লোডিং ...
Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

‘সাধারণ’ উপলব্ধিতেই পাল্টে যায় জীবন Nokkhotro Desk

feature-image

১৯৮২ সালের কথা। ওয়াসিংটন ডিসির একাডেমি অফ এ্যাচিভমেন্ট থেকে গেল্ডেন প্লেট পুরষ্কার গ্রহণ করছেন স্টিভ জবস। সেসময় দেয়া তাঁর এক ভাষণ খুব বিখ্যাত। অথচ জবসের বয়স তখন মাত্র ছাব্বিশ বছর।

আগামি পৃথিবীতে সুন্দর জীবন ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য তরুণ প্রজন্মের সামনে সুন্দর একটি বক্তৃতা দেওয়ার সুন্দর এক সুযোগ ছিল জবসের। বক্তৃতায় জবস সৃষ্টিশীলতা বিষয়ে অনেক মন্তব্য করেছিলেন। পাশাপাশি তার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হয়েছিল সেটার উপরও আলোকপাত করেছিলেন।

জবস বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘একটি বিষয় সব সময় আমার মাথার ভেতর কাজ করত। যদিও কিভাবে বিষয়টি আমার চিন্তা শক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল তা আমি সঠিক জানতাম না। বিষয়টি হলো, আমাদের চারপাশে অনেক কিছু ঘটে যাচ্ছে যা পরিবর্তনের জন্য আমরা কখনোই কোন চেষ্টা করি না। যা কিছু বিদ্যমান, তার মধ্যেই আমরা জায়গা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করি। চেষ্টা করি সুন্দর একটি জীবন সাজাতে। তবে কিছু মানুষ আছেন, যারা পৃথিবীকে বদলে দিতে চান। যখন আপনি সেই কাজের মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ শুরু করে দেন তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি তাদের থেকে খুব বেশি আলাদা নন’।

জবস বলেন, যেসব মানুষ গোটা পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, সংস্কৃতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাও আমাদের মত সাধারণ মানুষ। সব কিছুরই সম্ভাবনা আমাদের মধ্যেও রয়েছে। এমনও হতে পারে যে সাধারণ একজন মানুষ পুরো পৃথিবীকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

জবস বলেন, প্রাত্যহিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে সব মানুষ পুরো পৃথিবীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারাও আপনার চেয়ে খুব বেশি আলাদা নন। তাদের বিশেষ কিছু কিছু বিষয়ে নিজস্ব মতামত রয়েছে এরপরও তারা কিন্তু আমাদের মতই সাধারণ। সঠিক যোগাযোগ, সঠিক প্রশিক্ষণ, ভাল মেধা-মননের ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তিদের মত হয়ে ওঠা সম্ভব।

জবসের মতে, এই ধরনের উপলব্ধি, পৃথিবী পরিবর্তনের উপলব্ধি আমাদের মধ্যে এক ধরনে দায়িত্বশীলতা তৈরি করে দেয়। যদি সমাজ পরিবর্তনের সুযোগ আপনার হাতে থাকে তবে আপনি উন্নতি করার জন্য বাধ্য। দার্শনিকদের মতই বলতে হয় একটি কর্মময় জীবনই অর্থপূর্ণ এবং প্রকৃতপক্ষে জরুরি।
A A