Entertainment Image
Entertainment Image

বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ভূটান চলচ্চিত্র উৎসব

শনিবার থেকে ঢাকায় ভূটান দূতাবাসের আয়োজনে শুরু হয়েছে ‘ভূটান চলচ্চিত্র উৎসব’। গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানী ঢাকার শাহাবাগের জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে পাঁচ দিনব্যাপী এ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ চলচ্চিত্র উৎসব চলবে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। প্রদর্শিত হবে ৬টি কাহিনিচিত্র এবং ৭টি তথ্যচিত্র।
সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘ট্রাভেলার্স অ্যান্ড ম্যাজিশিয়ান’, ‘ক্রোটেন কোরা’, ‘নাজওয়েন এক্সপ্রেস’, প্রামাণ্যচিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘প্রাইস অব নলেজ’, ‘দ্য কস্ট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ’, ‘প্রাইস অব লেটার’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূটানের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই পেমা ছোদেন বলেন, ‘ভূটান এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেক আগে থেকেই বন্ধুত্বপূর্ণ। আর এ সম্পর্ককে আরো মজবুত করতে এই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা, যাতে বাংলাদেশি মানুষ গভীরভাবে ভূটানের জীবনধারা সম্পর্কে অবগত হয়।'
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বাজরাঙ্গি ভাইজান নকল‍, ক্ষতিপূরণ দাবি ৫০ কোটি

‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ ছবি নিয়ে যেন আলোচনা-সমালোচনা কমছেই না।একের পর এক রেকর্ড করে যাওয়া এই ছবিতে লেগেছে নকলের তকমা।এর আগে জানা গিয়েছিল, ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ এর বিখ্যাত কাওয়ালি ‘ভার দো ঝোলি মেরি’র সুর না কি এক পাকিস্তানি গান থেকে নকল করেছেন সুরকার প্রীতম। সেই বিতর্ক মিটতে না মিটতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক খবর। শুধু একটা গান নয়, ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ পুরো ছবিটাই না কি নকল। সম্প্রতি এ দাবি করেছেন এক পরিচালক-চিত্রনাট্যকার-প্রযোজক মাহিম যোশি। শুধু দাবি তুলেই থেমে থাকেননি মাহিম, ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলাও করেছেন আদালতে।
মাহিমের দাবি, যে গল্প নিয়ে ছবি করেছেন পরিচালক কবীর খান, তার চিত্রনাট্য অনেক আগেই তিনি নথিভুক্ত করিয়েছিলেন ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন কাউন্সিল এবং অ্যাসোসিয়েশন অব মোশন কাউন্সিলের অধীনে। তার চিত্রনাট্য নিয়ে ছবি করার কথা ছিল বিবেক ওবেরয়ের প্রযোজনা সংস্থা ইয়াশি মাল্টি মিডিয়ার। কিন্তু, যে কোনও কারণেই হোক না কেন, তারা ছবি তৈরিতে আগ্রহ দেখায়নি। এর পর বেশ খানিকটা সময় চলে যায় এবং মেয়াদ পেরিয়ে গেলে ইয়াশি মাল্টি মিডিয়ার সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যায় মাহিমের। মাহিম তখন ছবির চিত্রনাট্য ভায়াকম ১৮ মোশন পিকচার্সের কাছে।
মাহিম জানাচ্ছেন, এর পরে তিনি চমকে উঠেন, যখন জানতে পারেন তার চিত্রনাট্যের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’। এমনকী, তার বিস্ময় চরমে উঠে এটা দেখে যে ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’ টিম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছে ভায়াকম ১৮ মোশন পিকচার্সের কাছে।
স্বাভাবিক ভাবেই আর দেরি করেননি মাহিম। সোজা আদালতে গিয়ে মামলা ঠোকেন। তার পরের ঘটনা এখনও পর্যন্ত রয়েছে মাহিমের পক্ষেই। জানা গিয়েছে, বিচারক ‘বাজরাঙ্গি ভাইজান’এর গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন মাহিমের চিত্রনাট্য। এবং তার পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ভাবে কথা বলার জন্য আদালতে ডেকে পাঠিয়েছেন পরিচালক কবীর খান, পরিচালক রকলাইন ভেঙ্কটেশ আর...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

ভারতীয় ছবিতে আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার

একদিকে থালাইভা, অন্যদিকে টার্মিনেটর- অর্থাৎ রজনীকান্ত ও আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। চমকে যাওয়ার মতোই এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় আনছেন পরিচালক শঙ্কর। ছবির নাম "এনথিরন ২"। ঠিক ধরেছেন এটি রজনীকান্তের "এনথিরন" ছবির দ্বিতীয় পর্ব। এই ছবি দিয়েই ভারতীয় সিনেমায় হাতেখড়ি হবে "ট্রু লাইস"হিরোর।
“আর্নল্ডের সঙ্গে ভারতীয় সিনেমা নিয়ে আমার অনেক কথা হয়। আর্নল্ড একসঙ্গে কাজ করার কথা আমায় বলেছিল।
"এনথিরন ২"-এর স্ক্রিপ্ট শুনে বেশ পছন্দই হয়েছে তার।” জানালেন পরিচালক শঙ্কর।
জানা গেছে, ছবিটি শুটিংয়ে ২৫ দিনের জন্য ভারতে আসছেন আর্নল্ড। ডেট দিয়েছেন রজনীকান্তও। ছবিতে রজনীর পাশাপাশি আর্নল্ডও রোবটের চরিত্রে অভিনয় করবেন।
তবে এখানেই শেষ নয়, কান পাতলে এও শোনা যাচ্ছে, "এনথিরন ২" রজনীকান্ত আর আর্নল্ডের সঙ্গে দীপিকা পাডুকোন এবং আমির খানও অভিনয় করতে পারেন।
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

তার হাত ধরেই বাংলা চলচ্চিত্রে নতুন স্বপ্নের চাষ

বাংলাদেশের স্বনামধন্য ও কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। ১৯৪১ সালে অক্টোবরের ২৩ তারিখ বিক্রমপুরের শ্রীনগর থানার সমষপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। খ্যাতিমান এই নির্মাতা ২০১৫ সালের ১১ জানুযারি রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
১৯৬১ সালে আরেকজন খ্যাতিমান পরিচালক ফতেহ লোহানীর সঙ্গে 'আছিয়া' চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর প্রখ্যাত সাংবাদিক ও চলচ্চিত্রাকার ওবায়েদ-উল-হকের সহকারী হিসাবে 'দুইদিগন্ত' চলচ্চিত্রে কাজ করেন ১৯৬৩ সালে। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের পর তিনিই প্রথম নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন’। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধনির্ভর প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র ‘ওরা ১১ জন’। এর পর নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘সংগ্রাম’ (১৯৭৪)। স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পর পর দুটি চলচ্চিত্র পরিচালনার কারণে চাষী নজরুল ইসলাম অল্প দিনেই আলোচনায় চলে আসেন।
চাষী নজরুল ইসলামের বেশ কিছু জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হল-‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘হাছনরাজা’, ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘ধ্রুবতারা’, ‘দুই পুরুষ’ ‘বাজিমাত’, ‘দেবদাস’, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘শুভদা’, ‘বিরহ ব্যথা’, ‘রঙিন বেহুলা লক্ষ্মীন্দর’, ‘ভালো মানুষ’, মহাযুদ্ধ’, ‘শিল্পী’, ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ ও ‘রঙিন দেবদাস’ ‘লেডি স্মাগলার’, ‘মিয়া ভাই’, ‘তিন কন্যা’, ‘বাসনা’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘আজকের প্রতিবাদ’।
সর্বাধিক মুক্তিযুদ্ধ ও সাহিত্যনির্ভর সিনেমার নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৮৬ সালে ‘শুভদা’ এবং ১৯৯৭ সালে ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’র জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া ‘শুভদা’ (১৯৮৬), ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ (১৯৯১), ‘হাছনরাজা’ (২০০২) শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদক সম্মাননায় ভূষিত হন।
তিনি চারবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। চাষী নজরুল বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সবার অতি প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এছাড়াও তিনি আমাদের জাতীয় তিন নেতাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন প্রামাণ্য চলচ্চিত্র শেরেবাংলা, মওলানা ভাসানী ও দেশ জাতি জিয়াউর...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

আজ নতুন চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী

আজ ৩০ অক্টোবর ‘নতুন চলচ্চিত্র, নতুন নির্মাতা’ চলচ্চিত্র উৎসবে অক্টোবর মাসের নির্বাচিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করা হবে। ১৭ জন নির্মাতার ১৫টি চলচ্চিত্র এতে প্রদর্শিত হবে।
ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী যৌথভাবে ‘নতুন চলচ্চিত্র, নতুন নির্মাতা’ শিরোনামে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকারদের নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য,পূর্ণদৈর্ঘ্য এবং প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের বছরব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে আসছে। উৎসবে নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো নূন্যতম দর্শনীর বিনিময়ে প্রদর্শিত হয়। দর্শনীর টাকা দর্শকের উপস্থিতিতেই নির্মাতাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।
উৎসবে অক্টোবর মাসের প্রদর্শনীর জন্য জমা হওয়া চলচ্চিত্র থেকে ১৫টি চলচ্চিত্র নির্বাচন করেছেন জুরি সদস্যরা। নির্বাচিত হয়েছে ১২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনী, ২টি প্রামাণ্য ও ১টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ৬টি স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র এবং ২টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী হবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর প্রদর্শনী হবে আজ  ৩০ অক্টোবর ২০১৫, শুক্রবার। উৎসবে অক্টোবর মাসের প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত চলচ্চিত্র বিকাল ৩:০০টায় ৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনী ও ১টি প্রামাণ্যচলচ্চিত্রের প্রদর্শনী করা হবে।
স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র: ‘এট দ্য এন্ড অব এন এন্ডলেস রিভার’ নির্মাতা চৌধুরী নাঈম বিন আতিক,
‘কাফকার না লেখা গল্প’ নির্মাতা জাবের হাসান (উদ্বোধনী প্রদর্শনী), ‘পার্মানেন্ট মার্কার’ নির্মাতা স্বরূপ চন্দ্র দে (উদ্বোধনী প্রদর্শনী), ‘ওঙ্কার’ নির্মাতা আহেমেদ হিমু এবং প্রামাণ্যচলচ্চিত্র ‘আর্কিটেকচার এন্ড এনভায়রমেন্ট ইন ঢাকা সিটি’ নির্মাতা শারমিন দোজা (উদ্বোধনী প্রদর্শনী)।
বিকাল ৫টায় ৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনী ও ১টি প্রামাণ্যচলচ্চিত্রের
প্রদর্শনী করা হবে। এগুলো হলো: স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র ‘নাগরিক’ নির্মাতা খন্দকার মো. জাকির (উদ্বোধন প্রদর্শনী), ‘সাজ’ নির্মাতা জুবায়ের আলম এবং সাকিব আল কাদের, ‘মিস্টার এক্স’ নির্মাতা ভিকি জাহেদ ও মো. আলতামিশ নাবিল, ‘ব্ল্যাক ম্যাজিশিয়ান’ নির্মাতা ফরিদুল আহসান সৌরভ, ‘তীর্যক’ নির্মাতা মো. আদিল খান, ‘এ বুক বিহাইণ্ড দ্য সুজ’ জাহিদ গগন, ‘দ্য স্মাইল’ নির্মাতা আরিক আনাম খান (উদ্বোধনী প্রদর্শনী), ‘চক্র’ নির্মাতা মতিউর
সুমন (উদ্বোধনী...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

জীবনের জয়গানে একজন চলচ্চিত্র যোদ্ধা ঋত্বিক ঘটক

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বরণীয় নির্মাতা ঋত্বিক ঘটক। মৃনাল সেন ও সত্যজিত রায়ের সমান ভাবা হয় তাকে। জীবনের প্রতি গভীর মমত্ববোধই তার চলচ্চিত্রের অংশ। তার সব চলচ্চিত্রও তাই জীবনের জয়গানই গেয়েছে। এই বিখ্যাত নির্মাতার জন্ম কিন্তু বাংলাদেশেই। পুরোনো ঢাকার জিন্দাবাজরে তার জন্ম। ১৯২৫ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ৪৭ এ দেশে ছেড়ে তার পরিবারকেও কলকাতায় পাড়ি জমাতে হয়। সেখান থেকে তিনি ইংরেজিতে অনার্স করেন। যদিও ফাইনাল পরীক্ষা দেননি।
ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটির আন্দোলনের ফসল হিসেবে ১৯৫০ সালের শুরুতে কলকাতায় শুরু হয় বিশ্বের ধ্রুপদ এবং অন্যান্য ভালো ছবি দেখানো। এসময় তিনি ছবি নিয়ে প্রচুর পড়াশোনা করেন এবং বুঝতে পারেন জনমানুষের বড় অংশের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার চলচ্চিত্র। এই বোধ থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই নিমাই ঘোষের ছিন্নমূল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সেলুলয়েড দুনিয়াতে প্রবেশ ঘটে ঋত্বিক ঘটকের। এই ছবিতে তিনি একই সাথে অভিনয় করেন এবং সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করেন।
তার সর্ব প্রথম ছবি সৃষ্টি 'নাগরিক'। ১৯৫২ সালে তার একক পরিচালনায় তৈরি হয় চলচ্চিত্রটি। তবে সেটি তার জীবদ্দশায় মুক্তি পায় নি। তার দ্বিতীয় ছবি ‘অযান্ত্রিক’ খুব ভাল ব্যবসা করে। ফলে তিনি রাতারাতি একজন সফল চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
জীবদ্দশায় তিনি একজন সংগ্রামী ব্যক্তি। সমাজের বিভিন্ন সমস্যা, দেশ ভাগ। সরকারের হাতের পুতল, যান্ত্রিক জীবন সব কিছই তাকে অনেক কষ্ট দিতো। সমাজের শোষন নিপিড়নের বিরুদ্ধে সারাজীবনই সোচ্চার ছিলেন তিনি। তাই সত্যজিতও বলেছিলেন, ঋত্বিকের ভিতর সত্যিকারের শিল্পীর যন্ত্রণা ছিলো এবং তিনি আসলেই অনেক বড় মানের নির্মাতা।
আর এসব কারণেই তিনি তার শিল্পের মাধ্যম চলচ্চিত্রের ক্যানভাসে সেই কষ্ট যন্ত্রণা ফুটিয়ে তুলতেন। তাকে বলা হয় শিল্পীর শিল্পী। তিনি কখনো ভদ্রতার তোয়াক্কা করতেন না। কোন মুখোশ পড়তেন না। যা কিছু...
[…]