মৃত্যুর পরেও কি আত্মা সচল !

Technology Image

শরীরের বাইরে সত্যিই কি আলাদা করে আত্মার অস্তিত্ব আছে? মৃত্যুর পরেও কি তা সচল থাকে? জীবের জীবন নিয়ে এমন নানা প্রশ্নই ঘুরেফিরে বেড়ায় বিজ্ঞানীদের মধ্যে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা অবস্থায় আত্মা নাকি সচল থাকে; মানুষ থেকে মানুষে ঘুরে ফেরে এইসব বিশ্বাস। বিনিময় হয় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা। তবে এবারই প্রথমবারের মত সে অভিজ্ঞতাকেই বইয়ে লিপিবদ্ধ করলেন হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে প্রশিক্ষিত নিউরো সার্জন ডা. এবেন আলেক্সান্ডার।
পশ্চিমা মেডিকেল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষিত হওয়া আর সারাক্ষণ চিকিৎসক সহকর্মীদের আবহে বসবাস এবেনের। পারজাগতিক অভিজ্ঞতা লাভের আগ পর্যন্ত শরীর থেকে আলাদা করে আত্মার অস্তিত্বকে বিশ্বাস করতেন না তিনি। সংশয়বাদীদের অনেকের মতই তিনি মনে করতেন আত্মার সচলতাকে মানুষের ভ্রম কিংবা কল্পনাজাত। সবসময় নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রকৃতিবাদী চিন্তাধারায়।
তবে হঠাৎ করে পাল্টে যায় পরিস্থিতি। হঠাৎ করে মস্তিষ্কে ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবেন। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় তাঁর চিন্তাধারাও। সেসময় সাতদিন ধরে হাসপাতালের কোমায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকতে হয় তাঁকে। এবেনের বিশ্বাস, কোমায় থাকা অবস্থায় এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতো তাঁর আত্মা। তিনি দাবি করেন, আত্মার এ চলাফেরায় কখনো মিলত স্বর্গীয় অনুভূতি আবার কখনো তার বিপরীত। অর্থাৎ ভালো কিংবা খারাপ সর্বত্রই ছিল আত্মার গতিবিধি।
সুস্থ হবার পর নিজের সে অভিজ্ঞতা নিয়ে এবেন লিখে ফেলেন ‘প্রুফ অব হ্যাভেন’ নামের একটি বই। দাবি করেন, “মূলত আত্মাকে প্রসারিত আর বিকশিত করার পরীক্ষার নামই আমাদের জীবন। আর কেবল ভালোবাসা আর সমবেদনার মধ্য দিয়েই সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব।” তাঁর মতে, “মানুষের শরীরের নিষ্ক্রিয়তা আর আত্মার সচলতাপূর্ণ অবস্থা এতটাই বাস্তব আর স্বতঃস্ফুর্ত যে সেসময় মানবজাতি হিসেকে পৃথিবীতে নিজেদের উপস্থিতিকে মিথ্যে স্বপ্ন বলে মনে হয়।” পারজাগতিক সময়ের যোগাযোগকে টেলিপ্যাথিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবেন। তিনি জানান, ওই সময় যোগাযোগের কোন...

Continue Reading...

তথ্যপ্রযুক্তিতে অর্জনের বছর ২০১৪ সাল

Technology Image

ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রম বেশ কয়েক বছর আগে চালু হলেও এ খাতে ২০১৪ সালের অর্জন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গেল বছর তথ্যপ্রযুক্তিতে নানান ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আশাতীত সাফল্য নিয়ে আমাদের বিশেষ "তথ্যপ্রযুক্তি সালতামামি-২০১৪"।
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটারের ৫০ বছর পূর্তি

কম্পিউটার নামের বিস্ময় যন্ত্রের সঙ্গে বাংলাদেশ আজ থেকে ৫০ বছর আগেই পরিচিত হয়েছিল। বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪ সালে। এটি শুধু বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে নয়, এ কম্পিউটার ছিল তৎকালীন পুরো পাকিস্তানেই প্রথম আনা কম্পিউটার। ২০১৪ সালে এসে বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটারের ৫০ বছর পূর্তি হলো।
বেসিসের নতুন লোগো

কর্মসংস্থান, ই-সেবা ও রফতানি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নতুন লোগোয় যাত্রা করে দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সেবা খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। নতুন রোডম্যাপ বাস্তবায়নে অনুপ্রেরণা জোগাবে সংগঠনের নতুন এ লোগো। ২০ জানুয়ারি বেসিস মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন লোগো উন্মোচন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
হাইটেক পার্ক স্থাপনের জটিলতার অবসান
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেশের প্রথম হাইটেক পার্ক স্থাপনে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। ফলে এ প্রকল্পের কাজ (২৩২ একর জমিতে) এগিয়ে নিতে আইনগত আর বাধা থাকবে না বলে জানান মামলার আইনজীবী। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল বিভাগে যাই। গত ২৮ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৫ সদস্যের বেঞ্চ হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ স্থগিত করেন।
প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে নজরদারির উপকরণ হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) চালকবিহীন বিমান বা ড্রোন সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ওই প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে গত ২২ জানুয়ারি ডিএমপি সদর দফতরে দেশের ৪...

Continue Reading...

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম প্রাণ আবিষ্কার

Technology Image

জীব কতো বড় হতে পারে তা দেখা যায় হাতি অথবা তিমির দিকে দৃষ্টি দিলে। কিন্তু কতোটা ছোট হতে পারে পৃথিবীর জীব?
দেখা যাচ্ছে, এই “আলট্রা-স্মল” ব্যাকটেরিয়া হলো এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে পাওয়া সব চাইতে ক্ষুদ্র জীবনের নিদর্শন। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের গবেষকেরা এই ব্যাকটেরিয়ার মাইক্রোস্কোপিক চিত্র ধারণ করতে সক্ষম হন। এদের পর্যবেক্ষণ করা এতোটাই কঠিন যে গবেষকেরা বছরের পর বছর এর অস্তিত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি ছিলো। কিন্তু এখন সব সংশয়ের অবসান ঘটলো।
এসব আলট্রা স্মল ব্যাকটেরিয়া হলো এমন এক ধরণের ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ যাদের ব্যাপারে প্রায় কিছুই জানা নেই গবেষকদের। বিভিন্ন পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থানে এদের খুঁজে পাওয়া যায় এবং এসব বাস্তুসংস্থানে এরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
গবেষণার জন্য সংগ্রহ করা হয় ভূগর্ভস্থ পানি। একে ০.২ মাইক্রন পর্যন্ত ফিল্টার করা হয়। এতো সুক্ষ্মভাবে ফিল্টার করা হলে ধরা হয় এই পানি বিশুদ্ধ। কিন্তু এর মাঝে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে এমন আলট্রা স্মল ব্যাকটেরিয়া। এরা এতোই ক্ষুদ্র যে মানুষের চুলের আগায় আটকে থাকতে পারে এমন সাড়ে বাইশ কোটি ব্যাকটেরিয়া।
গবেষকেরা এই পানি জমাট বাঁধিয়ে ল্যাবে নিয়ে যান এবং সেখানে এই ব্যাকটেরিয়াকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। গবেষকেরা বলেন, একটি জীব কতটুকু ছোট হতে পারে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এ কারণে এমন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়ার ব্যাপারে এমন গবেষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading...

২৫ বছরে সিম কার্ড

Technology Image

মোবাইল ফোনের ছোট মাইক্রো চিপস সিম কার্ডের (সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউলস) ২৫ বছর হতে চলেছে। এই সময়ের মধ্যে মোবাইল ফোন এবং নেটওয়ার্ক টেকনোলজির ব্যাপক উত্থান ঘটলেও সিম কার্ডের ব্যবহার আগের মতই আছে।
তবে সিম কার্ডের নিরাপত্তা এখন হুমকির মুখে। সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারা লক্ষ লক্ষ সিমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে।
নেদারল্যান্ডের সিম কার্ড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জিমাল্টো সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এসএসএ’র এ ধরনের হামলার সম্মুখীন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে আসছিলো তাদের প্রস্তুতকৃত সিম কার্ড মোবাইলের জন্য কতটা নিরাপদ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সিম কার্ডে এখন লাভের চেয়ে অপূর্ণতাই বেশি।
১৯৯১ সালে সিম কার্ড সর্বপ্রথম বাজারে আসে। সেসময় মোবাইল ফোন ছিল অত্যন্ত ভারী একটি ডিভাইস যা সাধারনত গাড়ি বা কাঁধে রাখা হতো। অনেক সময় গাড়ির সাথে সিমসহ মোবাইলও ভাড়া দেয়া হতো। প্রতিবারে অনেক লম্বা এক্সেস কোড লিখার পরিবর্তে একটি সিমের সাহায্যে মানুষ সহজেই একজন অন্যজনের ফোন নম্বর পেতে পারতো।
কিন্তু এখন যুগ অনেক পাল্টেছে। সেই বিশাল মোবাইলে মধ্যে সিম কিংবা সিমকার্ড সহ গাড়ির দিন এখর আর নেই। এখন মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন আছে। যার সাহায্যে মানুষ মুহুর্তেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারতে পারে, বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে, আছে ওয়াইফাই, ইমেইল, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, অ্যাপ স্টোর এবং অনলাইন শপিংয়ের সুযোগ।
তবে শিঘ্রই সিম কার্ডের বিকল্প অসছে। এর পরিবর্তে একটি ইউজার আইডি এবং একটি পাসওয়ার্ড থাকবে। আমরা ওয়াইফাইতে যেভাবে এক্সেস করি, ব্যাপারটা ঠিক সেরকমই।

Continue Reading...

শুকতারার পৃষ্ঠের ছবি

Technology Image

শুক্র গ্রহ বা শুকতারার নতুন কিছু ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। মেঘের আচ্ছাদন থেকে মুক্ত ছবিগুলো সেখানকার ভৌগোলিক গঠন সম্পর্কে তুলনামূলক স্পষ্ট ধারণা দেয়। এতে জ্যোতির্বিদেরা গ্রহটির ব্যতিক্রমী পৃষ্ঠতল নিয়ে বিস্তারিত গবেষণার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
শুকতারাকে কখনো কখনো ‘পৃথিবীর বোন’ বলা হয়। কারণ, দুটি গ্রহের আকার, ভর, গঠন এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্ব প্রায় সমান। তবে তাদের বৈশিষ্ট্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। সৌরজগতের মধ্যে পৃথিবীসহ কাছাকাছি চারটি গ্রহের মধ্যে শুকতারার আবহমণ্ডল সবচেয়ে ঘন, যার ৯৬ শতাংশই কার্বন ডাই-অক্সাইড। ছোট ও উষ্ণ গ্রহ হিসেবে পরিচিত এই গ্রহে রয়েছে সালফিউরিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ উজ্জ্বল মেঘরাশি।
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর পৃষ্ঠতল নিয়মিত দেখা গেলেও শুক্র গ্রহ সব সময়ের জন্যই একধরনের প্রতিফলক বর্মে ঘেরা থাকে। ফলে সহজ উপায়ে সেখানকার উপরিতলের ছবি তোলার সুযোগ নেই। কিন্তু সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী দুটি মানমন্দিরের রাডারভিত্তিক সমন্বিত সামর্থ্য কাজে লাগিয়ে মহাকাশ দূরবীক্ষণযন্ত্রের (স্পেস টেলিস্কোপ) সাহায্যে শুক্র গ্রহের বিশেষ ধরনের ছবি তুলতে সমর্থ হয়েছেন, যা থেকে গ্রহটির পৃষ্ঠতলের উল্লেখযোগ্য বিবরণ পাওয়া যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের (এনএসএফ) উদ্যোগে পুয়ের্তো রিকোর আরেসিবো অবজারভেটরির রয়েছে বেতার তরঙ্গ আদান-প্রদান করার সামর্থ্য। সেখান থেকে পাঠানো এ রকম তরঙ্গগুলো ভেনাসের পৃষ্ঠতল থেকে ফিরে আসার পর এনএসএফের গ্রিন ব্যাংক টেলিস্কোপের সাহায্যে সেগুলো গ্রহণ করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় শুকতারার পৃষ্ঠতলের যেসব ছবি মিলেছে, সেগুলো থেকে গ্রহটির পর্বতমালা, বিভিন্ন গর্ত ও আগ্নেয়গিরির ভৌগোলিক গঠন সম্পর্কে তুলনামূলক স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্মিথসোনিয়ানস ন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস মিউজিয়ামের জ্যোতির্বিদ ব্রুস ক্যাম্পবেল বলেন, রাডারের ছবি থেকে কোনো কিছু অনুসন্ধান বা পরিবর্তনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা কঠিন কাজ। কিন্তু নতুন ছবিগুলোর সঙ্গে পুরোনো ছবি মিলিয়ে বিশ্লেষণ করে শুকতারার পৃষ্ঠতল সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা...

Continue Reading...

মৃত্যুর পর যেভাবে রাখা হয়েছে তাঁর অফিস কক্ষ

Technology Image

অ্যাপলের রূপকার স্টিভ জবস চলে গেলেও তাঁকে এখনও ভোলেনি অ্যাপল। আর কখনও যেন তাঁকে কেউ না ভুলে যায়, সে জন্য তাঁর অফিস কক্ষকে এখনও রাখা হয়েছে ঠিক সেভাবেই যেভাবে তিনি রেখে গেছেন।
সামান্য কোন পরিবর্তনও আনা হয়নি সেখানে। কক্ষের দরজায় এখনও রয়েছে তাঁর নামফলক। সম্প্রতি অ্যাপল ডিজাইনার জনি ইভের এক বৃত্তান্তে এই বর্ণনা উঠে এসেছে। খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন জবস এবং ইভ।
জবের অফিস ছিল ১ ইনফিনিট লুপে। অন্যদিকে ইভের অফিস ছিল ২ ইনফিনিট লুপে। আর দুটি অফিস সংযুক্ত ছিল একটি করিডোরের মাধ্যমে। অ্যাপল ক্যাম্পাসে একমাত্র এই দুটি বিল্ডিংই পরস্পরের সাথে যুক্ত।
তাঁরা দুজন খুব ভাল বন্ধুও ছিলেন। ২০১১ সালের শেষের দিকে স্টিভ জবসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ইভ বলেছিলেন, তাঁর সচেয়ে কাছের এবং আদর্শ বন্ধু ছিলেন স্টিভ জবস।
গত বছর এক সাক্ষাৎকারে টিম কুকও স্টিভ জবসের অফিস এখনও আগের মত আছে বলে জানিয়েছিলেন। আর এর মাধ্যমে তিনি প্রতিদিন জবসের কথা মনে করেন বলেও জানান কুক, "তিনি আমার হৃদয়ে এখনও গেঁথে আছেন। অ্যাপলের মূলনীতির সাথে তাঁর কর্মস্প্রৃহা সবসময় মিশে থাকবে ।"

Continue Reading...

‘সাধারণ’ উপলব্ধিতেই পাল্টে যায় জীবন

Technology Image

১৯৮২ সালের কথা। ওয়াসিংটন ডিসির একাডেমি অফ এ্যাচিভমেন্ট থেকে গেল্ডেন প্লেট পুরষ্কার গ্রহণ করছেন স্টিভ জবস। সেসময় দেয়া তাঁর এক ভাষণ খুব বিখ্যাত। অথচ জবসের বয়স তখন মাত্র ছাব্বিশ বছর।
আগামি পৃথিবীতে সুন্দর জীবন ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য তরুণ প্রজন্মের সামনে সুন্দর একটি বক্তৃতা দেওয়ার সুন্দর এক সুযোগ ছিল জবসের। বক্তৃতায় জবস সৃষ্টিশীলতা বিষয়ে অনেক মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি তার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হয়েছিল সেটার উপরও আলোকপাত করেছিলেন।
জবস বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘একটি বিষয় সব সময় আমার মাথার ভেতর কাজ করত। যদিও কিভাবে বিষয়টি আমার চিন্তা শক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল তা আমি সঠিক জানতাম না। বিষয়টি হলো, আমাদের চারপাশে অনেক কিছু ঘটে যাচ্ছে যা পরিবর্তনের জন্য আমরা কখনোই কোন চেষ্টা করি না। যা কিছু বিদ্যমান, তার মধ্যেই আমরা জায়গা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি সুন্দর একটি জীবন সাজাতে। তবে কিছু মানুষ আছেন, যারা পৃথিবীকে বদলে দিতে চান। যখন আপনি সেই কাজের মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ শুরু করে দেন তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি তাদের থেকে খুব বেশি আলাদা নন’।
জবস বলেন, যেসব মানুষ গোটা পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, সংস্কৃতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাও আমাদের মত সাধারণ মানুষ। সব কিছুরই সম্ভাবনা আমাদের মধ্যেও রয়েছে। এমনও হতে পারে যে সাধারণ একজন মানুষ পুরো পৃথিবীকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন।
জবস বলেন, প্রাত্যহিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে সব মানুষ পুরো পৃথিবীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাও আপনার চেয়ে খুব বেশি আলাদা নন। তাদের বিশেষ কিছু কিছু বিষয়ে নিজস্ব মতামত রয়েছে এরপরও তারা কিন্তু আমাদের মতই সাধারণ। সঠিক যোগাযোগ, সঠিক প্রশিক্ষণ, ভাল মেধা-মননের ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তিদের মত হয়ে ওঠা সম্ভব।
জবসের মতে, এই ধরনের উপলব্ধি,...

Continue Reading...

গ্যাজেট নারীকে বিশেষ করে তোলে

Technology Image


বর্তমান সময়ের প্রযুক্তিতে গ্যাজেট ব্যবহার বেশ প্রচলিত। স্মার্টফোন থেকে ওয়াচ পর্যন্ত সকল গ্যাজেট একজন মানুষকে বিশেষ করে তোলে। আর বেশ কিছু গ্যাজেট রয়েছে নারীদের জন্য যা একজন নারীকে সুন্দর করে তোলে।
আইন্যাকলেস

অনেক নারী প্রযুক্তি চালিত গহনা ভালোবাসে। আইন্যাকলেস চমৎকার একটি গ্যাজেট। এটিতে ১.৬ মিমি হীরার চেইনের সাথে একটি প্যানডেন্ট সংযুক্ত করা। মুদ্রা আকারের ব্যাটারি এই দুলের পিছনের দিকে দেয়া থাকে। প্রতিটি আইন্যাকলেস প্যানডেন্টে এলইডি এবং ব্যাটারি সার্কিট বোর্ড রয়েছে। আর এটি পড়লে এলইডি প্যানডেন্ট টি আলোকিত করবে।
কেয়ার ব্রেসলেট

মূলত গর্ভবতী মহিলাদের সতর্ক করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এই ব্রেসলেট। দূষিত এবং বিকিরণ এরিয়ায় গেলে সম্ভাব্য ভ্রূণ ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে ব্রেসলেট রঙ পরিবর্তন করে এবং ভাইব্রেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়।
গিম্মি টিউন্সগ্রেট স্পিকার

গিম্মি টিউন্সগ্রেট আইপড স্পিকার স্টিলেট্টো জুতাটি সত্যিই আকর্ষণীয়। এটি মূলত জুতা-আকৃতির একজোড়া স্পিকার। দেখতে বেশ অভিনব যা দিয়ে আপনি সঙ্গীত উপভোগ করতে পারবেন। এখানে ৩.৫ এমএম জ্যাক ও ইউএসবি সংযোগ রয়েছে। এই স্পিকার সিডি প্লেয়ার, এমপি৩ প্লেয়ার, কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের সঙ্গে ব্যবহার করা যাবে।

Continue Reading...

‘স্মাইল টু পে’

Technology Image

অর্থ লেনদেনের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট কিংবা স্মার্টফোনের ব্যবহার হয়ে আসছে বেশ কিছুদিন ধরেই। তবে এই তালিকায় শীঘ্রই যুক্ত হতে পারে আরও একটি নাম- ‘স্মাইল টু পে’। জার্মানিতে চলমান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্মেলন সিবিটে এই চমক দেখিয়েছে চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কেবল মুখ স্ক্যান করেই সেরে নেওয়া যাবে লেনদেনের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
সিবিটের মঞ্চে আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি লেনদেন সম্পন্ন করে দেখিয়েছেন। সেখানে তিনি আলিবাবার মোবাইল সাইট থেকে একটি স্যুভেনির ক্রয় করেন এবং অর্থ পরিশোধ করতে ব্যবহার করেন আলিপে। আর তিনি দেখান, লেনদেনটি সম্পন্ন করতে কেবল মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে নিজের মুখের একটি ছবি তুললেই হল।
ফেস রিকগনিশন টেকনোলজি এর আগে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আনলক করার কাজে ব্যবহার করা হলেও অর্থ লেনদেনের খেত্রে এই প্রযুক্তির ব্যবহার এটাই প্রথম।
বর্তমানে চীনে আছে আলিপে’র ৩০ কোটি গ্রাহক। আর গত বছর এই প্ল্যাটফর্মে যে পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই ছিল মোবাইল ডিভাইস থেকে। আর তাই ধারণা করা হচ্ছে, চীনে এই প্রযুক্তি বেশ ভাল জনপ্রিয়তা পাবে।
এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আলিবাবার সাথে কাজ করছে বেইজিংয়ের ক্লাউড বেজড ফেসিয়াল রিকগনিশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মেগভি।

Continue Reading...