Lifestyle

*কলার মধ্যে রয়েছে এমাইনো এসিড, যেটি মানসিক চাপ রোধক হিসেবে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম, যা বিষণ্ণতা রোধে কাজ করে।
*কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং সামান্য পরিমাণ লবণ যা হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে; এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।
*প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
*কলার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায় এবং যেসব রোগীর রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া রোগ রয়েছে তাদের জন্য এটি বেশ উপাদেয়।
*কলা দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
*সন্তানসম্ভবা নারীর জন্য কলা খাওয়া খুবই উপকারী। কেননা এটি সকালেবেলার দুর্বলতা কাটাতে কাজ করে এবং রক্তের শর্করার সামঞ্জস্য বজায় রাখে।
*কলা পাকস্থলির এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাকস্থলির আলসার রোধে কাজ করে।
*কলার মধ্যে ছয় ধরনের ভিটামিন রয়েছে, যা রক্তে শর্করা গঠনে কাজ করে।
*কলার...

Read More

Lifestyle

পৃথিবীর প্রায় সব সভ্যতা গড়ে উঠেছে নদীতীরে। বাঙালির ক্ষেত্রে তা আরও সত্য। কারণ, তার ভূখ- নদীবহুল। ধনধান্য পুষ্পভরা। প্রকৃতি বাঙালিকে দিয়েছে বহুকিছু, সঙ্গে এমন এক ঐতিহ্য, যা জন্মসূত্রে দেয়...

Read More

Lifestyle

*আত্মবিশ্বাসী মানুষ সত্যিকার অর্থে সুখী হয়ে থাকেন। কারণ আত্মবিশ্বাসী হতে হলে সুখের প্রয়োজন রয়েছে। আত্মবিশ্বাসী হয়ে কাজ করতে হলে নিজেকে নিয়ে সুখী থাকতে হবে আপনাকে। নিজের কার্যক্রম নিয়ে মানুষ...

Read More

Lifestyle Image

হাইট বাড়ানোর টিপস

*প্রচুর পরিমাণে লীন প্রোটিন খেতে হবে। যেমন সাদা ফার্মের মুরগীর মাংস, মাছ ও দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর লীন প্রোটিন থাকে। যা পেশী গঠনে সাহায্য করে ও হাড্ডির ক্ষত পূরণ করে।
*কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। যেমন – ভাত, আলু, কেক ইত্যাদি। অতিরিক্ত মিষ্টি ও সোডা থেকে দূরে থাকুন।
*প্রচুর ক্যালসিয়াম খান যা সবুজ শাকসবজীতে পাওয়া যায়। দুধ, দই -এ প্রচুর ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
*যথেষ্ট পরিমাণে জিংক থেতে হবে। জিংক পাওয়া যায় কুমড়া, ওয়েস্টার ও গম, ও চিনাবাদামে।
*ভিটামিন ডি খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটি পেশী ও হাড্ডি গঠনে ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে শিশুদের গ্রোথ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং তরুণীদের ওজন বাড়ে। মাছে, মাশরুমে ও সূর্যের আলোতে পাওয়া যায় ভিটামিন ডি।
*বিশেষ করে বয়ঃসন্ধি কালে হাইট বাড়ানোর ব্যায়াম করুন। লাফান, যেমন – দড়ি লাফান, সাঁতার কাটুন, সাইকেল চালান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট। জিমে জয়েন করুন পারলে। খেলাধুলা করুন।
*পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান প্রতিদিন। ঘুমের সময় শরীর বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত ঘুমালে শরীর লম্বা হওয়ার মতো সময় পায়। কমপক্ষে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান যদি আপনার বয়স ২০ এর কম হয়। শরীরের হরমোন গভীর ঘুম এর সময় উত্পন্ন হয়। পিটুইটারী গ্লান্ড থেকে গ্রোথ হরমোন বের হতে সাহায্য করে।
*গ্রোথ যেসব কারণে প্রভাবিত হয় তা পরিহার করার চেষ্টাকরুন। আপনার ন্যাচারাল হাইট যাতে পরিবেশ গত কারণে না কমে তার চেষ্টা করবেন।
*এলকোহল বা স্মোকিং করা যাবেনা। এগুলো কম বয়সে খাওয়া উচিত নয়, হাইট বাড়তে বাঁধা সৃষ্টি করে।
*যারা অপুষ্টিতে ভোগেন তাদের স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি খাটো দেখায়। যারা একটু খাটো তারা সোজা হয়ে থাকার চেষ্টা করবেন সব সময়। কুঁজো হয়ে হাঁটবেন না। ঘাড়টা একটু পেছনে বাঁকিয়ে সোজা হয়ে হাঁটার অভ্যেস...[…]

Lifestyle Image

নারকেল তেলের ব্যবহার

*মশা তাড়াতে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেলের সাথে পুদিনার এসেনশিয়াল অয়েল অর্থাৎ মিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন এরপর তা ত্বকে ব্যবহার করুন। মশা দূরে পালাবে।
*কেমিক্যাল সানস্ক্রিন লোশনে যদি ত্বকের সমস্যা হয় তাহলে বেছে নিন প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন লোশন। সাধারণ নারকেল তেল এসপিএফ ৪ সানস্ক্রিন লোশন হিসেবে কাজ করে।
*ঘামের যন্ত্রণা এবং ঘামের দুর্গন্ধের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ডিওডোরেন্টের মতো ব্যবহার করুন নারকেল তেল। খুব ভালো কাজে দেবে।
*খাবার উপযুক্ত নারকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা আপনার দেহে অনেক এনার্জি সরবরাহ করবে। এছাড়াও নারকেল তেলের লেউরিক অ্যাসিড এমসিএফএ হজম ক্রিয়া উন্নত করতে সহায়ক।
*নারকেল তেল খুব ভালো শেভিং ক্রিমের কাজ করে। এছাড়াও শেভ করার পর আফটার শেভ লোশনের মতো কাজ করে এবং ত্বককে দারুণ ময়েসচারাইজ করে।
*নারকেল তেল মস্তিষ্ক রিলাক্স করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। খাবার যোগ্য নারকেল তেল খাওয়া এবং মাথায় নারকেল তেলের ম্যাসেজ দুটোই কার্যকরী।
*দিন শেষে মেকআপ তুলে ফেলাটা ত্বকের জন্য অত্যন্ত জরুরী। নারকেল তেল খুব ভালো মেকআপ রিমুভারের কাজ করে। এবং এটি সাধারণ ময়েসচারাইজার হিসেবেও বেশ ভালো এবং ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।
*নারকেল তেল প্রাকৃতিক লিপগ্লস হিসেবেও অনেক কার্যকরী। এবং ঠোঁটের ত্বককে নরম রাখতে এর জুড়ি নেই।[…]

Lifestyle Image

ডাবের পানির উপকারিতা

*ডাবের পানি গ্যাসের প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত ডাবের পানি করলে গ্যাসজনিত পেটের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
*ডাবের পানি রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এমনকি ডাবের পানি সরাসরি রক্তের মধ্যে দেয়া যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন যুদ্ধাহতদের শরীরে রক্তের অভাবে ডাবের পানি দেয়া হত।
*নিয়মিত ডাবের পানি আপনার মুখে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
*ফলের রসের থেকেও ডাবের পানির গুণাগুণ অনেক বেশি। ফলের রসের থেকে এতে অধিক পরিমাণ মিনারেল থাকে। এছাড়াও ডাবের পানির অন্য একটি গুণ হল এতে ক্যালির যেমন কম তেমনি সুগারের পরিমাণও কম। ফলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটা বিশেষ উপকারি।
*প্রত্যেক দিন এক গ্লাস ডাবের পানি আপনার শরীরের অঙ্গগুলোকে সচল রাখতে সহায়তা করবে।
*ডাবের পানিতে পটশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে যা হুদপিণ্ডের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। এ কারণে হঠাৎ করে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে গেলে এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নিতে পারেন।
*ডাবের পানির মধ্যে এমন কিছু উপাদান আছে যা ব্যকটেরিয়া ও ভাইরাস মারতে বেশ কার্যকরী। এ কারণে খাবারসহ অন্যান্য মাধ্যমে প্রত্যেক দিন যেসব ব্যকটেরিয়া ও ভাইরাস আমাদের পেটে ঢোকে সেগুলো মারার জন্য এক গ্লাস ডাবের পানি খাওয়া যেতেই পারে।
*ত্বকের জন্য খুবই উপকারী ডাবের পানি। বলা যায়, ত্বকের জন্য বটিকা হিসেবে কাজ ডাবের পানি। তাই ত্বক সচেতন মানুষরা নিয়মিত ডাবের পানি পানের মাধ্যমে নিজের ত্বক নানান সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারেন।
*ডাবের পানির অন্য আরেকটি গুণ হলো চুলের বৃদ্ধি ও খুশকি দূর করা। ডাবের পানি চুলের পূষ্টি যোগানোর পাশাপাশি খুশকি দূর করতেও সহায়তা করে।[…]

Lifestyle Image

দ্রুত ওজন কমানোর

*প্রথম দিন-
সকালের নাস্তাঃ
১) ১ পিস পাউরুটি- ৬৭ ক্যালরি বা হাতে তৈরি লাল আটার রুটি ১ টি।
২) ১ টি কমলা বা ৫২ ক্যালোরির ফল।
৩) ২ টেবিল চামচ পিনাট বাটার- ১৮৮ ক্যালরি।
৪) চিনি ছাড়া চা/কফি।
দুপুরের খাবারঃ
১) আধা কাপ টুনা মাছ (৮৯ ক্যালরি) কিংবা সমপরিমাণ ক্যালোরির অন্য খাবার।
২) ১ পিস পাউরুটি বা রুটি।
৩) চিনি ছাড়া চা/কফি (যদি ইচ্ছে হয়)।
রাতের খাবারঃ
১) ২০০ ক্যালোরির সমপরিমাণ মাংস।
২) ১ কাপ বীণ বা ৩৪ ক্যালরি সমপরিমাণ সবজি।
৩) অর্ধেক কলা- ৫৩ ক্যালরি।
৪) ১ টি ছোটো আপেল- ৫৫ ক্যালরি।
৫) ২০০ ক্যালরি পরিমাণের নিজের পছন্দের খাবার।
*দ্বিতীয় দিন-
সকালের নাস্তাঃ
১) ১ টি সেদ্ধ ডিম- ৭৮ ক্যালরি।
২) ১ পিস পাউরুটি- ৬৭ ক্যালরি।
৩) অর্ধেক কলা- ৫৩ ক্যালরি।
দুপুরের খাবারঃ
১) ২৩২ ক্যালোরির সমপরিমাণ পছন্দ অনুযায়ী খাবার।
২) ১ টি ডিম সেদ্ধ- ৭৮ ক্যালরি।
৩) ৬৪ ক্যালরি সমপরিমাণ সবজি।
রাতের খাবারঃ
১) ৩৫০ ক্যালরি সমপরিমাণ মাছ/মাংস।
২) ১ কাপ ব্রকলি সেদ্ধ- ৫৪ ক্যালরি।
৩) আধা কাপ গাজর- ৪১ ক্যালরি।
৪) অর্ধেক কলা- ৫৩ ক্যালরি।
৫) ১৪৪ ক্যালরি সমপরিমাণ অন্যান্য খাবার।
*তৃতীয় দিন
সকালের নাস্তাঃ
১) ৫ টি সল্টেন ক্রাকার- ৬৪ ক্যালরি।
২) ১১৩ ক্যালরি সমপরিমাণ ১ স্লাইস চীজ বা অন্যান্য খাবার।
৩) ১ টি ছোটো আপেল- ৫৫ ক্যালরি।
দুপুরের খাবারঃ
১) ১ টি ডিম সেদ্ধ- ৭৮ ক্যালরি।
২) ১ পইস পাউরুটি- ৬৭ ক্যালরি।
রাতের খাবারঃ
১) ১৭৯ ক্যালরি সমপরিমাণ মাছ/মাংস।
২) অর্ধেক কলা- ৫৩ ক্যালরি।
৩) ২৮৯ ক্যালরি সমপরিমাণ অন্যান্য খাবার।
*আপনি চাইলে পুরো দিনের ক্যালোরির পরিমাণ সঠিক রেখে নিজের পছন্দের খাবার খেতে পারেন তবে তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর হতে হবে। এবং ক্যালরি কম বেশি করা যাবে না।
*ক্যালোরির পরিমাণ সঠিক...[…]

Lifestyle Image

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধের কারন

*যদি আপনার নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনার সাইনাসে সমস্যা রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে নাকে ও গলায় মিউকাস জমে থাকা।
*যদি টক দুধের মতো টক টক ধরণের গন্ধ পান আপনার নিঃশ্বাসে আপনার খাবারে প্রোটিনের মাত্রা অতিরিক্ত বেশি হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে কিটোনের ভাঙন।
*যদি আপনার নিঃশ্বাসে পচে যাওয়া মাংসের মতো দুর্গন্ধ পান তাহলে বুঝে নেবেন আপনার টনসিলের সমস্যা হয়েছে। টনসিলের কারণে সালফার উৎপন্নকারী ব্যাকটেরিয়া অধিক জন্ম নিচ্ছে যার কারণেই নিঃশ্বাসে এই ধরণের দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে।
*যদি আপনার নিঃশ্বাসে দিনের প্রত্যেকটা সময় সকালে ঘুম থেকে উঠার পর যেমন গন্ধ থাকে তেমন গন্ধ পান তাহলে আপনার ‘জেরোস্টোমিয়া’ অর্থাৎ মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে। মুখে ভেতরের স্যালিভা শুকিয়ে গেলে ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হতে থাকে যা এইধরনের দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।
*যদি আপনার নিঃশ্বাসে আঁশ্টে গন্ধ হয় তাহলে বুঝে নেবেন আপনার কিডনি সমস্যা হয়েছে। কিডনিতে সমস্যা হলে এবং কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে নাইট্রোজেন উৎপন্ন হয় যা এইধরনের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।
*যদি মুখের দুর্গন্ধ অ্যামোনিয়া ধরণের হয় অর্থাৎ কিছুটা প্রসাবের মতো গন্ধ হতে থাকে তাহলে সতর্ক হয়ে যান। কারণ এই ধরণের দুর্গন্ধ প্রমাণ করে আপনার ডায়বেটিসের সমস্যা হয়েছে। এই গন্ধের মূল কারণ হচ্ছে ডায়বেটিসের কারণে দেহে ইনসুলিনের অভাব।
*খুবই বাজে ধরণের দুর্গন্ধ এবং বাথরুমের মতো গন্ধ পেলে বুঝে নেবেন আপনার মাড়িতে ইনফেকশন হয়েছে। সুতরাং সাবধান।
...শারীরিক সমস্যা যদি বুঝে নিতে পারেন নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করুন।[…]

Lifestyle Image

কাঁচা রসুনের কার্যকরী ব্যবহার

*জ্বর হলে, বিশেষ করে রাতে জ্বর হতে থাকলে ঠোঁটের কোণে জ্বর ঠোসা অনেকেরই হয়। আর এতে মারাত্মক ব্যথাও হয়। জ্বর ঠোসা সারাতে কাঁচা রসুনের রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। ব্যথা কমবে আর সেরেও যাবে দ্রুত।
*দ্রুত ব্রণ সারাতে বা ব্রণের ব্যথা কমাতে আক্রান্ত স্থানে কাঁচা রসুন বা কাঁচা রসুনের রস লাগান। দ্রুত নিরাময় হবে।
*সারাদিন জুতো পরে থাকার পর অনেকেরই পায়ে র্যাতশ ও চুলকানি হয়। এটা সারাতে উষ্ণ পানিতে রসুন ও সামান্য লবণ দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন আধা ঘণ্টা। তারপর সাবান ও সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
*দ্রুত গলা ব্যথা নিরাময় করতে এক কোয়া কাঁচা রসুন চুষে চুষে খেয়ে নিন। গন্ধ ভালো না লাগলে এরপর দুধ খেয়ে নিন এক গ্লাস। কাঁচা রসুনের রস এভাবে আস্তে আস্তে খেলে তা গলা ব্যথায় খুবই উপকারী।
*ত্বকের যে কোন সমস্যা যেমন ফোঁড়া বা ফাংগাল ইনফেকশন ইত্যাদি সারাতে রসুন খুবই সহায়ক। কেবল আক্রান্ত সাথে কাঁচা রসুনের রস লাগালেই হবে। ১০/১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন।
*হাইপারটেনশন এর সমস্যা নিরাময়ে রোজ সকালে খালি পেটে কয়েক কোয়া থেঁতো রসুন খেয়ে নিন।
*মাছ ধরতে খুব ভালোবাসেন? বেশী মাছ ধরার জন্য টোপের মাঝে দিয়ে দিন কাঁচা রসুন। লোভে লোভে প্রচুর মাছ উপস্থিত হবে।
*পোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ রক্ষায় রসুন দারুণ উপকারী। মিহি থেঁতো করা কাঁচা রসুন, পানি ও সামান্য তরল সাবান একসাথে মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। এটা কিছুদিন পর পর গাছে স্প্রে করুন পোকামাকড় দূরে রাখতে।
*রসুন ধরার পর লক্ষ্য করেছেন যে হাত কেমন আঠা আঠা হয়ে যায়? কাগজ সহ ছোট খাট অনেক কাজেই আপনি আঠা হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন রসুন।
*চুল পড়ে যাচ্ছে খুব? মাথায় নতুন চুল গজাতে আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত রসুন...[…]