Nokkhotro Banner

কাফাশ মুনহামাননা

১ বছর আগে লিখেছেন

তোমার বাহুবন্ধনে

তোমার বাহুবন্ধনে
আমাকে আবদ্ধ করে নাও প্রিয়তমা
জনম জনমের তরে
শত বাঁধাতেও যেনো আলাদা না হই
তোমার থেকে কোনভাবেই।
যুগের রাহুরদশা
অজান্তেই পিছু নেবে মাঝেমাঝে
বিশ্বাসের অস্তিত্বে চাইবে ফাটল ধরাতে
তবু তুমি আমার হাত ছেড়ো না
ভুল বুঝো না উৎসহীন উড়োপনায়
শুধু জেনো আমার আমি তোমার
দোজাহানের অন্তহীন পথচলায়। continue reading

১৪৫

অনুপম শেখর

১ বছর আগে লিখেছেন

বেঁচে আছি

ইদানিংকার জীবনযাপন মানে আপাতত বেঁচে থাকা।
সমাজের মঞ্চে দাড়িয়ে সবাই গতবাঁধা কোরাস গায় ;
আমিও নিজের অজান্তে তাল মেলাতে শুরু করি।
পারিনা। আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ঝলমলে আকাশ

শেকড় গেঁড়ে মাটিতে পৃথিবীটাকে আঁকড়ে বেঁচে আছি বৃক্ষের মত।
ইদানিংকার জীবনযাপন মানে আপাতত বেঁচে থাকা।
সন্ধ্যে হলেই শীত লাগে আর রাত হলে টান পড়ে পেটে।
শীতের কাপড় আর ক'টা ভাত পেলেই আমি সুখী মানুষ হয়ে যাই।
চায়ের কাপে চেয়ে দেখি উপরের দিকে জল ধোয়া হয়ে উড়ে যায় ;
আমিও তখন স্বপ্ন দেখি এক বিরাট বিপ্লবের।
কিন্তুু খানিক বাদে অনুভব করি মাধ্যাকর্ষণ।
আমি আর উঠতে পারিনা।
শেকড় গেঁড়ে মাটিতে পৃথিবীটাকে আঁকড়ে বেঁচে আছি বৃক্ষের মত। continue reading

১০৮

সমুদ্র মিত্র

১ বছর আগে লিখেছেন

কবির তালুকদার।

১ বছর আগে লিখেছেন

কাফাশ মুনহামাননা

১ বছর আগে লিখেছেন

স্রষ্টার সেরা উপহার

অনেক দিন পর প্রিয় মানুষটির সাথে 
সরাসরি চোখাচোখি হলো
একেবারেই অনভিপ্রেত ছিলো
ক্ষণিকের জন্যে তাই বিশ্বাস হচ্ছিলো না।
সটানভাবে দাড়িয়ে ছিলো সে জানলা ধরে
পরনে তার হলুদ শাড়ি 
শাদা বল ছাপের লাল ব্লাউজ
গলায় রুপোর নেকলেস আর কানে দুল
হালকা সাজুগুজুতে 
গোলাপের কোমলতা যেনো
লেপ্টে ছিলো তার সারা অঙ্গে
জোসনার ডালি হয়ে
যদিও সদ্য কৈশোর পার করেছে সে,
তবুও যেনো লাগছিলো পূর্ণ নারীর প্রতিচ্ছবি।
অনেক ক্ষণ নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলো সে 
মাসকারার পরশে তার
চোখের পাঁপড়িগুলো হয়ে উঠেছিলো
রঙধনুর ছোঁয়া লাগা ময়ূরের পেখম
ঠোঁটে ধরে রেখেছিলো কষ্ট ভোলানো 
সেই শান্ত হাসির ধারা continue reading

১৫৬

অনুপম শেখর

১ বছর আগে লিখেছেন

নিয়ম এবং প্রহসন

প্রগতির গতির দিক উল্টে দিলে সময় পিছিয়ে যায়।
সভ্যরা আবারও অসভ্য হয়ে ওঠে।
আমরা জানতে পারি কিভাবে অসভ্যরা সভ্যতা সৃষ্টি করেছিল!
আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিভাবে সভ্যরা সভ্যতাকে ধ্বংস করছে।
প্রগতির গতির দিক নির্নয় আমি করতে পারিনি।
আমি গণিতে দুর্বল। (যদিও একসময় বেশ দখল ছিল ওতে।)
গণিত হল সাহিত্যের মত । আর এ’দুটোই প্রেমিকার মনের মত দুর্বোধ্য।
(তবে প্রেমিকার মধ্যে একটা মাদকতা আছে।)
সৃষ্টির ইতিহাস নিয়ে চিন্তা করলে মাথা ধরে।
বস্তুুুত মানবজাতির ভবিষ্যৎ অতীতের দিকে যাচ্ছে।
আমরা এগোনোর পাশাপাশি পিছিয়ে যাচ্ছি।
এতে করে নিজের সাথে দুরত্ব বেড়ে যাচ্ছে নিজের।
একদিন আমরা শুরুর আগেকার সময়ে পৌঁছে যাবো।
আবার একই সাথে কেয়ামতেরও পরে অবস্থান করবো আমরা।
আমার ঘড়িটা... continue reading

৮৬

চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

সজনের পাতা ঝরা দিন

সজনের পাতা ঝরা দিন
সজনের পাতা ঝরা দিন
পৌষের সকাল ঘাসের ডগায়; শিশিরের ফোটা
কুয়াশায় ঢাকা লাউফুলে ফড়িং এর ডানা ভেজা।
মাকড়ষা জাল বুনে
টোপ ফেলেছে শিশির ঘ্রাণে ; পোকামাকড় ভেজা জালে
গেঁথে থাকে শীতের কাঁপনে।
উত্তরের ক্ষেপ শীতল বায়ু
তির তির করে কাঁপে, ঘাসের ডগায় শিশির ফোটা
সজনে ডালে ডানা ঝাপটায় তিলা ঘুঘুজোড়া।
মেঠো পথের ধুলো ভিজে সারা
মাদার ফুলের লাল পাঁপড়ি; দুর্বাঘাসে পরে রয় অভিমানে
আগাছার ঝাড়ে বুনো শিউলি ঝরে থাকে।
কুয়াশার চাদরে সন্ধ্যাবতী গাঁও
সন্ধ্যাবতীর গা ঘেঁসা খালের টলটলে জল। সন্ধ্যাবতীর জলছবি ভাসে। কুয়াশা রাঙা সকালে শিশিরের ঘ্রাণ। খেজুরের শীতল রসে ঠোঁট ভেজায় লালঝুটির বুলবুলি।... continue reading

১২৭

নিকুম সাহা

১ বছর আগে লিখেছেন

তাজমহলের কথা

সুবিশাল দক্ষিণ দরওয়াজার আলো-আঁধারি থেকে যখন তাজমহলকে প্রথম দেখা যায়, তখন মনে হয় খিলান পার করলেই তাজকে ছোঁওয়া যাবে। কিন্তু যত এগিয়ে যাওয়া ততই পারস্পেক্টিভ বদলে যায়, তাজ ধীরে ধীরে সরতে থাকে, ক্রমশ নজরে পড়ে উঁচু বিরাট ভিত্তিভূমি (কুর্সি)— যার চার কোণে চারটি মিনার, আর পশ্চিম ও পূর্ব দিকে বড় বড় গাছের আড়ালে অবিকল এক রকম দেখতে লাল পাথরের মসজিদ ও ‘মেহমানখানা’। আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে ভাল করে নজরে পড়বে মাঝখানে ফোয়ারার সারি দিয়ে চারটি সমান মাপের ‘চারবাগ’ বাগান, ঠিক মাঝখানে বড় মাপের চৌবাচ্চা, তার জলে তাজের প্রতিবিম্ব। তখন বিস্ময়ে কথা বন্ধ হয়ে যায়, মন হারিয়ে যায় মোহময় জাদুজগতে। নির্মাণ শেষ হয়েছে... continue reading

১৩১

আহসান কবির

১ বছর আগে লিখেছেন

নিঃসঙ্গ নন হ‌ুমায়ূন

তৃষ্ণা পেয়েছে।টেবিলে পানি ভর্তি জগ। ইচ্ছে হয় না বিছানা থেকে নেমে গ্লাশে ঢেলে খাই। বাইরে অপার জোসনা। জানালা খুলে দিলে অপার জোসনায় ভেসে যাবে ঘরটা।ইচ্ছে হয়না জানালাটা খুলি।দুঃখ হয় তাদের জন্য যাদের সঙ্গ আজ আমায় নিঃসঙ্গ করে দেয়! .................... হ‌ুমায়ূন আহমেদ
হুমায়ূন আহমেদ কী নিঃসঙ্গ ছিলেন?তার জীবন যাপনে কিংবা লেখালেখিতে? সম্ভবত এই প্রশ্নটা অমিমাংসিতই থেকে যাবে। তবে কেউ যদি জানতে চায় প্রয়ানের পরে হ‌ুমায়ূন এখন কেমন আছেন,সাহিত্যের কোথায় আছেন বা থাকবেন তাহলে এই প্রশ্নের উত্তরও কী অমিমাংসিত থাকবে? নাকি সেটা মহাকালই নির্নয় করবে?
মানুষ যদি নিঃসঙ্গ হয়ে যায় তবে সেটা কবরে যাবার আগে নয়! হ‌ুমায়ূন আহমেদের এই কথার সূত্র... continue reading

১২২

সাইফুল ইসলাম

১ বছর আগে লিখেছেন

রুকইয়াহ শারইয়াহ এর ধারনা

রুকইয়াহ কি?
রুকইয়াহ অর্থঃ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি... ইত্যাদি।
আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقية شرعية) মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
তবে রুকইয়া শব্দটি দ্বারা সচরাচর ঝাড়ফুঁক করা বুঝায়, এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি মানুষের ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। আর সবগুলোই সালাফে সালেহিন থেকে প্রমাণিত।
ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি
শরঈ বিধান
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।”
বিশুদ্ধ আক্বিদা
উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে... continue reading

১১৯

সাইয়িদ রফিকুল হক

১ বছর আগে লিখেছেন

একজন মুক্তিযোদ্ধা শমসের আলীর গর্জন

ছোটগল্প:
একজন মুক্তিযোদ্ধা শমসের আলীর গর্জন
সাইয়িদ রফিকুল হক
 
সোনাপদ্মা-গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শমসের আলী গত সাতদিন যাবৎ ঘর থেকে বাইরে বের হন না। তিনি খুব মনখারাপ করে বাড়িতে শুয়ে-বসে রয়েছেন। বাইরে বের হতে তাঁর ভালো লাগছে না। মনটা তাঁর ভীষণ খারাপ।
সাতদিন আগে তিনি বাড়ির কাছে বড়বাজারে গিয়েছিলেন। বাজারের পাশে কয়েকটি চায়ের দোকান গড়ে উঠেছে। মাঝে-মাঝে তিনি এদিকটায় আসেন। পছন্দের লোকজনের সঙ্গে মনখুলে কথাবার্তা বলেন। তবে এখানে বসে তিনি যে আড্ডা দেন—তা ঠিক নয়—তবে সবার সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ হয়।     সেজন্য তিনি এখানে এসে বসেন।
 
সেদিনও তিনি এখানে কিছুসময়ের জন্য এসে বসে ছিলেন। আর এককাপ চা-ও পান করেছিলেন।
এখানে, নানাজাতের নানান লোকজন আড্ডাবাজি করতে আসে। এদের... continue reading

১৪৬

অনুপম শেখর

১ বছর আগে লিখেছেন

আমি আর আমার জীবন

জন্ম আমাকে জীবনের হাতে তুলে দিল ;
জীবন আমাকে কাঁধে চড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে মৃত্যুর কাছে।
আমি এসবের কিছুই জানতাম না।
আমাকে বলা হয়নি এর কিছুই।
আমাকে শুধু বোঝানো হয়েছে, এটাকে বলে বেঁচে থাকা।
আমি জীবনটাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা।
বুঝিনা জীবনের কোন মানে। কেন এই জীবন?
ভাবতে থাকি আর বিভ্রান্ত হই জীবনের বৈচিত্র্য দেখে।
হঠাৎ খেয়াল করলাম, আমি বয়ে বেড়াচ্ছি জীবনটাকে!
নাকি একসাথে ফুরিয়ে যাচ্ছি আমরা, ঠিক বুঝতে
পারিনা।
এটাই নাকি নিয়ম! একেই নাকি বলে জীবনযাপন।
আমি যাপন করছি একটা জীবনকে অথচ এ জীবন আমার নয়।
আমি জীবনটাকে যাপন করে চলেছি নাকি করতে হচ্ছে,
ভেবে পাইনা।
আমি যদি না জন্মাতাম তবে এসবের কিছুই আমাকে করতে
হত না। continue reading

১৬০

কাফাশ মুনহামাননা

১ বছর আগে লিখেছেন

ক্ষতিপূরণ

আমি অপেক্ষায় বসে আছি
গোধূলির আলোছায়া বিকেলে
কার্জনের শ্যাওলাপঁচা পুকুরপাড়ে
দুটি কালো কাক আমার অজানা সঙগী।
বাতাসে রুক্ষতার প্রচন্ড প্রকোপ
হয়তো তুমি আসবে না বলে কিছুটা অভিমানী
সাঁঝের আধাঁর ছুঁই ছুঁই,
ডাহুকের কন্ঠে
সকরুণ সুরের অকৃত্রিম আবহে
পরিষ্কার লেখা মৃত্যু পরোয়ানা
সহস্র বর্ষের ভালবাসায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে
অন্তরের উৎকর্ষ মানচিত্র
ক্ষতিপূরণ দিয়ে জন্মেছি ধরাপৃষ্ঠে
আরেকবার না হয় ক্ষতিপূরণে
সিক্ত হলাম অজানা কাকদের সাক্ষী রেখে। continue reading

২৫১

সাইফুল বিন হানিফ

১ বছর আগে লিখেছেন

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের অজানা ইতিহাস...

৭ মার্চ।। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ------------------------------------
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের অজানা ইতিহাস...  
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”কি করে যুক্ত হলো?   ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পেছনেও রয়েছে এক ঐতিহাসিক ঘটনা।   স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৬২ সালের প্রথমার্ধে তৎকালীন ছাত্রনেতা সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ (তিন জনই ছাত্রলীগ নেতা) এর সমন্বয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট গোপন সংগঠন ‘নিউক্লিয়াস’ বা ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠিত হয়। ঢাকার পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামের দক্ষিণ প্রান্তে ভলিবল খেলার মাঠে দর্শকদের জন্য তৈরি কাঠের গ্যালারীতে... continue reading

২১৮

নিকুম সাহা

১ বছর আগে লিখেছেন

যে দেশগুলিতে কোনও আয়কর দিতে হয় না

মোনাকো: জিডিপি’র নিরিখে এই দেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলির মধ্যে একটি। মোনাকোয় বসবাসকারী যে কোনও দেশের নাগরিকের জন্য আয়করে সম্পূর্ণ ছাড় রয়েছে। তবে ১৯৫৭ সালের পর থেকে কোনও ফরাসি নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই নিয়মটা ভিন্ন। তাঁদের আয়কর দিতে হয়।
কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ: বিশ্বের অন্যতম ধনী সার্বভৌম এই ছোট্ট দেশের নাগরিকদের জন্যও আয়কর ছাড়ের পরিমাণ ১০০ শতাংশ।
সৌদি আরব: এই দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ তেল ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। এ দেশেও নাগরিকদেরও সরকারকে কোনও রকম আয়কর দিতে হয় না।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহি: বিশ্বের ধনীতম দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হলেও এ দেশের নাগরিকদের কোনও আয়কর দিতে হয় না।
বাহামা দ্বীপপুঞ্জ: এ দেশের ৬০ শতাংশ অর্থনীতি পর্যটনের... continue reading

২৫১
ব্লগের গতিশীল/ট্রেন্ডিং বিভাগসমূহ