আতা স্বপন

২ বছর আগে লিখেছেন

অর্থমন্ত্রীর ব্রিফিং ‘যুবক’ গ্রাহকদের হতাশ করেছে

যুবক বিষয়ে গত ২১/০৯/২০১৬ ই তারিখে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুবক ইজ এ ডেড ইস্যু’। এটা নিয়ে সরকারের নতুন করে কিছু করার নেই। তিনি বলেন, গ্রাহকরা দাবি করেছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ আজ পর্যন্ত কেউ আদালতে যাননি। যুবক হলো হায় হায় কোম্পানি। বাংলাদেশে হায় হায় কোম্পানিতে বিনিয়োগ নতুন কিছু নয়। এখানে বিনিয়োগ করে ধরা খায় লোকজন। মুহিত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা না বুঝে বেশি লাভের আশায় বিনিয়োগ করেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের তেমন কিছু করার সুযোগ নেই। আমরা যেটা করতে পারি, তা হলো ভবিষ্যতে যাতে কেউ আর প্রতারিত না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া। মুহিত বলেন, হায় হায় কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে ক্ষতিপূরণ কীভাবে দেওয়া হবে। গ্রাহকদের যারা প্রতারিত করল সেই যুবক কর্তপক্ষের বিরুদ্ধে কী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে_ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কীভাবে হবে, অন্যায়কারীরা তো পগারপার। তাদের ধরব কীভাবে? (সূত্র: সমকাল: ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬)এখানে
যুবক নিয়ে দীর্ঘ ভলিবল খেলার পর এ কেমন কথা বললেন অর্থমন্ত্রী? এ বিষয়ে যুবকের ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের মতামত নিয়ে জানা যায় উনার প্রতিটি কথাই মনগড়া।
১। যুবক ডেড ইস্যুঃ
না, এটা ডেড ইস্যু না। এটা চলমান ইস্যু। যা বহুআগে শুরু হয়ে চলছে তো চলছেই, থামছে না। জনগনের পাওনা না বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত এটা ডেড ইস্যু হয় কীভাবে? ভুক্তভোগী গ্রাহকের টাকা আদায়ের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত এটা ডেড ইস্যু বলা যাবে না।
২। সরকারের নতুন কিছু করার নাইঃ
কেন করার নাই? আর ’পুরান’ কী করেছেন? দু’টি লোক দেখানো কমিশন ছাড়া। অনেক কিছু করার আছে। দেখেও যদি না দেখার ভান করে এড়িয়ে গেলেই... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - তানিম হক

    সৃষ্টি মাঝেই যে ধবংস সে কথা ভুলে যায় ক্ষণিকের আহলাদেস্বার্থে। সত্য এটাই চলে যেতে হবে সবার। জীবনটা নাট্যমঞ্চের চেয়েও কঠিন নাট্যঙ্গায়ন।

    শেষের কথাগুলো মন জয় করেছে।

    - রুদ্র আমিন

    ধন্যবাদ বন্ধু তোকে...

আতা স্বপন

৩ বছর আগে লিখেছেন

নাস্তিক ধোলাই (২য় পর্ব)

৩.
একবার এক নাস্কিক বন্ধু আমায় মহানবী সা: বহু বিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করল। আচ্ছা তোর ধর্মগুরু মুহাম্মদ সা. তিনি বহু বিবাহ করলেন কেন? আবার তার মধ্যে একজন শিশু (কথাগুলো সে একটু ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করে বলেছিল। মহানবী সা. এর সম্মান রক্ষায় সেভাবে প্রশ্নটি করলাম না।) ।
তোর প্রশ্নের জবাব দেব। তার আগে তোকে ক্ষমা চাইতে হবে। তুই বিশ্বাস করিস আর না করিস ওনি আমার নবী। ইসলামের নবী। তাকে এভাবে তুচ্ছ তাচ্ছিল করা তো একদম ঠিক হয় নাই। নিজেকে এতো পারফেক্ট ভাবিস কেন? তোর ভাবনাই ঠিক এমন ভাবছিস কেন? কোন জিনিস পুরোপুরি না জেনে এভাবে সার দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ সম্পর্কে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করা তোর মোটেই ঠিক হয় নাই। তুই ক্ষমা না চাইলে তোর উত্তরও দিবনা আর তোর সাথে আমার সম্পর্কও শেষ।
সরি সরি! তুই এতটা দু:খ পাবি ভাবিনি। যা ক্ষমা চাইলাম।
ধর্ম খুবই সেনসেটিভ বিষয়। এই নিয়ে কখনো হাসি ঠাট্টা করবি না। তোর কনফিউশন থাকতে পারে। তাই বলে তাকে খাটো করার অধিকার তোর নাই। 
ক্ষমাতো চাইলাম ! আর কেন? এবার উত্তরটা শুনি।
আচ্ছা তুই বিছানায় প্রতিদিন প্রসাব করিস কেন?
কি বলছিস এসব! আমি বিছানায় ......প্রতিদিন.....। এই তুই কি পাগল হইয়া গেলি নাকি। 
পাগল হই নাই। তুই ছোট বেলায় প্রতিদিন বিছানায় প্রসাব করতি না?
সেইটা বল। শালা! কয় কিনা আমি প্রতিদিন....। ছোটবেলায় সবাই ঐরকম ই করে। কেন তুই করিস নাই। কি জিজ্ঞেস করলাম আর কি পেচাল শুরু করল।
সেইতো। ছোটবেলায়। তখন বিছানায় প্রসাব করলে কেউ কিছু মনে করত না। এটাই স্বাভাবিক ছিল। কি বলিস ? তাইতো!
হ্যা ঠিক তাই।
আচ্ছা ! এবার তাহলে মহানবীর বহু বিয়ের উত্তরে আসি। সে সময়টা ছিল আইমে জাহেলিয়াতের যুগ। যাকে বলে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (1)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    আয় না, আয় না, ওলো রাই

    কাম-প্লাবনের সিদ্ধ স্নানে

    ধরনী আজ রাঙাই...  অসাধারণ দাদা

    • - মাসুম বাদল

      অশেষ ধন্যবাদ,

      আলমগীর ভাই...! 

      emoticons

    - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

    emoticonsemoticonsemoticons 

    শ্রদ্ধা জানবেন...

    • - মাসুম বাদল

      অনেক অনেক শুভকামনা... !!! 

      emoticonsemoticonsemoticons

    • Load more relies...
    - সুমন সাহা

    শ্যামের বুকে তবু কেনো গুড়ু গুড়ু মেঘ গরজে ডাকে

    হৃদয় মাঝারে কুলু কুলু বান-প্লাবনের সুর

     

    emoticonsemoticons

    • - মাসুম বাদল

      অনেক অনেক শুভকামনা... emoticons

    Load more comments...

আতা স্বপন

৩ বছর আগে লিখেছেন

নাস্তিক ধোলাই (পর্ব-১)

১.
আমার অনেক নাস্কিক বন্ধু আছে। এরা মাঝে মাঝে এমন ভাব নেয় যেন মহাজ্ঞানী এরিষ্টেটল। আর এমন সব প্রশ্ন করার চেষ্টা করে -ভাব খানা এমন তোরে আজকা পাইছি টাইপ। এমন একজন আমাকে বলল আচ্ছা তুই ধর্ম কেন মানিস? ধর্ম না মানলেইতো ভাল। স্বাধীন জীবন লিড করা যায়। ধর্ম মানলেই যত গেনজাম। বিশ্ব আজ ধর্মিয় উগ্রতার স্বিকার।
আমি বললাম তোর কথা শেষ? নাকি আরো কিছু বলবি?
না আগে এইটাই বল তুই ধর্ম মানিস কেন?
আমি বললাম, তার আগে তোকে একটা প্রশ্ন করি। তুই জামা কাপর পরিস কেন?
কেন আবার! আমিতো আর জংগলি না। মানুষ। আমার শরম আছে । লজ্জা আছে। তাই পরি।
জামা না পরলেইতো ভাল। জামা পরাতেতো যত গেনজাম। জামা না পরলে এর খচরটা বেচে যেত। স্কুল কলেজ অপিস আদালতে কোন ড্রেস কোড থাকত না। সবাই এক নেংটো বাবা ।
কি সব পাগলের মত কথা বলছিস!
ওমা আমি বললাম বুঝি। তুইতো বললি।
আমিতো বলছি ধর্মের কথা।
এইতো । আমার ধর্ম আমার পোষাক। ধর্ম ছাড়া আমাকে নেংটো লাগে। তাই আমি ধর্ম মানি। ধর্ম মানাতে গেনজাম না। ধর্ম কে ব্যাবহারে গেনজাম।
মানে?
খুবই সহজ। জামা না পড়লে সভ্য মানুষ অস্বস্থিতে পড়ে ঠিকই। তাই বলে এখন যদি কেউ লুংগি পড়ে অফিসে যায় অফিসে ঢুকতে পারবে? পারবে নাতো । কেন ড্রেস কোড মানা হয়নি। কিন্তু সে বলে আমি এটাই পড়ে অফিস করব দেখি কোন মা কা লাল আমারে বাধা দেয়? অফিসের বস তাকে অফিস থেকে বের করে দিল। এখন সে যদি বলে, শালা এই কাপরই পরুম না। নেংটাই ভাল। কোন গেনজাম নাই। কাজটা কি ঠিক হবে? এর জন্য কি জামা দায়ি?
সোজা কথা ! জামা দায়ি হবে কেন? ঐ উল্লুকে... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মুহম্মদ ফরহাদ ইমরান

    ভেবেছ গাছটাও তোমার আপন
    উঠোন-বাড়ি ভুলবে না তোমায়emoticons

    - মাসুম বাদল

    emoticonsemoticonsemoticons

    - সুমন সাহা

    বেড়েছে বয়স
    সময়ের দোষ
    কিন্তু তুমি আজো অবুঝ

    ঘুমিয়ে ছিলে সংসার ধর্মে
    অসার তুমি
    আর তোমার পরিবার

    emoticonsemoticons

    Load more comments...

আতা স্বপন

৩ বছর আগে লিখেছেন

সৌদি আধিপত্ত নয় হ্জ্ব ব্যাবস্থাপনা মুসলিম মিল্লাতের অধিনে হোক

পবিত্র জায়গায় মরার সৌভাগ্য কজনের হয়। মরতে তো একদিন হবেই। সেই মরন যদি হয় জান্নাতে যাবার চাবি তা হলে সে মরন আশা করবেনা কেন একজন মুসলমান। এই ভাবনাটা আমাদের প্রত্যেকটি ধর্মভীরু মুসলমানদের বিশ্বাস ও চাওয়া।
ধর্ম নির্ভর করে বিশ্বাসের উপর তাই এই বিশ্বাস বা এই আশা থাকাটা অমুলক নয়। কিন্তু পাসাপাশি এটাও জানা দরকার কেউ তাদের স্বেচ্ছাচারিতার কারনে বা দায়িত্বে অবহেলার কারনে কোন ব্যাক্তি বা গোষ্টিকে মুত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে নাতো! মহাল আল্লাহ আমাদের মৃত্যু যে জায়গায় যে অবস্থায় রেখেছে হবেই এটা যেমন সত্য তেমনই কোন মৃত্যুর জন্য কোন দোষি কেউ হলে তাকে শাস্তি দিতে হবে এটাও সত্য।
সৌদি সরকারের দায়িত্বে যেহেতু হজ্জ্ব অনুষ্ঠান আযোজন করা হয়। তাই তার যাবতিয় দায় দায়িত্ব সৌদি সরকারেরই। সেখানে কোন অবহেলা বা কোন প্রকার অব্যবস্থাপনার জন্য দায় তাদেরই। প্রতি বছরের মত এ বছরও পবিত্র হজ্জ পালন করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজীরা কাবার মেহমান হয়ে এসেছেন। কিন্তু তাদরে মেহমানদারি যে রক্ত দিয়ে হবে তা হয়তো তারা ধারনা করতে পারেিন। এ সৌভাগ্যের মরন। ঠিক আছে। তাই বলে সৌদি সরকারের অবহেলাকে খাটো করে দেখা ঠিক হবে না। ক্রেন দুর্ঘটনায় মার গেল কয়েকশ হাজী তার রেশ কাটতে না কাটতেই মিনা দুর্ঘটানা ঘটল। এখানে যে, কত জন নিহত বা আহত হল তা এখনো সঠিক ভাবে জানা যায়নি। কেন এই অব্যবস্থপনা? কেন এই স্বেচ্ছাচারিতা? মেহমান হাজীদের জীবন নিয়ে কেন এমন হেলাফেলা। ক্রেনগুলো কি এই সময়টাতে সরিয়ে রাখা যেতো না? কিংবা শয়তানকে পাথর মার সময় যুবরাজ সাধারন মানুষের সথে মিশে শয়তানকে পাথর মারতে পারতো না। তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা কেন? যেখানে নামাজ আমরা দাড়া্ই ধনী গরিব, রাজা প্রজা,... continue reading
Likes Comments
০ Shares

আতা স্বপন

৪ বছর আগে লিখেছেন

সকল অাব্বু আম্মুদের বলছি! বয়োস্বন্ধিকালিন সময়ে ছেলেমেয়ের বন্ধু হোন!

পিতামাতারা তাদের বয়ঃসন্ধি বা টিনেজার সন্তাদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অনেক সময় চিন্তায় পড়ে যান। আসলে বয়ঃসন্ধি সময় টা খুবই ক্রিটিকাল একটি সময়। এই সময় টিনেজার ছেলেমেয়েরা অধিকাংশ সময় বিভিন্ন ভুল করে থাকে এমনকি এই সময়ে তারা এমন কিছু কার্যকলাপ করে যা তাদেরকে আজীবন ভুগতে হয়। সাধারণত ১৩-১৯ বছরের সন্তানদের কে টিনেজার হিসাবে ধরা হয়।
এই বয়সের সন্তানদের বাবা মায়ের উচিত আলাদা যত্ন নেওয়া। সাধারণত আমাদের সমাজে বাবা মায়ের এই বিষয়টা তেমন খেয়াল করেনা। অনেকে বাবা মায়ের কাছে মনে হয় সন্তান বড় হচ্ছে তারা তাদের ভালো তারা বুঝে নিতে পারবে। কিন্তু এই সময়ে একটু আলাদা যত্ন নেওয়া উচিত।
বয়ঃসন্ধিকাল ছেলেমেয়েদের জন্য নতুন জগৎ। প্রত্যেক মানুষকেই এ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। এ সময় ছেলেমেয়েদের মন মেজাজ খুব ওঠানামা করে। এই ভালোবাসতে ইচ্ছে করছে তো পরক্ষণেই আবার খুব খারাপ লাগছে। এুনি কোনো সিদ্ধান্ত নিলো তো পরক্ষণেই তার পরিবর্তন। মনে হয়তো দারুণ খুশি, কিন্তু একটু পরেই ঘন বিষাদ। এ সময় শরীরের নিঃসৃত যৌন হরমোনগুলো ছেলেমেয়েদের মন মেজাজের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। তাদের নিজেদের রাজা-রানী ভাবতে ভালো লাগে। তাদের আচার-আচরণে অনেক অভিভাবক বিব্রতবোধ করেন। কাউকে না মানার মনোভাব তাদের মধ্যে প্রচণ্ডভাবে জেগে ওঠে। এ সময় বাবা-মা কিংবা অন্য অভিভাবকদের সাথে তাদের বনিবনা হয় না। একটা দুর্বিনীত ভাব সব সময় উত্তেজিত করে রাখে। নেতিবাচক চিন্তা-চেতনা তাদের প্রভাবিত করে।
পারিবারিক পরিবেশ, স্কুল-কলেজের পরিবেশ, বন্ধুবান্ধবের সাহচর্য এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক উপাদান যেমন টেলিভিশন, সিনেমা, নাটক তাদের মনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। তাদের মনে এক প্রকার লোভলালসা বাসা বাঁধে। তারা অনেক কিছু পেতে চায়। ভোগ করতে চায়। কোনো কিছু পাওয়ার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে চায়।
... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...