Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.
Health Image +

ডিমের খোসা সারাবে ৩টি অতি পরিচিত রোগ

ডিমের কদর আছে আমাদের সবার কাছেই। রান্নাবান্নায় জরুরি বলে তো বটেই, পুষ্টিকর ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে ডিম থাকে সবারই বাড়িতে। কিন্তু ডিম ব্যবহারের পর এর যে খোসা আমরা ফেলে দেই, তা কিন্তু আসলে মোটেই ফেলনা নয়। ডিমের খোসায় আছে ৯০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, যে কারণে ক্যালসিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে এটি অসাধারণ। বেশ কিছু রোগ নিরাময়ে এটি উপকারী।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম ছাড়াও ডিমের খোসায় থাকে আয়রন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফ্লোরিন, ক্রোমিয়াম এবং মলিবডেনাম। এ কারণে ক্যালসিয়ামের উৎস হিসেবে একে ব্যবহার করার উপদেশ দিয়ে থাকেন অনেক বিশেষজ্ঞ। এক চা চামচ ডিমের খোসা গুঁড়োর ওজন মোটামুটি ৫ গ্রাম এবং এতে ১৬০০-১৮০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। বয়সের ওপর ভিত্তি করে দৈনিক ১.৫ থেকে ৩ গ্রাম পর্যন্ত ডিমের খোসার গুঁড়ো খাওয়াটা কার্যকরী। দেখে নিন কী করে ডিমের খোসা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে আপনার কাজে আসতে পারে।
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড সক্রিয় রাখতে
৮টি ডিমের খোসা নিন, এদেরকে ভালো করে ধুয়ে ও শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এরপর দুটি লেবুর রস চিপে নিন এই গুঁড়োর ওপর। এই মিশ্রণ কয়েকদিন ফ্রিজে রেখে দিন। যখন লেবুর রসে গুঁড়ো সম্পূর্ণ গলে যাবে, তখন এর সাথে মিশিয়ে নিন এক লিটার পানি ও এক কেজি মধু। মিশ্রণটি ৭ দিন রেখে দিন। এরপর প্রতিদিন খাবার পর ১ টেবিল চামচ করে খেতে পারেন, দিনে দুই থেকে চার বার।
গ্যাস্ট্রিক বা আলসারজনিত ক্র্যাম্প
এক টেবিল চামচ ডিমের খোসা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন সমপরিমাণ চিনি ও জায়ফল গুঁড়োর সাথে। দিনে তিনবার এক টেবিল চামচ এই মিশ্রণ পানিতে মিশিয়ে পান করুন, ২০ দিন পর্যন্ত।
রক্ত পরিষ্কার রাখার জন্য
৪-৫ টি ডিমের খোসা পরিষ্কার করে গুঁড়ো করে নিন। ৩০০ মিলি পানি ঢেলে দিন এর ওপর। পানি ও...

Read More
Health Image +

কিডনি সুরক্ষায় খাদ্যসমূহ

আমরা সবাই জানি সুষম খাদ্য আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। পুষ্টি বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়তই নিত্য নতুন খাদ্যের উপকারী বিভিন্ন দিক উন্মোচন করে চলেছেন। এরকম কিছু খাবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে কিডনি সুরক্ষায় বিশেষ খাদ্য হিসাবে, যেগুলো স্বাস্থের জন্যও উপকারী।
এগুলোকে কেন বিশেষ খাদ্যের তালিকায় রাখা হয়েছে এটা বুঝতে হলে আমাদের প্রথমত অক্সিডেশন বা জারণ এবং ফ্রি রেডিকেলস বা মুক্ত পরমাণু সম্পর্কে জানতে হবে।
অক্সিডেশন শরীরের একটি স্বাভাবিক জৈবিক ক্রিয়া যা শক্তি উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটায়। এ ধরণের বিক্রিয়া প্রায়ই বিভিন্ন ফ্রি রেডিকেলস তৈরি করে, যা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অবাধ বিচরণ করতে থাকে এবং এরা প্রোটিন,ডি.এন.এ, কোষ ইত্যাদি অঙ্গাণুর ক্ষতি সাধন করে। ধারণা করা হয় এগুলো বার্ধক্য এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী রোগ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি রোগের জন্য দায়ী।
তবে আশার কথা হলো উক্ত বিশেষ খাদ্যগুলোতে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সহায়তা করে।
জেনে নিন:
ক্যাপসিকাম: আপনার কিডনি সুস্থ রাখতে ক্যাপসিকাম হতে পারে প্রথম পছন্দ। সালাদ এবং যে কোনো রান্নাকে সুস্বাদু করতে এর জুড়ি নেই। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এন্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন এর প্রধান উপাদান, যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক।
বাঁধাকপি: বাধাকপিকে এন্টিঅক্সিডেন্ট এর খনি বললেও ভুল হবে না। এরা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি রেডিকেলস এর বিরুদ্ধে কাজ করে আপনার কিডনিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি ক্যান্সার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধেও কাজ করে। দামে সস্তা হলেও এতে রয়েছে ভিটামিন কে,সি,বি৬,ফলিক এসিড, প্রচুর ফাইবার সমৃদ্ধ বাধাকপি হতে পারে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকার অন্যতম উপাদান।
ফুলকপি: বাধাকপির মতো ফুলকপিও পুষ্টি উপাদান ভরপুর। ফুলকপির একটি বিশেষগুণ হলো এটি শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।
রসুন: রসুনের গুণের কথা আমাদের...

Read More
Health Image +

রোগ-প্রতিরোধে মাশরুমের ব্যবহার

মাশরুম যে এক ধরনের ছত্রাক এটা মোটামুটি সকলেরই জানা। আর এর সুস্বাদ সম্পর্কে হয়তো সকলের জানা নেই। তাই বলবো সুস্বাদু খাবারের আরেক নামই হচ্ছে মাশরুম। ছত্রাক হলেও অধিকাংশ মাশরুমই ব্যাসিডিওমাইকোটা এবং কিছু অ্যাসকোমাইকোটার অন্তর্ভুক্ত। অন্যান্য উদ্ভিদের ন্যায় মাশরুমের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য তৈরির জন্য সূর্য থেকে আলোর প্রয়োজন পড়ে না। অন্ধকার আর স্যাঁতসেঁতে জায়গাতেই বরং ভালো জন্মায় মাশরুম।পৃথিবীতে এ পর্যন্ত প্রায় চৌদ্দ হাজার প্রজাতির মাশরুমের কথা জানা যায়।
তবে সেগুলোর মাঝে বেশির ভাগই খাওয়ার অযোগ্য। কিছু কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত। অনেক প্রজাতির মাশরুম এক রাতের মধ্যেই উৎপাদিত হতে দেখা যায়। তবে অধিকাংশই ধীরে ধীরে বড় হয়। প্রাকৃতিক মাশরুমের চাইতে আবাদকৃত মাশরুম আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয়ে থাকে। খাবার উপযোগী অংশটি অল্প কিছুদিন সতেজ থাকে। বিশ্বের অধিকাংশ মাশরুমেই একটি দ- এবং ছাতার ন্যায় একটি টুপি থাকে।
দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দমনে মাশরুমের জুড়ি নেই। এতে রয়েছে- প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিড, অ্যান্টি বায়োটিক ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। কাঁচা অবস্থায় এতে ভিটামিন বি খাদ্যপ্রাণ থাকে যাতে রিবোফ্লোবিন, নায়াসিন এবং প্যান্টোথেনিক এসিড থাকে।
এছাড়াও, প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যথা- সেলেনিয়াম, কপার এবং পটাসিয়াম থাকে। ভিটামিন বি খাদ্যকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে। আর গ্লুকোজ থেকেই তৈরি হয় আমাদের দেহের শক্তি। তাছাড়া ভিটামিন বি খাদ্য বিপাক প্রক্রিয়াকেও সক্রিয় করে। সেলেনিয়াম উপাদানটি শুধু মাছেই পাওয়া যায়। যারা পুরোপুরি নিরামিষভোজী তারা মাশরুমের মাধ্যমে এই উপকারী উপাদানটি গ্রহণ করতে পারেন। মাশরুম কোলেস্টোরল শূন্য। এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও খুবই সামান্য। এতে যে এনজাইম ও ফাইবার আছে তা দেহে উপস্থিত বাকি ব্যাড কোলেস্টোরলের বসতিও উজাড় করে দেয়।
মাশরুম একমাত্র সবজি ও দ্বিতীয় খাদ্য উপাদান (প্রথম কডলিভার ওয়েল) যাতে ভিটামিন ডি ভোজ্য আকারে পাওয়া যায়। অন্য কোনো...

Read More
Health Image +

শারীরিক-মানসিক দুর্বলতার কারণ

ইদানীং অনেককেই দুর্বলতা অনুভব করতে দেখা যায়। অনেক পরিশ্রমের পর দেহে দুর্বলতা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম না করেই দুর্বলতা অনুভব করা এবং বলতে গেলে সারাদিনই নিজেকে অবসাদগ্রস্থ পাওয়া একেবারেই ভালো লক্ষণ নয়।আপনি তখনই দুর্বলতা অনুভব করবেন যখন আপনার দেহের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঠিক কাজ করছে না অথবা আপনার দেহে প্রয়োজনীয় কোনো কিছুর অভাব হচ্ছে। কিছু খুব সাধারণ কারণ রয়েছে এই দুর্বলতা অনুভবের পেছনে যা অবহেলা করলে মারাÍক আকার ধারণ করতে পারে। এই কারণগুলো দূর করার চেষ্টা করুন। দুর্বলতা কেটে যাবে। এমনকি অনেক বড় কোনো রোগের হাত থেকেও রেহাই পেতে পারেন।
আপনি অনেক মানসিক চাপ নিচ্ছেন
মানসিক চাপের কারণে দেহে আসে দুর্বলতা। অনেক বেশি মানসিক চাপে থাকলে আমাদের মস্তিস্কের অনেক বেশি পরিমাণে কাজ হয়। আমরা খুব বেশি চিন্তা করতে থাকি। এতে করে মস্তিষ্কের ওপর অনেক চাপ পড়ে। ফলে মস্তিষ্ক অবসাদগ্রস্থ হয় এবং আমাদের দেহও দুর্বলতা অনুভব করে। তাই বেশি মানসিক চাপ নেয়া বন্ধ করুন।
আপনি অনেক বেশি অলস
বেশি কাজের চাপ ও মানসিক চাপে যেমন দুর্বলতা আসে, তেমনই আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে অলসতাতেও দুর্বলতা ভর করে দেহে। আপনি যতো বেশি নিজেকে অলস করবেন ততো আপনার দেহ দুর্বল হতে থাকবে। কিছুটা কাজ করা এবং সামান্য মানসিক চাপ নেয়া আপনার দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করবে। এতে আপনি থাকবেন সবল।
আপনার খাদ্যাভ্যাস সঠিক নয়
যখনই দুর্বলতা অনুভব করবেন তখনই নিজের খাবারের তালিকা এবং খাবারের সময়ের দিকে নজর দিন। যদি আপনার খাবারের তালিকায় সুষম
খাবার না থাকে এবং আপনার একবেলা খাবার সময় থেকে আরেকবেলা খাবারের সময়ে অনেক বেশি পার্থক্য থাকে তবে আপনার দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে আপনাআপনিই। তাই সুষম খাবার খান এবং প্রতি ৩/৪ ঘণ্টা অন্তর...

Read More
Health Image +

কফির পাঁচ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সকালে বা সন্ধ্যায় অনেকই কফি খেয়ে থাকেন৷ উদ্দীপক পানীয় হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়৷ কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়৷ প্রতিদিন নিদিষ্ট পরিমাণে কফি শরীরে পক্ষে উপকারি৷ কিন্তু কফি খাওয়া নেশায় পরিণত হলে সেক্ষেত্রে কফির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে৷
১. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কফি খেলে পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তৈরি হতে পারে৷ এই ধরনের অ্যাসিড খাবার পরিপাকে ব্যবহৃত হয়৷ পাকস্থলীতে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড থাকলে খাবারের পরিপাক দ্রুত গতিতে হয়৷ ফলে বদহজম সহ নানা ধরনের পেটের সমস্যা হতে পারে৷
২. কফির বীজে ক্যাফেইন ও অন্যান্য অম্লীয় উপাদান থাকে যা পাকস্থলীর গায়ে ক্ষত সৃষ্টি করে আলসার, গ্যাসট্রিকের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে৷
৩. কফির পরিমাণ বেশি হলে কিডনিতে এই ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে৷ এতে কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষম ব্যহত হতে পারে৷
৪. উচ্চ তাপমাত্রায় কফির বীজ থেকে কফি তৈরির সময়ে এতে ক্যানসারের প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান তৈরি হতে পারে৷ তাই অতিরিক্ত পরিমাণে কফি খেলে ক্যানসারের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়৷
৫. কফি খেলে শরীরে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও এটি স্নায়ুদতন্ত্রের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে৷ দীর্ঘদিন ধরে একটানা প্রচুর পরিমাণে কফি খেলে স্বাভাবিক উদ্দীপনাও নষ্ট হতে পারে৷

Read More
Health Image +

যে ৮টি মসলা ক্যান্সারের যম

খাবারে ব্যবহৃত বিভিন্ন মসলার নানা স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। এখানে জেনে নিন বেশ কয়েকটি সবজি ও মসলার খবর যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে।
১. কাঁচা মরিচ ও ক্যাপসিকাম : এই ঝাল স্বাদের খাদ্যে অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান রয়েছে। তবে অতিমাত্রায়া ঝাল খেতে মানা করেন চিকিৎসকরা। ক্যাপসিকামের উপাদান লিউকোমিয়া টিউমারের কোষকে বাড়তে দেয় না।
২. আদা : এই ঝাঁঝালো স্বাদের খাদ্য উপাদানটি দেহে ক্ষতিকারক কোলেস্টরেলের কমায় এবং বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। যেকোনো খাবারের স্বাদ বাড়ায় আদা। সেই সঙ্গে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এর উপাদান।
৩. ওরেগানো : পিৎজা বা পাস্তার স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রোস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে ওরেগানো। মাত্র এক কাপ ওরেগানোতে সাইটো-কেমিক্যাল ‘কোয়ারসেটিন’ রয়েছে যা ক্যান্সার ঘটায় এমন রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।
৪. দারুচিনি : মাত্র অর্ধেক চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া খেলে আপনি পুরোপুরু ক্যান্সারমুক্ত থাকবেন। এটি টিউমার বাড়তে বাধা দেয়।
৫. জিরা : এটি হজমে ব্যাপক সহয়তা করে। যার কারণে পেট পুরে খাওয়ার পর অনেকেই এক চিমটি জিরা চিবাতে থাকেন। জিরায় ‘থাইমোকুইনন’ নামের উপাদান রয়েছে যা প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিহত করে।
৬. জাফরান : এতে রয়েছে প্রাকৃতিক ক্যারোটেনয়েড ডিকার্বোক্সাইলিক এসিড রয়েছে যার নাম ‘ক্রোসেটিন’। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে ভালো একটি উপাদান। এই জাফরান বা সাফরন ক্যান্সার টিউমারের আকারকে প্রায় অর্ধেকে করে দিতে পারে অল্প সময়ের মধ্যে।
৭. ফেনেল : সাইটো নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি খাবার যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
৮. হলুদ : হলুদের গুঁড়াকে মসলার রাজা বল যেতে পারে। একটি শুধু স্বাদই বাড়ায় তা নয়, এটি পলিফেনল উপাদান প্রোস্টেট ক্যান্সার, মেলানোমা, স্তন ক্যান্সার, ব্রেইন টিউমার, লিউকোমিয়ার বিরুদ্ধে দারুণ কার্যকর।

Read More
Health Image +

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কিছু ভ্রান্ত ধারনা এবং আসল সত্যটিmisconceptions

স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এমন অনেক কিছু (ধারনা) আমাদের দেশে প্রচলিত আছে যার বিশ্বাসের কোনো সত্যতা নেই, মেডিকেল সাইন্সেও তার কোন ভিত্তি নেই। কিন্তু বহুযুগ লালিত এই বিশ্বাসগুলো এতটাই শক্তিশালী যে ডাক্তাররা পর্যন্ত রোগীর বিভ্রান্তি কাটাতে সক্ষম হন না অনেক সময়। সেরকম কিছু বিষয় নিয়েই আমাদের এ পোস্ট টি।
১. বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয়
বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হবে-এ ধারণাটি মোটামুটি সব মানুষের মধ্যেই আছে। প্রকৃতপক্ষে ডায়াবেটিস হওয়ার জন্য মিষ্টি দায়ী নয় ।ডায়াবেটিস হওয়ার পর মিষ্টি খেলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যায়। কিন্তু ডায়াবেটিস হওয়ার আগে যতই মিষ্টি খাওয়া হোক, সুগারের পরিমাণ কিন্তু ঠিকই থাকবে। যদি প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ে ঠিকমতো ইনসুলিন তৈরি এবং নিঃসরণ হয়, তাহলে মিষ্টিতে কোনো ক্ষতি হবে না। আসলে ডায়াবেটিস হওয়ার জন্য দায়ী হচ্ছে অতিরিক্ত ওজন, কায়িক পরিশ্রমের অভাব ,পারিবারিক ইতিহাস এবং আরও অন্যান্য কারন।
২. মুখে মধু, বাক্যে অমৃত
শিশুর জন্মের সঙ্গে সঙ্গে নাকি মুখে মধু দিলে সেই বাচ্চা হয় মিষ্টভাষী। তাই জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তার মুখে কয়েক ফোঁটা মধু দেন নিকটাত্মীয়রা । কেউ কেউ দেয় পানি, এমনকি কৌটার দুধও। কিন্তু ডাক্তারি বিদ্যায় পরিষ্কারভাবে বলা আছে, বাচ্চার জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ ছাড়া তার প্রয়োজন নেই এক ফোঁটা পানিও। অন্য কিছু তো তার মুখে দেয়ার প্রশ্নই আসে না। ৬ মাস পর্যন্ত মধু, পানি এবং কৌটার দুধ থেকে শুরু করে যেকোনো খাবার শিশুর শরীরের জন্য ক্ষতিকর। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো দেবার পর শিশু পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া ইত্যাদি সমস্যায় আক্রান্ত হয়।
৩.বেশি খেলে গর্ভের বাচ্চা বড় হয় না
বয়স্ক মহিলাদের মধ্যে এ ধারণাটি ব্যাপক। গ্রামে প্রায় সবার মধ্যেই আছে এ ধারণাটি। তাদের যুক্তি, গর্ভকালীন বেশি খেলে পেটের...

Read More
Health Image +

স্ট্রবেরির উপকারী গুনাগুন

স্ট্রবেরি যদিও একটি বিদেশি ফল, কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশেও এটি খুবই সহজলভ্য। কোন কোন স্থানে এর বানিজ্যিক চাষাবাদও চলছে। তাই দামটাও এখন বেশ হাতের নাগালে। নানা ধরনের ডেজার্টে তো বটেই সুস্বাদু ফল স্ট্রবেরী আপনি রাখতে পারেন রোজকার খাদ্যতালিকাতেও। কেননা এই ছোট্ট ফলটি আপনার দেহের জন্যে যে কি ভীষণ উপকারী তা হয়তো আপনি জানেনও না!
১। স্মৃতিশক্তি
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকাইয় একটি স্ট্রবেরী রাখুন, এতে আছে ফ্লাভোনোয়েড নামক উপাদান, যা আপনার স্ম্রিতিশক্তি বাড়ায়। এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে মাত্র ২ টি স্ট্রবেরী স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা আপনাকে বিভিন্ন ধরণের রোগের সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। মাত্র এক কাপ পরিমান স্ট্রবেরির জুস আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা একাই পূরণ করে।
৩। ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করেঃ
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার যা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে এবং ফাইবার প্রতিরোধ করে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৪। সুন্দর ও মসৃণ ত্বকঃ
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। যা ত্বককে রাখে মসৃণ ও উজ্জ্বল। সেই সাথে ত্বকে বয়েসের ছাপ পড়তেও বাধা দেয়। এতে আছে সেলিসাইলিক এসিড, যা ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। স্ট্রবেরির পেস্ট ত্বকে ফেকপ্যাক হিসেবেও লাগাতে পারেন।
৫। ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ
এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও লিউটিন যা ক্যান্সারের কোষ বাড়তে বাঁধা দেয়। সেই সাথে ক্যান্সার প্রতিরোধেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।
৬। হাড়কে রাখে সুরক্ষিতঃ
স্ট্রবেরীতে থাকা পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও মিনারেল আপনার দেহের হাড়কে ক্ষয়ে যাওয়া থেকে রাখে সুরক্ষিত। শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধিতে এটি দারুণ ভূমিকা রাখে।
৭। ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
এতে ক্যালরির পরিমান খুবই কম থাকে। এক কাপ স্ট্রবেরীতে মাত্র ৫৩ ক্যালোরি। এতে থাকা প্রচুর...

Read More
Health Image +

বাদাম খেলে আয়ু বাড়ে

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন সাময়িকীতে একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, নিয়মিত বাদাম খেলে দীর্ঘায়ু হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়। বাদাম খাওয়ার সুফল নিয়ে দীর্ঘ এক সমীক্ষার ফলাফলে সেটাই দাবি করা হয়েছে।
একদল মার্কিন গবেষক ওই সমীক্ষা পরিচালনা করেন। সমীক্ষাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত বাদাম চিবিয়ে খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
বাদাম খাওয়া ব্যক্তিরা তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যসম্মত জীবন কাটান। একই সঙ্গে তাদের আয়ুষ্কালে এর সুপ্রভাব পড়ে। যারা জীবনে কখনো বাদাম খাননি, তাদের তুলনায় সপ্তাহে অন্তত এক দিন বাদাম খাওয়া ব্যক্তিদের মৃত্যুর হার ১১ শতাংশ কম।
সমীক্ষায় এক লাখ ২০ হাজার ব্যক্তিকে ৩০ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা নিয়মিত যত বেশি বাদাম খেয়েছেন, তারা তত বেশি দীর্ঘজীবী হয়েছেন।
প্রতিদিন একমুঠো বাদাম খেলে মৃত্যুর হার ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলে দাবি করেছেন গবেষকেরা।
এ গবেষণার প্রধান গবেষক ডানা-ফারবার ক্যানসার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড ব্রিগহ্যাম অ্যান্ড উইমেন হসপিটালের চিকিত্সক চার্লস ফুচ বলেন, বাদাম খেলে হূদরোগে মারা যাওয়ার হার প্রায় ২৯ শতাংশ কমে। ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কাও কমে ১১ শতাংশ। বাদাম খাওয়ার অভ্যাস সুস্থ জীবন যাপনের পাশাপাশি ধূমপানের প্রবণতা কমায়।
অতিরিক্ত ওজন কমায় ও ব্যায়াম করতে আগ্রহী করে তোলে। বাদাম কোলেস্টেরল কমায়, ব্যথাবেদনা কমায় ও ডায়াবেটিসের রোগীদের ইনসুলিন নিঃসরণ প্রতিরোধ করে।
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন অবশ্য বলেছে, বাদামের এসব গুণাগুণ প্রমাণে আরো বেশি গবেষণা প্রয়োজন আছে।

Read More