই অনেক সহজ হয়ে যায়। যেমন প্রতিদিন সকাল ও রাতে খাবার পর দু’মিনিট করে দাঁত ব্রাশ করলে এবং দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার বিশেষ ব্রাশের মাধ্যমে পরিষ্কার করলে, সুন্দর হাসিটি ফুরিয়ে যাবে না কখনই!

Read More
Health Image +

চুলকানি রোধ করার ৪টি উপায়

দেহে চুলকানি কোন নতুন সমস্যা নয়। বিভিন্ন কারণেই দেহে চুলকানি হতে পারে। অনেক সময়ই আমাদের হাতে, পায়ে, পিঠে চুলকানি হয়। তা কোন শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াই হতে পারে কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ যা আমরা হাত দিয়ে চুলকালেই সেরে যায়। তবে অন্যান্য ধরণের কিছু চুলকানি হয়ে থাকে যেমন, এলার্জি, মশার কামড় কিংবা যেকোন পোকার কামড়, শরীরে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণ, হাত পা ছিলে গেলে তা শুকানোর সময়ও চুলকানি হয়ে থাকে।
আর এই সমস্যাগুলোতে হাত দিয়ে চুলকিয়েই আরাম পাওয়া যায়না। বেশি সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখাতে হয় কিংবা ঘরোয়া উপায়েও সারিয়ে তোলা যায়। তাই যে কোন রকমের চুলকানি সারিয়ে তুলতে আপনি সাহায্য নিতে পারেন প্রাকৃতিক কিছু জিনিসের। চলুন জেনে নিই জিনিস গুলো ও তার ব্যবহার সম্পর্কে।
লেবু
ভিটামিন সি তে ভরপুর লেবু যে কোন চুলকানি খুব সহজেই দূর করে দেয়। বিশেষ করে লেবুর ভোলাটাইল তেল শরীরের যেকোন রকমের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে থাকে। লেবু টুকরা করে কেটে নিয়ে চুলকানির স্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন দেখবেন চুলকানি কবে যাবে।
পেট্রোলিয়াম জেলি
যদি আপনার ত্বক খুব নাজুক হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন কারণ এর কোন বিপরীত প্রতিক্রিয়া নেই এবং এই জেলিতে কোন ধরণের বিষাক্ত পদার্থ নেই যা আপনার ত্বকের ক্ষতি করবে। তাই শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে মশ্চারাইজিং ক্ষমতা। এবং এটি আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো। শরীরের যেকোন জায়গায় চুলকানি হলে অ্যালোভেরা কেটে এক টুকরা নিয়ে সেখানে ঘষুন চুলকানি চলে যাবে।
তুলসী পাতা
কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যেকোন ধরণের জ্বালা পোড়া ও চুলকানি তামাতে সহায়তা করে। কয়েকটি তুলসী পাতা নিয়ে ধুয়ে নিন তারপর যেখানে...

Read More
Health Image +

ওষুধ না খেয়েই নিয়ন্ত্রণ করুন ব্লাড প্রেসার

আজকের বদলে যাওয়া লাইফস্টাইলের সঙ্গে স্ট্রেস ও টেনশনের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে যে অসুখটি বেশি করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে তার কেতাবি পরিচয় হাইপারটেনশন। ডাক নাম উচ্চ রক্তচাপ। ১২০/৮০-কে সাধারণত নর্মাল প্রেশার বলা হয়। কিন্তু সমস্যার ঘনঘটা দেখা দিতে শুরু করে যখন তা ছাড়িয়ে চলে যায় ১৪০/৯০-এর কোঠা !
আগে খুব একটা পাত্তা না দিলেও যেই প্রেশার মাপার যন্ত্রে এই রিডিং নজরে এল, অমনি ছুটলেন ডাক্তারের কাছে। প্রেসক্রিপশনে এল বেশ কয়েকটা ভারী ভারী ওষুধের নাম। কিন্তু এই সবই অনায়াসে এড়াতে পারেন যদি মেনে চলে কয়েকটি সহজ উপায়। সারা জীবন তা হলে হাই প্রেশারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
এক্সারসাইজ:
নিয়মিত এক্সারসাইজ ম্যাজিকের মতো কাজ করে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যাঁদের এখনও এই সুখী রোগটি চেপে ধরেনি তাঁদের এর থেকে শত হাত দূরে রাখতে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাঁরা নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন তাঁদের অক্সিজেন ইনটেকের ক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি হার্টের কার্যকরী ক্ষমতাও অনেক বেড়ে যায়।
টই দইয়ে কেল্লাফতে:
না, না তার মধ্যে আবার মনের সুখে চিনি আর নুন মেশাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে। বরং প্রতিদিন নিয়ম করে ১২০ গ্রাম টক দই খান। এতে মজুত ক্যালশিয়াম ব্লাড ভেসল ভালো রাখে। ফলে প্রেশারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
কলা:
অনেকেই কলা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু বিশ্বাস করুন কড়া কড়া ওষুধ খাওয়ার থেকে রোজ একটা করে কলা খেলে বেশি সুস্থ থাকবেন। এতে রয়েছে পটাশিয়াম যা শরীরে ফ্লুয়িড ব্যালেন্স মেন্টেন করতে সাহায্য করে। আর আপনার হাই প্রেশারের ‘হ’-ও আপনার ধারে কাছে আসবে না।
নুন দিন বাদ:
নুন কিন্তু উচ্চরক্তচাপ হওয়ার পিছনে অন্যতম ভিলেন। তাই কাঁচা নুন না খাওয়াই ভালো। তবে এখানেই লিস্ট শেষ হচ্ছে না। যে...

Read More
Health Image +

হেঁচকি : কারণ ও প্রতিরোধ

আমরা শ্বাস নেই বা নিঃশ্বাস ছাড়ি। তখন বক্ষচ্ছদা ওঠা নামার সঙ্গে সঙ্গে সহজেই নাক বা শ্বাসনালী দেয় বাতাস ভেতরে ডুকে বা বাইরে যায়। এখানে বক্ষচ্ছদার দায়িত্ব অনেক। এটি একটি শক্ত মাংসল পর্দার মতো বক্ষপিঞ্জর ও উদরের মধ্যবর্তী সীমানা হিসবে কাজ করে।
এর সংকোচন ও প্রসারণ বক্ষপিঞ্জরের ভেতরের ব্যাস উপর নিচ বাড়ায়, যা শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অতি জরুরি। কিন্তু এর সংকোচন প্রসারণের অস্বাভাবিকতা হেঁচকি তৈরি করতে পারে।
হেঁচকি কিভাবে হয়?
বক্ষচ্ছদার স্বাভাবিক সংকোচন প্রসারণ ছন্দ এলোমেলো হয়ে গেলে হেঁচকি নেই। তখন মাংসল পর্দাটি সমতল হয়ে ফুসফুসকে প্রসারিত হওয়ার জায়গা করে দেয়। একই সময় আলজিভ নামক ছোট্ট মাংসপিণ্ডটি খাদ্যনালীর পথ বন্ধ করে দেয়। যেন তারা শ্বাসনালিতে ঢুকতে না পারে।
কিন্তু হেঁচকির সময় বক্ষচ্ছদা ও পাঁজরের হাড়ের মধ্যবর্তী মাংসপেশিগুলো মোচড়ানো ধরনের মাংসপেশির সংকোচন ঘটায়।এতে অজ্ঞাতসারই আলজিভকে বোকা বানিয়ে বাতাস ভেতরে ঢুকে যায়। বাতাস যখন সজোরে ভোকাল কর্ড পার হয়ে যায়, তখন হেঁচকির শব্দ হয়।
অতপর মুখ ও নাসিকা পথ খোলে। বক্ষচ্ছদা ও পাঁজরের হাড়ের মধ্যবতী মাংসপেশিগুলো তখন শিথিল হয়।বেশি গরম বা বেশি ঠাণ্ডা পানীয় মসলার প্রাচুর্যে রান্না করা খাবার, অতি দ্রুত খাওয়া, মদ্যপান, শীতল বাতাস গলধঃকরণ করা বা প্রচণ্ড ব্যায়াম করা ইত্যাদি হেঁচকির কারণ হতে পারে।
তবে অনেক সময় সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াও হেঁচকি হতে পারে। শিশুদের প্রতিবার খাবার পরপরই হেঁচকি দেয়ার প্রবণতা থাকে।তবে কিভাবে হেঁচকি হয় তা এখনও রহস্যাবৃত। তবে এটা নিশ্চিত যে, হেঁচকি হওয়ার জন্য ২/১টা স্নায়ুর অস্বাভাবিকতা জড়িত থাকছে।
এ স্নায়ুগুলো মস্তিষ্কের ভুল জায়গায় উদ্দীপনা পাঠাতে পারে বা মাংসপেশির ছন্দময় স্বাভাবিক সংকোচন প্রসারণকে নষ্ট করে দিতে পারে। এ স্নায়ুগুলো প্রধানত বক্ষচ্ছদাকে নিয়ন্ত্রণ করে। তবে পাকস্থলি কেন সাড়া দেয়, তা এখনও পরিষ্কার নয়। হেঁচকির...

Read More
Health Image +

আবহাওয়ার পরিবর্তনে হঠাৎ জ্বর

যদিও এখন বৃষ্টি হচ্ছে না প্রায়শই কিন্তু তাই বলে গরম কিন্তু একেবারে কম নয় বরং এই হঠাৎ বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরম মিলিয়ে অনেকেই হয়ে পড়ছেন অসুস্থ। এরকম আবহাওয়ায় ঠাণ্ডা-জ্বর বা ভাইরাস সংক্রমিত জ্বর হতে পারে। এছাড়া এসময় ডেঙ্গুর প্রকোপও দেখা যাচ্ছে চারপাশে। তাই এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন সবাই। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সাবধানতা মেনে চললে জ্বর থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা যায়। আগে জেনে নিই জ্বর সাধারণত কি কি কারনে হতে পারে-
ঘাম থেকে জ্বর
অনেকে গরমে খুব ঘামেন আর সেই ঘাম গায়েই শুকিয়ে যায় একসময়। তা থেকে অনেকের ঠাণ্ডা লাগে। এই ঠাণ্ডা থেকেই আবার সর্দি বা ভাইরাসজনিত জ্বর হয়ে থাকে, যা সাধারণত চার থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
আবহাওয়ার পরিবর্তন
এখন যাদের জ্বর হচ্ছে তাঁদের মূলত আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারনেই জ্বর হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি বা স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এবং এক ঘরে অনেক লোক গাদাগাদি করে বসবাস করলেও জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন লোকদের হঠাৎ জ্বরের ঝুঁকি বেশি।
জ্বর হয়েছে কিভাবে বুঝবেন
আপনার জ্বর হয়েছে কিনা তা সহজেই আপনি অনুভব করতে পারবেন জ্বরের কিছু স্বাভাবিক লক্ষণ দ্বারা। এসময় প্রচন্ড মাথা ব্যথা বা মাথা ভারি বোধ হয়, শরীরে ব্যথা করে, হালকা জ্বর (১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি নয়) অনুভূত হয়, গলা ব্যথা করে । এছাড়াও অনেকের নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়তে থাকে, চোখ লাল হয়ে যায় , এসব উপসর্গ পরিলক্ষিত হলে বুঝতে হবে জ্বর হয়েছে আপনার।
জ্বর হলে কি করবেন
অধিকাংশ সময়েই এ ধরণের ভাইরাস জ্বর বা গরমে জ্বর আপনা আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। তাই এই জ্বর নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। জ্বর কমানোর জন্য তাই...

Read More
Health Image +

হেপাটাইটিস সি


হেপাটাইটিস মারাত্মক এক ভাইরাসের নাম। তবে এটি দু ভাগে বিভক্ত। একটি হলো হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং অপরটি হেপাটাইটিস ‘সি’। হেপাটাইটিস ‘সি’ একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাস। প্রধানত রক্তের মাধ্যমে এই ভাইরাসটি একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে ছড়ায়। গঠনগত দিক থেকে হেপাটাইটিস সি – কে ছয়টি জেনোটাইপে ভাগ করা হয়েছে।
ক্ষতিকর দিক:
এটি এমন এক ধরনের ভাইরাস যা সরাসরি লিভারের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই ভাইরাসটি লিভারের কোষে বাসা বাঁধে এবং সেখানে ধীরে ধীরে বংশবিস্তার করতে থাকে। এই ভাইরাসের প্রভাবে লিভারের কোষগুলোতে শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি ইনফেকশন বা ক্রনিক হেপাটাইটিস। এর ফেলে ধীরে ধীরে লিভারের কোষগুলো তাদের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগের সৃষ্টি হয়।
যেভাবে সংক্রমিত হয়:
 পরীক্ষা ছাড়া হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে
 হেপাটাইটিস সি আক্রান্ত ব্যক্তির অপারেশনের পর সেই যন্ত্রপাতি দিয়ে সুস্থ মানুষের অপারেশন করা হলে এই ভাইরাস সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রমিত হয়।
 থুথু, ঘামের মাধ্যমে একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে এ রোগটি ছড়ায়।
লক্ষণ:
হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্তদের ৫/১০ বছরের মধ্যে কোনো লক্ষণ থাকে না। অধিকাংশ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর শরীর ম্যাজম্যাজ করে, অনেকের হাত-পায়ের পাতা গরম থাকে এবং চোখ জ্বালা করে। আহারে রুচি কম থাকে এবং পেটের পীড়ায় ভুগতে থাকে। অনেকে সাদা আমযুক্ত মলত্যাগও করে।
লক্ষণ ও উপসর্গ:
হেপাটাইটিস-সি শরীরে প্রবেশের পর বিভিন্ন ধরনের আচরণ করে থাকে। আচরণের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক সময় হেপাটাইটিস-সি কোনো লক্ষণ প্রকাশ ছাড়াই অনেক দিন ধরে স্বল্পমাত্রায় লিভারের ক্ষতি করতে থাকে। রক্ত দেয়ার সময় অথবা অন্য কোনো কারণে হেলথ চেকআপ করতে গিয়ে রক্তে হেপাটাইটিস-সি শনাক্ত হয়ে থাকে।
হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত...

Read More