Lifestyle

*অনেক নারী আছেন যারা জীবনে কোনো দিন ‘না বলতে’ পারেননি। নিজের অনিচ্ছার বিরুদ্ধে বন্ধু-বান্ধুবী, পরিবার কিংবা কাছের মানুষের অনুরোধ রক্ষা করেছেন। যা নারীদের জন্য এক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাড়ায়। এবং মানসিক অশান্তিতে ভোগায়। জীবনের শেষ দিকে ‘না বলতে’ না পারার কারণে অনুশোচনায় ভোগেন।
*ক্যারিয়ার, চাকরি সন্তানের কারণে যৌবনে নিজেকে সময় দিতে না পেরে অধিকাংশ নারী জীবনের শেষ দিকে এসে আফসোস করেন।
*সত্যিকারের ভালোবাসা দিতে কিংবা নিতে না পারলে নারীরা অনুশোচনা করেন। অর্থাৎ বাবা-মা কিংবা স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকদের নিয়ে সুখী হতে না পারলে নারীরা জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আফসোস করেন।
*স্বামী, সন্তান ও সংসারের কথা ভেবে অনেক নারী উচ্চ শিক্ষা কিংবা ভালো চাকরি পেয়েও না করতে পারলে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অনুশোচনা করেন।
*সন্তানকে যথেষ্ট সময় দিতে না পারা কিংবা সন্তানের যা চায় তা দিতে না পারলে নারীরা...

Read More

Lifestyle

ঘুম থেকে ওঠার পর কিছু কাজ দিনটাকে করে দিতে পারে আনন্দময়। যদি মানসিক চাপ ও ক্লান্তি দিয়ে দিন শুরু হয়,তবে সারাটা দিন খারাপ যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর এর প্রভাব...

Read More

Lifestyle

*যখন কেউ মিথ্যে কথা বলে আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে তখন সেই মিথ্যেটা নিজের মনের মধ্যে গেঁথে নেয়ার জন্য হলেও একই শব্দ বা বাক্য বারবার মুখে উচ্চারিত হয়ে যাবে। আর...

Read More

Lifestyle Image

ওজন কমান বেশি খেয়ে

শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট দূর করতে-
*দৈনিক তিনবেলার খাবারকে ছোট ছোট করে ৫-৬ বেলায় ভাগ করে নিতে হবে।
*প্রতিবার খাবারে থাকতে হবে যথেষ্ট পরিমাণ প্রোটিন বা আমিষ, যা আপনার পেশীকে করবে সুগঠিত।

*দৈনিক ৫-৬ বার অল্প করে খাদ্য গ্রহনে আপনার শরীর যেমন থাকবে প্রাণবন্ত তেমনি ডায়াবেটিস, উচ্চ-রক্তচাপসহ নানা ধরনের রোগের ঝুঁকি থেকে রাখবে মুক্ত। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো এটি আপনার শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করবে।[…]

Lifestyle Image

ঘামাচি থেকে মুক্তির পেতে করণীয়

নিচের পদ্ধতিগুলো থেকে যেকোনো একটি প্রয়োগ করে ঘামাচি থেকে মুক্তি নিন চিরকালের জন্য-
*নিমপাতা ভালোভাবে বেটে নিন। খানিকটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সম্পূর্ণ না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ঘামাচির জীবানু মেরে ফেলে দ্রুত আপনাকে ঘামাচি থেকে মুক্তি দেবে। কিছুক্ষণ পর তুলে ফেলুন। ভালো ফলাফল পাবার জন্যে দিনে ৪-৫ বার এটি করতে পারেন।
*এলোভেরার রস বের করে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন না শুকোনো পর্যন্ত। এরপর ঠান্ডা পানিতে গোসল করে নিন।
*প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ গ্লাস লেবুর শরবত পান করুন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে। এটি ঘামাচি নিরাময়ে কাজ করবে স্রেফ জাদুর মতই!
*ঠান্ডা পানিতে একটি পরিস্কার সুতি কাপড় ভেজান। তারপর সেটি তুলে আক্রান্ত জায়গায় লাগান যতক্ষণ না জায়গাটি পানি শুষে নিচ্ছে। এভাবে দিনে ২-৩ বার করুন। এতে ঘামচি দ্রুত সেরে উঠবে।
*১ কাপ ঠান্ডা পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন ও ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগান।
*৪-৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ২-৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মতো পানি মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগান ও ২-৩ ঘণ্টা রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
*ঘামাচি আক্রান্ত জায়গাটিতে খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু থেকে তিন বার করুন। দেখবেন, খুব জলদিই সেরে যাবে ঘামাচি।[…]

Lifestyle Image

পানি শূন্যতা কমান

*শসার মধ্যে থাকে পটাসিয়াম যা শরীরে মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও শসার মধ্যে স্টেরল নামে একটি উপাদান যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে। স্টেরল বেশি থাকে শসার আঁশের মধ্যেই।
*রসালো ফল তরমুজ স্বাদের পাশাপাশি শরীরে প্রচুর পরিমাণ পানির যোগান দেয়। তাই রোদ বেশি হলে তরমুজ খেয়ে নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তাতে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে ক্লান্তি নেমে আসবে না।
*সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরিতে পানির পাশাপাশি ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। ফলটি শরীরের হাড়ের সংযোগগুলো শক্ত করার পাশাপাশি সূর্যের তাপে পুড়ে যাওয়া চামড়ার রঙ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও সহায়তা করে।
*টমেটো ক্যান্সার প্রতিরোধী গুণ ছাড়াও টমেটো মানুষের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির যোগান দিতে পারে। এছাড়া লাইকোপেন নামে টমেটোতে একটি উপাদান থাকে যা আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
... বেশি তাপমাত্রায় চলা ফেরা করতে গিয়ে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়। একটু সাবধান না হলে এই গরমে শরীরে পানি শূন্যতা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে সাধারণ কিছু ফল ও সবজি।[…]

Lifestyle Image

গ্রীন টি এর অসাধারণ ব্যবহার

*গ্রীন টি এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এর ওজন কমানোর গুণের কারণে। এটি অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এটি এক দিনে ৭০ কালরি পর্যন্ত ফ্যাট বার্ন করে। তার মানে রেগুলার গ্রীন টি পানের মাধ্যমে বছরে ৭ পাওন্ড পর্যন্ত ওজন কমানো সম্বব।
*গ্রীন টি তে রয়েছে এক ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট যা বার্ধক্যের গতিকে ধীর করে এবং আয়ু বাড়ায়।
*নিয়মিত এক কাপ গ্রীন টি পান হার্ট এর রোগের ঝুকি ৪৪% কমিয়ে দেয় এবং ব্লাড প্রেসারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
*মশা মাছির উপদ্রব থেকে বাঁচতে শুকনো চা পাতা ঘরের কোনায় রেখে পোড়ালে মশা মাছি কমবে।
*ফ্রীজ এর দুর্গন্ধ দূর করতে ড্রাই গ্রীন টি একটি পাতলা কাপড়ে বেঁধে ফ্রীজ় এর এক কোনায় রেখে দিন। ফ্রীজ এর দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে।
*গ্রীন টি মাউথওয়াশ হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। এতে আছে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস এবং কোনো এলকোহল নেই যা রেগুলার মাউথওয়াশে থাকতে পারে।
*চা পাতা পানিতে কয়েকদিন ভিজিয়ে রেখে তারপর ছেঁকে গাছের গোড়ায় সেই পানি দিলে তা ফারটিলাইজার হিসেবে কাজ করে।[…]

Lifestyle Image

রান্না-বান্নার টিপস

*বেগুন রান্না করার সময় সামান্য চিনি দিয়ে দিবেন এতে বেগুনের কারণে অ্যালার্জি জনিত সমস্যায় পড়বেন না।
*পেয়াজু, বেগুনী, আলুর চপ বেশি সময় মচমচে রাখার জন্য রান্নার পর এগুলো কোন কিছু দিয়ে ঢেকে রাখবেন না। যদি ঢেকে রাখতেই হয় তাহলে কিচেন টিস্যু দিয়ে ঢেকে রাখবেন।
*সিদ্ধ আলু মিহি করে চটকাতে হলে সবজি কুরুনি দিয়ে কুরিয়ে নিবেন ।
*পেয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা এগুলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেটে ডিপফ্রিজ এ রেখে দিবেন। যখন প্রয়োজন পরবে তখন বের করে ব্যবহার করতে পারবেন।[…]

Lifestyle Image

উপকারী ডায়েট টিপস

*প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করা। মহিলাদের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস (২ লিটার), পুরুষদের জন্য ১২ গ্লাস(৩ লিটার) পানি খেতে হবে। এটি সারাদিনের সব রকমের পানীয়র হিসাব। তবে যারা ব্যায়াম করেন, তারা আরো বেশি পানি পান করবেন।
*রাতের খাবার ঘুমানোর তিন ঘন্টা আগে খেয়ে নিবেন।
*রাতে ঘুমানোর সময় ক্ষুধা লাগলে কিছু না খাওয়াই ভালো, তবে ফ্যাট ছাড়া দুধ খেতে পারেন।
*খাবারে শর্করার পরিবর্তে সবজি ও ফল রাখুন। কারণ এগুলোতে আছে প্রচুর ভিটামিন, antioxidant ও ফাইবার।
*সালাদ বেশি বেশি খাবেন, দুপুর ও রাতের খাবারের সাথে অবশ্যই সালাদ রাখবেন।
*মাংস কম খেয়ে মাছ বেশি খাবেন। গরুর মাংস না খাওয়াই ভালো।
*সাদা আটার রুটি না খেয়ে, লাল আটার রুটি খান।
*প্রতিদিন টক দই (চিনি ছাড়া) খাওয়ার চেষ্টা করা।
*সবজি, ফল, সালাদ বেশি খাবেন। ভাত অবশ্যই কম খাবেন।
*পরিমিত পরিমানে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
*তিন বেলা ভর পেটে না খেয়ে, অল্প অল্প করে ৫/৬ বার খাওয়া। দুই, তিন ঘন্টা পর পর ২০০/৩০০ ক্যালরি খাওয়া সব চাইতে ভালো অভ্যাস।
*সকালের নাস্তা অবশ্যই করতে হবে।
*ভাজা পোড়া, বেশি ক্যালরি যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
*প্রানিজ আমিষ সবসময় না খেয়ে উদ্ভিজ আমিষ বেশি খাওয়া, কারণ উদ্ভিজ আমিষ এ ফ্যাট কম থাকে।
*প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম স্ন্যাক্স হিসাবে খেতে পারেন। এতে ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়ে, কোলেস্টেরল কমে।
*মিষ্টি জাতীয়, চিনি যুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে।
*বেশি তেল ও মশলা যুক্ত খাবার বাদ দিন।
*খাবারের মেনুতে প্রচুর ফাইবার সমৃধ্য খাবার যেমনঃ লাল আটা, শাক, বিনস, সালাদ, সবজি, ফল রাখুন। কারণ ফাইবার ওজন কমায়, হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোলেস্টেরল কমায়। মহিলাদের জন্য ২১-২৫ গ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ৩০-৩৮ গ্রাম ফাইবার খেতে হবে প্রতিদিন।
*খাবারের সাথে অতিরিক্ত...[…]