Lifestyle

নিয়মিত এই পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আপনার সাদা কাপড়গুলো কখনোই লালচে হবে না আর লালচে হয়ে যাওয়া কাপড়গুলোও অনেকটা ধবধবে হয়ে উঠবে।
*যদি বেকিং সোডা ব্যবহার করেন, তাহলে কাপড় ডিটারজেন্ট দিয়ে ভজিয়ে রাখার সময়েই বেকিং সোডা দিয়ে দেবেন। এক বড় বালতি ভরা কাপড়ে ১/২ কাপ বেকিং সোডা যথেষ্ট। বেকিং সোডা আপনার গুঁড়ো সাবানের শক্তি বাড়ায় এবং যে কোন কাপড়কেই করে তোলে উজ্জ্বল।
*লেবুর রস বা ভিনেগার ব্যবহার করলে সেটা পানির সাথে মিশিয়ে নিন। কাপড় কেচে ধুয়ে ফেলার পর, অর্থাৎ কাপড় থেকে সাবান ভালো করে ধুয়ে যাবার পর এই লেবু বা ভিনেগার মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কাপড়। ১৫/২০ পর চিপে শুকিয়ে নিন।
... সাদা কাপড়ের জন্য নীল জিনিসটা আমরা কমবেশি সকলেই ব্যবহার করি। একটু কমবেশি হয়ে গেলেই ছোপ ছোপ দাগ হয়ে যায় নীলের। আবার যতই যত্ন করে নীল...

Read More

Lifestyle

*মানসিকতার পরীক্ষা-
আপনি কি যখন আপনার ভালোবাসার মানুষটির সবচাইতে প্রয়োজন তখনই তাকে পাশে পেয়ে যান? আপনার সব মানসিক বিষয় না হলেও কিছু বিষয় তিনি না বলতেই বুঝে যান? তাহলে কিন্তু...

Read More

Lifestyle

খাদ্যাভ্যাস-
*খাওয়ার সময় বেছে খাবার খান। যে খাবারে চর্বি বেশি, সেই খাবার এড়িয়ে চলুন।
*কার্বোহাইড্রেট অর্থাৎ শর্করা আছে এমন খাবার কম খেতে হবে।
*শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি পূরণের জন্য উচ্চ...

Read More

Lifestyle Image

ফ্রীতে WhatsApp চালান আজীবন

*প্রথমে Whats App ওপেন করুন।
*এবার Whats App Settings এ যান।
*এবার আপনি আপনার Whats App নাম্বারটি পরিবর্তন করে ফেলুন। এমন নাম্বারে দিন যেটায় আগে কখনো Whats App ব্যবহার করেননি।
*পরিবর্তন করতে প্রথমে আপনার বর্তমান নাম্বার দিন, এবং পরে নতুন নাম্বার দিন। (নতুন সিমটি যেন তখন মোবাইলে ভরা থাকে)
*এবার অপেক্ষা করুন, কিছু সময়ের মাঝেই আপনার একাউন্ট ভ্যলিডেট হয়ে যাবে। আর আপনি পেয়ে যাবেন ১ বছরের মেয়াদ সহ নতুন নাম্বার।
*উপরের কাজ করার পর এবার আবার নাম্বার পরিবর্তন করি, Old নাম্বার এ একটু আগে করা নাম্বার টি দেই, আর New নাম্বারে সেই পুরনো নাম্বারটি দেই, যেটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
*এবার বের হয়ে যান আর ফোন রিস্টার্ট দিয়ে Whats App এ ঢুকুন। দেখুন আপনার Whats App এর মেয়াদ ১ বছর বেড়ে গেছে।
...মেয়াদ বেড়েছে কিনা জানার জন্য *.Go to Setting> Payment Info.[…]

Lifestyle Image

কর্মক্ষম থাকুন

*ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ঘুমের সময়ে শরীর তার ক্ষয় পুরণ করে, তার যন্ত্রাংশগুলোকে মেরামত করে, নতুন করে গড়ে তোলে শরীরকে। তাই ঘুম দরকার প্রয়োজনমত। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারনত ৭-৮ ঘন্টার ঘুমই যথেষ্ট তরতাজা হয়ে জেগে ওঠার জন্য।
ঘুমাতে যাবার জন্য ভালো সময় রাত ১০ টার মাঝে। এ সময় ঘুমালে লাভ হচ্ছে আমাদের দেহের গ্রোথ বা বৃদ্ধির জন্য নিয়োজিত হরমোন রাত ১১ থেকে রাত ১ টার মাঝে নিঃসৃত হয় যা ঘুমের সময় দেহের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
*সকালের খাবার হবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার কেননা এটা সমগ্র দিন চলার গ্যাসোলিনের যোগান দেবে। ক্ষুধা না লাগলেও খেতে হবে ব্রেকফাস্ট।
ব্রেকফাস্ট শব্দকে ভাঙ্গলে আমরা পাই ব্রেক এবং ফাস্ট অর্থাৎ অনাহার থেকে মুক্ত হবার খাবার। আপনি অনাহারী থেকে কাজ শুরু করলে কাজে বার বার ব্রেক নিতে হবে। ব্রিটিশ এক গবেষণা থেকে দেখা যায় পর্যাপ্ত প্রাতরাশ আপনার স্ট্রেস হরমোন বা করটিসলের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্ত করে যার ফলাফল স্ট্রেস বা ক্লান্তি কম আসা। তাই শুরু হোক প্রাতরাশের জয়গান আজ থেকে।
*সারাদিনের আহারে থাকতে হবে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম আঁশ যদিও গড়ে মাত্র ১০ থেকে ১৫ গ্রাম আঁশ আমরা গ্রহণ করছি দিনে। আশের প্রতি এতো গুরুত্ব দেয়া হওয়ার পেছনে কারণ ও রয়েছে। খাবারে আঁশ থাকলে সেটি শর্করা শোষণে দেরী করায়, যার ফলাফল হচ্ছে একবারে দ্রুতগতিতে রক্তে শর্করা প্রবেশ না করে ধীরে ধীরে মধ্যম গতিতে অনেক সময় নিয়ে প্রবেশ করা। অর্থাৎ অনেক সময় ধরে শক্তির যোগান বজায় থাকা যা একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও খুবই দরকারী এক ব্যবস্থা। আঁশের জন্য দেশি খাবারের মাঝে বরবটি, সজিনা, ঢেঁড়স ইত্যাদি বেশ ভালো কাজ করে। খেতে পারেন আপেল, জামরুল, পেয়ারা ইতাদি ফল। জামরুল অনেকেরই প্রিয় ফল যা...[…]

Lifestyle Image

ঘামাচি থেকে মুক্তি

*ঘামাচি আক্রান্ত জায়গাটিতে খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু তিন বার করুন। দেখবেন, খুব জলদিই সেরে যাবে ঘামাচি।
*মুলতানি মাটি ৪-৫ টেবিল চামচ, ২-৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মত পানি মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরী করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগান ও ২-৩ ঘন্টা রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
*ঠান্ডা পানিতে একটি পরিস্কার সুতি কাপড় ভেজান। তারপর সেটি তুলে আক্রান্ত জায়গায় লাগান যতক্ষণ না জায়গাটি পানি শুষে নিচ্ছে। এভাবে দিনে ২-৩ বার করুন। এতে ঘামচি দ্রুত সেরে উঠবে।
*এক কাপ ঠান্ডা পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন ও ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগান।
*নিমপাতা ভালোভাবে বেটে নিন। খানিকটা পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন এবং আক্রান্ত জায়গায় লাগান। সম্পূর্ণ না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ঘামাচির জীবানু মেরে ফেলে দ্রুত আপনাকে ঘামাচি থেকে মুক্তি দেবে। কিছুক্ষণ পর তুলে ফেলুন। ভালো ফলাফল পাবার জন্যে দিনে ৪-৫ বার এটি করতে পারেন।
*প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ গ্লাস লেবুর শরবত পান করুন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে। এটি ঘামাচি নিরাময়ে কাজ করবে স্রেফ জাদুর মতই!
*এলোভেরার রস বের করে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন না শুকোনো পর্যন্ত। এরপর ঠান্ডা পানিতে গোসল করে নিন।[…]

Lifestyle Image

কাঁচা পেয়ারার গুণ

*পেয়ারা পাতা দাঁতের মাড়ি ব্যথায় উপকার।
*কাঁচা পেয়ারা হৃদ রোগের উপকার।
*কাঁচা পেয়ারা লবন দিয়ে খান কাশের ভাল উপকার হবে।
*কাঁচা পেয়ারা রক্ত বর্ধক।
*পেয়ারা বাত পিত্ত কফ নাশক।
*যাদের হাতে পায়ে জ্বালা কাঁচা পেয়ারায় উপকার পাবেন।
*তুলসি এবং পেয়ারা পাতা সেদ্ধ জল জ্বরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
*কাঁচা পেয়ারা আনন্দ দায়ক।
*নেশা মুক্তির জন্য কাঁচা পেয়ারার পাতা সেদ্ধ জল খাওয়ান।
*শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য কাঁচা পেয়ারা অত্যন্ত উপকারী।[…]

Lifestyle Image

পাটশাক এর গুণ


*পাটশাক খাওয়ার রুচি বৃদ্ধি করে এবং মুখের স্বাদ ফিরিয়ে আনে।
*পাটশাকে রয়েছে ভিটামিন সি ও ক্যারোটিন যা মুখের ঘা দূর করতে সাহায্য করে।
*রাতকানা রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পাটশাক সাহায্য করে।
*যারা কোষ্ঠকাঠিন্য ভুগছেন, তারা নিয়মিত পাটশাক খেলে উপকার পাবেন।
*যাদের বাতে ব্যথা আছে তাদের জন্য পাটশাক উপকারী।
*দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে পাটশাক সহায়তা করে।
*রক্ত পরিষ্কারক হিসেবেও পাটশাক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
*পাটশাকে টিউমার ও ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান রয়েছে।
*হাড়ের ভক্সগুরতা রোধ করতে ও হাড় ভালো রাখতে খেতে পারেন পাটশাক।
*পাটশাক দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
...পাটশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, অ্যালকালয়েড, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন, লিপিড, কার্বোহাইড্রেট এবং ফলিক অ্যাসিড। দেশীয় অন্যান্য শাকের তুলনায় পাটশাক তুলনামূলক সস্তা ও সহজলভ্য। অন্যান্য শাকের তুলনায় পাটশাকে ক্যারোটিন তথা ভিটামিন এ-ও থাকে অনেক বেশি।[…]

Lifestyle Image

কেন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবেন


শুধু খাবার আর ব্যায়াম নয়, আপনার প্রয়োজনীয় ঘুমও নিশ্চিত করুন। দিন শেষে খুব ভালো ঘুম পরবর্তী দিনের সকল কাজের জন্য আপনার শরীরকে প্রস্তুত রাখবে।
*অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, কম ঘুমের সাথে ওজন বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৮৯% শিশু এবং ৫৫% পূর্ণবয়স্ক মানুষ যারা কম ঘুমায়, তাদের মোটা হওয়ার (ওবেসিটি) প্রবণতা বেশি। এর পেছনে হরমোন, ব্যায়ামে আলস্য সহ অসংখ্য কারণ রয়েছে। ঘুম কম হলে এমন কিছু হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা আপনার খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
*ভালো ঘুম আপনার মনোযোগ, পারফরম্যান্স, কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প ঘুম মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্মের যে ক্ষতিসাধন করে, তা অ্যালকোহলের ক্ষতিসাধনের সমান। কোনো সমস্যার সমাধানেও আপনি অনেক বেশি সফল হবেন যদি আপনার ঘুম ভালো হয়ে থাকে। যারা খেলাধুলা করেন, তাদের জন্য ভালো ঘুম অনেক বেশি প্রয়োজনীয় কেননা ঘুম তাদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, মানসিক সুস্থতা, শুদ্ধতা, প্রতিক্রিয়া, দ্রুততা- খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এসব গুণাবলীর উন্নতি হয়।
*ঘুমের কোয়ালিটি এবং স্থায়িত্বকাল বিভিন্ন রিস্ক ফ্যাক্টরের ওপর প্রভাব ফেলে যেগুলো হৃদরোগসহ অন্যান্য ক্রনিক রোগের প্রভাবক। যারা কম ঘুমান, তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম ঘুম ব্লাড সুগারের ওপর প্রভাব ফেলে ও ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি হ্রাস করে। একজন তরুণ মানুষ যিনি সপ্তাহের ছয় রাত ৪ ঘণ্টা করে ঘুমান, তার মধ্যে প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। পরবর্তী ১ সপ্তাহ তিনি যদি তার ঘুমের সময়কাল বাড়িয়ে দেন, তবে তিনি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবেন। আপনি যদি নিয়মিত ৬ ঘণ্টার কম ঘুমিয়ে থাকেন, তবে আপনার টাইপ-২ ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
*যারা কম ঘুমান, তাদের ৯০% মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগেন। যাদের ইনসমনিয়া, স্লিপ এপনিয়া এ ধরনের স্লিপিং ডিসঅর্ডার আছে, তাদের অধিকাংশই...[…]