Lifestyle

*ওজন কমাতে চাইলে- খাদ্য তালিকায় রাখুন একটু বেশী ঝাল খাবার। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে মরিচ যা ঝাল খাবারের মূল উৎস তাতে রয়েছে ক্যাপসেইসিন নামক যৌগ যা দেহে থার্মোজেনিক ইফেক্টের জন্য দায়ী। এই থার্মোজেনিক ইফেক্ট দেহের ক্যালরি ক্ষয় করতে বিশেষভাবে সহায়ক।
*আরেক গবেষণায় দেখা যায় মরিচ ও ঝাল খাবারের যৌগ ক্যাপসেইসিনের রয়েছে দেহের ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করার জাদুকরী ক্ষমতা। এছাড়াও এর আরও রয়েছে সাধারণ সর্দি কাশি ও স্ট্রোক প্রতিরোধের ক্ষমতা।
*ঝাল খাবার কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা দূরে রাখতে সহায়তা করে থাকে। ঝাল খাবার দেহের খারাপ কলেস্টোরল দূর করতে সহায়তা করে, এতে করে হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে। এছাড়াও ক্যাপসেইসিনের রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা প্রদাহ বন্ধ করতেও সহায়তা করে।
*গবেষণায় দেখা যায় ঝাল খাবার এবং ঝাল মরিচ রক্তের শিরা উপশিরা নমনীয় করতে সহায়তা করে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝামেলা কমিয়ে দেয়।
*যারা...

Read More

Lifestyle

*শীতের মোটা কাপড়, লেপ-কম্বল ইত্যাদি কড়া রোদে শুকিয়ে প্যাকেটে মুড়ে আলমারিতে সংরক্ষণ করতে হবে।
*ধোয়া কাপড় সারা দিন বারান্দায় রোদে মেলে রাখলে ভাপসা গন্ধটা চলে যায়।
*বেনারসি শাড়ি, সিল্ক শাড়ি,...

Read More

Lifestyle

*সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।
*মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কুটে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোঁড়া সহ। শাকের...

Read More

Lifestyle Image

সুখে থাকার টিপস

*নিজের জন্য টাকা খরচ করার এক ধরণের আনন্দ রয়েছে তা কেউ অস্বীকার করতে পারবেন না। কিন্তু অন্য কারো জন্য অর্থ খরচ করার আনন্দ তার চাইতেও বেশি। গবেষণায় দেখা যায় তারাই অনেক বেশি সুখী যারা অন্য মানুষকে দিতে পছন্দ করেন।
*ভালো ঘটনা এবং ভালোবাসা পাওয়ার ঘটনার হিসাব রাখুন। যিনি নিজের সাথে ঘটা ভাল ঘটনাগুলো লিখে রাখেন। তিনি বৈজ্ঞানিকভাবেই অনেক বেশি সুখী।
*মানুষ একঘেমে জীবন যাপন করলে সুখ খুঁজে পান না। একঘেয়েমি কাটানোর সব চাইতে ভালো উপায় হচ্ছে নতুন কিছু করা।
*নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলুন। নিজের ভেতরে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলতে পারবেন তিনি ততোই নিজের দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ঝেড়ে ফেলে সুখী মানুষ হয়ে উঠতে পারবেন।
*যে মানুষের নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য রয়েছে এবং যিনি নিজের জন্য একটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করতে পারেন তিনি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সব ক্ষেত্রেই সুখী থাকতে পারেন। ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে সুখী জীবন।
*নিজেকে সব সময় সঠিক ভাবা বাদ দিন। নিরপেক্ষ থাকার মনোভাব জীবনকে সহজ এবং সুন্দর করে, যা সুখী জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়।
*সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন। এর অর্থ হচ্ছে আপনি যতোটা নিজের সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করবেন ততোটাই মানসিক শান্তি খুঁজে পাবেন।
*প্রতি রাতে অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুমান। দেখা যায় রাতে কোনো সমস্যা ছাড়া ৬ ঘণ্টা টানা ঘুম মানুষকে সুখী করে তোলে।
*একটি গবেষণায় পাওয়া যায় যাদের অন্তত ১০ জন ভালো বন্ধু রয়েছে তারা মানুষ হিসেবে অনেক বেশি সুখী।
*সুখে থাকার অভিনয় করুন। আশ্চর্যজনক হলেও এটি সত্যি যে আপনি যদি সুখে থাকার অভিনয় করেন তা আপনার মানসিক শান্তি ধীরে ধীরে বাড়িয়ে তুলবে। এবং একটা সময় অভিনয়টাই সত্যি হয়ে যাবে।[…]

Lifestyle Image

সফলতার বিষয়ে জাকারবার্গের ১০ উক্তি

ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ প্রযুক্তি বিশ্বের একজন সফল উদ্যোক্তা। টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তলিকায়ও রয়েছে তার নাম। তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার।
তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন। আর এসকল বক্তব্যে সফলতা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
তার বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বাছাই করা ১০টি উক্তি প্রকাশ করেছে ইনক ম্যাগাজিন।
১. দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ব্যর্থ হওয়ার একটি মাত্র উপায় আছে আর তা হল ঝুঁকি না নেওয়া।
২. আমরা মানুষের সম্পর্কে কী জানতে চাই, সেটি প্রশ্ন না। প্রশ্ন হল মানুষ তাদের সম্পর্কে কতটুকু জানাতে চায়।
৩. আমি আমার ডর্ম রুমে ফেসবুকের কোড লিখেছি এবং সেখান থেকেই ফেসবুক চালু করেছি। প্রতি মাসে ৮৫ ডলারের বিনিময়ে আমি সার্ভার ভাড়া করেছিলাম, এই টাকা জোগাতে আমি সাইটে একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। আর এখন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন দিয়েই আমরা আমাদের খরচ যোগাচ্ছি।
৪. আপনার সামনে একটি কাঠবিড়ালি মারা যাচ্ছে, এটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে যেখানে আফ্রিকায় প্রতিনিয়তই মরছে মানুষ।
৫. দ্রুত কাজ করে অন্যকে অতিক্রম করুন। আপনি যদি সেটি না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনি খুব দ্রুত কাজ করতে পারছেন না।
৬. এটা খুবই বিকৃত চিন্তাভাবনা, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে আমাকেও যেতে হয়েছে যেখানে মানুষ আমার কাজকে ছোট করে দেখত। তবে এর ফলে আমরা আরও বড় পরিসরে কাজ করে মানুষকে অবাক করে দেওয়ার মতো উদ্যম পাই।
৭. কেউ কেউ খুব স্মার্ট কিংবা দক্ষ হতে পারে, কিন্তু তারা যদি তাতে বিশ্বাস না রাখে, তাহলে তারা কঠোর পরিশ্রমে আগ্রহী হয় না।
৮. কাজটি করছি, তাহলে সময় কাটানোটা আমার কাছে মূল্যহীন মনে ৮. আপনার সম্পর্কে একটা ম্যুভিতে কি বলা হল কিংবা আপনি কী বলছেন, তাতে অন্যরা খুব একটা গুরুত্ব দিবে...[…]

Lifestyle Image

কিচেনের বাসন চকচকে করার টিপস

*ভেজা বাসনে দাঁত মাজার পাউডার মাখিয়ে খানিকক্ষণ রেখে দিন। এবার ভালো করে মেজে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, বাসন চকচকে করছে নতুনের মত।
*বদহজমের জন্য অনেকেই ফ্রুট সল্ট খেয়ে থাকেন। আপনার এই হজমিও কাজে আসতে পারে বাসনের হলদে ছোপ দূর করার কাজে। ভেজা বাসনে ফ্রুট সল্ট ছিটিয়ে দিন। ২ মিনিট পর লেবু ঘষে নিন। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, দাগ দূর!
*বেকিং পাউডারে পানি মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এতে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন মেশান। এবার এই মিশ্রণ বাসনের দাগে লাগান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।
*লেবুর খোসা ভিনেগারে ভিজিয়ে রাখুন। খোসা শুকিয়ে গুঁড়ো করে বাসন মাজার পাউডারের সাথে মেশান। ভেজা বাসনে এই গুঁড়ো মিনিট দশেক মাখিয়ে রাখুন। এরপর আবার বাসন মাজার সাবান বা পাউডার দিয়ে ঘষে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।[…]

Lifestyle Image

লেবু-পানির উপকারীতা

*শরীর থেকে অযাচিত পদার্থ এবং টক্সিন বের করে দেয় লেবুর রস। আমাদের হজমের জন্য ব্যবহৃত লালা এবং পাচক রসের সাথে বেশ মিল আছে এর গঠন এবং কাজের। আর যকৃতের থেকে হজমে সহায়ক এক ধরণের পদার্থ নিঃসরণেও এটি সহায়তা করে।
*শরীরে মূত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং এর মাধ্যমে খুব দ্রুত ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়া মূত্রনালির স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও এটি সহায়ক।
*লেবুতে থাকে অনেকটা ভিটামিন সি এবং লৌহ যা ঠাণ্ডাজ্বর জাতীয় রোগের বিরুদ্ধে ভীষণ কার্যকর। এতে আরো রয়েছে পটাসিয়াম যা মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকে সক্রিয় রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এতে থাকা অ্যাসকরবিক এসিড প্রদাহ দূর করে এবং অ্যাজমা বা এজাতীয় শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমায়। এছাড়াও লেবু কফ কমাতে সাহায্য করে।
*শরীরের অম্ল-ক্ষারকের মাত্রা ঠিক রাখে লেবু। লেবু হজম হয়ে যাবার পর কিন্তু আর অম্লীয় থাকে না, ক্ষারীয় হয়ে যায়। ফলে এটি রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের অম্লতা বাড়তে দেয় না। অম্লতা বেড়ে গেলেই দেখা দেয় রোগ।
*ত্বকের কুঞ্চন এবং দাগ দূর করে লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য খুব দরকারি হল ভিটামিন সি। ব্রণ বা অ্যাকনি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এটি দূর করে। আর ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও এটি কার্যকরী।
*সকালেই প্রাণচাঞ্চল্য বাড়িয়ে দিতে এর জুড়ি নেই। খাবার থেকে শক্তি শোষণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় লেবু। আর এর গন্ধে আপনার মন ফুরফুরে হয়ে উঠবে নিমিষেই। দুশ্চিন্তা এবং বিষণ্ণতা দূরীকরণেও এটি অসামান্য।
*ক্ষতস্থান সেরে তুলতে সাহায্য করে অ্যাসকরবিক এসিড। আর হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এটি সহায়ক। স্ট্রেস এবং যে কোনও ধরণের ব্যথার উপশম করে ভিটামিন সি।
*নিঃশ্বাসে লেবুর সতেজতা আনা ছাড়াও, এভাবে গরম পানির সাথে লেবুর রস পানে দাঁতের ব্যথা এবং...[…]

Lifestyle Image

ভুঁড়ি কমানোর টিপস

*খাবার খুব দ্রুত খেলে এবং ভালো মত চিবিয়ে না খেলে খাবারের সাথে বাতাসও পেটে প্রবেশ করে। এতে করে আপনার পেট বাড়ে অর্থাৎ ভুঁড়ি হয়। তাই খাবার অতি দ্রুত খাবেন না, ভালো মতো চিবিয়ে খান। মনে রাখবেন খাবার হজম হওয়ার প্রকিয়াটি মুখের থেকেই শুরু হয়। আপনি যত চিবিয়ে খাবেন তত হজমের সুবিধা হবে ও আপনার পেটে ফ্যাট কম জমা হবে।
*অবশ্যই শারীরিক পরিশ্রম করবেন। ব্যায়াম করতে পারলে ভালো হয়। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করবেন।
*সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয়ের কার্বন-ডাইঅক্সাইড পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করে ও পেটেই রয়ে যায়। এই গ্যাস না বের হবার ফলে ভুঁড়ি হয়। যতটা সম্ভব কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন। তার পরিবর্তে লেবুর সরবত খান।
*কয়েকমাস নিয়মিত পুদিনা চা পান করুন।
*চিনি এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব। চিনি শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে যা দেহে ফ্যাট হিসেবে জমা হয়। সুতরাং চিনি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। চিনির পরিবর্তে খাবারে অন্য উপায়ে মিষ্টি খাবেন। যেমন মধু কিংবা ডায়েট চিনি। কিংবা সুগার ফ্রি খাবার খাবার চেষ্টা করুন।
*ভুঁড়ি হওয়ার জন্য যে কাজটি সবচাইতে বেশি দায়ী তা হল একবারে বেশি খাওয়া। একবারে বেশি খেলে খাবার হজম হতে বেশি দেরি হয় এবং এতে করে পেটে বেশি ফ্যাট জমা হয়। যার ফলশ্রুতিতে ভুঁড়ি হয়। চেষ্টা করুন খেতে বসলে অল্প খেতে। দিনে ৪/৫ বার খান কিন্তু অল্প পরিমাণে। এতে খাবার দ্রুত হজম হবে ও পেটে ফ্যাট জমবে না।
*খাবারে যদি অনেক কম ফাইবার ও তরল থাকে এবং কম শারীরিক পরিশ্রম হয়, তবে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। যার ফলাফল পেটে ভুঁড়ি হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। তাই শরীরে ভুঁড়ি দেখতে না চাইলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন। দিনে...[…]

Lifestyle Image

সুস্থ থাকবে আপনার মস্তিষ্ক

শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য আমরা ব্যায়াম করে থাকি হরহামেশাই। এছাড়াও শরীরকে ক্ষতির হাত থেকে দূরে রাখার জন্যেও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকি আমরা। গভীর শ্বাস নেওয়া, মেরুদণ্ড সোজা করে বসা, যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করে- এসব অভ্যাসের ফলে আমরা নিজেদের শরীরের উপকার করছি একটু একটু করে। কিন্তু এমন কি কোনো কাজ বা অভ্যাস আছে, যা আমাদের মনকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে?

আমাদের সারা শরীরের সাথেই সংযোগ আছে মস্তিষ্কের। শরীরের স্নায়ুতন্ত্র থেকে আসা বিভিন্ন সিগন্যাল মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এমন কিছু অভ্যাস আছে যা শরীরের পাশাপাশি আপনার মনকেও ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
হাসুন
কারণে-অকারণে হাসি আমাদের মস্তিষ্ককে তরতাজা রাখে। খুব দুশ্চিন্তায় থাকা অবস্থাতেও জোর করে মুখে হাসি টেনে আনলে মনের ওপর থেকে অনেকটা চাপ সরে যায়। শুধুমাত্র মুখটা হাসি হাসি করে রাখলেই চলবে। এই ছোট্ট ব্যায়ামটা মনের মাঝ থেকে কমিয়ে দেবে স্ট্রেস।
ছড়িয়ে দিন দু-হাত
কিছু কিছু ভঙ্গিমা মনের মাঝে তৈরি করে শক্তির অনুভূতি। গবেষণায় দেখা যায়, শরীরকে ছড়িয়ে দেওয়ার এমন ভঙ্গিমা হরমোনের পরিমাণেও পরিবর্তন আনতে সক্ষম। এতে সেই মানুষটি হয়ে ওঠে আরো আত্মবিশ্বাসী এবং ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক। দু-দিকে হাত ছড়িয়ে দেবার এই ভঙ্গিমা যদিও অনেকের কাছে পুরুষালী মনে হয়, কিন্তু এই ভঙ্গিমা নারীর মনেও শক্তি সঞ্চার করতে একইভাবে কার্যকরী।
ছোট্ট ঘুমে হয়ে উঠুন বুদ্ধিমান
অনেকেই আছেন যারা রাত্রেই কেবল ঘুমিয়ে থাকেন, সারাদিন আর ঘুমানোর ফুরসত পান না বা ঘুমাতে চান না। দিনের বেলায় ঘুমানোর ব্যাপারটাকে আলসেমি মনে করেন অনেক সময়ে। ছোট্ট একটু ঘুমানোর এই অভ্যাস কিন্তু মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। এই ঘুমে শুধু যে আপনার ক্লান্ত মস্তিষ্ক একটু বিশ্রাম পায় তাই নয়, এর পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, শিক্ষা গ্রহণের ক্ষমতা...[…]