ভ্রমণের যত কথা


সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন,
“তিনটে চারটে ছদ্মনামে
আমার ভ্রমণ মর্ত্যধামে”
ভ্রমণপ্রিয় মানুষ বিভিন্ন রূপে বিভিন্ন নামে ভ্রমণে যেতে চান। ভ্রমণ পিপাসু মানুষের এরকম আকাঙ্ক্ষাই কাম্য। সত্যি কথা বলতে কি এই আধুনিক সময়ে ভ্রমণ ভালোবাসেন না কিংবা করতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া কঠিন। রসকসহীন মানুষও ভ্রমণের গন্ধ পেলে কিছুটা হলেও নড়েচড়ে বসেন। এমনকি অনেকে ফেসবুকে ইভেন্ট খুলে পঞ্চাশ ষাট জন মিলে চলে যায় আনন্দ ভ্রমণে। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত সময়ে মানুষ ভ্রমণের সুখ খুব কমই পায়। তারা অনেক সময়েই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটান। বিভিন্ন ভ্রমণ কাহিনী পড়ে সময় কাটান। এদিক দিয়ে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট হচ্ছে সৈয়দ মুজতবা আলীর “দেশে বিদেশে” কিংবা অন্নদাশঙ্কর রায়ের “পথে প্রবাসে”। এরপরেই বাংলা সাহিত্যে ভ্রমণ একটি বিশেষ স্থান করে ফেলে। ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা ভ্রমণ করেন এবং তা লিপিবদ্ধ করে রাখতে চান যা কিনা ভ্রমণের জনপ্রিয়তারই নির্দেশক। এক্ষেত্রে পেশাদার অপেশাদার উভয় ভ্রমণকারীরাই ভ্রমণ করে এসে কাহিনী লিপিবদ্ধ করেন। অন্নদাশঙ্কর রায় এ নিয়ে একটি সুন্দর উক্তি করে গেছেন। তিনি বলেন, “ভ্রমণ থেকেই হয় ভ্রমণ কাহিনী। কিন্তু ভ্রমণকারীদের সকলের হাত দিয়ে নয়”। তবু প্রতি বছর বাংলাদেশে অন্তত শ’খানেক ভ্রমণ বই প্রকাশিত হয়। দৈনিক পত্রিকাগুলো এ নিয়ে আলাদা পাতা বের করেন। এমন কি ভ্রমণকে ভিত্তি করেই বের হয় বিভিন্ন পত্রিকা। এ সব কিছু ভ্রমণের জনপ্রিয়তারই নির্দেশক। অন্যদিকে যারা পেশাদার লেখক তাদের ভ্রমণ কাহিনীগুলো হয়ে যায় ভ্রমণ বিষয়ক কালজয়ী বই।
ছোট্ট এই বাংলাদেশে ভ্রমণের জায়গা খুব কম নয়। সুন্দরবন, কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, কুয়াকাটা, জাফলং ইত্যাদি খুব পরিচিত জায়গা ছাড়াও এখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক ভ্রমণ জায়গা। আর এসব জায়গার দৃশ্যও অনেক মনোরম। যেমন কক্সবাজারের প্রতিটি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত নতুন এবং সুন্দর। এজন্য কবি জীবনানন্দ দাশ বার...[…]

Travel Image

একা একা ভ্রমণ মন্দ নয়

মাঝে মাঝে মানুষের একা ঘুরতে যেতে ভাল লাগে। কিছু জিনিস মনে রাখলে এই অবসর সময় আরো ভালো কাটবে। আসুন জেনে নেই এই বিষয়গুলোঃ
১। আপনার ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোভাব বের করার চেষ্টা করুনঃ
প্রথমেই আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোভাব বোঝার চেষ্টা করুন। দলীয়ভাবে ঘুরতে যাওয়া অবশ্যই ভাল কিন্তু মাঝে মাঝে শুধু নিজের জন্যে রোমাঞ্চ দরকার আছে। তাই কোথায় ভ্রমণ করবেন বা কোন জায়গা আপনার জন্যে সবচেয়ে ভাল হবে তা আপনাকেই ভেবে বের করতে হবে। যে জায়গাটি নির্বাচন করবেন সেটি যেন আপনার ব্যক্তিত্ব ও জীবনধারার সাথে মিল থাকে। তাই আপনার ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক মনোভাবটা বোঝা জরুরী।
২। কোথায় যাবেনঃ
যখন নিজেকে বুঝে ফেলবেন তখন আপনার পছন্দমত ঘোরার জায়গা খুঁজতে থাকুন। জায়গাটি সম্পর্কে ইন্টারনেটে খোঁজ নিন কিংবা বন্ধু বান্ধবদের জিজ্ঞাসাও করতে পারন। সেখানকার আবহাওয়া সম্বন্ধে ধারণা রাখুন কেননা অনেক সিন্ধান্ত নিতে তা আপনাকে সাহায্য করবে। সেখানে কোন স্পেশাল উৎসব হয় কিনা তা খোঁজ নিন কারণ এটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিবে।
৩। কতদিনের ভ্রমণঃ
হ্যাঁ কোথাও বেড়াতে গেলে নূন্যতম দুই তিন সপ্তাহের জন্যে যাওয়াই ভাল। কিন্তু একা একা যদি এটি আপনার প্রথম ভ্রমণ হয় তবে তা কষ্টদায়ক হতে পারে। কারণ বাসার আরামদায়ক জায়গা বা ভালোবাসার মানুষ ছেড়ে অনেকদিন থাকতে আপনার কষ্ট হতে পারে। সেজন্যে আপনি প্রথমে পাঁচ থেকে ছয় দিনের ভ্রমণ ঠিক করুন।
৪। অর্থের দিকে নজর দিতে হবেঃ
শুধু যাওয়ার জায়গা ঠিক করলেই হবে না সে অনুযায়ী বাজেটও ভাবতে হবে। তাই অনেক ভেবে চিনতে খরচগুলো ঠিক করুন।
৫। নতুন জায়গার বন্ধুঃ
নতুন জায়গাতে নতুন বন্ধু তৈরি করুন। তাহলে একা একা ভ্রমণে গিয়েও আপনার একটুও খারাপ লাগবে না।
এসব কিছু ঠিক থাকলে আপনি...[…]

Travel Image

যখন আপনার সোনামনি নিয়ে ভ্রমণ করছেন

আপনার ছোট সোনামনিকে নিয়ে ভ্রমণের সময় নিশ্চয় আপনি দুঃশ্চিন্তায় ভোগেন। ভ্রমণ যেন নিশ্চিন্তে হয় সেজন্যে থাকছে কয়েকটি টিপস। 
১। আপনার সন্তানের ওজন এবং উচ্চতার উপর ভিত্তি করে সিটের উপর একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরী করুন যাতে সহজেই পড়ে না যায়। যদি সিটের সাথে বেল্টের ব্যবস্থা থাকে তবে সেটাও ব্যবহার করুন।
২। কোন জরুরী অবস্থার জন্যে আগে থেকেই ব্যবস্থা নিন। আপনার সন্তানের পাসপোর্ট, সাম্প্রতিক তোলা ছবি, ডাক্তারের বিবরণ ইত্যাদি সাথে রাখুন।
৩। আপনার সন্তানের নাম, প্রয়োজনীয় ডাক্তারের ঠিকানা, জরুরী ফোন নম্বরগুলো লিপিবদ্ধ করে তাদের রাখতে দিন।
৪। বাচ্চারা হৈ চৈ করবেই। তাই তাদের শান্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও খেলনা সাথে নিন।
৫। অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন ডায়াপার, ঔষধ, খাবার মনে করে সাথে নিয়ে যান।
৬। আপনার ভ্রমণের ব্যাপারে কোন নিকট আত্নীয়কে জানিয়ে রাখুন।
৭। আপনার সন্তানকে উজ্জ্বল রংয়ের কাপড় পড়ান যেন ভীড়ের মধ্যেও খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
আপনি এবং আপনার সন্তান নিরাপদে ভ্রমণ করুন।[…]

Travel Image

ভ্রমণকালীন সময় ছবি তোলার ৭ টি পরামর্শ

যারা ভ্রমণ করেন তারা তাদের স্মৃতিগুলো তুলে রাখতে চান। সেক্ষেত্রে ভ্রমণকারীরা প্রায়ই ক্যামেরা ব্যবহার করেন নয়ত অন্যের ক্যমেরায় নিজের স্মৃতিকে ধরে রাখতে চান। যারা ক্যমেরা ব্যবহার করেন তারা চান নিজের ভ্রমণের বাইরেও কিছু দুর্লভ মুহূর্ত তুলে রাখতে। ক্যমেরা যেরকমই হোক না কেন যদি কিছু বিষয় খেয়াল রাখা যায় তাহলে আপনিও পেতে পারেন নিজের পাশাপাশি ভ্রমণ এলাকা বা মুহূর্তের কিছু ছবি।
বিখ্যাত বা ঐতিহাসিক স্থানের ছবি
ঐতিহাসিক কোন বিষয়ের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। সেই স্থানের ছবি তুলুন। সব ক্ষেত্রে সব স্থানের অনুমতি নাও পেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ আছে কিনা জেনে নিন। আপনার পরিচিত পুরোনো ফটোগ্রাফারদের সাথে পরামর্শ করে নিন। ঐতিহাসিক স্থাপনা বা স্থানের পূর্ণ ছবি নিন। ছবির ফ্রেমটিকে এমন ভাবে নির্বাচন করুন যাতে পুরো স্থানটি আপনার ছবিতে চলে আসে। ভিন্ন জাতী গোষ্টীর সাথে ছবি তোলার আগে তাদের সাথে পরামর্শ করে নিন। কেউ কেউ হয়ত বিষয়টিকে অপছন্দ করতে পারে। প্রয়োজনে তাদের প্রধানের অনুমতি নিয়ে নিন।
পর্যাপ্ত আলোর ব্যবহার
ঐতিহাসিক কোন অবস্থান বা কোন পোড়া কীর্তির ছবি তুলতে উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করুন। যত সম্ভব কাছ থেকে ছবি তুলুন। পর্যাপ্ত আলো না থাকলে ক্যমেরার ফ্লাশ ব্যবহার করুন।
সকাল কিংবা বিকেলে ছবি তুলুন
দুপুরের আলোতে ছবি ভালো আসেনা। অনেক সময় সুর্য মাথার উপরে থাকায় স্থাপনার ছায়া নিজের উপরে পড়ে। সেক্ষেত্রে সকালে অথবা বিকেলের আলো সবচেয়ে উত্তম। এছাড়া চাঁদের আলোতে ঐতিহাসিক স্থাপনার ছবি ভালো আসে।
দৃষ্টি ভঙ্গি বদলান
আমরা সাধারণত কারো তোলা ছবি দেখেই উক্ত স্থানের প্রতি আগ্রহী হই। সেক্ষেত্রে আপনিও যদি পুনরায় একই ছবি তুলেন তাহলে নতুনত্ব আসলো না। অন্যের ছবি দেখে একই ফ্রেমে ছবি তুলবেন না। আপনি আপনার পছন্দ মত স্থান নির্বাচন করুন। আপনি আপনার এংগেল...[…]

Travel Image

সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যাওয়ার আগে

বাংলাদেশে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। প্রতিবছর অনেকেই বেড়াতে যান। আবার বিদেশে গিয়েও অনেকে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যান। আসুন জেনে নেই সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার আগে করণীয়ঃ
১। প্রথমে চিন্তা করুন আপনি কতক্ষণ থাকবেন। সময়ের উপর নির্ভর করছে আপনি কতবার পোশাক পরিবর্তন করবেন।
২। আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে পোশাক নিয়ে যাবেন। পোশাক নেওয়ার সময় খেয়াল করুন এই সময়ের মধ্যে সাধারণত আপনি কতবার পোশাক পরিবর্তন করেন।
৩। যদি বর্ষাকাল হয় তবে সে অনুসারে পোশাক নেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪। সমুদ্রে নামার আগে অবশ্যই সুইমিং কস্টিউম নির্বাচন করুন। অনেকেই সাধারণ পোশাক পড়ে পানিতে নেমে যান যা একদম ঠিক নয়।
৫। যা যা নিচ্ছেন তার একটি তালিকা এক সপ্তাহ আগেই লিখে রাখুন।
৬। যাওয়ার আগে নিজেকে সমুদ্র সৈকতে কল্পনা করুন। আপনার স্কিন কেয়ারের জন্য কি কি লাগতে পারে। যেমন, সান ক্রিম, টাওয়েল ইত্যাদি।
৭। সমুদ্রের পানিতে নামার আগে আশেপাশের নিয়মাবলী ভাল করে পড়ে নিন কিংবা স্থানীয় গাইডদের সাথে কথা বলতে পারেন। কেননা সমুদ্রের কিছু জায়গা গোসলের জন্য বিপদজনক।
৮। থাকার জায়গা আগে থেকেই ঠিক করে যান। খাবার প্যাক করে নিয়ে যাবেন নাকি খাবার কিনে খাবেন তা ঠিক করুন। তবে সমুদ্র এলাকায় খাবার দাম বেশি থাকে।
৯। প্রয়োজনীয় টাকা নিয়ে যাবেন তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ঠিক নয়।[…]

Travel Image

একটি ব্যাগ নিয়েই যখন ঘোরাঘুরি

১। সঠিক ব্যাগটি নির্বাচন করুনঃ
এটা নির্ভর করছে আপনি কি কি ব্যাগে নিবেন তার উপর। কিন্তু নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।
আকারঃ
যদি অনেক দূরে বেড়াতে যান তবে ছোট সাইজের ব্যাগ নেওয়ায় ভাল। আবার যদি প্লেনে ভ্রমণ করেন তাহলে সেখানের আইন অনুসারে ব্যাগের আকার ঠিক করতে হবে। আর যদি কিছু অতিরিক্ত জিনিস নিতে চান যেমন শীতের পোশাক, গিফট, ল্যাপটপ, ক্যামেরা ইত্যাদি তাহলে একটু বড় ব্যাগ প্রয়োজন হবে।
ওজনঃ
যারা প্লেনে ভ্রমণ করে তাদের জন্যে এই ব্যাপারটি খুবই প্রয়োজনীয়।নিয়ম নীতির দিকে খেয়াল রাখুন। ভারী ও বড় হ্যান্ডেলের ব্যাগগুলো পরিহার করা ভালো এবং একটি আরামদায়ক ব্যাগ নির্বাচন করাই শ্রেয়।
স্টোরেজঃ
ব্যাগের কয়েকটি চেইন বা পকেট আছে দেখে নিন। কেননা অনেকগুলো চেইন থাকলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আরো ভালোভাবে সাজিয়ে রাখা যায়।
২। খুঁজে বের করুন কোন জিনিসপত্র আসলেই দরকারঃ
বিভিন্ন সময়ের ঘোরাঘুরির অভিজ্ঞতা থেকে খুঁজে বের করুন যা ছাড়া আপনার ভ্রমণ অসম্পূর্ণ হবে। কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসের নমুনা দেওয়া হলঃ
ক) রাতে ঘুমানোর পোশাক
খ) টুথব্রাশ, সাবান, শ্যাম্পু
গ) ওষুধ পত্র
ঘ) জুতো
ঙ) পানির বোতল ইত্যাদি।
৩। প্যাক করার সময় কৌশলী হোনঃ
দুই উপায়ে এই কাজটি করতে পারেন। এক বান্ডিল পদ্ধতি এবং দুই রোলিং পদ্ধতি।
বান্ডিল পদ্ধতিতে টুথব্রাশ, সাবান, শ্যাম্পু ইত্যাদি ছোট ছোট জিনিস ভেতরে রেখে কাপড় গুলো বান্ডিল আকারে রাখতে পারেন। আর রোলিং পদ্ধতিতে কাপড়গুলো সিলিন্ডারের মত গুছিয়ে রাখতে পারেন।
৪। প্রসাধনীসমূহঃ
প্রসাধনীসমূহ অবশ্যই ছোট আকারের কিনুন। এমনকি মিনিপ্যাক গুলো এক্ষেত্রে বেশ উপকারের। বড় ধরনের প্রসাধনী হলে ফেটে গিয়ে অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। প্লেনে ভ্রমণ করার সময় সেখানকার নিয়ম কানুনগুলোও মেনে চলা দরকার।
৫। ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিঃ
এ ধরনের যন্ত্রপাতি বাসায় রেখে যাওয়ায় ভাল। যেগুলো না নিলেই নয় শুধু সেগুলোই...[…]

Travel Image

ভ্রমণে যাওয়ার আগে প্যাকিং পরিকল্পনা

প্রথমেই সামনে কয়েকদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে নিন। 
এরপর একটি সাদা কাগজ নিন। কারণ বাইরে যাওয়ার আগে কি কি নিবেন তার একটি তালিকা করা জরুরী।
কোন কোন বিভাগের জিনিসপত্র আপনার দরকার সেটা ঠিক করে নিতে পারেন। এটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কাপড় চোপড়ের তালিকা দিয়েই শুরু করা যাক।
বাথরুমের জিনিসপত্র ও প্রসাধনীর তালিকাটি করা খুবই জরুরী। কারণ এগুলো দৈনন্দিন কাজে খুবই প্রয়োজনীয়। 
এরপর বিনোদনধর্মী জিনিসগুলো নির্বাচন করুন।
যদি ঘুমানোর জিনিসপত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর অভ্যাস থাকে তবে তারও একটি তালিকা করে ফেলুন। 
যদি অনেকদিনের ভ্রমণ হয় তবে জিনিসপত্রের ধোয়ার কাজে এগুলো দরকার পড়বে। 
এই জিনিসপত্রগুলো খুবই দরকারী কারণ ব্যাগ হারিয়ে গেলে বা বিপদে পড়লে এগুলোই আপনাকে তা থেকে উদ্ধার করবে। 
কি কি ওষুধ নিবেন তার একটি তালিকা করে ফেলুন। প্রয়োজনের সময় ফার্মেসী খুঁজে পাওয়া যায় না। 
অবসরে আপনার কি কি গ্যাজেট প্রয়োজন তা এখুনি ঠিক করুন।
ভ্রমণে যদি কখনো ঘরের বাইরে থাকতে হয় বা রাতে বাইরে যেতে হয় সেক্ষেত্রে কিছু জিনিসপত্র সাথে নিয়ে যাওয়াটা জরুরী।
ভ্রমণের সময় অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসও সঙ্গে রাখতে পারেন যেমন ম্যাপ, কাগজ, কলম ইত্যাদি। 
সবশেষে তালিকাটি কয়েকবার পরীক্ষা করুন কারণ অপরিচিত জায়গায় বিপদে পড়লে উদ্ধার পাওয়া খুব মুশকিল হয়ে পড়ে। আপনার যাত্রা শুভ হোক।[…]

Travel Image

শীতে ভ্রমণে সতর্কতা

শীত চলে এসেছে। যারা ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন তারা নিশ্চয় মুখিয়ে ছিলেন এই সময়টির জন্যে। নিশ্চয় নানা চিন্তার ভাবনার মধ্যে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছেন, এই শীতে কোথায় ঘুরতে যাবেন? এটি ঠিক করতে নিশ্চয় আপনি খুব ব্যস্ত। কিন্তু কোথায় ভ্রমণ করবেন তার চেয়েও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নিয়ে ভাবতে হবে। নিজের জায়গা থেকে অনেক দূরে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে ভ্রমণকালীন সময়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর ভ্রমণে বের হন। ভ্রমণকালীন সময়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা মেনে চলুন।
১। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন:
হাত ধুয়ে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোনো খাদ্যদ্রব্য পরিবেশনের আগে, পরিবেশনের সময় এবং হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার সময় দু'হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
২। কাঁচা ও প্রস্তুতকৃত খাবার খান:
বিভিন্ন শহরের রেস্টুরেন্ট ও হোটেলে সাধারণত খোলাভাবে খাবার পরিবেশন করা হয় ভ্রমণ পিপাসুদের আকৃষ্ট করার জন্য। মনে রাখতে হবে, হোটেল-রেস্টুরেন্টে যাতে কাঁচা খাবারের সংস্পর্শে প্রস্তুতকৃত খাবার না থাকে। কারণ কাঁচা খাবারে অনেক প্রাণঘাতী রোগজীবাণু থাকে যা প্রস্তুতকৃত খাবারকে দূষিত করতে পারে।
৩। নিরাপদ পানি ও খাদ্য গ্রহণ করুন:
পানি ও বরফসহ কাঁচা খাদ্য উপকরণ মারাত্মক জীবাণু ও রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা দূষিত হতে পারে। বাসি ও ছাতা পড়া খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ সৃষ্টি হতে পারে। কাঁচা খাদ্য ভালোভাবে ধুয়ে ও খোসা ছাড়িয়ে নিলে খাদ্য বাহিত রোগের ঝুঁকি কমে যায়।
যা হতে পারেঃ
১। ভ্রমণে সাধারণত পানি বা খাদ্যবাহিত জীবাণুর কারণে ডায়রিয়া হয়ে থাকে। ভ্রমণে ডায়রিয়া হঠাৎ করে বমি, জ্বর এবং তীব্র পেট ব্যথার মাধ্যমে শুরু হয়। ভ্রমণে যদি প্রচণ্ড গরম অনুভব হয় তবে প্রচুর পরিমাণ পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।
২। ভ্রমণে বাচ্চাদের বিশেষ করে পরিষ্কার পানি...[…]

Travel Image

হোটেল এবং মোটেল এর মধ্যে পার্থক্য

হোটেল
১। হোটেল বহুতলবিশিষ্ট হয়। এখানে ঘরের দরজাগুলো দালানের ভেতরের দিকে থাকে। প্রধানত পর্যটনকেন্দ্র বা শহরের ভেতরে অবস্থিত হয়। অপরপক্ষে মোটেল সাধারণত ১-২ তলা হয়ে থাকে। ঘরগুলোর দরজা বাইরের দিকে থাকে। এর চারপাশ সাধারণ মানের ব্যালকনি বা বেড়া দিয়ে ঘেরা থাকে। মোটেল সাধারণত মহাসড়ক, গ্রাম, শহরের পাশে অবস্থিত হয়ে থাকে যেখানে একজন ভ্রমণকারী রাত কাটাতে পারেন।
মোটেল
২। মূল দৃশ্যগত পার্থক্য হল ঘরের দরজার দিকমুখীতা। হোটেলের প্রতিটি ঘরের দরজা হোটেলের অভ্যন্তরীণ পথের সাথে যুক্ত থাকে আর মোটেলের ঘরের দরজাগুলো সরাসরি মোটেলের পার্কিং লটের দিকে হয়ে থাকে। এই বৈশিষ্ট্য দেখে সহজেই হোটেল আর মোটেল চিহ্নিত করা যায়।
৩। হোটেল বলতে একটি বিল্ডিংকে বোঝায় যেখানে মানুষ কক্ষ এবং খাবারের মূল্য পরিশোধ করে সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করে (ছুটি কাটানোর জন্য, জরুরী প্রয়োজনে অবস্থানের জন্য প্রভৃতি)। কিন্তু মোটেল বলতে একরকম ব্যবস্থাপনাকে বোঝায় যা সেসব লোকের থাকার জন্য তৈরী (অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে) যারা গাড়ীতে করে ভ্রমণ করেন। এখানে কক্ষের কাছাকাছি জায়গায় গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা থাকে।
এগুলোই হোটেল আর মোটেল এর মূল বৈশিষ্ট্য। কিছু মোটেলে ফাস্টফুড এবং টেলিফোনের ব্যবস্থা থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমানে হোটেলগুলোতে বিশেষ করে তারকা হোটেলগুলোতে আরো অনেক সুবিধা যেমনঃ খেলার জায়গা, ইন্টারনেট সুবিধা, সুইমিং পুল ইত্যাদি থাকে।[…]

Where do you want to travel?

Your journey will lead you to famous domestic and foreign beauty spots.