Health Image +

চুম্বনের মাধ্যমে ছড়ায় যে ৭ টি মারাত্মক রোগ

ভালোবাসার প্রতীক হিসেবেই ধরা হয় চুম্বনকে। যাদের আমরা পছন্দ করি এবং ভালোবাসি সকলেই ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে চুম্বন এঁকে দিই কপালে, গালে এবং ঠোঁটে। চুম্বনের অনেক উপকারিতা রয়েছে তা আমরা সকলেই জানি। বিশেষ করে ঠোঁট চুম্বনের মাধ্যমে ওজন কমানোর মতো তথ্যও পাওয়া গিয়েছে।
কিন্তু আপনি জানেন কি, চুম্বনের রয়েছে অনেক বড় অপকারিতা? চুম্বনের মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ছড়াতে পারে ৭ টি মারাত্মক রোগ। অবাক হচ্ছেন? চলুন তবে জেনে নিই বিস্তারিত।
১) মোনো নামক একধনের চুম্বনের ফলে সংক্রমিত রোগ রয়েছে যা এই চুম্বনের মাধ্যমেই ছড়িয়ে থাকে। এই রোগের ফলে আপনি অসুস্থ থাকতে পারেন প্রায় ৬ সপ্তাহ। আবেগের বশবর্তী হয়ে অনেকেই গভীরভাবে চুম্বন করে ফেলেন সঙ্গীকে। কিন্তু জেনে রাখুন, এই ধরণের চুম্বনের ফলে যে মোনো নামক রোগটি হয় তা প্রাণঘাতী রোগ ‘মেনিনজাইটিস’এর সমতুল্য।
২) ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি একজনের দেহ হতে অন্য জনের দেহে ছড়িয়ে যায় চুম্বনের ফলে।
৩) যে জিনিসটিকে আমরা ‘জ্বর ঠোসা’ বলে জানি অর্থাৎ জ্বর, সর্দির কারণে ঠোঁটের কিনারায় যে ফোসকার মতো সৃষ্টি হয় তা চুম্বনের মাধ্যমে অন্য আরেকজনের দেহে ছড়িয়ে পরতে পারে। এমনকি এই জ্বর ঠোসা ভালো হয়ে যাওয়ার ৩/৪ দিন পরও ছড়াতে পারে।
৪) ছোঁয়াচে যে কোনো রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে চুম্বনের ফলে। কারণ একজন আক্রান্ত ব্যক্তির সালিভা অন্য আরেকজনের সংস্পর্শে এলে সুস্থ ব্যক্তিটির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৫) মুখের ভেতরের ইনফেকশনজনিত যে কোনো রোগ, ফোসকা, ওয়ার্ট ইত্যাদি একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে চুম্বনের ফলে।
৬) দাঁত ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া চুম্বনের মাধ্যমে একজনের মুখ থেকে অন্যের মুখে খুব সহজেই ছড়িয়ে যায়।
৭) যারা হেপাটাইটিস রোগে আক্রান্ত তাদের চুম্বনের মাধ্যমে অন্যের মুখে যে সালিভা প্রবেশ করে তার ফলে সুস্থ ব্যক্তিরও...

Read More
Health Image +

হৃদরোগে নারীর মৃত্যুহার বেশি

আদিকাল থেকেই প্রচলিত ছিল, হৃদরোগে পুরুষের মৃত্যুহার নারীর চেয়ে অনেক বেশি। আর তাই এক প্রকার নিশ্চিন্তেই থেকেছেন নারীরা। কিন্তু চিকিৎসা শাস্ত্রের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট আগের সব ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে। দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে আজকের নারীদের।
গ্লোবাল হার্ট নামক জার্নালে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিবছর হৃদরোগে পুরুষের তুলনায় নারীর মৃত্যুহার বাড়ছে। এদিকে নারীরা পুরুষদের মতো প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা বা হৃদরোগ প্রতিকারের পর্যাপ্ত পরামর্শ পায় না। এদিকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচএ) জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে নারীদের মধ্যে হৃদরোগের প্রকোপ বেড়ে গিয়েছে ৩০০ গুণ! তাদের হিসেব মতে, স্তন ক্যান্সারে যত নারী মারা যাচ্ছেন, তার ছ’গুণেরও বেশি নারীর মৃত্যুর কারণ হচ্ছে হৃদরোগ।
নতুন এই তথ্য উন্নয়নশীল বিশ্বের চিকিৎসকদের খুব বেশি চিন্তিত করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকটা প্রতিরোধ এবং প্রতিকার করা সম্ভবও হয়েছে। অবহেলিত থেকে গেছে মেয়েদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি।

Read More
Health Image +

ক্যানসার সহ প্রায় অর্ধশতাধিক যেসব রোগের মহৌষধ সহজলভ্য ফুলকপি

ফুলকপি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এই পাতার উপরিভাগে ক্যানসার নিরোধক উপাদান পেয়েছেন বলে একদল বিজ্ঞানী জানিয়েছেন।
বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অর্ধেক কমাতে হলে সপ্তাহে প্রায় এক কেজি ফুলকপি এবং সমজাতীয় শাকসবজি খেতে হবে। ফুলকপির কচি পাতা সপ্তাহে প্রায় ৩০ গ্রাম পরিমাণে খেলে ওই ক্যানসারের ঝুঁকি অর্ধেক কমতে পারে।
আরেক গবেষণায় দেখা যায়, ফুলকপির কচি পাতা থেকে সংগৃহীত আইসো থায়োসায়ানেটস নির্যাস প্রয়োগে বুকের টিউমারের আকার ও সংখ্যা কমে। এসব টিউমার ক্যানসারে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা ছিল।
খাওয়ার উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। ফুলকপির পাতায় প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন আছে। এতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ২৫ গুণ ও গরুর দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি।
ফুলকপির কচি পাতায় প্রায় সব খাবারের চেয়ে অনেক বেশি আয়রন আছে। যেমন: সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। তবে এই পুষ্টিমান ফুলকপির জাত ও উত্পাদনের স্থানের ওপর নির্ভরশীল।
ফুলকপির আরও কিছু গুণ
সবজির আধিক্যে ফুলকপির নিজস্ব অবস্থান ভিন্নতর। নানাগুণে গুণান্বিত এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ।
ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’। যা ঠাণ্ডাজনিত সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ও ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দূর করে। অকালে দাঁত লালচে হয়ে...

Read More
Health Image +

সন্তানকে রক্ষা করুন মরণব্যাধি ক্যান্সার হতে

পৃথীবিতে যেসব শিশু ক্যান্সারে ভুগে থাকে তার জন্য দায়ী থাকে তাদের জীবনযাপনের ধারা। যেমন- অভিভাবকের পেশা, প্রজননের ক্ষমতার ইতিহাস, অভিভাবকের ধূমপানের অভ্যাস, গর্ভকালীন মায়ের খাদ্যাভ্যাস, শিশুটির খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ধারা ইত্যাদি। কিন্তু শিশুদের ক্যান্সার রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব সাধারণ কিছু পরিবর্তনে।
ডাক্তারদের মতে প্রতিটি অভিভাবকেরই উচিত নিজের শিশু সন্তানটিকে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগটির হাত থেকে রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নেয়া।
খাদ্যাভ্যাস
শিশুদের ছোটবেলা থেকেই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ তাজা ফল, শাক-সবজি খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে করে তাদের দেহে গড়ে উঠবে সাধারণ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
পরিমিত শারীরিক পরিশ্রম
একেবারে ছোটবেলা থেকেই নিজের সন্তানকে শারীরিক পরিশ্রমের ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলুন। শারীরিক পরিশ্রম ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমিয়ে দেয়। ছোটবেলা থেকেই নিজের শিশুকে ছোটোখাটো কাজ করতে দিয়ে এবং খেলাধুলার মাত্রা বাড়িয়ে শারীরিক পরিশ্রমের ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলুন।
শিশুর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
শিশুকাল থেকেই অনেক বেশি ওজন থাকা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস না থাকা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলে। শিশুটিকে তার পছন্দের ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া কমানো এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার জন্য তৈরি করে তুলতে হবে। এছাড়াও শারীরিক পরিশ্রম করিয়ে হলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে দূরে রাখুন
সরাসরি সূর্যের আলোতে বেশিক্ষণ ঘোরাফেরার ব্যাপারে কড়া নজরদারি করুন।
ধূমপান ও মদ্যপান
অভিভাবককে নিজের এই বাজে অভ্যাসগুলো ছাড়তে হবে। নতুবা আপনার মাধ্যমেও শিশুটি আক্রান্ত হতে পারে ক্যান্সারে। এছাড়াও তারা আপনাকে দেখে শিখে নিতে পারে এই বাজে অভ্যাসগুলো। সুতরাং সাবধান।
বাড়িয়ে তুলুন শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা
যে সকল খাবার দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে সে সকল খাবার প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে শিশুকে খেতে দিন এবং তার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
কার্ভিক্যাল ক্যান্সার ভ্যাকসিন
ছেলে শিশুর বয়স ১২ এবং মেয়ে শিশুর...

Read More
Health Image +

যে ১০ টি কাজ চিরকাল সুরক্ষিত রাখবে আপনার দাঁত ও মাড়ি

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বোঝা আমাদের সবচাইতে বড় বাজে অভ্যাস। দাঁত আমাদের দেহ ও স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা উপকারী তা আমরা দাঁত হারাতে শুরু করলেই বুঝে থাকি। কিন্তু ততোক্ষণে অনেক বেশি দেরি হয়ে যায়। তাই দাঁতের যত্নে সচেতন হওয়া উচিত আগে থেকেই। ছোটো বড় সকলেরই গড়ে তোলা উচিত দাঁতের যত্নে কিছু ভালো অভ্যাস।
১) প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে ওপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে ওপরের দিকে ভালো করে দাঁত ব্রাশ করে নেবেন। এবং দাঁতের ভেতর দিকেও ভালো করে মাজবেন।
২) যেসব জায়গা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব নয় সেসব জায়গায় ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবেন। এবং মাড়ির সুরক্ষায় জিহ্বাও পরিষ্কার করে নেবেন।
৩) বিশেষ বিশেষ খাবার যেমন-পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, চকলেট-লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়ার পর খুব ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করে নেবেন। তা না হলে ক্যাভিটি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৪) ফ্লোরাইড যুক্ত যে কোনো টুথপেস্ট দাঁতের জন্য বেশ উপকারী। দু-তিন মাস পর পর টুথপেস্টের ব্র্যান্ড বদল করে নেয়া ভালো, কারণ বিভিন্ন পেস্টে বিভিন্ন ধরনের উপাদান থাকে।
৫) কয়লা, গুল, টুথ পাউডার, ছাই, মাটি, গাছের ডাল ইত্যাদি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এতে দাঁত ও দাঁতের মাড়ির সুরক্ষা হয় না মোটেই।
৬) ধূমপান করা এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে মুখ ও দাঁতের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও তামাক পাতা ও পান-সুপারিও খাবেন না একেবারেই এতে দাঁত ক্ষয় হয়ে যায় বেশ দ্রুত।
৭) হাঁ করে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা দূর করার চেষ্টা করুন, কারণ হাঁ করে ঘুমানোর ফলে মুখ ও দাঁতের রোগ বেড়ে যায়।
৮) ঘুমানোর আগে কখনো বিস্কুট, কেক, চকলেট-লজেন্স খাবেন না কারণ এগুলো খুব সহজে দাঁতে...

Read More
Health Image +

অতিরিক্ত ঘুমানোর ক্ষতিকর দিকসমূহ

দেহ-মন সুস্থ রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই বলে জানান বিজ্ঞানীরা। ঘুমের অভাব দূর করা তাই অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু অতিরিক্ত ঘুমানো কী স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে? প্রতিদিন যেখানে ৭-৯ ঘণ্টার ঘুম জরুরি, সেখানে আরো বেশি সময় ঘুম হলে উল্টো সাত ধরনের স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে। জেনে নিন বেশি ঘুমানোর ক্ষতিকর দিকগুলোর কথা।
বিষণ্নতার ঝুঁকি সৃষ্টি করে :
২০১৪ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, বেশি সময় ধরে ঘুমানোর ফলে মানুষের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ প্রকাশ পায়। পরীক্ষায় দেখা যায়, যারা ৯ ঘণ্টা ও তার বেশি সময় ঘুমান, তাঁদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ ৪৯ শতাংশ বেড়ে যায়।
মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা দুর্বল করে :
২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, খুব কম বা খুব বেশি সময়ের ঘুম মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা হ্রাস করে। নারীরা পাঁচ ঘণ্টার কম অথবা ৯ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে নিয়মিত ঘুমালে দুই বছরের জন্য তাঁদের মগজের কর্মক্ষতা কমে যেতে পারে।
গর্ভধারণে সমস্যা করে :
কোরিয়ায় ২০১৩ সালের এক গবেষণায় দেখানো হয়, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে নারীদের গর্ভধারণের ক্ষমতা হ্রাস পায়। প্রায় ৬৫০ জন নারীর ওপর এ গবেষণা পরিচালিত হয়। খ্যাতিমান অ্যান্ডোক্রাইনোলজিস্ট ড. ইভান রোজেনব্লাথ বলেন, ঘুমের সঙ্গে দেহের ২৪ ঘণ্টার জৈবিক চক্র, হরমোন ক্ষরণ এবং ঋতুস্রাবের বিষয়টি জড়িত। এসব আবার গর্ভধারণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
ডায়াবেটিসের শঙ্কা বাড়ে:
কানাডার কুইবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, রাতে আট ঘণ্টার বেশি ঘুমের কারণে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারায় দেহ। এতে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের শঙ্কা বেড়ে যায়।
ওজন বৃদ্ধির শঙ্কা থাকে :
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক গবেষণায় বলা হয়, খুব কম বা বেশি ঘুমের কারণে দেহের ওজন অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে। এসব মানুষের ওজন বৃদ্ধির হার ২৫ শতাংশ বেশি...

Read More
Health Image +

কনডম নয় জন্মনিয়ন্ত্রণে আসছে পুরুষদের বড়ি

দুনিয়াজুড়ে জন্মনিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলোর একটি কনডম। নিরাপদ যৌন-জীবনের জন্য পুরুষদের কনডম ব্যবহারের পক্ষে ব্যাপক প্রচার থাকলেও অনেক পুরুষই এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। এমন পুরুষদের জন্য একটা বিকল্প বের করার উপায় খোঁজা হচ্ছিল অনেকদিন থেকেই। দীর্ঘ গবেষণার পর এ বিষয়ে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন বিজ্ঞানীরা। জন্মনিয়ন্ত্রণে আসছে পুরুষদের বড়ি।
গর্ভধারণের ঝুঁকি কমাতে নারীর পাশাপাশি পুরুষদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মীরা। কিন্তু কোনো পুরুষ কনডম ব্যবহার করতে না চাইলে বাধ্য হয়ে নারীকেই নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে হয় কিংবা অন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে হয়।
কিন্তু পুরুষদের সেসব ঝক্কি পোহাতে হয় না। গবেষকেরা মনে করছেন, পুরুষদের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি আবিষ্কার করা গেলে দায়িত্বশীলতার প্রশ্নে পুরুষেরা আরেক ধাপ এগোতে পারেন। পুরুষদের জন্য এমন দুটো প্রকল্পে গবেষণায় সাফল্য আসার পথে।
যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজনন-জীববিদ্যার গবেষক জোসেফ টাশ এমন একটা গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পুরুষের শুক্রাণুর উর্বরতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন তিনি। টাশ বলেন,‘শুক্রাণুর উর্বরতা না থাকলে ডিম্বাণুর নিষিক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে না।’
‘এইচ টু-গামেনডাজোল’ নিয়ে গবেষণায় শুক্রাণুর পূর্ণ বিকাশ রহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে টাশের গবেষণা দল। সাধারণভাবে শুক্রাশয়ের মধ্যেই শুক্রাণুগুলোর একটা লেজ ও মাথা গজাতে থাকে। কিন্তু এই উপাদান দিয়ে তৈরি বড়ি খেলে নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত শুক্রাণু পূর্ণ মাত্রায় বিকশিত হতে পারবে না। ফলে যৌন-মিলন সত্ত্বেও নারীর গর্ভধারণের ঝুঁকি থাকবে না। ২০০১ সাল থেকেই এই প্রকল্পে কাজ করছেন এই মার্কিন বিজ্ঞানী।
জন্মনিয়ন্ত্রণে পুরুষের জন্য আরেকটি সম্ভাব্য উপাদন হলো ‘জেকিউ-ওয়ান’। এই উপদান পুরুষ শরীরকে শুক্রাণু উৎপাদনের কথা ভুলিয়ে রাখবে! হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডানা-ফারবার ক্যানসার ইনস্টিটিউটের জে ব্রাডনার এবং গবেষক দল ‘জেকিউ-ওয়ান’ ব্যবহার করে ক্যানসার কোষের নির্দিষ্ট একটা প্রোটিনের বৃদ্ধি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। বিআরডিটি নামে শুক্রাশয়ের...

Read More
Health Image +

প্লাস্টিকের বোতলের ওষুধে মৃত্যুর ঝুঁকি

আপনি কি জানেন, এক বোতল ওষুধ কিনে আনা মানে মৃত্যুর দিকে একধাপ এগিয়ে যাওয়া? বিশেষ করে মহিলাদের কাছে ওই ওষুধ এতটাই মারাত্মক যে, ধীরে ধীরে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন ভারতীয় ডাক্তাররা।
দীর্ঘ গবেষণার পর সম্প্রতি একটি রিপোর্টে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। এ বছর থেকেই প্লাস্টিকের বোতলে ওষুধ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চলেছে ভারত।
বর্তমানে ভারতে যে কোনও তরল ওষুধই বিক্রি হয় প্লাস্টিকের বোতলে। চিকিত্ৎকরা জানাচ্ছেন, এই প্লাস্টিক বোতলগুলি খুবই ক্ষতিকারক। বোতলগুলিতে তরল ওষুধ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে মহিলা ও শিশুদের।
অধ্যাপক সীমস সিংহলের কথায়, ‘প্লাস্টিকের বোতলের একটি দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এই বোতলগুলির জেরে মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বন্ধ্যাত্ব, মানসিক ভারসাম্যহীন শিশুর জন্ম ইত্যাদি।’
শুধু প্রজনন ক্ষমতাই নয়, প্লাস্টিকের বোতলে ওষুধে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে বলেও জানাচ্ছেন চিকিত্ৎকরা। চিকিত্ৎকরা সম্মিলীত ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, অবিলম্বে ওষুধ বিক্রিতে প্লাস্টিকের বোতল বন্ধ করা হোক। সেই আবেদন মেনে পয়লা মার্চ থেকেই প্লাস্টিকের বোতলে ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়।

Read More
Health Image +

স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের মূল কারণগুলো

গত কয়েক বছরের তুলনায় ইদানীং স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। এবং আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। শুধু নারীরাই নয়।
স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে রয়েছেন পুরুষেরাও। প্রতিনিয়ত এই মরন ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন অসংখ্য নারী পুরুষ। কিন্তু ঠিক কি কারণে এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হন মানুষ? এবং এই ব্যাধিতে আক্রান্তের মূল কারণ সম্পর্কে কতোটুকু জানেন আপনি?
স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের মূলত দুধরণের কারণ দেখা যায়। প্রথমত, অপরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহ এবং পরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহ। অপরিবর্তনযোগ্য এই কারণে বলা হচ্ছে যে এই ঝুঁকি সমূহ জেনেটিক, বংশ এবং হরমোনের কারণে হয়ে থাকে।
আর পরিবর্তনযোগ্য ঝুঁকি সমূহ পুরোপুরি আমাদের নিজেদের হাতে থাকে। চলুন তবে এই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
অপরিবর্তনযোগ্য কারণসমূহঃ
১) জেনেটিক কিছু কারণে মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। বিআরসিএ১, বিআরসিএ২ নামের জিনের মিউটেশন ৫% থেকে ১০% স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী থাকে।
২) বংশগত কারণে এই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন অনেকেই। যেমন-মা, খালা, বোন বা মেয়ে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকাংশে।
৩) মহিলাদের মাসিক শুরু এবং বন্ধের বয়সের ওপরেও এই রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি নির্ভর থাকে। যাদের ১২ বছর বয়সের পূর্বে মাসিক শুরু এবং ৫০ বছর বয়সের পর মাসিক বন্ধ হয় তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
৪) এস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। যারা দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত এস্ট্রোজেন হরমোনের সংস্পর্শে থাকেন, মাসিক বন্ধ হওয়ার পর মহিলাদের মধ্যে যারা হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ করেন, তাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫) লিঙ্গভেদে ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ে। একজন নারী পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকেন।
৬) বয়স বাড়ার সাথে স্তন ক্যান্সারের...

Read More