Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

"সমাজ" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

আতা স্বপন

১১ বছর আগে লিখেছেন

সকল অাব্বু আম্মুদের বলছি! বয়োস্বন্ধিকালিন সময়ে ছেলেমেয়ের বন্ধু হোন!

পিতামাতারা তাদের বয়ঃসন্ধি বা টিনেজার সন্তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অনেক সময় চিন্তায় পড়ে যান। আসলে বয়ঃসন্ধি সময় টা খুবই ক্রিটিকাল একটি সময়। এই সময় টিনেজার ছেলেমেয়েরা অধিকাংশ সময় বিভিন্ন ভুল করে থাকে এমনকি এই সময়ে তারা এমন কিছু কার্যকলাপ করে যা তাদেরকে আজীবন ভুগতে হয়। সাধারণত ১৩-১৯ বছরের সন্তানদের কে টিনেজার হিসাবে ধরা হয়।
এই বয়সের সন্তানদের বাবা মায়ের উচিত আলাদা যত্ন নেওয়া। সাধারণত আমাদের সমাজে বাবা মায়ের এই বিষয়টা তেমন খেয়াল করেনা। অনেকে বাবা মায়ের কাছে মনে হয় সন্তান বড় হচ্ছে তারা তাদের ভালো তারা বুঝে নিতে পারবে। কিন্তু এই সময়ে একটু আলাদা যত্ন নেওয়া উচিত।
বয়ঃসন্ধিকাল... continue reading

০ ৫৭৩

তামান্না তাবাসসুম

১১ বছর আগে লিখেছেন

আমার সবাই আদর্শ ছাত্র!

আমরা বাঙালিরা আর যা-ই হই-না-হই সবাই আর্দশ ছাত্র। স্যারের কথার বাইরে জীবনে আমরা এক পা-ও এগোই না। কাসে যার রেজাল্ট যেমনি হোক না কেন, জীবন চলাতে আমরা সবাই স্যারের দেখানো পথেই চলি। তা সে অফিসের বড় সাহেব বা পাড়ার ছিঁচকে চোর যে-ই হোক না কেন। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? চলেন তবে প্রমাণ সমেত উপস্থাপন করি: বের হতে-না-হতেই সামনে পড়ল ‘টো টো মকবুল’।
-কিরে তুই সারা দিন আড্ডা, ঘোরাঘুরি আর অন্ন ধ্বংস ছাড়া জীবনে কি কিছুই করবি না? মানলাম তিনবার অঙ্কে ফেল মারছিস, অন্য কিছু তো চেষ্টা করবি, নাকি?
-কস কী মমিন ! স্যারই তো কইছিল যে, ‘তর দ্বারা কিচ্ছু হইব না’। আমি... continue reading

০ ৬২৬

রচনা পারভিন

১১ বছর আগে লিখেছেন

কুমারখালীর ইতিহাস

প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে কুষ্টিয়ার পরিচয় দিতে বলা হতো "কুমারখালী-কুষ্টিয়া"। বাউলসম্রাট লালন শাহ, সাধক কাঙাল হরিনাথ, মোজাহেদ-নেতা কাজী মিয়াজান, বিপ্লবী-বীর বাঘা যতীন, সাহিত্যরথী মীর মশাররফ হোসেন, প্রজা-আন্দোলনের পুরোধা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ কুমারখালী থানার কৃতি সন্তান।
চৈতন্যদেবের আমলে কুমারখালীর নাম ছিল তুলসী গ্রাম। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এ অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের জন্য কালেক্টর নিযুক্ত করেন কমরকুলি খাঁ কে। তার নাম থেকে আঞ্চলিক সদরের নাম হয় "কুমারখালী"। সাবেক 'কমরখালীর' বিবর্তিত রুপ বর্তমান 'কুমারখালী'।
কুমারখালীর বিস্ত্তীর্ণ এলাকা আগে নদীগর্ভে ছিল। চরাইকোলযুক্ত গ্রামের নামগুলো তার প্রমাণ। নদী সরে গেলে পরে থাকে চর বা... continue reading

০ ৬০১

জয়িতা ইসলাম

১১ বছর আগে লিখেছেন

চাকমা জাতির কথা- কুমার প্রীতীশ বল

ভাষা:
চাকমাদের নিজস্ব ভাষা আছে। তাদের বর্ণমালাও আছে। চাকমা ভাষার কয়েকটি নমুনা এখানে উল্লেখ করা হলো।
চাকমা ভাষা: ত নাং কি?
বাংলা ভাষা: তোমার নাম কী?
চাকমা ভাষা: ত বাবর নাম কি?
বাংলা ভাষা: তোমার বাবার নাম কী?
চাকমা ভাষা: ঝার
বাংলা ভাষা: জঙ্গল
চাকমা ভাষা: মুড়া
বাংলা ভাষা: পাহাড়
চাকমা ভাষা: থুম
বাংলা ভাষা: শেষ

                               চাকমা বর্ণমালা
 
সংখ্যা গণনা:
বাংলা: এক-দুই-তিন-চার-পাঁচ-ছয়-সাত-আট-নয়-দশ
চাকমা: এক- দুই-তিন-চেইর-পাচ-ছ-সাত-আট্ট্য-ন-দচ

চলবে.........
continue reading

০ ১১৭০

জয়িতা ইসলাম

১১ বছর আগে লিখেছেন

চাকমা জাতির কথা- কুমার প্রীতীশ বল

পেশা:
চাকমাদের প্রধান পেশা জুম চাষ। পাহাড়ে তারা জুম চাষ করে। জুম চাষের জন্য প্রথমে আগুন দিয়ে বন, জঙ্গল পরিষ্কার করে। তারপর গর্ত করে। একটি গর্তে নানা রকমের বীজ রোপন করে। এখানে দান থেকে শুরু করে নানান শাক-সবজির বীজ পর্যন্ত এক সঙ্গে রোপন করে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এই বীজ থেকে ফসল হয়। এটা আদিবাসীদের প্রাচীন একটি পেশা। এটা তাদের কাছে জুম চাষ নামে পরিচিত। বর্তমানে অনেক আরও নানান পেশার সঙ্গে জড়িত।

উৎসব:
চাকমাদের প্রধান উৎসব হলো বিঝু। বাংলা বর্ষের শেষ দু’দিন এবং নববর্ষের দিনসহ মোট তিনদিন বিঝু উৎসব পালন করে। বিঝুর প্রথম দিনকে ফুল বিঝু বলে। দ্বিতীয় দিনকে মূল বিঝু... continue reading

০ ৬৫৩

Riad Al Sahaf

১১ বছর আগে লিখেছেন

নিঃস্বার্থ ভালোবাসা

প্রায় মধ্যরাতে রিকসায় হলে ফিরছিলাম। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো। রিমঝিম বৃষ্টি না, একেবারে মুষলধারে বৃষ্টি।
রিকসাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম পলিথিন আছে কিনা। মানা করলো। সাথে মোবাইল, মানিব্যাগ আছে তাই বৃষ্টিতে না ভিজে দৌড়ে রাস্তার পাশে এক যাত্রী ছাউনিতে আশ্রয় নিলাম। রিকসাওয়ালাও আমার পাশেই বসলো।
বাড়ি কোথায়, ঢাকায় কোথায় থাকে এইসব টুকটাক কথা বলছিলাম। বললো যে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই থাকে। রিকসাটা তালা দিয়ে পাশেই বিছানা করে শুয়ে ঘুমায়। এরকম অবশ্য অনেককেই ক্যাম্পাসে থাকতে দেখি।
এমন সময় উনার ফোন এলো। বৃষ্টির কারণে কথা শোনা যাচ্ছিলো না তাই লাউড্স্পীকার অন্ করলেন তিনি। অপাশ থেকে কথা বলছেন উনার স্ত্রী।
কথোপকথনের... continue reading

০ ৭৬১

জয়িতা ইসলাম

১১ বছর আগে লিখেছেন

চাকমা জাতির কথা- কুমার প্রীতীশ বল

জন্ম চাকমা পরিবারে শিশুর জন্ম হলে সঙ্গে সঙ্গে শিশুর মুখে মধু দেয়। এক সপ্তাহ পর ওঝা ডেকে শিশুর মাথা ধুয়ে পরিত্র করে। এসময় পানিতে এক ধরনের ফলের বিচি এবং হলুদ দেয়। চাকমা ভাষায় এই ফলের বিচিকে ঘিলা এবং হলুদকে কজই বলে। একমাস পর নাপিত ডেকে শিশুর চুল কেটে মাথা নেড়া করে। মৃত্যু চাকমাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে সাদা কাপড়ে মৃতদেহ ঢেকে রাখে। এ সময় ঢোল বাজায়। ঢোলে বিশেষ ধরনের তাল বাজানো হয়। এ তাল শুনে আসে-পাশের পাড়া-প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। সাধারণত পুরুষেরা মৃত বাড়িতে ছুটে যায়। বাড়িতে নারীরা তখন ঘরের সদর দরজায় মাটির একটি ভাঙ্গা পাত্রে তুষ দিয়ে আগুন জ্বালায়।... continue reading

২ ৭৬১

রাজু আহমেদ

১১ বছর আগে লিখেছেন

দেশে কি যুদ্ধ চলছে?

====মাগুরার নাজমা এবং তার বুলেটবিদ্ধ হয়ে জন্মগ্রহনকারী ভূমিষ্ট সন্তানের অনুচ্চারিত কথোপকথন===
.
-মা! ওমা! তোমার গর্ভে মোর কয়দিন থাহার কথা আছিল ?
-স্বাভাবিক নিয়মানুযায়ী তো দশ মাস দশ দিন । তয় তুই অভাগী । মোর গর্ভেও তোরে নিরাপদে রাখতে পারলাম না । এই সমাজের কিছু লোক তা হতে দেয়নি ।
-সাত মাসের মাথায় অপুষ্ট দুর্বল অবস্থায় মাত্র দুই কেজি ওজন নিয়ে আমাকে পৃথিবীতে আনলে কেন ? আমি কত কষ্ট পাচ্ছি মা তুমি জানো ? তোমার গর্ভে দশ মাস দশদিন থেকে হৃষ্টপুষ্ট হয়ে তারপর পৃথবীতে আগমন করাটাই আমার অধিকার ছিলো । রাষ্ট্র আমার সে অধিকার কেড়ে নিলো কেন ?... continue reading

০ ৫৩৯

mazed hossain

১১ বছর আগে লিখেছেন

স্বপ্ন

আমি স্বপ্ন নিয়ে উপড়ে ফেলেছিলাম হানাদারের কেশ
রক্ত দিয়ে এনে ছিলাম লাল সবুজের দেশ।
স্বপ্ন আমার স্বপ্নই থেকে গেল, বছর গেল কেটে-
আর কবে স্বাধীন হবো? পড়বে না লাথি পেটে।
এখনো লোভিদের লোভে মজুরদার মরে
স্পেকট্রাম, রানা প্লাজা ধসে পড়ে।
কত নিষ্প্রাণ গেল তাজনিনের আগুনে পুড়ে
ফেলানিরা এখনো ঝুলে সীমানার তারে।
মায়ের কোলে শিশু মরে, বাবার সামনে মেয়ের বশ্র হরণ
এখনো বুলেটের আঘাতে অঙ্গহীন বাড়ি ফিরে কলেজ তরুন।
অপমান-লজ্জায় মুক্তিযোদ্ধারা করে আত্মহত্যা
পাপিষ্ঠরা পাপ করে যায় তাহারাই বড় কর্তা।
এখনো চলে লাঙ্গলের চাষ অনাহারীর বুকে-
আঘাতে বিক্ষত দেহ, এখনো স্বপ্ন দেখে।
continue reading

০ ৪৫৭

আবু খায়ের আনিছ

১১ বছর আগে লিখেছেন

মসজিদ এবং আমার কিছু কথা।

কিছু কিছু লেখা লিখার আগে হাজার বার ভাবতে হয়, এই লেখাটার প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে।
এই কথাটা যেহেতু র্ধম নিয়ে আর কথাটা কিছু কিছু মুসলমান এর গায়ে লাগতে পারে তাই আগেই বলে রাখি,আমি নিজে একজন মুসলিম আর আমার জন্মও একটা মুসলিম পরিবারে।
যারা ধর্ম নিয়ে মুটামুটি জানেন তার নিশ্চয় এটাও জানেন, বাড়ী বাড়ী মসজিদ হওয়াটা কেয়ামতের লক্ষণ।
গতকাল রাতে এক বড় ভাই এর সাথে কথা হচ্ছিল এই মসজিদ নিয়ে। ৪৮ ফুট আয়তনের একা মসজিদে ৮টা এসি,২০টার উপরে ফ্যান। রাজকীয় বিষয়, অথচ ইসলাম বলে অপচয় কারী শয়তানের বন্ধু।
আমার বন্ধুর ভাষ্য মতে এখানে আট রকমের... continue reading

২ ৫০৮