Health Image +

শিশুদের সুস্থ-সবলতার কয়েকটি স্বাস্থ্য টিপস

সন্তান হওয়ার পর প্রতিটি বাবা-মায়ের দায়িত্ব বেড়ে যায় অনেক গুণে। কারণ একটাই তা হলো সন্তান যেন সুস্থ-সবল ভাবে বেড়ে উঠে। তার যেন সঠিক মানসিক বিকাশ ঘটে এবং সন্তানের সুস্থতায় অনেক কিছুই বাবা-মাকে মেনে চলতে হয়। তাই জেনে রাখুন কিছু টিপস যা হয়তো অনেকেরই অজানা।

১। জন্মের পরপরই আপনার শিশুকে মধু, চিনির পানি, মিসরির পানি বা পানি খেতে দেবেন না।
২। জন্মের প্রথম তিন দিন শিশুকে গোসল করাবেন না।
৩। শিশুকে জোর করে খাওয়াবেন না।
৪। শিশুকে কখনোই উঁচু স্থানে একা রেখে যাবেন না।
৫। শিশুকে কখনোই গোসল করানোর পর সাথে সাথে তেল ব্যবহার করবেন না।
৬। প্রথম ৬ মাস শিশুকে বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু খেতে দিবেন না।
৭। আপনার শিশুকে শান্ত রাখার জন্য চুষনি ব্যবহার করবেন না।
৮। রাতে ঘুমের মধ্যে ফিডারে করে দুধ দেবেন না। ফিডার বা বোতল ব্যবহার করবেন না।
৯। জ্বর হলে মোটা জামাকাপড় বা কাঁথা-কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখবেন না।
১০। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে কোন খাবার বন্ধ করবেন না।
১১। ঠাণ্ডা লাগবে বলে অতিরিক্ত কাপড় দিয়ে শিশুকে ঢেকে রাখবেন না।
১২। আপনার সন্তানকে টিনজাত খাবার দেবেন না।
১৩। নবজাতক শিশুদের ২৮ দিন বয়স পর্যন্ত হাম হয় না।
১৪। বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কখনোই আপনার শিশুকে ওয়াকার দিয়ে হাঁটতে দেবেন না।
১৫। শ্বাস কষ্টের জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে কখনোই ঘুমের ওষুধ খাওয়াবেন না।
১৬। শিশুকে বাইরের খোলা খাবার, বাসি খাবার ও দীর্ঘ দিন ফ্রিজে রেখে দেয়া খাবার দেবেন না।
১৭ কলা, কমলা ও অন্যান্য ফলমূল খেলে হাঁপানি হয় না বা বাড়ে না।
১৮। ফল জাতীয় খাবার না ধুয়ে খাওয়াবেন না।
১৯। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সর্দি-কাশির জন্য অপ্রয়োজনীয় ওষুধ...

Read More
Health Image +

জ্বর-সর্দি-কাশি তে রসুনের উপকারিতা

হুট করেই ঠাণ্ডা পড়লে জ্বর-সর্দি-কাশি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। ছোট বাচ্চাদের খুব বেশি ওষুধ খাওয়ানো যায় না। তারা খেতে চায় না আর খাওয়ানো উচিতও নয়।
সবার ঘরেই আছে এমন জিনিস যা মুক্তি দিবে সর্দি-কাশি থেকে। সেই জিনিটি বা উপাদান হলো রসুন। জেনে নিন রসুন ব্যবহার করে ঝটপট সর্দি-কাশি থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়। কেবল ছোটদের নয়, এটা কাজে আসবে বড়দেরও।
১। চটজলদি সর্দি, কাশি ও জ্বর কমাতে রসুন খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। তবে কাঁচা নয়, অবশ্যই রান্না করে। রসুনের অ্যান্টিসেপটিক গুণাবলী এসব অসুখের সাথে লড়াই করতে দারুণ সক্ষম। শরীর থেকে দূষিত টক্সিক উপাদান অপসারন করতে ও ঝটপট জ্বর কমাতেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার।
২। সর্দি-কাশি বা জ্বরে খাবারে রসুনের ব্যবহার বাড়িয়ে দিন। বড়রা ডালে বা তরকারির সঙ্গে আস্ত রসুন দিয়েই খেয়ে ফেলতে পারেন। ছোটদের তৈরি করে দিতে পারেন গারলিক স্যুপ। যদি তারা গারলিক স্যুপ খেতে না চায়, তাহলে চিকেন স্যুপেই ৬/৭ কোয়া রসুন জ্বাল দিন মিনিট দশেক। তারপর রসুন তুলে ফেলে খেতে দিন।
৩। চটজলদি সর্দি-কাশি ও জ্বর কমাতে রসুনের তেল খুবই উপকারী। সাধারণ সয়াবিন বা অলিভ অয়েল নিন, এতে কয়েক টুকরো রসুন হালকা লাল হয়া পর্যন্ত ভাজুন। ব্যস, তৈরি আপনার গারলিক অয়েল। চাইলে দোকান থেকেও কিনতে পারেন। এই তেল খাবারে, স্যুপে, রান্নায় ব্যবহার করুন। হালকা গরম করে ছোট বাচ্চাদের বুকে মালিশ করে দিতে পারেন। শীতের অসুখ দ্রুত সারবে।

Read More
Health Image +

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসকল খাবার খাওয়া খুব প্রয়োজন

মানুষের সুস্থভাবে বেশীদিন বেচে থাকতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার প্রয়োজন। যেগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরকে সবসময় সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। কিন্তু আজকার ফাস্টফুড, বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট এর তীব্র সাদযুক্ত খাবার, কোল্ড ড্রিঙ্কস ইত্যাদির ভিড়ে পুষ্টিকর খাবারের কথা যেনো আমার প্রায় ভুলতে বসেছি। কিন্তু এইসব খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। পুষ্টিকর খাবার একদিকে যেমন আমাদের সুস্থভাবে বেশীদিন বেচে থাকতে সাহায্য করে তার সাথে সাথে মানুষের তারুণ্যও অনেকদিন ধরে রাখে। আজ আমরা এমন কয়কটি খাবার নিয়ে আলোচনা করব যার সাহায্যে আমারা আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক তৈরী করতে পারি এবং আমাদের সুস্থ থাকার জন্য যেগুলো অতন্ত জরুরী।
ওজন কমাতে বেরির ভুমিকা অতন্ত গুরুত্তপুর্ন। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেয়। বিভিন্ন ধরনের রঙ্গিন বেরী যেমন ব্লাকবেরী, স্ট্রবেরী এগুলোর প্রচুর পরিমান এন্টিঅক্সাইড বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগ ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধ্যে এন্টিবডি তৈরী করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন নাস্তায় এক কাপ করে বেরি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
দুগ্ধ যুক্ত খাবার থেকে শুধু ক্যালসিয়ামই পাওয়া যায় না বরং এটি প্রোটিন, ভিটামিন ডি এবং মিনারেল এর সবচেয়ে বৃহৎ উৎস। এগুলো আপনার হাড়কে শক্ত করে এবং আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। অনেক গবেষনার ফলাফল থেকে দেখা গেছে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ধরনের দুগ্ধ যুক্ত খাবার পেটের মেদ কমাতে ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার যেমন দই, মিল্ক সেক হতে পারে আপনার নাস্তার একটি প্রধান উপাদান।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টক জাতীয় ফল যেমন বাতাবি লেবু, কমলা, মাল্টা ইত্যাদি রাখুন। কারন এসব ফলে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি থাকে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধ্যে লড়তে সাহায্য করে। এছাড়া যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে...

Read More
Health Image +

ঠান্ডা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য এমন পাঁচটি খাবার

শীতের আবহাওয়া এরই মধ্যে আমাদের শরীর-মন টের পাচ্ছে। এসময় ঠাণ্ডা ও ফ্লু জাতীয় সমস্যার প্রবনতা বেড়ে যায়। তাই সময়ের সঙ্গে তাল রেখে খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে ভাল হয়। যেমন- চর্বিহীন আমিষ, আঁশযুক্ত খাদ্য শস্য ও কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার রাখতে পারেন খাদ্য তালিকায়। সঙ্গে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম ও হালকা ব্যায়াম। সাথে থাকুক হালকা কাজের চাপ। এগুলো আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় দারুণ ভূমিকা রাখে, যা ঠাণ্ডা বা ফ্লু’কে দূরে রাখবে। এমনকি এ সব সমস্যায় দ্রুত মুক্তিও দেবে। এ ছাড়া শীতের সবজি আপনাকে দেবে রোগ প্রতিরোধের বাড়তি ক্ষমতা।
এবার ঠাণ্ডা প্রতিরোধী ৫টি খাবারের নাম ও তাদের গুণাগুণ জেনে নিন-

গাজর : এতে আছে প্রচুর পরিমাণ বেটা ক্যারেটিন। গাজর সুপ ঠান্ডা প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। এতে আছে ভিটামিন এ। গাজর ঠাণ্ডা ও ফ্লু’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এ ছাড়া ঠাণ্ডাজনিত ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে।

সবুজ চা : এটি খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সবুজ চায়ে ভাইরাস ও ব্যাকটিরিয়া প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে। ঠাণ্ডার দিনে ৩-৫ কাপ চা পান করুন। যা আপনাকে এ সময়ের রোগ থেকে দূরে রাখবে।


মাশরুম : মাশরুম শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য উপকারী। এটি শীতকালের ঠাণ্ডাজনিত রোগ ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

রসুন : এটি জ্বর ও ঠাণ্ডা প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে খুবই পরিচিত। রসুন বিশেষ ধরনের এনজাইমের মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা যকৃতকে রক্ত থেকে বিষাক্ত দ্রব্য দূরে সাহায্য করে। কাঁচা রসুন আপনাকে দিতে পারে বেশি উপকার।

মধু : শীতজনিত ঠাণ্ডা ও জ্বর থেকে রক্ষা পাওয়ার সহজ পথ্য হলো মধু। এটি ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধ করে। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে মধু সেবন ভাল ফল দেয়। যদি এক কাপ গরম দুধের...

Read More
Health Image +

লম্বা হওয়ার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

লম্বা হতে চাই...লম্বা হতে চাই...ছেলে বা মেয়ে সবার মনের বাসনা একই । যারা বেশ ভালো লম্বা তাদেরও মনে হয় আরও ১-২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে বেশ ভাল মানাত! আসলে আমরা কতটুকু লম্বা হবো তা আমাদের বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়। তবে একথাও ঠিক আমাদের পূর্বপুরুষেরা লম্বা হলেও আমরা যদি অপুষ্টিতে ভূগি তবে আমাদের বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না।আর মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে ২৫ বছর বয়স পর্যন্তই। তাই কিশোরকাল থেকেই এ ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনটি জিনিসের সমন্বয় লম্বা হতে সাহায্য করবে:-
১.পুষ্টিকর খাবার
২.নিয়মিত ব্যায়াম
৩.পর্যাপ্ত বিশ্রাম
কী কী থাকতে হবে খাবার তালিকায়:
*মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে। আমাদের দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যেন পরিমাণ মত গ্রহণ করা হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ছোট মাছ, খেজুর, বাধাকপি, ফুলকপি, ব্রোকলি, পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াসম আছে। দুগ্ধজাত খাবার, মাছ, মাংস, এমনকি সবজিতেও ফসফরাস রয়েছে। আয়রন পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের কুসম, কলিজা, গরুর মাংসে। ম্যাগনেসিয়াম আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর, লেবু ইত্যাদিতে। জিন্ক পাওয়া যায় ডিম, সূর্যমূখীর বীচিতে।
*ভিটামিন:
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু খাবারের ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ভিটামিন-বি১ আছে চীনা বাদাম, লাল চাল,গমে। ভিটামিন-বি২ আছে মাছ, ডিম, দুধে। ভিটামিন-বি৬ রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে। ভিটামিন-ই আছে ডিম, সয়াবিন, গমে। ভিটামিন-এ আছে ডিমের কুসুম, গাজর, দুধ ও কলিজায়।
*প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে...

Read More
Health Image +

মানব দেহের জন্য লিচুর কিছু অজানা তথ্য

১। চীনারা লিচুকে ভালোবাসা ও রোমান্সের ফল হিসেবে মর্যাদা দেয়।তাদের বিশ্বাস, যারা লিচু মুখে পুরবে, তারাই এর প্রেমে পড়বে।
২। লিচুতে রয়েছে ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুর ৬৬ ভাগই হলো ক্যালরি।
৩। এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
শরীরে জমা করে।
৪। লিচুতে রয়েছে অলিগোনল নামের এক ধরনের উপাদান। একে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ উপাদান রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, ত্বকে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমায়।
৫। লিচু ক্যান্সার থেকে মানবদেহকে দেয় সুরক্ষা। এটি ক্যান্সার তৈরিকারী কোষ ধ্বংস করে। এতে অবস্থিত
ফ্ল্যাভনয়িডস বা ভিটামিন ‘পি’ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৬। শরীর সুস্থ থাকার জন্য অপরিহায্য ভিটামিন ‘সি’। লিচুতে এ ভিটামিন রয়েছে প্রচুর; যা ত্বক, হাড় এবং কোষের সজীবতা রক্ষা করে।হৃদরোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন ‘সি’ অব্যর্থ বলেই বিবেচিত।
৭। ভিটামিন ‘বি’-এর মজুতঘর হিসেবে লিচুকে ধরা হয়।থিয়ামিন, নিয়াসিন নামের ভিটামিনগুলো লিচুকে করেছে আরো বেশি কার্যকর।এসব ভিটামিন শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায়।
৮। এতে অবস্থিত পটাসিয়াম এবং খনিজের মতো উপাদান হূদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

Read More
Health Image +

মানব দেহে আমলকি’র গুনাগুণ

আমলকি আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ফলগুলোর মধ্যে একটি। আমলকি খেলে অনেক রোগের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় বা অনেক রোগ সেরে যায়। এ ফলের গুণাগুণ অমৃত সমান-তাই একে অমৃতফল বলা হয়ে থাকে।আমলকী বা আমলকি একপ্রকার ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম - আমালিকা। ইংরেজি নাম -aamla বা Indian gooseberry। আমলকি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Phyllanthus emblica বা Emblica officinalis।
আমলকির স্বাদ যদিও টক এবং কষাটে কিন্তু সুস্থ শরীরের জন্য আমলকি খাওয়ার অভ্যেস করা দরকার। এর স্বাদ প্রথমে কষাটে লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকির ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক। প্রতিদিন একটি আমলকি খাওয়ার অভ্যেস করুন।
আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে।
রোগ-ব্যাধিতে আমলকির ব্যবহার:
১. শরীরে ভিটামিন সি এর ঘাটতি মেটাতে আমলকির জুড়ি নেই। ভিটামিন সি এর অভাবে যেসব রোগ হয়, যেমন - স্কার্ভি, মেয়েদের লিউকরিয়া, অর্শ প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমলকি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
২.হার্টের রোগীরা আমলকি খেলে ধরফরানি কমবে। টাটকা আমলকি তৃষ্ণা মেতে, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বন্ধ করে, পেট পরিষ্কার করে।
৩. আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে।এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।
৪. পিত্ত সংক্রান্ত যেকোনো রোগে সামান্য মধু মিশিয়ে আমলকি খেলে উপকার হয়।
৫. বারবার বমি হলে শুকনো আমলকি এককাপ পানিতে ভিজিয়ে ঘন্টা দুই বাদে সেই পানিতে একটু শ্বেত চন্দন ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়। নিয়মিত কয়েক টুকরো করে আমলকি খেলে চোখের...

Read More
Health Image +

স্মৃতিশক্তি বাড়াবে খাবার

* তেলযুক্ত মাছ বেশি করে খান। মাছের তেলে আছে EPA (eicosapentaenoic acid) ও DHA (docosahexaenoic acid)। এগুলোর স্বল্পতা স্মৃতির জন্য মারাত্মক তিকর।
* টমেটোতে Lycopene নামে একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ব্রেনের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোর জন্য উপকারী।
* প্রতিদিন একমুঠো মিষ্টিকুমড়ার বীজ জিংকের চাহিদা মেটাতে পারে, যা স্মৃতি ও চিন্তাশক্তি বাড়াতে অত্যাবশ্যক।
* ব্রোকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ‘ভিটামিন কে’, যা মেধা ও স্মৃতি বর্ধক।
* ‘ভিটামিন ই’ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর বাদাম ‘ভিটামিন ই’ এর একটি বড় উৎস।
... ভুলে যাওয়া খুবই সাধারণ প্রক্রিয়া। সময়ের সাথে সাথে মানুষের স্মৃতি দুর্বল হয়ে যায়। তবে সময়ের এই প্রভাবকে একটু দীর্ঘায়িত করা যায়। হার্ট, ফুসফুস, পেশির যত্নের সাথে সাথে সুস্থ থাকতে হলে খেয়াল রাখতে হবে আপনার মস্তিষ্কের দিকেও। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিকারক এসব খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম করা যেতে পারে। আর অবশ্যই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াও জরুরি।

Read More
Health Image +

শুরুটা হোক মধু দিয়ে

* সকালে মাত্র এক চামচ মধু আপনার দিনের শুরুটাকে মিষ্টি করে দিতে পারে। মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, যা দুর্বলতা কাটিয়ে শরীরে শক্তি যোগানো এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেয়ে নিতে পারেন।
* তাছাড়া প্রতিদিন মধু খেলে ওজন কমে। তার জন্য খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেতে হবে।
* মধুর সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। যদি আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে তবে সকালে খেয়ে নিন এই মিশ্রণ।
* মধু হজমের জন্যও উপকারি। মধুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম, যা বিভিন্ন অসুখ থেকে শরীরকে রক্ষা করে; রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ঠাণ্ডা, কফ, সর্দি, কাশি ইত্যাদির সমস্যাও কমে যায়।
* শুধু খাওয়া কেন, মুখেও মাখতে পারেন মধু। এতে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাস উপাদান। ঘুম থেকে উঠে ৩০ মিনিট মধু লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে মসৃণ ও সুন্দর।
...প্রাচীনকাল থেকেই মধু ঔষধি হিসেবে পরিচিত। আর এখন রুপচর্চাতেও সমান তালে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। নিয়মিত মধু খেলে এবং ব্যবহারে আপনি পাবেন বেশ কিছু উপকার।

Read More