Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.
Entertainment Image
Entertainment Image

ওরা ১১ জন

‘ওরা ১১ জন’ স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র । সদ্য যুদ্ধফেরত দুই তরুন খসরু ও মাসুদ পারভেজ চেয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী কঠিন সময়টিকে সবার কাছে তুলে ধরতে। এমন একটি মাধ্যমের কথা তারা ভাবছিলেন যাতে করে একসঙ্গে দেশ-বিদেশের অনেক মানুষ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে। এমনকি ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছেও যা হয়ে থাকবে একটি প্রামাণ্য দলিল। অপরদিকে চাষী নজরুল ইসলামও এমন একটি ভাবনা মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন সহযোগিতার আশায়। এই তিনজন একত্রিত হয়ে ঠিক করলেন সেই মাধ্যমটি হবে চলচ্চিত্র। আর এভাবেই নির্মাণ শুরু হয় ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রটির। চার মাসের খাটা-খাটুনির পর ১৯৭২ সালের ১১ আগস্ট আলোর মুখ দেখে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র।
ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রের কাহিনী গড়ে উঠেছে ১৯৭১ সালে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার সমন্বয়ে গঠিত একটি গেরিলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে। ২৫ মার্চ কালো রাত্রির পর এই বাহিনীটি বাংলাদেশকে দখলদারমুক্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু গেরিলা অপারশেন চালায়। বাহিনীটির নেতৃত্ব দেন কামরুল আলম খসরু। খসরু ও তার বোন মিতা (শাবানা) ঢাকায় মামাবাড়িতে থেকে লেখাপড়া করেন। প্রতিবেশী শীলার (নূতন) সঙ্গে খসরুর বিয়ে ঠিক হয়। অন্যদিকে মেডিকেল কলেজের ছাত্রী মিতার সঙ্গে শীলার প্রকৌশলী ভাই পারভেজের (রাজ্জাক) সম্পর্ক রয়েছে। সবকিছু ঠিকই চলছিল কিন্তু এরই মাঝে হঠাৎ বেজে উঠে যুদ্ধের দামামা। খসরু চলে গেল যুদ্ধে । আরো দশজন সঙ্গীকে নিয়ে গড়ে তুলে গেরিলা বাহিনী। পারভেজ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করায় পাকিস্তানীদের হাতে বন্দী হয়। পারভেজের কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের খবর বের করতে না পারায় তার সামনেই মা আর ছোটভাইকে হত্যা করা হয়। বোন শীলা নির্যাতনের শিকার হয়। মিতা বিক্রমপুরে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় সেখানকার চিকিৎসক দলের সঙ্গে যোগদান করে। একদিন সেও পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্যাতনের শিকার হয়।...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বলিউডে প্রেম

জার্মানি এক নাগরিক বলেছিলেন, ‘উপমহাদেশের সিনেমা দেখি সিনেমার গল্পে পর্যাপ্ত আবেগ থাকার কারণে। শুধু তিনি নয়, অধিকাংশ বিদেশি এই উপমহাদেশের সিনেমা দেখেন একই কারণে। তাই সব কিছু ছাড়িয়ে রোমান্টিকতা কিংবা প্রেম, উপমহাদেশের সিনেমাগুলোকে আলাদা শৈলীতে উপস্থাপন করেছে। বলিউডের সুপারহিট সিনেমাগুলোর দিকে তাকালেই সে প্রমাণ মিলে।

তবে সময়ে সঙ্গে সিনেমায় একই ধরনের প্রেম কাহিনি চলে আসেনি, প্রেম থাকলেও বদলেছে তার আদল। দিলীপ কুমার, রাজ কাপুর, দেব আনন্দ, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান হয়ে বলিউডের সিনেমা যখন পৌঁছেছে রণবীর সিং কিংবা রণবীর কাপুরের যুগে। তখনও দেখা যায় সিনেমার গল্প গড়ে উঠছে বিভিন্ন প্রেম কাহিনির উপর। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে প্রেম কাহিনি। পেয়েছে জনপ্রিয়তাও। বলিউড সিনেমায় বিবর্তিত প্রেম কাহিনি নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রতিবেদন।

ধনী-গরীবের প্রেম : বলিউড সিনেমায় প্রায় চার-পাঁচ দশক ধরে তুমুল জনপ্রিয় ছিল ধনী গরীব পরিবারের প্রেম কাহিনির দ্বন্দ্বের উপর নির্মিত সিনেমাগুলো। তবে ৯০ দশকের শেষের দিকে এই ধরণের সিনেমাগুলো তার জনপ্রিয়তা হারাতে শুরু করে। কারণ তখন সিনেমাতে নতুন ধরণের গল্প আসতে শুরু করেছে। এই ধরনের প্রেমের গল্পে নির্মিত সর্বশেষ ‘মাইনে পিয়ার কিয়া’ এবং ‘ববি’ বেশ দর্শকপ্রিয়তা কুড়িয়েছিল।

বাগদানের পর অন্যের প্রেমে পড়া : একুশ দশকে এসে এই ধরনের প্রেম কাহিনির উপর গড়ে উঠা সিনেমাগুলো বেশ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। কারণ ইতিমধ্যে উপমহাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় ভালোবাসার বিয়ের প্রচলন বেশ দেখা যায়। কারণ তখন সমাজ ব্যবস্থায় সন্তান তার পছন্দের মানুষের কথা বাবা-মায়ের কাছে বলতে শুরু করেছে। এই সময়ের সিনেমার মাধ্যমে ব্যাপারটি আরও বেশি প্রসার লাভ করে। যখন সিনেমায় দেখানো শুরু হলো- বাবা-মায়ের পছন্দে অ্যানগেজমেন্ট হয়েছে কিন্তু সন্তান পছন্দ করে আলাদা কাউকে। তখন নতুন দ্বন্দ্ব তৈরি হয় গল্পে, প্রেম কাহিনি...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

লেনিনের চরিত্রে ডিক্যাপ্রিও

কিছুদিন আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন মার্কিন জনপ্রিয় অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তবে বাস্তবে নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেজে পর্দায় অভিনয় করতে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন ‘টাইটানিক’ অভিনেতা। কিন্তু তিনি নিজেই জানতেন না এমনই এক ঐতিহাসিক চরিত্র অপেক্ষা করছেন তাঁর জন্য। সম্প্রতি এই অভিনেতা ভ্লাদিমির লেনিনের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন।
কয়েকদিন আগেই ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবিতে হিউ গ্লাসের ভূমিকায় অভিনয় করে সিনেমা জগতে হইচই ফেলে দিয়েছেন এই অভিনেতা। এরপরেই বাস্তব চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহী হয়েছেন তিনি। এবার রাশিয়ার বিখ্যাত স্টুডিও থেকে ৪১ বছর বয়সী ডিক্যাপ্রিও ভ্লাদিমির লেনিনের ভূমিকার জন্য মনোনীত হলেন।
এই ছবি মুখপাত্র ভ্যালোরি কার্লভ বলেন, ‘ঐতিহাসিক ছবি তৈরি করা সব সময়ই একটি চ্যালেঞ্জ। ডিক্যাপ্রিওর সঙ্গে লেনিনের চেহারায় অদ্ভুত মিল। দুজনের ছবি পাশাপাশি রাখলে সেটি স্পষ্ট বোঝা যায়। আমাদের হাতে সবকিছুই মজুদ আছে যা দিয়ে তৎকালীন সময়কে ফুটিয়ে তুলতে পারব।’
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

মার্ভেল থেকে হারিয়ে গেছে যে চরিত্রগুলো

মার্ভেল! নামটা শুনতেই চোখের সামনে ভেসে বেড়ায় থর, আয়রন ম্যান, স্পাইডারম্যান, সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, হাল্কসহ অনেক সুপারহিরো চরিত্রের মুখ। মার্ভেলের তৈরি কমিক চরিত্রগুলো সত্যিই আমাদের অন্যরকম একটি জগতে নিয়ে গেছে।
কিন্তু মার্ভেলের তৈরি চরিত্র স্পাইডারম্যান বা ফ্যান্টাস্টিক ফোর এখন আর মার্ভেলের মালিকানায় নেই! হাতছাড়া হওয়া মার্ভেলের তৈরি বিখ্যাত এই চরিত্রগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রতিবেদন।
স্পাইডারম্যান ( সনি পিকচার্স )
স্পাইডারম্যান চলচ্চিত্র নির্মাণের অনেক আগেই কমিক চরিত্র হিসেবে স্পাইডারম্যানকে বিক্রি করে দেয় মার্ভেল। একটা সময় নানারকম চুক্তি ও হাতের রকমফেরে এই স্পাইডারম্যান গিয়ে যুক্ত হয় সনি পিকচার্সের সাথে। একে একে স্পাইডারম্যানের ওপর নির্মিত নানা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে একের পর এক রেকর্ড ভাঙতে থাকে সনি। সেই সাথে প্রচুর আয় করতে থাকে এটি। এক পর্যায়ে, মার্ভেল স্টুডিওর সাথে সংঘর্ষ লাগে সনির। তখন একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, মার্ভেল ক্যাপ্টেন আমেরিকাতে স্পাইডারম্যানকে ব্যবহার করতে পারবেন। চরিত্রটিকে নিয়ে আরো কমিকও লিখতে পারবেন। তবে সনি স্বাধীনভাবে স্পাইডারম্যানকে ঠিকঠাক করে ও নির্বাচন করে নেওয়ার ক্ষমতা রাখবে।
দ্য ফ্যান্টাস্টিক ফোর ( ২০ সেঞ্চুরি ফক্স )
ফ্যান্টাস্টিক ফোর মার্ভেল কমিকসের জনপ্রিয় একটি কমিক। তবে একটা সময় এই কমিকটিরও সব ধরনের মালিকানা হারিয়ে ফেলেন মার্ভেল। ২০ সেঞ্চুরি ফক্সকে পুরোপুরি এর সত্ত্ব দিয়ে দেয় মার্ভেল। ২০০৫ সালে শুরু হয় ২০ সেঞ্চুরীর হাত ধরে ফ্যান্টাস্টিক ফোরের পথচলা। চলচ্চিত্র জগতে বেশ সাড়া ফেলে এটি। তবে তার কিছুদিন পরই মার্ভেল ফ্যান্টাস্টিক ফোরের লেখকদেরকে অদ্ভুত নির্দেশ দেয়- নতুন করে আর কোন চরিত্র না বানাতে। কারণ চুক্তি অনুসারে মার্ভেল এই কমিকে কোন কিছু যোগ করলেই সেটা সাথে সাথে ফক্সের অধিকারে চলে যাবে। মাঝে অবশ্য একবার গুজব ছড়িয়েছিল যে ফক্স ফ্যান্টাস্টিক ফোরকে মার্ভেলের হাতে আবার...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বিয়ে না করে ৪০ পেরনো বলিউড নায়িকারা

বলিউডের কিছু নায়িকা আছেন যাঁরা ৪০ পেরিয়ে গেছেন কিন্তু এখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নি|  এরা প্রত্যকেই নিজেদের প্রমাণ করেছেন এবং ইন্ডাস্ট্রিতে যথেষ্ট প্রতিপত্তিও অর্জন করেছেন|  আসুন আজকে তাঁদের বিষয়ে কিছু জেনে নেই|
তাব্বু : অফ বিট ছবিতে অভিনয় করার জন্য এখনো জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর বয়স ৪৪ বছর|  এখনো কিন্তু উনি অবিবাহিত| যদিও অনেক সহ নায়কের সঙ্গে ওঁর নাম জড়ানো হয়েছে|  কিন্তু কারুর সঙ্গেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নি উনি|  বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে ওঁকে প্রশ্ন করা হলে উনি উত্তর দিয়েছেন ‘ এই টপিক এখন পুরনো হয়ে গেছে|  যা হয় নি তাই নিয়ে কথা বলে কী লাভ?
প্রীতি জিন্টা : কিংস 11 পাঞ্জাব এর মালকিন‚  এছাড়াও একটা প্রডাকশন হাউজ আছে ওঁর|  কিছুদিন হলো ছবি পরিচালনাও করছেন উনি|  বাবলি প্রীতি জিন্টাই প্রমাণ যে একজন মহিলার সাফল্য পাওয়ার জন্য কোন পুরুষের দরকার হয় না|  দীর্ঘদিন নেস ওয়াদিয়ার সঙ্গে প্রেম করার পর ওঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়|  এবং এখন উনি আবার ‘ সিঙ্গল‘ | ৪০ বছরের অভিনেত্রী জানিয়েছেন ‘ আমি খুব লাকি|  আমার এখন প্রেম করার সময় নেই| অবশ্যই একদিন  বিয়ে করতে চাই| যদি কোনদিন কাউকে পাই সবাইকে জানিয়ে দেবো|  যদিও শোনা যাচ্ছে উনি নাকি খুব তাড়াতাড়ি একজন বিদেশীর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন|
সুস্মিতা সেন : ১৯৯৪ সালে মিস ইউনিভার্সের খেতাব জিতে নতুন ইতিহাস তৈরি করেন উনি| কারণ এর আগে ভারতীয় কোন মহিলা ওই খতাব জেতেন নি| উনি বেশ কিছু সফল বলিউডের ছবিতে অভিনয় ও করেছেন| দুটি কন্যা সন্তান রেণে আর আলিশাকে দত্তক ও নিয়েছেন|  রণদীপ হুডা বা ওয়াসিন আক্রমের সঙ্গে ওর নাম জুড়লেও এখন ওর ৪০ বছর বয়স এবং উনি এখনো সিঙ্গল| উনি জানিয়েছেন উনি এখন শুধুমাত্র ওর দুই কন্যার সঙ্গে সময়...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

আসছে ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ‘নাইন’ এবং ‘টেন’

জনপ্রিয় সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের অষ্টম সংস্করণ এখনো মুক্তির অপেক্ষায়। ২০১৭ সালে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তবে এরই মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির নবম এবং দশম সংস্করণের ঘোষণা দিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অন্যতম প্রধান অভিনেতা ভিন ডিজেল।
এ অভিনেতা জানান, ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল মুক্তি পাবে ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের নবম সংস্করণ। এরপর ২০২১ সালের ২ এপ্রিল মুক্তি পাবে দশম সংস্করণ।
এর আগে এ ফ্র্যাঞ্চাইজির সাতটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। প্রত্যেকটি সিনেমাই দর্শকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেয়েছে। ২০০১ সালে মুক্তি পায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রথম সিনেমা দ্য ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস। এরপর ২০০৩, ২০০৬, ২০০৯, ২০১১, ২০১৩ এবং ২০১৫ সালে মুক্তি পায় পরবর্তী ছয়টি সিনেমা। ভিন ডিজেলের এ তথ্য ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ভক্তদের জন্য যে আনন্দের খবর তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ভিন ডিজেল এখন ব্যস্ত আছেন এক্সএক্সএক্স : দ্য রিটার্ন অব জান্ডার কেজ সিনেমার শুটিং নিয়ে। সিনেমাটির মাধ্যমে হলিউড সিনেমায় অভিষেক হচ্ছে বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের।
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

হলিউড তারকাদের বিব্রতকর জীবনের গোপন অতীত

কথায় আছে, চকচক করলেই সোনা হয় না। এই প্রবাদটি মনে হয় গ্ল্যামার দুনিয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। বিনোদন জগতের সেরা হলিউড দুনিয়া বাইরে দিয়ে যতোই উজ্জ্বলতা ছড়াক না কেনো, ভেতরে ঠিক ততোটাই অন্ধকার। খ্যাতিমান অনেক হলিউড তারকার জীবনের রয়েছে গোপন অতীত। হলিউড তারকাদের বিব্রতকর এমনই কিছু ব্যক্তি জীবনের তথ্য তুলে ধারা হলো:
মেগ্যান ফক্স-
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেগ্যান ফক্সকে বাইরে দিয়ে যতোই পরিষ্কার এবং পরিপাটি মনে হোক না কেনো, তাঁর বিরক্তিকর টয়লেট অভ্যাসে তিতিবিরক্ত কাছের মানুষেরা। মেগ্যানের বন্ধুদের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের মিরর জানায়, অভিনেত্রী নাকি বেশিরভাগ সময়ই টয়লেট ব্যবহার করে ফ্ল্যাশ করতে ভুলে যান। এমনকি শুধু নিজের বাড়িতে নয়, কোথাও বেড়াতে গেলেও তিনি এই কাজটি করেন। মেগ্যানের কাছের এক বন্ধু ভাষায়, ‘ওর সঙ্গে বাস করা যায় না। সে খুবই নোংরা।’ এই অভ্যাসের কারণে বন্ধু মহলে অবশ্য কম খোঁটা শুনতে হয় না মেগ্যানকে। কিন্তু কি আর করা যাবে, যার যা অভ্যাস।
ব্রাড পিট-
খ্যাতিমান অভিনেতা এবং হলিউড দুনিয়ার অন্যতম সেরা ধনী ব্রাড পিট প্রথম জীবনে কিসের কাজ করেতেন জানেন? উত্তরটা শুনলে হয়তো আপনি ভেসে যেতে পারেন। ব্রাড পিট প্রথম জীবনে একটি রেস্তোরার সামনে মুরগির পোশাক পড়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাঁর কাজ ছিল রেস্তোরায় আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে হাত মেলানো এবং তাদের বিনোদিত করা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন জগতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব ব্রাড। এমনকি অনেক মিডিয়া তো ব্রাডকে বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব বলেই মনে করে।
শার্লিজ থ্রন-
এক সূত্রে জানা যায়, শার্লিজ থ্রন তাঁর জীবনের কালো এই অধ্যায় সম্পর্কে বিশেষ আলোচনা পছন্দ করেন না। শুধুমাত্র খুব ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে তিনি এই বিষয়ে কথা বলেন। এই অধ্যায়ের কথা জানা যায় ২০০৪ সালে। শার্লিজের বয়স যখন মাত্র ১৫ বছর সেই...
[…]

Entertainment Image
Entertainment Image

বলিউডের ১০ জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছি যে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও নিজের জন্য সময় বের করা মুশকিল। সপ্তাহের শুরু ও শেষ কীভাবে হয়, তা ভাবার মতোও সময় হয় না। একবার ভেবে দেখুন- ছাত্রজীবনে পরীক্ষার আগের দিন রাতেও একটা মুভি দেখা কোনো বিষয় ছিল না। আর কর্মজীবনে সেই মজার স্মৃতিগুলো খুব মনে পড়ে।

সময়টা পাল্টে গেলেও স্বল্প সময়ে সিনেমাপ্রেমীরা দেখে নিতে পারেন মজার কিছু চলচ্চিত্র। হোক না সেটা স্বল্পদৈর্ঘ্য। চাইলে দিনে একটা-দুটো দেখা কোনো বিষয়ই না।বলিউডের ১০ জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রতিবেদন।

১. বাইপাস
২০১৩ সালে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন অমিত কুমার। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইরফান খান এবং নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। এর চিত্রধারণ করা হয়েছে ভারতের রাজস্থানে। নওয়াজ এবং ইরফান দুজনই তখন নিজেদের পরিচয় জানাতে ব্যস্ত ছিলেন বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। শর্ট ফিল্মটি মাত্র ১৫ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের। বাইপাস চলচ্চিত্রের মূল আকর্ষণ হলো- এখানে কোনো সংলাপ ব্যবহার করা হয়নি। পুরোপুরি মুকাভিনয়ও নয়, কিন্তু এর কাছাকাছি। ঘটনার শুরু হয়- এক নবদম্পতির রাজস্থানের মরুভূমির পথ ধরে।

২. রাস্তা
এই ফিল্মের কাহিনিটা খুব সাধারণ। চলমান জীবনের নিত্যনৈমিত্যিক ঘটনা। দুটা পথশিশুর একটা সারা দিনের কার্যাবলী। তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ও সংঘর্ষ। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন দিগ্বিজয় চৌহান। দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে মুম্বাইয়ের ব্যস্ততম রাস্তায়।

৩. দ্যাট ডে আফটার এভরি ডে
সামাজিক অবক্ষয় দিন দিন বেড়েই চলছে। ইভটিজিং তো এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। এসব থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য নারী জাগরণের গুরুত্ব যে কতটা জরুরি, তা এই শর্ট ফিল্ম দেখলে ভালোভাবে বোঝা যায়। দ্য ডে আফটার এভরি ডেতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন হচ্ছে রাধিকা আপ্তে। তাকে ঘিরেই কাহিনি...
[…]