Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.
Health Image +

স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি

আমাদের দেশের মেয়েরা অনেক ব্যাপারে অতি আধুনিক হলেও তাদের নিজেদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অনেক উদাসিন। নিজেদের স্বাস্থ্য সচেতনতার ব্যাপারে তথ্য জানলেও, সঠিক পদ্ধতি অনেকেই জানেন না। প্রতিমাসে ঋতুস্রাবে আমাদের দেশের মেয়েরা স্যানিটারি ন্যাপকিন অথবা কাপড়ের ন্যাপকিন ব্যবহার করে থাকেন।
আগে শুধু কাপড়ের ন্যাপকিন বা তুলার প্যাড ব্যবহৃত হত কিন্তু এখন রংচঙে বিজ্ঞাপনের সুবাদে “ড্রাই উইভ” অথবা শুকনো ন্যাপকিনের ব্যাবহার অনেক বেড়েছে। বিজ্ঞাপনে বলা হয় “এখন আমার কোন দুশ্চিন্তাই নেই, সারাদিন একদম ফ্রি!!” লোভনীয় এইসব বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত হয়ে মেয়েরা প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যাবহার করে এবং সেটা ২৪ ঘণ্টা বা আরও বেশি সময়ও পরে থাকে।
ফলাফল কয়েক মাস পর অনাকাঙ্খিত মেয়েলি রোগে আক্রান্ত হয় যার কারন তারা খুঁজে পায়না। এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোন ধারনা না থাকায় নিজের অজান্তেই তারা নিজের ক্ষতি করে চলে। সেই ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু তথ্য প্রদান করা হল-
স্যানিটারি ন্যাপকিন :
প্রথমত যেকোন স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড কোনভাবেই তিন বা চার ঘণ্টার বেশি পরা উচিৎ নয়। ঋতুস্রাবের শুরুর দুই ও তিন দিন অতিরিক্ত রক্তস্রাব নিঃসরণ হয়। এসময় অনেকে ছয় বা সাত ঘণ্টা পর পর প্যাড পরিবর্তন করে। কিন্তু চতুর্থ বা পঞ্চম দিন থেকে স্রাব কমে আসায় একই ন্যাপকিন ২৪ ঘণ্টা বা আরও বেশি সময় ধরে অনেকে পরে থাকে। এইকারনে তাদের যে সমস্যা হতে পারে তা হলঃ যোনিপথে চুলকানি, প্রদাহ, অ্যালার্জি।
তাই, ঋতুস্রাবের প্রথম তিন দিন দুই ঘন্টা পরপর প্যাড পরীক্ষা করে দেখা উচিৎ। যদি প্যাড শুকনো না থাকে অর্থাৎ উপরের অংশে রক্ত ভেসে আসতে দেখা যায় তবে সাথে সাথে প্যাড পরিবর্তন করা উচিৎ এবং কোনভাবেই চার ঘণ্টার বেশি একটি প্যাড পরা উচিৎ নয়। ঋতুস্রাবের তৃতীয় দিন হতে যেসব ন্যাপকিনে দ্রুত...

Read More
Health Image +

কাঁচাকলার পাকা গুণ

কাঁচকলা আমাদের চেনা সবজি। পেটের পীড়া বা রক্তশূন্যতার সময় এই সবজি বেশি খাওয়া হয়। সহজলভ্য এই সবজি সম্পর্কে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার বলেন, সবজি হিসেবে কাঁচকলার গুণের শেষ নেই। নানাভাবে কাঁচকলাকে খাওয়া যায়। সবভাবেই এর খাদ্যগুণ ঠিক থাকে।
শক্তি জোগায়: এতে প্রচুর ক্যালরি থাকে। মাত্র ১০০ গ্রাম কাঁচকলায় ক্যালরি থাকে ৮৩ গ্রাম। তাই শরীরের ক্ষয় পূরণে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে খেতে পারেন কাঁচকলা।
পটাশিয়ামের উৎস: কাঁচকলার পটাশিয়াম স্নায়ু ভালো রাখতে ও মাংশপেশির কর্মক্ষমতাকে সচল রাখতে কাজ করে। তাই নিয়মিত কাঁচকলা খেলে মাংসপেশিতে জড়তাজনিত রোগ সহজেই এড়ানো যায়।
হজমে সহায়ক: যাঁদের পরিপাকতন্ত্রে গোলযোগ দেখা দেয়, তাঁরা কাঁচকলায় সমাধান খুঁজতে পারেন। কাঁচকলার উপাদানগুলো খাদ্যবস্তু হজমে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ডায়রিয়ার পথ্য: এটি ডায়রিয়া নিরাময়ে যেমন সক্ষম, তেমনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোগেরও ওষুধ।
রক্তশূন্যতা এড়াতে: যাঁরা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়ম করে খেতে পারেন কাঁচকলার তরকারি।
ক্লান্তি দূর করতে: এই সবজিতে আছে হজমযোগ্য শর্করা, যা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগান দেয় এবং শরীর থেকে ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলে।
হাড়ের সুরক্ষা: কাঁচকলাতে ক্যালসিয়াম থাকে প্রচুর। এই ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে এবং হাড়ের সুরক্ষায় কার্যকর।

Read More
Health Image +

শসার হাজার গুণ

শসার রয়েছে হাজারো গুণ। খাওয়ার পাশাপাশি রূপচর্চার কাজেও লাগে এই সবজি। ওজন কমাতেও শসার জুড়ি নেই। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শসা থাকা উচিৎ।
বিশেষজ্ঞরা শসার অনেক উপকারীতা সম্পর্কে জানান। এর মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপ-
১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রক্তচাপ
শসা উচ্চ ও নিম্ন দু’ধরনের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। শসাতে রয়েছে ফাইবার, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই তিনটি উপাদান ক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
২. কিডনির সুস্থতায়
শসার মধ্যে জলীয় উপাদানই বেশি। এই জলীয় অংশ শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এতে কিডনি সুস্থ থাকে। তাছাড়া কিডনির পাথর প্রতিরোধেও শসার তুলনা নেই।
৩. ক্যানসার প্রতিরোধ
বিভিন্ন রকম ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে শসা। তার মধ্যে প্রধানত জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থির ক্যানসার প্রতিরোধে শসা বেশি কার্যকর।
৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
প্রতিদিন নিয়ম করে শসা খেলে শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের প্রতিদিন অন্তত একটি করে শসা খাওয়া দরকার।
৫. ওজন কমাতে
শসার মধ্যে কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় নেই বললেই চলে। তাই নিশ্চিন্তে যত খুশি খেতে পারেন শসা। এতে মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমে। আর যারা একটু মোটা তাদের ওজনও কমাতে সাহায্য করবে শসা।
৬. পানির চাহিদা মেটাতে
শসার প্রায় ৯০ শতাংশই হচ্ছে পানি। তাই পানির চাহিদা মেটাতে শসার তুলনা নেই। সারাদিনে যে পরিমাণ পানি দরকার তা যদি পান না করতে পারেন তবে শসা খেয়ে নিন। শসা পানির চাহিদা মেটাবে।
৭. দেহের তাপ শোষণ
প্রচণ্ড গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত! একটি শসা খেলে জুড়িয়ে যাবে আপনার শরীর। শসা দেহের তাপ শোষণ করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ভালো ফল পাওয়া যাবে।
৮. রূপ চর্চায়
রূপচর্চার অংশ...

Read More
Health Image +

মানবদেহ সম্পর্কে অজানা ২০ টি তথ্য

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। সব চেয়ে জটিল একটি শরীর বৃত্তীয় সংগঠন মানুষের। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যানে মানব দেহের অন্য রহস্য উন্মোচিত হলেও এখনো রয়েছে অনেক কিছুই অজানা। চলুন জেনে নেই মানব দেহের ২০ টি চমৎকার তথ্য
(১) একজন স্বাভাবিক স্বাস্থ্যবান মানুষ ২৪ ঘন্টায় ২৩,০৪০ বার শ্বাস প্রশ্বাস নেয়।
(২) একজন পূর্ন বয়স্ক মানুষের হৃদপিন্ড দিনে ৬০০০ থেকে ৭,৫০০ লিটার রক্ত পাম্প করে।
(৩) মানুষ প্রতিরাতে গড়ে ১-১.৫ মিনিট স্বপ্ন দেখে
(৪) একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের হৃৎপিণ্ড দিনে ১,৩০,৬৮০ বার স্পন্দিত হয়।
(৫) মানুষের মাথার মগজের ৭০ লক্ষ কোষ কোন না কোন কাজ করে।
(৬) দিনে মাথার চুল গড়ে ০.০১৭১৪ ইঞ্চি বাড়ে।
(৭) সকালের তুলনায় সন্ধ্যায় উচ্চতা ১ সে.মি. হ্রাস পায়।
(৮) মানব শরীরে ৭০% পানি ও ১৮% কার্বন রয়েছে।
(৯) একজন মানুষের চামড়ার ওপর রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।
(১০) মানুষের মস্তিষ্ক প্রায় ১০,০০০ গন্ধ বুঝতে পারে।
(১১) একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ শরীরের ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ।
(১২) দেহের সব শিরাকে পাশাপাশি সাজালে দেড় একর জমির প্রয়োজন ।
(১৩) মানুষ চোখ খুলে হাঁচি দিতে পারেনা।
(১৪) মানুষের দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি হল জিহ্বা।
(১৫) মানব দেহের সবচেয় বড় হার পাঁজর আর ক্ষুদ্রতম হাড় হল কানের হাড় ।
(১৬) অবাক হবেন না, আমরা যখন হাঁচি দেই তখন আমাদের শরীরের ভিতর সমস্ত ধরণের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এমনকি হার্টবীটও থেমে যায়।
(১৭) আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে ।
(১৮) মানব শিশু বসন্ত কালে দ্রুত বৃদ্ধি পায় ।
(১৯)আমাদের চোখের একটি পাপড়ি ১৫০ দিন বেঁচে থাকে। এর পর নিজে থেকেই ঝড়ে পড়ে ।
(২০) আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন...

Read More
Health Image +

গাজরের উপকারিতা

চোখের খেয়াল রাখতে নিয়মিত ভিটামিন এ খান। আর এই ভিটামিন এ-এর ভরপুর যোগান দেবে গাজর। তাই চটপট একটি গাজর খেয়ে ফেলুন।
গাজরে যে শুধুমাত্র ভিটামিন এ আছে তা নয়। গাজরের আছে নানাবিধ উপকার। এটি আপনাকে উপহার দেবে সুন্দর ত্বক থেকে শুরু করে ক্যান্সারের থেকে সুরক্ষাও।আসুন জেনে নিই একটি গাজর থেকে আপনি কি কি উপকার পাবেন-
১. আগে গাজর না খেয়ে থাকলে এবার শুরু করে দিন। কারণ গাজর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ তে বদলে যায়। পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, সেই সাথে রাতের বেলায় অন্ধকারেও চোখে ভাল দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগমেন্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে।
২. গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে। গাজরে আছে ফ্যালকেরিনল এবং ফ্যালকেরিনডায়ল যা আমাদের শরীরে অ্যান্টিক্যান্সার উপাদানগুলোকে পূর্ণ করে। তাই গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
৩. গাজর শুধু শরীরের জন্য ভাল তাই নয় এটি আমাদের জন্য অ্যান্টি এজিং উপাদান হিসেবেও কাজ করে। এতে যে বিটা ক্যারোটিন আছে তা আমাদের শরীরের ভেতরে গিয়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আমাদের শরীরের ক্ষয়প্রাপ্ত কোষগুলোকে ঠিকঠাক করে।
৪. সুন্দর ত্বকের জন্যও গাজর খেতে পারেন। এটি আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। এর ভিটামিন এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। সেই সাথে ভিটামিন এ ত্বকের অযাচিত ভাঁজ পড়া, কালো দাগ, ব্রন, ত্বকের রঙের অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি দূর করে আপনাকে সুন্দর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।
৫. এছাড়াও গাজর ভাল অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও কাজ করে। এটি শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা...

Read More
Health Image +

লাল শাকের উপকারিতা

লাল শাক রূপে যেমন মনোহারী গুণেও তেমন কার্যকরী। পাতের ভাতকে নতুন রূপ দিতেও সেরা। ছোট বড় সবাই এর স্বাদের ভক্ত। বাজারে এখন শীতকালীন ফসল লাল শাকের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। লাল শাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় । তাই আজ জেনে নেয়া যাক লাল শাকের পুষ্টিগুণ।
লাল শাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লাল শাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
– শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ করা যায়।
– এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
– রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
– লাল শাকের বিটা-ক্যারোটিন হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।
– এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে এবং দন্ত ও অস্থি গঠনে অবদান রাখে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে।
– শিশুদের অপুষ্টি দূর করে।
– ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাল শাক যথেষ্ট উপকারি। এ ছাড়াও এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।
– আঁশ জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
– ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে।

Read More
Health Image +

নিজের হৃদয়ের ব্যাপারে অদ্ভুতুড়ে ৭টি তথ্য

হৃৎপিণ্ড আমাদের শরীরের এমন একটি অঙ্গ যা ছাড়া জীবনধারণের কথা চিন্তাও করা যায় না। শরীরের রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া একে ছাড়া অচল। এ সব তো আমাদের জানা। কিন্তু হৃৎপিণ্ড এমন কিছু কাজ করতে সক্ষম যা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আসুন জেনে নেই আমাদের শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এই অঙ্গটির কিছু বিস্ময়কর ক্ষমতা।
হৃৎপিণ্ড নিজে থেকেই স্পন্দিত হতে পারে:
আপনার একটি হাত কেটে আলাদা করে নিন। শরীরের বাকি অংশ থেকে আলাদা হয়ে তা নিজে থেকে কিছুই করতে পারবে না। মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া চল্বেও না। কিন্তু হৃৎপিণ্ড এদিক থেকে অনেকটা “স্বয়ংক্রিয়” বলা যায়।
কারণ শরীর থেকে আলাদা হয়ে গেলেও কিছুটা সময় স্পন্দিত হতে পারে। এমনকি মস্তিষ্কের মৃত্যু ঘটলেও স্বল্প সময়ের জন্য হৃৎপিণ্ড নিজ থেকেই সচল থাকতে পারে। যতক্ষণ পর্যন্ত অক্সিজেনের সরবরাহ থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত হৃৎপিণ্ড সচল থাকে।
হৃৎপিণ্ড দিনে মোটামুটি ১ লক্ষ বার স্পন্দিত হয়:
আমরা দিনে ১ লক্ষ বার একটি কাজ করতে পারবো? পারবো না। কিন্তু আমাদের হৃৎপিণ্ড কোনো রকম বিরতি না দিয়ে দিনে ১ লক্ষ বারের মতো স্পন্দিত হয়ে যাচ্ছে। সারাদিনে আমাদের রক্ত ধমনি-শিরা-উপশিরার মধ্য দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার মাইলের সমান পথ অতিক্রম করে যায়। আমাদের একেক জনের জীবনে গড়ে ৩ বিলিয়ন বার স্পন্দিত হয় একটি হৃদয়।
পুরুষের চাইতে নারীরা হৃদরোগে বেশি মৃত্যুবরণ করেন:
যদিও ধারণা করা হয় পুরুষেরা হৃদরোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন, আসল পরিস্থিতি কিন্তু তার উল্টো। হৃদরোগে বেশিরভাগ সময়ে নারীরা মৃত্যুবরণ করেন।
প্রতি মানুষের হার্ট রেট ভিন্ন:
প্রতি মিনিটে যতবার হৃৎপিণ্ড স্পন্দিৎ হয়, তা প্রতি মানুষের জন্ন ভিন্ন। তার বয়স, শারীরিক সুস্থতা, শারীরিক আকার-আকৃতি এবং ঔষধপত্র গ্রহণের ওপরে হার্ট রেট নির্ভর করে। বিশ্রামরত অবস্থায় একজন সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হার্ট রেট থাকে মিনিটে...

Read More
Health Image +

রক্ত শূন্যতা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

রক্তশূন্যতারক্তশূন্যতার সমস্যা যে কোন সময়, যে কোন বয়সেই হতে পারে। এবং বিশেষ বিশেষ কিছু কারণে আমাদের দেহে রক্তশূন্যতা দেখা দিয়ে থাকে।
দেহে রক্তশূন্যতার কারণে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে যায়। দেখা দেয় আরও নানা রকমের সমস্যা। তাই এই সমস্যা দূর করতে চাইলে আপনি ঘরোয়া ভাবেও কিছু কাজ করলে উপকৃত হবে। চলুন জেনে নেই উপায় গুলো।
রক্তশূন্যতা কী?
আমাদের রক্তে যখন লোহিত রক্ত কণিকা হ্রাস পায় তখন বুঝতে হবে আপনি রক্তশূন্যতায় ভুগছেন। দেহে রক্তশূন্যতার কারণে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে তা হলো-
১। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
২। মাথা ঘোরা
৩। শ্বাসকষ্ট
৪। বুকে ব্যথা
৫। মাথা ব্যথা
৬। বেশি ক্লান্ত থাকা
জেনে নিন রক্তশুন্যতা দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়ঃ
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে ডুমুর ফল
দেহের রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে প্রতিদিন ৩-৪ টি ডুমুর ফল খেতে পারেন।
ভিটামিন বি-১২ প্রতিদিন
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে প্রতিদিন ভিটামিন বি-১২ খেতে পারেন।
আয়রণ জাতীয় খাবার অথবা আয়রন ট্যাবল
রক্তশূন্যতায় ভুগছেন এমন কোন ব্যক্তির এই সমস্যা হওয়ার প্রথম কারণ হল তার দেহে আয়রণের অভাব। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আয়রণ যুক্ত খাবার রাখুন কিংবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রণ পিল খেতে পারেন।
ইপসাম সল্ট দিয়ে গোসল করুন
গোসল করার জন্য পরিমাণ মত পানি নিয়ে তাতে একটু ইপসাম সল্ট মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করুন। আর যদি এই উপায়ে গোসল করতে ভালো না লাগে তাহলে আপনার পা চুবিয়ে রাখুন ইপসাম সল্ট মেশানো পানিতে।
ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন
প্রতিদিন অন্তত দুইবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করুন। দেহে রক্তশূন্যতা দুর করার জন্য এটি খুব ভালো সমাধান।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির জন্য দেহ মালিশ করুন
দেহ মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। তাই প্রতিদিন আপনার দেহের হাত, পা, বাহু ম্যাসেজ করুন রক্তশূন্যতা দূর করতে।
প্রতিদিন ২-৩...

Read More
Health Image +

ছেলেদের চুলপড়ার কারণ ও করণীয়

চুল পড়ে যাচ্ছে? চিন্তা হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত মাথায় একটা চকচকে টাকই না বসে যায়? সাধারণত প্রতিদিনই মানুষের কিছু চুল পড়ে যায় আবার নতুন চুল গজায়। কিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয়, তবে সেটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।
তাহলে আপনাকে প্রথমে নির্ণয় করে নিতে হবে কেন আপনার মাথার চুল পড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে টাক পড়ার সমস্যাটা পুরুষের মাঝেই বেশি। পুরুষের চুল পড়া বা টাক পড়া সাধারণত ২০ বছর থেকেই শুরু হতে পারে। এটিকে বলে মেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস।
চুল কেন পড়ছে?
• অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন যেমন টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোনগুলো সাধারণত পুরুষের বেশি ও মহিলাদের কম পরিমাণে থাকে। এ হরমোনগুলো হেয়ার ফলিকলের ওপর কাজ করে ও চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। সে কারণে পুরুষের চুল বেশি পড়ে।
• দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে চুল পড়তে পারে। তবে এ চুল পড়া সাময়িক এবং পুনরায় চুল গজায়। কিন্তু দীর্ঘদিন মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে এবং দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে অনেক বেশি চুল পড়ে যেতে পারে।
• চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে চুল পড়া শুরু হতে পারে।
• বংশগত সমস্যার কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। হয়তো আপনার দাদা-বাবা-চাচার কিংবা নানা-মামার কারো টাক নেই। কিন্তু আপনার বাবা বা মায়ের মামা-চাচার টাক থাকায় বংশগত কারণে আপনারও টাক পড়তে পারে।
• রোগের প্রকোপে মাথার চুল পড়তে পারে। যেমন, অনেকে টাইফয়েড জ্বরে চুল হারিয়েছেন বলে জানা যায়।
• মাথায় খুশকি ও স্ক্যাল্পের রোগে মাথার চুল পড়তে পারে।
• অনেক সময় ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও মাথার চুল পড়ে যেতে পারে।
আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।
কী করণীয়:
যে কারণেই চুল পড়ুক না কেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়াও যে যে বিষয়গুলোর প্রতি...

Read More