Lifestyle Image

মিথ্যা ধরার টিপস



*যখন কেউ মিথ্যে কথা বলে আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে তখন সেই মিথ্যেটা নিজের মনের মধ্যে গেঁথে নেয়ার জন্য হলেও একই শব্দ বা বাক্য বারবার মুখে উচ্চারিত হয়ে যাবে। আর এই বারবার একই কথা বলার মূল কারণ হলো এর পেছনে সে ভেবে নিচ্ছে পরের কথাটি কীভাবে সাজিয়ে বলা যায়।

*যখন একজন মিথ্যাবাদী নিজের কথা বিশ্বাস করাতে পারবেন না তখন তিনি আত্মরক্ষার খাতিরে উল্টো আপনাকে দোষী সাব্যস্ত করেই কথা বলতে থাকবেন। কারণ স্বাভাবিক ভাবেই আপনি তার কথা বিশ্বাস না করার কারণে তিনি ক্ষেপে যাবেন।

*যিনি মিথ্যে কথা বলছেন বা বলার চেষ্টা করছেন তার শ্বাস প্রশ্বাসে স্বাভাবিক ভাবেই পরিবর্তন আসবে। মিথ্যা বলার সময় ভারী নিঃশ্বাস নেয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায় বলে উল্লেখ করেন গ্লাস। আর যখনই শ্বাস প্রশ্বাসে এই ধরণের পরিবর্তন আসবে তখন স্বাভাবিক ভাবেই নিঃশ্বাসের সাথে কাঁধ একটু উপরে উঠবে এবং কণ্ঠ একটু হালকা হয়ে আসবে।

*নার্ভাস হয়ে উসখুস করার বিষয়টি অনেকের নজরে পড়ে থাকে এবং তখন ধরে ফেলা যায় তিনি মিথ্যে বলছেন। কিন্তু এর পাশাপাশি নজর দিতে হবে সামনের ব্যক্তিটি কি খুব বেশি স্থির হয়ে গিয়েছেন কিনা।

*আপনার একটি প্রশ্নের জবাবে হুট করে মাথার অবস্থান পরিবর্তন করে ফেলার অর্থ তিনি আপনাকে মিথ্যে বলছেন।

*যদি কেউ প্রশ্ন না করার আগেই আপনাকে অনেক কিছু বলে ফেলছেন এবং আপনি যা জানতে চাননি তাও বলে দিচ্ছেন এমন হয় তাহলে ব্যক্তিটি আপনাকে মিথ্যে বলছেন তার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

*কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় যদি হাত মুখের সামনে নিয়ে কথা বলা বা মুখের সামনে নিয়ে আসেন তাহলে বুঝতে হবে তিনি প্রশ্নের উত্তর দিতে ইতস্ততবোধ করছেন।

*‘আমাদের দেহের অটোম্যাটিক নার্ভাস সিস্টেম স্যালাইভারি ফ্লো কমিয়ে দেয় যখন আমরা অনেক বেশি মানসিক চাপে থাকি, যার কারণে আমাদের মুখের মিউকাস মেমব্রেন্স শুকিয়ে যায়। এবং এতে করেই কথা বলতে মুখে বেঁধে যায় বা কথা বলতে কষ্ট হতে থাকে। মিথ্যা বলার সময় আমরা একই ধরণের মানসিক চাপের মধ্যে থাকি।

*সকলেরই ধারণা যারা মিথ্যে কথা বলেন তারা চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। কিন্তু আপনাকে কথা বিশ্বাস করানোর জন্য এবং নিজের কথা মানিয়ে নেয়ার জন্যও অনেক মিথ্যাবাদী আপনার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে মিথ্যে বলতে পারবেন।

*পায়ের অবস্থানে পরিবর্তন বলে দেবে আপনার সামনে বসা মানুষটি মিথ্যে বলছেন যার কারণে তিনি অনেক নার্ভাস।