Lifestyle

*সবার ভালোবাসার মানুষ হয়ে উঠতে গেলে থাকতে হবে ইচ্ছাশক্তি। এই ইচ্ছাশক্তি আপনার জীবনযাত্রার মানে উৎকর্ষ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। ইতিবাচকতা একটা আবরণের মতো। যখন আপনি মানুষের মনে বিশ্বাস স্থাপন করতে পারবেন, মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে।
*বাস্তববাদী হোন, একেবারে সাধু ব্যক্তি হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো। আপনি ইতিবাচক ব্যক্তি হয়ে উঠবেন, তার মানে এই নয় যে আপনার কোনো নেতিবাচক আবেগ থাকতে পারে না কিংবা কখনোই নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার আপনি হবেন না। কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশাগ্রস্ত হবেন না কিংবা বিপথের দিকে ধাবিত হবেন না।
*একজন মনোযোগী পর্যবেক্ষক হোন। আপনার চারপাশে খেয়াল রাখুন। কিভাবে আপনি আরো বেশি ইতিবাচক উপাদান আয়ত্ত করতে পারবেন তার জন্য দৈনন্দিন জীবনের কর্মকাণ্ডে মনোযোগী হোন। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে আরো বেশি ইতিবাচক করে তুলবে।
*ভাষায় মার্জিত ও ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে।...

Read More

Lifestyle

*কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের অন্যতম ভুল হলো কন্টাক্ট লেন্সের জন্য সরবরাহকৃত সলিউশন ব্যবহার না করে সাধারণ পানি ব্যবহার করা। বিশেষ করে বাইরে যাতায়াতের সময়ে অনেকেই সলিউশন সঙ্গে করে নিয়ে যেতে...

Read More

Lifestyle

*করল্লায় রয়েছে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির প্রতিরোধ ক্ষমতা।
*করল্লা অগ্ন্যাশয়ের টিউমার প্রায় ৬৪% কমিয়ে আনতে সক্ষম।
*উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা, অ্যাজমা, ত্বকের ইনফেকশন, ডায়বেটিস এবং পাকস্থলীর নানা সমস্যা প্রতিরোধ করতে...

Read More

Lifestyle Image

স্বল্প খরচেই খান স্বাস্থ্যকর খাবার

অনেকেরই ধারণা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গেলে খরচটা হয়ে যাবে অনেক বেশি। একদিকে জিমে দৌড়াতে হবে, আরেকদিকে গুচ্ছের টাকা খরচ করে ভালো ভালো খেতে হবে। আসলে কিন্তু কম খরচেই বেশ স্বাস্থ্যকর একটা খাদ্যভ্যাস গড়ে তোলা যায়। প্রয়োজন হলো একটু বুদ্ধি খাটানো আর ছোট্ট কিছু কৌশল মেনে চলা।
১) ফল ও সবজি
সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন অসাধারণ স্বাদের তরকারি অথবা স্টার-ফ্রাই যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আর টাটকা সবজি দিয়ে তৈরি সালাদের উপকারিতার কথা তো বলাই বাহুল্য। বিভিন্ন মৌসুমি কমদামি সবজি আপনার খরচও কমাবে, স্বাস্থ্যও ভালো রাখবে। অনেক মৌসুমি ফলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
২) শস্যদানা
ময়দা বা সিরিয়ালের চাইতে হোল গ্রেইন অনেকটাই খরচ কমায়। এদের স্বাস্থ্য উপকারিতাও অসাধারণ। বেশি করে কিনে রাখতে পারেন চাল, গম, জব ইত্যাদি। ব্লেন্ডারে তৈরি করে নিতে নিতে পারেন ছাতু। একইভাবে কিনে রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরণের ডাল। তা সুস্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস হয়ে দাঁড়াবে।
৩) দুগ্ধজাত খাদ্য
খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন দুগ্ধজাত পণ্য যেমন মাখন বা ঘি। এগুলোর দাম একটু বেশি বটে কিন্তু খাবারের স্বাদ বাড়াতে অন্য কোনো উপাদান ব্যবহার করতে হবে না, তাই দিনের শেষে খরচটা আসলে কমই হবে। আরও ব্যবহার করতে পারেন টক বা মিষ্টি দই।
৪) মুরগির মাংস এবং ডিম
প্রাণীজ প্রোটিনের উৎস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন মুরগির মাংস এবং ডিম। চিকেন ফ্রাই এর মতো ফাস্টফুডের দামটা বেশি হলেও আস্ত মুরগি কিনে বাসায় রান্না করে খাবার খরচটা কম। এমনকি গরু, খাসি অথবা চিংড়ির চাইতে মুরগীর দামটা বেশ কম। আর ডিম তো এক্ষেত্রে আরও বেশি উপকারী। ঝটপট স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করতে ডিমের জুড়ি নেই।
৫) বাদ দিতে হবে প্রক্রিয়াজাত পানীয়
আমাদের অর্থ এবং...[…]

Lifestyle Image

ডার্ক চকলেট নিয়ন্ত্রণ করে আপনার রাগ

চকলেট খেতে পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সবাই কমবেশি চকলেট খেতে ভালোবাসেন। তবে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে ডার্ক চকলেট একজনের রাগ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে শান্ত রাখতে সহায়তা করে।
গবেষণাটিতে বলা হয় যে, ডার্ক চকলেটে থাকা পলিফেনল একজনকে শান্ত আর স্থির রাখে। তাকে কোনো পরিস্থিতিতেই উত্তেজিত হতে দেয় না।
মূলত প্রাকৃতিক কিছু গাছ গাছালিতে এবং মানুষের কিছু খাবারে এই পলিফেনল খুঁজে পাওয়া যায়। এই পলিফেনল মানবদেহে বিভিন্ন রোগ উৎপাদনকারী অক্সিডেন্ট স্ট্রেস কমিয়ে আনে। এটি বিভিন্ন মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করে বলে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন।
অস্ট্রেলিয়ার সুইনবার্ণ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের করা Matthew pase গবেষণাটির মূল গবেষক বলেন, ‘ চকলেট আসলে আমাদের মনের প্রশান্তি ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে থাকে আর এটি সম্ভব একমাত্র কোকোয়া পলিফেনলের কারণে।’
গবেষণাটিতে ৪০-৬৫ বছর বয়সী ৭২ জন পুরুষ এবং নারী অংশগ্রহণ করেন যাদেরকে ৫০০ মিলি কোকোয়া পলিফেনল, ২৫০ মিলি কোকোয়া পলিফেনল অথবা ০ মিলি কোকোয়া পলিফেনল সমৃদ্ধ বিভিন্ন ডার্ক চকলেট খাওয়ানো হয়। এভাবে অনবরত ৩০ দিন পর্যন্ত তারা এই ডার্ক চকলেট খান।
দীর্ঘ ৩০ দিন পরে দেখা যায় যারা উচ্চ পলিফেনল সমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট খেয়েছেন তারা অন্যান্যদের তুলনায় অনেক বেশি ধীর আর শান্ত স্বভাবের আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। এভাবেই গবেষণাটিতে খুব সুন্দরভাবে উঠে আসে যে ডার্ক চকলেট কীভাবে একজনের রাগ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং তাকে শান্ত স্বভাবের করে তোলে।[…]

Lifestyle Image

জাফরান এর গুণ

*জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিত রোগ দূর করে।
*হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত সকল রোগ দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।
*জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
*জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা দূর করে।
*মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।
*নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা, পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।
*জাফরানের রয়েছে অনিদ্রা সমস্যা দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা। ঘুমুতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে দূর হবে অনিদ্রা সমস্যা।
*সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসেজ করলে মাড়ি, দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
*গবেষণায় দেখা যায় জাফরান দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে।
*জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
*অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটু জাফরান।
*জাফরান কয়েক ধরণের ক্যান্সারের কোষ আমাদের দেহে বাসা বাঁধতে বাঁধা প্রদান করে। এতে করে ক্যান্সার থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব হয়।
*জাফরান দেহের কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে করে কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড জনিত সমস্যা দূরে থাকে।
*জাফরানের ক্রোসিন নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমাতে সহায়তা করে।
*মস্তিস্কের স্মৃতিশক্তি উন্নত, চিন্তা ক্ষমতা, কোনো কিছু শেখার ক্ষমতা বাড়ায় নিয়মিত জাফরান সেবন।[…]

Lifestyle Image

মেয়েদের যে কয়েকটি বিষয় ছেলেদের মেনে নেয়া উচিত

*একজন মেয়ে যেভাবে নিজের আবেগ প্রকাশ এবং নিয়ন্ত্রন করবেন তা একজন ছেলের সাথে একেবারেই মিলবে না। কারণ মেয়েরা অল্পতেই বেশি আবেগী হয়ে যান, অনেক বেশি রিঅ্যাক্ট করেন, অনেক রাগারাগি এবং অযথা অভিমান। এই জিনিসটি মেয়েদের মধ্যে সৃষ্টিকর্তাই দিয়েছেন। তাই ছেলেদেরও বিষয়টি মেনে নেয়াটাই ভালো।
*মেয়েরা যেসকল জিনিস দেখতে পছন্দ করেন তা ছেলেদের সাথে একেবারেই মেলে না। তারা হয়তো রোম্যান্টিক কোনো মুভি বা একটি সিরিয়াল দেখতে বসে যেতে পারেন অপরদিকে খেলাধুলা বা অ্যাকশন মুভি দেখাতেই ছেলেদের আগ্রহ বেশি। মূল কথা হলো একজন ছেলে এবং একজন মেয়ের রুচি আলাদা হবেই। তাই এই ব্যাপারটি নিয়ে ঘ্যানঘ্যান না করে মেনে নেয়াটাই ভালো।
*ছেলেরা সব চাইতে বেশি অভিযোগ করেন মেয়েদের তৈরি হওয়ার দেরি নিয়ে। কিন্তু ছেলেদের বুঝতে হবে একটি পোশাক এবং চুল আঁচড়ে নিলেই মেয়েদের তৈরি হওয়া হয় না। মেয়েদের পোশাক পড়াটাই একটু ঝামেলার, তারউপর মেকআপ, চুল সেট ইত্যাদি তো রয়েছেই। সুতরাং এই বিষয়টি মেনে নিয়ে চুপ থাকাই ছেলেদের জন্য ভালো।
*ছেলেরা খুব সহজে কমিটমেন্টে যেতে চান না এবং মেয়েরা ঠিক উল্টো স্বভাবের কমিটমেন্ট বাদে কারো সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে ইতস্ততবোধ করেন। এর মূল কারণ হচ্ছে মেয়েরা নিরাপত্তা চান, সম্পর্কের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। এটি মেয়েদের সহজাত একটি ব্যাপার। সুতরাং না চাইলেও এই ব্যাপারটি মেনে নেয়া উচিত ছেলেদের।
*একটি ছেলে হয়তো বর্তমানের প্রেমের সম্পর্কে একটু ঘুরাঘুরি এবং হাত ধরা নিয়ে ভাবছেন, কিন্তু একটি মেয়ে ভাববেন ভবিষ্যতের কথা, বিয়ের কথা, ছোটো একটি সংসারের কথা। কারণ মেয়েরা মুখে যতোই বলুন না কেন বিয়ের বিষয়টি নিয়ে অনেক বেশি ভাবেন। তাই যদি আপনার প্রেমিকা এইধরনের ভাবনা মনের মধ্যে রেখে আপনাকে কোনো কথা বলেন তখন তিতা খাবার খাওয়ার মতো মুখ না করে...[…]

Lifestyle Image

সত্যিকার ভালোবাসা চিনে নিন

*সঙ্গী যা পছন্দ করেন তা করাই ভালোবাসার প্রকাশ নয়। এমন কিছু থাকতেই পারে যা আপনার দারুণ পছন্দের, কিন্তু সঙ্গীর নয়। সে ক্ষেত্রে সঙ্গী নিশ্চয়ই আপনার পছন্দের কথা জানেন। তারপরও প্রিয় কাজটি করতে উৎসাহ যোগান তিনি। এটাই সত্যিকার ভালোবাসার নামান্তর।
*যখন দুজন দুজনকে সত্যিকার ভালোবাসেন, তখন একে অপরের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে যান। এমন সম্পর্কে একান্ত ও নিষিদ্ধ কৌতুক আলাপচারিতার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। যে বিষয়েই কথা বলুন না কেন, দুজন হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ার আনন্দটাই আলাদা। এ ধরনের সম্পর্কে সত্যিকার ভালোবাসা থাকে।
*আপনার যে কথার কোনো অর্থ নেই তা বুঝতে পারেন আপনার সঙ্গী। এমন কিছু বলতে চাইছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য অন্যের কাছে অর্থহীন মনে হলেও সঙ্গী তার পুরো অর্থ বুঝে ফেলবেন। এটাই প্রকৃত ভালোবাসা।
*আপনার প্রিয় খাবার, প্রিয় পোশাক এবং পছন্দের সবকিছু সম্পর্কে জানেন সঙ্গী। এমনকি একটি রেস্টুরেন্টে বসে আপনার কি খেতে মন চাইছে তাও বুঝে ফেলেন প্রেমিক। এটাই আসল ভালোবাসার প্রকাশ।
*ছোট ছোট চাহনিতে প্রচণ্ড ভালোবাসা ফুটে ওঠে। হয়তো আপনার সঙ্গী ডায়নিংয়ে বসে রয়েছেন আর আপনি রান্নাঘরে কাজ করছেন। হঠাৎ একপলক দেখার সুযোগ তিনি হাতছাড়া করেন না। আবার গার্বেজে আবর্জনা ফেলে গিয়ে তিন মিনিট পর ফিরে এলেই আপনাকে দেখে তার চোখে আনন্দ ঝরে পড়ে। এসব ঘটনা অহরহ হলেও তা বেশ গুরু অর্থ প্রকাশ করে।
*যে বিষয়টি আপনার জন্যে অস্বস্তিকর, তা থেকে আপনাকে সব সময় আগলে রাখবেন সঙ্গী। ধরুন, চাকরির বিষয় নিয়ে আপনি কোনো কথা বলতে চান না। এ ক্ষেত্রে কেউ তা জিজ্ঞাসা করলে আপনার সঙ্গীর প্রসঙ্গ পাল্টাতে বেশি সময় ব্যয় হবে না।
*খুনসুটি দারুণ উপভোগ্য হয়ে ওঠে দুজনের মাঝে। দুজনই মাঝে মধ্যে একে অপরের...[…]

Lifestyle Image

বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলুন

ওজন কমানোর জন্য কতই না ঘাম ঝরাতে হয় আমাদের। কিন্তু আপনি চাইলে বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন সামান্য কষ্ট করে, তাও কেবল একটি পানীয় পান করে। রাতে ঘুমাবার আগে ও সকালে উঠে পান করতে হবে একটি স্বাস্থ্যকর ও পানীয় আর তাতেই কমবে ওজন।
*দুই চামচ মধু, এক চামচ দারুচিনি গুঁড়ো, ১ কাপ গরম পানি নিন।
*একটি গ্লাসে অথবা কাপে দারুচিনি গুঁড়ো রাখুন ও মধু আলাদা করে রাখুন।
*এক কাপ গরম পানি ফুটিয়ে নিন।
*ফুটন্ত গরম পানি ঢেলে দিন দারুচিনি গুঁড়োর মধ্যে। তারপর কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন পাত্রটি।
*যখন দারুচিনি মিশ্রিত পানি হালকা কুসুম গরম পানিতে পরিনত হবে, তখন তাতে মধু মিশিয়ে দিন। মনে রাখবেন কখনোই ফুটন্ত গরম পানিতে মধু মিশ্রণ করবেন না কারণ গরম পানি মধুর এনজাইম ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ ধ্বংস করে দেয়।
*এই মিশ্রণটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১/২ কাপ খেতে পারেন। কিছুটা রেখে দিন ফ্রিজে, পরদিন সকালে উঠেও খেতে পারেন। তবে মিশ্রণটি আবার গরম করার কোন প্রয়োজন নেই।
*এই মিশ্রণটির সাথে আলাদা ভাবে কোন কিছু মেশানোর কোন দরকার নেই। আর ভাল উপকারিতা পাওয়ার জন্য রাতে শোবার আগে ও সকালে খালি পেটেই খাওয়া উত্তম। খালি পেটে খেলে বাড়তি কোন ফ্লেভার যোগ করবেন না।[…]