Lifestyle Image

বিষণ্নতা থেকে দূরে থাকুন




*নিজের ভেতরের আত্মসম্মানকে জাগিয়ে তুলুন। আর এজন্য নিজেকে ভালবাসতে শিখুন। আপনি যেমন নিজেকে ভালবাসেন ঠিক সেভাবেই স্বীকার করে নিন এবং উপস্থাপন করুন। এক মুহূর্তের জন্যও নিজেকে অন্য কারো সাথে তুলনা করে হতাশা ডেকে আনবেন না। অন্য কারো কথায় নিজের স্বত্বাকে বিসর্জন দেবেন না। যে যে কাজ আপনার জন্য ভালো এবং আপনাকে আনন্দ দেয় সেইসব কাজ করুন। অন্য কারো কথায় কান দিয়ে নিজেকে খুশি পাওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন না।

*অতীত কষ্টের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখলে বর্তমানে সুখী হওয়া যায় না। জীবন অনেক ছোট। এর মধ্যে অতীতকে বারবার মনে করে বর্তমানে অসুখী হওয়া বোকামি। ক্ষমা করা শিখুন, অতীতকে ঝেড়ে ফেলুন, আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখুন।

*অতীতে কি হয়েছিলো, ভবিষ্যতে কি হবে এইসব ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত চিন্তা বর্তমানের খুশিকে নষ্ট করে দেয়। সব ব্যাপারে অতীতকে ভেবে কষ্ট ডেকে আনবেন না। বর্তমানের সব ছোটোখাটো সব কিছু থেকে আনন্দ পেতে শিখুন। যতটুকু ভাবলে আপনার বর্তমান জীবনে কোন প্রভাব পড়বে না ততটুকুই ভাবতে শিখুন।

*বর্তমানে আপনার সার্বিক পরিস্থিতি ভাল নাও থাকতে পারে। হতে পারে পড়াশুনায় সমস্যা, চাকরির সমস্যা, ব্যবসার সমস্যা এমনকি পারিবারিক বা অন্য কিছু। এই পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে না গিয়ে ধৈর্য্যের সাথে সব কিছু মোকাবেলা করতে হবে। এমনও হতে পারে খারাপের মধ্যে ভাল কিছু অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। কারণ আপনি নিজের অবস্থানে সন্তুষ্ট না থাকলে নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। নতুন উদ্যামে শুরু করলে অবশ্যই আপনি আরো ভালো অবস্থায় উপনিত হতে পারবেন। তাছাড়া হাল না ছেড়ে দিয়ে প্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখুন।

*মনে রাখবেন প্রথম ভালোবাসা হচ্ছে নিজেকে ভালোবাসা। আপনি নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে অন্য কারো থেকে ভালোবাসা আশা করা যায় না। মানুষ আপনার সম্পর্কে কী চিন্তা করবে এইসব ভেবে নিজেকে দমিয়ে রাখবেন না। অন্য একজন কি বলল তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না। অপরের জন্য নিজেকে কখনও বদলাতে যাবেন না।

*ভবিষ্যতে কি হবে আগে থেকে জানা যায় না। যা ভাগ্যে লেখা আছে তাই হবে এই চিন্তা করে বসে থাকলে জীবনে কিছুই করতে পারবেন না। আপনার ভাগ্যের কিছু অংশ আপনার নিজের হাতেও থাকে। আপনার বর্তমানের ছোট একটি পদক্ষেপই হতে পারে আপনার ভবিষ্যতের সুখের সিঁড়ি।

...জীবনের প্রতিটি দিন যে সুখের হবে তা কিন্তু নয়। সুখ-দুঃখের সমন্বয়েই জীবন কাটাতে হয়। কিন্তু কিছুটা সময়ের জন্য অসুখী থাকা এবং অভ্যাসগতভাবে অসুখী জীবনযাপন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যারা দীর্ঘকাল ধরে অসুখী, তারাই অভ্যাসগত কারণে অসুখী জীবনযাপন করেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষের দীর্ঘকাল অসুখী থাকার পিছনে কিছু কারণ রয়েছে। এগুলো দূর করতে পারলেই তারা কষ্টের জীবনযাপন থেকে মুক্তি পেতে পারেন। দূরে রাখতে পারেন বিষণ্নতা ও কষ্টের অনুভব।