বিজ্ঞানের অবাক করা কিছু তথ্য

Technology Image

সরীসৃপ এর ডিম ফুটে ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা কিন্তু তার ক্রোমজম এর উপর নির্ভর করে না।এটি নির্ধারিত হয় বাসার তাপমাত্রার উপর। বাসার তাপমাত্রা যদি ৯০-৯৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয় তবে সেটি একটি ছেলে হবে আর বাসার তাপমাত্রা যদি ৮২-৮৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয় তবে সেই ডিম ফুটে মেয়ে বাচ্চা হবে।

পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমান লবন আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট উচু পুরু লবনের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে!

একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমান বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহন করে তা দিয়ে একটি বা দুটি নয় ১০০০ টি বেলুন অনায়াসে ফোলানো সম্বব!!!


অলিম্পাস মনস হল মঙ্গলের উচ্ছতম পাহার ।যার উচ্চতা প্রায় ১৫ মাইল। যেটি কিনা আমাদের পৃথিবীর সব চেয়ে উচু পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট এর থেকে ও ৩ গুন উচু!!!

আকাশে যে বিজলি চমকায় তার গর দৈর্ঘ্য ১ কিঃ মিঃ।আর এই ১ কিঃ মিঃ দৈর্ঘ্য এর বিজলীর চমকে যে পরিমান বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা দিয়ে প্রায় ১০০০০০০ বাতি জালান যাবে!!!

শুক্র গ্রহের আকাশে বৎসরে মাত্র ২ বার সূর্য ওঠে!

কানের কাছে মশা যে গুন গুন করে গান গায় সেজন্য মশার মুখে কোন শব্দ হয় না। এটি তার ডানায় হয়।কারন মশা উড়ার সময় প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার ডানা ঝাপটায়!

জোনাকির শরীরের মোট শক্তির শতকরা ৯৫ ভাগই খরচ হয় রাতের বেলা আলো জালাতে গিয়ে!

আমাদের শরিরে যে পরিমান চর্বি জমা আছে টা দিয়ে প্রায় ৭৬ টি মোমবাতি বানান যাবে।

পৃথিবীতে একমাত্র প্রানি মানুষ, যে ই শুধু হাসতে পারে। আর কোন প্রানির হাসার ক্ষমতা নেই!

Continue Reading...

বিজ্ঞানের অজানা তথ্য

Technology Image

প্রযুক্তির কারনেই মানুষ নানা অজানাকে জানতে পারছে এবং এর ফল উপলব্ধি করতে পারছে। তার সাথে সাথে জানতে পারছে নানান অজান সব তথ্য। সেই সকল তথ্যগুলোর কিছুটা সবার সমানে তুলে ধরা হলোঃ
 প্রতি সেকেন্ডে মানুষের শরীরে প্রায় ১৫ মিলিয়ন নতুন রক্তকণিকা তৈরি হয় আর পুরোনো রক্তকণিকা ধ্বংস হয়
 একজন মানুষের মস্তিষ্ক প্রতি সেকেন্ডে কতটি গণনা করতে পারে জানেন কি?
১০ কোয়াড্রিলিয়ন মানে ১০০ কোটি কোটি। আজ পর্যন্ত এমন কোনো কম্পিউটার তৈরি হয়নি, যেটির হিসাব করার এরকম অসাধারণ ক্ষমতা আছে।
 জানেন কি, প্রতিদিন পৃথিবীতে কতোবার বিজলি চমকায়?
প্রায় ৮৬ লক্ষ ৪০ হাজার বার! যখন বিজলি চমকায় তখন সেখানে প্রায় ১ বিলিয়ন ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়! আর তাতে যে তাপ উৎপন্ন হয় তা সূর্যের চেয়েও ৫ গুণ বেশি!
 আমরা জানি, সৌরজগতে গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তো ঘুরছেই। কিন্তু সূর্যকে ঘিরে একবার ঘুরতে কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি সময় লাগে জানেন? নেপচুনের। নেপচুন আবিষ্কৃত হয়েছিলো ১৮৪৬ সালে। আর তারপর নেপচুনের সূর্যকে ঘিরে একবার ঘোরা শেষ হলো এ বছরেই, ২০১১ সালে!
 যখন আমরা কোনো কিছু স্পর্শ করি, তখন ঘণ্টায় ১২৪ মাইল বেগে তথ্যটা মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
 ডান পাশের ফুসফুস বাম পাশের চেয়ে বেশি বাতাস গ্রহণ করে।
 শরীরের পেছন দিক দিয়েও নিঃশ্বাস নিতে পারে কচ্ছপ। কচ্ছপের কিন্তু দাঁত নেই।
 রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হচ্ছে সবচেয়ে বড় জাতের বিড়াল। এরা পানি পছন্দ করে। পানিতে শিকারও করতে পারে।
 বিল গেটসের বাড়ির ডিজাইনকরা হয়েছে ম্যাকিনটস কম্পিউটার ব্যবহার করে।
 একজন মানুষ এক বছরে গড়ে ১৪৬০ টি স্বপ্ন দেখে- মানুষের মস্তিস্কের ৮০%ই পানি- মৃত্যুর পরেও মানুষের চুল ও নখ বাড়ে।
 গড়ে আমেরিকানরা প্রতি...

Continue Reading...

‘স্টোরডট’ দিয়ে সেকেন্ডেই স্মার্টফোন চার্জ

Technology Image

ইসরাইলের একটি ‘স্টার্টআপ’ প্রতিষ্ঠানের তৈরি করে দেখাল ‘স্টোরডট’ নামের বিশেষ মোবাইল ফোন চার্জার। এ চার্জারে সেকেন্ডের মধ্যেই স্মার্টফোন চার্জ করা যাবে বলে দাবি নির্মাতাদের। আপনার স্মার্টফোনটি চার্জ লাগিয়ে এককাপ চা পান করতে করতেই ব্যাটারি ফুল হয়ে যাবে। বিগত দিনেও এমন অনেক চার্জার তৈরি হয়েছে তবে বিভিন্ন ত্রুটির কারনে সেগুলো আলোর মুখ দেখেনি। নতুন চার্জার “স্টোরডট” অন্য যেকোনো চার্জারের চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ দ্রুতগতিতে চার্জ করবে। শোণা যাচ্ছে শুধু স্মার্টফোনই নয়, অন্যান্য ডিভাইস যেমন ট্যাবলেট, ল্যাপটপেও এই চার্জার দ্বারা চার্জ দেয়া যাবে।

ব্যবহারকারি ইচ্ছা করলে এ চার্জারটিতে চার্জ ধরে রাখতে পারবে। তবে চার্জ ধরে রাখার জন্য খুব বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে না বলেই দাবি নির্মাতাদের। উদ্যোক্তাদের কথা মতে, আমাদের স্মার্টডিভাইস ব্যবহারের প্রধান একটি সমস্যা হল ব্যাটারি ব্যাকআপ। প্রায় সব স্মার্টফোনেই একদিনের বেশী চার্জ থাকে না। তাঁরা চেষ্টা করছে কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চার্জারটি ইচ্ছা করলে আপনি অন্যান্য চার্জারের মতো বহনও করতে পারবেন। তবে উৎপাদনে যেতে বা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছেদিতে এখনো কিছু সময়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাদের এখনো কিছু গবেষণা বাকি আছে একবার সফল ভাবে সেগুলো শেষ করতে পারলেই তাঁরা সরাসরি উৎপাদনে যাবেন বলে জানিয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন আকারে এবং মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ার (এমএএইচ) এককের হিসাবে এ চার্জার তৈরি করা হচ্ছে। কারন ভিন্ন ভিন্ন মডেলের ফোন ভিন্ন ভিন্ন মিলি অ্যাম্পিয়ারে চার্জ গ্রহন করে। গ্রাহকরা যাতে করে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী চার্জারটি নিতে পারেন সে জন্য এই উদ্যোগ। বর্তমান সময়ের নানা ধরনের আধুনিক স্মার্ট যন্ত্রের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা চার্জ। এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা করছে খোদ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এ সমস্যাটির সমাধানেও কাজ করছে অনেকেই। তবে এবার ‘স্টোরডট’ সে সমস্যাটির সমাধান...

Continue Reading...

শত্রুকে নজরদারি করতে রোবট মাছি

Technology Image

মার্কিন গবেষকেরা হুবহু মাছির মতো দেখতে একটি রোবট তৈরি করছেন। তাদের উদ্দেশ্য এটি দিয়ে তাঁরা শত্রুপক্ষের ঘাটিতে গোপনে নজরদারি চালাবে। এর আগেও এমন উদ্যোগ বহুবার নেয়া হয়েছিলো তবে সেটি ছিল গোপনে। এবার সবার সামনেই তাঁরা ঘোষণা দিল এই রোবটের কথা। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এর আগে যে গোয়েন্দা রোবট গুলো তৈরি করা হয়েছিলো সেগুলোর থেকে এটি বেশি কার্যকরী হবে। এটি গোপনে শত্রুর ঘরে গিয়ে তাদের কার্যকলাপ রেকর্ড করে নিয়ে আসবে তাঁরা সেটি ঠিকও পাবে না। রোবটিক মাছির শরীরে থাকছে কিছু উন্নত মানের সেন্সর, এবং হাই রেলুশেনর ক্যামেরা যেটি দিয়ে শত্রুর ঘড়ের সব গোপন কার্যকলাপ ধারন করবে। কোন রাডার যন্ত্র যাতে এটিকে ট্র্যাক করতে না পারে সে জন্য এটি আরও উন্নত করার চিন্তা ভাবনা চলছে। বর্তমানে যে পরিমান জঙ্গি হামলা বেড়ে গেছে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশ তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে।
মার্কিন সেনার অনুসন্ধান গবেষণাগারের ডক্টর রোন পোল্কাবিচ ও তার দল মাত্র তিন থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার উচ্চতার দুটি ছোট বোরট বানিয়েছেন। রোবটগুলো তৈরি করতে লেড ডিরকোনিয়ম টাইটেনেট ব্যবহার করা হয়েছে। পোল্কাবিচ জানিয়েছেন, তারা এই রোবট মাছিকে ওড়াতে সক্ষম হয়েছেন৷ সে কারণেই তারা নিশ্চিত এই আকারের রোবট উড়তে পারবে। যদি তাদের কথা সত্যি হয় তবে “বিজ্ঞান” রোবট আবিস্কারে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। এখন দেখার বাকি তাদের তৈরি রোবট সত্যি সত্যি আকাশে উরতে পারে কিনা।

Continue Reading...

অদ্ভুত ডিজাইনের ১০ মোটরবাইক

Technology Image

দিনদিন প্রযুক্তি মানুষকে কতটা সৌখিন করে তুলছে। পুরাতনকে মুছে ফেলে দিয়ে শুধুই নতুনের দিকে খেয়াল। আর সেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্রমাগত উন্নয়নের পথে হাঁটছে মোটরবাইক কোম্পানিগুলো। দিন দিন বদলে যাচ্ছে বাইকের আকার ও প্রযুক্তি। আগামী দিনের মোটরবাইকগুলোর আকার আর কার্যক্ষমতা কেমন হবে তা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন ফিকশন মুভিতে। আবার অনেকে নিজের সৃষ্টিশীল জ্ঞান দিয়ে তৈরি করছেন অদ্ভুত ডিজাইনের মোটরবাইক, যেগুলো আমাদের কাছে হয়তো হাস্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে সেই স্বপ্নগুলোই যে একদিন সত্য হয়ে উঠবে না, তা কে বলতে পারে? হয়তো এই বাইকগুলোই দিন বদলে দেবে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার। এক. Honda V4

দুই. Suzuki G-Strider তিন. I.Care
চার. Victory Vision 800 পাঁচ. Peraves Monotracer
  ছয়. Bombardier Embrio

সাত. Batpod
আট. Dodge Tomahawk নয়. Confederate Renovatio দশ. Yamaha Tesseract

Continue Reading...

মোবাইল ফোনের আদি কথা

Technology Image

টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা মানবসভ্যতার জন্য এক বিশাল মাইলফলক। আর সেই টেলিযোগাযোগই যখন মানুষের হাতের মুঠোয় চলে আসে তখন তাকে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ছাড়া আর কী বলা যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি কোণেই মোবাইল ফোনের ব্যবহার দেখা যায়। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ১৯৮০ সালের আগ পর্যন্ত মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহারের কথা ভাবতেই পারতো না। তবে কেউই যে ভাবেননি তা বলা ঠিক হবে না।
১৯০৮ সালে অকল্যান্ডের অধ্যাপক আলবার্ট জানকে একটি টেলিফোন কোম্পানির জন্য তারবিহীন টেলিফোন তৈরি করেছেন এমন দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেই দাবি ভুয়া প্রমাণিত হয়। এরপর ১৯১৮ সালে জার্মানির রেলবিভাগের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে বার্লিন থেকে জোসেন রেঞ্জে কার্যকর একটি ফোন তৈরি করা হয়েছিল। তবে সেই ফোনটি শুধু ট্রেনের ভেতরই কর্মক্ষম ছিল। কিন্তু ১৯৪০ সালের দিকে বেশ কয়েকটি টেলিফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন তৈরিতে সক্ষম হয়। যদিও তখনকার মোবাইলগুলো ছিল বেজায় ঢাউস আকৃতির। প্রথম দিককার কিছু মোবাইল বহনের জন্য একজন বাড়তি লোকও নিয়োগ করতে হতো বলে জানা যায়।
তবে প্রথম সফর তারবিহীন সহজে বহনযোগ্য মোবাইল ফোন তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রের মটোরোলা কোম্পানি। ১৯৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ‘ডায়নাটাক ৮০০০এক্স’ নামের ওই মোবাইলটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল চার হাজার ডলার। কিন্তু মজার বিষয় হলো ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত অপর একটি মোবাইল তৈরি করার আগ পর্যন্ত ওই মোবাইলটি দিয়ে কোনো কল করা যায়নি। শেষমেষ বর্তমান ভোডাফোনের চেয়ারম্যান স্যার আর্নেস্ট হ্যারিসন প্রথম কল করেন ওই মোবাইল দিয়ে।
১৯৮৬ সালের দিকে মটোরোলা ‘মটোরোলা ৪৫০০এক্স’ নামের অপর একটি মোবাইল ফোন বাজারে আনে। এবং এই ফোনটি বিশেষত গাড়িতে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। আর এই মোবাইলটির ওজন ছিল প্রায় সাড়ে তিন কিলোগ্রাম।
নতুন এই প্রযুক্তির বাজার শুরুতে অতটা ভালো ছিল না। কিন্তু মটোরোলা...

Continue Reading...

উইকিপিডিয়ার সৃষ্টি তথ্য এবং অজানা নানা কথাঃ

Technology Image


উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার
আজকের দিনে যে কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে আমরা ঢুঁ মারি উইকিপিডিয়ায়। এত খুঁটিনাটি তথ্য এখানে থাকে যে ভেবে বিস্মিত হতে হয় কিভাবে এ বিশাল তথ্য ভাণ্ডার তৈরি হলো। অনেকেই হয়তো জানেন না উইকিপিডিয়ার জন্ম ২০০১ সালে। জিমি ওয়েলস আর ল্যারি স্যাঙ্গার নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রবাসী দুজন ভদ্রলোক ২০০০ সালে প্রথমে শুরু করেছিলেন ন্যুপিডিয়া আর এরপর ২০০১ সালের ১৫ই জানুয়ারী তারা শুরু করেন উইকিপিডিয়া।

শুরুর দিকের কথা
আজ থেকে এক দশক আগে তথ্য প্রযুক্তি এতটা সহজ লভ্য ছিলনা। বিভিন্ন তথ্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। তাই সবার জন্য তথ্য নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের লেখা প্রবন্ধ সঙ্কলন করে সেগুলো বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্দেশ্যে ২০০০ সালের মার্চ মাসে নুপিডিয়া প্রকল্প শুরু হয়। জিমি ওয়ালেস, ল্যারি স্যাঙ্গারকে প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়ে নুপিডিয়া প্রকল্পটি শুরু করে। তখন এর অর্থায়ন করেন বমিস।
প্রথম দিকে তথ্য ভাণ্ডার হিসেবে শুরু হওয়া ন্যুপিডিয়ায় তথ্য কেউ সরাসরি সংরক্ষণ করতে পারতেন না। পর্যবেক্ষণের পর তা সংরক্ষণ করা হতো। এতে করে তথ্য সংরক্ষণের গতি ছিল অনেক কম। কিন্তু এতে সবার তথ্য সংরক্ষণের অধিকার ছিলনা। ২০০০ সালে জিমি ওয়েলস ও ল্যারি স্যাঙ্গার আলোচনা করেন যে ন্যুপিডিয়াকে কীভাবে সবার জন্য আরো উন্মুক্ত ও গতিশীল একটি প্রকল্প হিসেবে গড়ে তোলা যায়।
সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্য ভাণ্ডারের কথা চিন্তা করেই জিমি ওয়েলস ১০ জানুয়ারি, ২০০১ সালে ন্যুপিডিয়ার সহপ্রকল্প হিসাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরির প্রস্তাব করেন যা খুব সহজে এবং দ্রুত তৈরি করা যায় এবং যাতে যে কেউ অবদান রাখতে পারে। যা পরবর্তীতে উইকি নামে পরিচিতি পায়।

২০০০ সালের গ্রীষ্মে জিমি ওয়ালেস ও তার স্ত্রী, ল্যারি...

Continue Reading...

ফেসবুক সৃষ্টি এবং জানা অজানা নানা তথ্যঃ

Technology Image

আমরা আজ যে ফেসবুক ব্যবহার করি তার শুরুটা হয়েছিল “ফেসম্যাস (FACEMASH)” নামক একটি সাইট দিয়ে। মার্ক জুকারবার্গ অনেকটা শখের বশেই ফেসম্যাস ডট কম নামের একটি সাইট তৈরি করেন। সময়টা ছিল ২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর। এসময় জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার তৈরি “ফেসম্যাস(FACEMASH)” নামক এই সাইটে হার্ভার্ডের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের ছবি আপলোড করতেন এবং ভোট দিতে বলতেন কোন ছবিটি হট আর কোনটি হট নয়। এসব ছবি সংগ্রহ করার জন্য জুকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্র হ্যাক করেন। প্রথমদিকে মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন। কিন্তু পরবর্তীতে হার্ভার্ড এর শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে সাইটটি বন্ধ করে দিতে হয়।
ফেসবুকের পরের ঘটনা বিতর্কে ভরা:
পরবর্তীতে “ফেসম্যাস (FACEMASH)” সাইটটি “দি ফেসবুক (The Facebook)” নামে রূপান্তরিত হয়। তবে বিভিন্ন সাইট থেকে জানা যায় “ফেসম্যাস (FACEMASH)” সাইট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে জাকারবার্গ “দি ফেসবুক (The Facebook)” নামের সাইটটি তৈরির সিদ্ধান্ত নেন এবং সে মোতাবেক জুকারবার্গ কোড লেখা শুরু করেন। তবে অন্য কিছু সাইট থেকে জানা যায়, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে “হাউজ সিস্টেম” নামে একটি ওয়েব সার্ভিস ছিল এবং “দি ফেসবুক (The Facebook)” সেই হাউজ সিস্টেম এরই একটি কনসেপ্ট ছিল। ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এরন গ্রীন্সপ্যান নামে এক শিক্ষার্থী হাউজ সিস্টেমে এই কনসেপ্ট আনেন।
অপরদিকে জানা যায়, “ফেসম্যাস (FACEMASH)” সাইটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জুকারবার্গ তার কিছু বন্ধুদের জন্য হার্ভার্ড কানেকশন নামে একটি সাইটে কাজ শুরু করেন। বন্ধুরা হলেন – ক্যামেরুন, টেলর ও ডিভিয়া। এই বন্ধুরাই পরবর্তীতে জুকারবার্গের বিরুদ্ধে আইডিয়া চুরির অভিযোগ আনেন। তাদের দাবি ছিলো – “দি ফেসবুক” এর কনসেপ্ট ছিলো “হার্ভার্ড কানেকশন” এর।
দি ফেসবুকের যাত্রা শুরু:
২০০৪ সালের ১১ই জানুয়ারী জুকারবার্গ “দি ফেসবুক ডট কম” নামে ডোমেইন কিনেন। “দি...

Continue Reading...

স্টিভ জবস ও অ্যাপলের জানা অজানা তথ্য

Technology Image

কলেজের গণ্ডিই পেরুতে না পারা স্টিভ জবস উদ্ভাবন করেছেন অ্যাপল কম্পিউটার, গান শোনার যন্ত্র আইপড, আইফোন, আইপ্যাডের মতো যুগান্তকারী সব জিনিস। একক ও যৌথভাবে ৩৪২টি পণ্যের পেটেন্ট আছে তাঁর। পুরোনাম স্টিভেন পল জবস। যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়।

শৈশবে পথ চলা
স্টিভেন পল জবস ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকোতে জন্মগ্রহণ করেন। অবিবাহিত মা-বাবা জোয়ান ক্যারোল এবং আবদুল ফাত্তাহ জান্দালি এর সন্তান স্টিভকে দত্তক নেন পল ও ক্লারা জবস। স্টিভ নামটিও তাঁদের দেওয়া। তিনি বেড়ে উঠেছেন এমন এক জায়গায়, যেটি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তির তীর্থস্থান হয়ে ওঠে। জায়গাটি সিলিকন ভ্যালি। একটা সময় ক্যালিফোর্নিয়ার ওই স্থানটি ইলেকট্রনিক বর্জ্যের ভাগাড় ছিল। অনেক প্রকৌশলী তাঁদের গ্যারেজ গড়ে তুলেছিলেন সেখানে। জবস বোধ করি তাঁদের দেখেই উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন। শৈশব কালেই ১৯৬৯ সালের দিকে স্টিফেন উজনিয়াক নামের এক তরুণের সঙ্গে পরিচয় হয় জবসের। ইলেকট্রনিকসের প্রতি দুজনের গভীর আগ্রহ থাকায় বয়সে তাঁর চেয়ে পাঁচ বছরের বড় উজের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে জবসের।

কলেজ থেকে ঝরে পড়া
স্টিভ জবস কুপারটিনো জুনিয়র হাই স্কুল এবং হোমস্টিড হাই স্কুলে পড়ার পর ১৯৭২ থ্রিস্টাব্দে তিনি হাই স্কুল শেষ করেন এবং রীড কলেজ়ে ভর্তি হন। কিন্তু রিড লিবারেল আর্টসের ওপর বেশ ব্যয়বহুল একটি কলেজ ছিল। অসচ্ছল পল-ক্লারা দম্পতির পক্ষে সেই ব্যয়ভার বহন করা কষ্টকর ছিল। জবসের জন্মদাত্রী মাকে তাঁরা কথা দিয়েছিলেন, ছেলেটাকে ভালো কোথাও পড়াবেন। সেই কথা রক্ষা করতে রিড কলেজেই ভর্তি করালেন জবসকে। কিন্তু এক সেমিস্টারের বেশি আর এগোতে পারেননি জবস। ঝরে পড়েন। যদিও তিনি পরবর্তীতে কলেজ ছেড়ে দেন তার পরেও তিনি ক্যালিগ্রাফীসহ আরো কিছু ক্লাসে যোগদান করেছিলেন।...

Continue Reading...