কবির তালুকদার।

১ বছর আগে লিখেছেন

কবির তালুকদার।

৪ বছর আগে লিখেছেন

হিজাব।

আজ আমি আপনাদের সাথে আমার হিজাব শুরু করার আগের ও পরের জীবনের কথাশুনাতে চাই। আমি ২০ বছর বয়সী একজন মুসলিম মেয়ে যার জন্ম আরব উপসাগরীয়এলাকায়-ইসলামের আদি জন্মভূমিতে।আমি বিশ্বাস করতাম হিজাব তেমন কোনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।যদিও আমার মা হিজাব পড়তেন, তিনি আমাকে বা আমারবোনকে তা পড়ার ব্যাপারে জোর করেন নি। তিনি মনে করতেন কাজটা স্বতঃপ্রণোদিতহয়ে করা উচিত, নতুবা তার আওতার বাইরে চলে গেলেই আমরা হিজাব পড়া ছেড়েদিব। আমি মনে করি ধারণাটা কিছু মাত্রায় সঠিক।
অথবা আমরা যখন বড় হব তখন হিজাব পড়াটাকে আমাদের কাছে খুব কঠিন মনে হবে।কারণ সারাজীবন ধরে একটি বিষয়ে অভ্যস্ত হওয়া আর তারপর হঠাৎ করে সেটা বদলেফেলা খুব কঠিন। মন পরিবর্তন করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। যাই হোক, নিজেকেসুন্দর করে উপস্থাপন করতে আমি খুবই ভালবাসতাম যেহেতু আমি দেখতে খুবইআকর্ষণীয় ছিলাম।আর এটাই ছিল সবচেয়ে কঠিন অংশ।আমি দামী দামী জামা-কাপড়কিনতে, সেগুলো দিয়ে নিজেকে সাজাতে খুবই পছন্দ করতাম। সবাই যখন আমার দিকেতাকাত এবং বিশেষভাবে চিহ্নিত করত, ব্যাপারটা আমি চরমভাবে উপভোগ করতাম। আমিভালবাসতাম প্রশংসা শুনতে –বাহ মেয়েটাতো দারুণ সুন্দরী।
আমার মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ হবার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য আমিআমেরিকাতে যাবার সিদ্ধান্ত নিলাম। সেখানে আমি একটি বিষয় লক্ষ করলাম যা আগেকখনও দেখিনি। তা হল মুসলিম সমাজ এবং সম্প্রদায়। এ এক অসাধারণ সমাজ আদর্শমুসলিমদের নিয়ে যারা ইসলাম পালন করছে আমি যেভাবে অভ্যস্ত তার তুলনায়সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মাত্রায়। আরব উপসাগরীয় এলাকার মুসলিমরা জন্মগতভাবেমুসলিম। তাদের কোন প্রশ্ন করতে হয়না কারণ সব কিছুই খুব সুস্পষ্ট। আমাদেরনিজেদের ঈমান নিয়ে এবং কিভাবে আল্লাহতে বিশ্বাস করতে হবে এগুলো নিয়েচিন্তা করতে হয় নি কারণ আমরা বেড়েই উঠেছি মুসলিম হিসেবে এবং আমাদেরচারপাশের সবাই ছিল মুসলিম।  প্রকৃত ইসলামের স্বরূপ কেমন এটা এবং সব... continue reading
Likes Comments
০ Shares

কবির তালুকদার।

৪ বছর আগে লিখেছেন

জীবনে বড় বড় সফলতার জন্য ছোট ছোট ২০টি টিপস।

১. দিনের পর দিন একটু একটু করে আগের চেয়ে বেশি দয়ালু এবং জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান।
২. আপনি এবং আপনার পরিবারকে আগের চেয়ে একটু বেশি অর্থ সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং গড়ে তুলতে উৎসাহিত করুন।
৩. ভুল বোঝাবুঝি থেকে রেহাই পেতে মাঝে মধ্যে মহান হওয়ার চেয়ে সব সময়ের জন্য ভালো মন-মানসিকতা নিয়ে চলার চেষ্টা করুন।
৪. প্রচুর পড়ুন। কোনো কিছুই খুব দ্রুত আপনাকে জ্ঞানী করে তোলে না।
৫. যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ব যতো এগিয়ে যাবে, আপনার খ্যাতি ততো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কেউ না দেখলেও সব সময় সোজা পথে কাজটি করুন।
৬. মনে রাখবেন, আপনি যা করার জন্য অর্থ দেবেন মানুষ তাই করবে। যা করতে বলবেন তা করবে না।
৭. নিজের সম্পর্কে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলে যেমন ভালো লাগে, আগের চেয়ে আরেকটু বেশি বিনয়ী হলে তেমনই ভালো লাগবে।
৮. আপনার যেকোনো প্রশ্নের জবাব কারো না কারো জানা রয়েছে। ওই মানুষগুলোকে খুঁজুন।
৯. প্রতিদিনের অসাধ্য চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়ানো মানেই আপনার অহংবোধঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ। তবে এতে সামান্য মনযোগ ঢালুন। কারণ অতিরিক্ত সময় ব্যয়করলে তাতে নিজের সামর্থ্য কমে যাবে।
১০. প্রযুক্তি মাঝে মাঝে আপনারকষ্টের কারণ হয়ে উঠবে। অন্য সময় আবার এটি সাহায্য করবে। তবে বর্তমান সময়েকী ঘটবে সে সম্পর্কে সজাগ থাকুন।
১১. যে জিনিসগুলো আর বেশিদিন কাজে লাগেব না তার প্রতি মায়া ত্যাগ করুন। এতে অন্যের সাহায্য হবে এবং এতে আপনারও ভালো লাগবে।
১২. কাউকে অপছন্দ করে মানে এই নয় যে ওই মানুষটি ভালো নয় বা ভুল পথে চলেন।
১৩. নিজের চিন্তাশীলতার বিষয়ে ধ্যান দিন। কারণ আপনার চিন্তাই শব্দ হয়ে বের হবে এবং তা এক সময় আপনার... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (3)

  • - Azimul Haque

    বাস্তবতাটা এরকমই। তবে এখন আস্তে আস্তে কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে শোনা যায়।

     

    - মামুন

    অনুভূতি রেখে যাবার জন্য ধন্যবাদ। হ্যা, অধিকাংশ কারখানাগুলোতে কর্মপরিবেশের উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবুও এদেশে নারীদের প্রতি এরকম হীন মনোবৃত্তির প্রকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে এখনো।

    শুভকামনা রইলো।

কবির তালুকদার।

৪ বছর আগে লিখেছেন

ছাড়তে হবে পুরনো অভ্যাসঃ

যদি এমন কোনও অভ্যাস থেকে থাকে যা ত্যাগ করে অথবা পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিতকরা আপনার জন্য জরুরী তবে মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেওয়া উপাই সমূহঅনুসরণ করে দেখতে পারেন।

১।ঘৃণা করুনঃ                       
যেটি বা যে অভ্যাসত্যাগ করতে চান তাকে ঘৃণা করতে শুরু করুন। লোক দেখানো নয়, নিজ মন থেকে ঘৃণাকরুন। এটা আপনার জন্য জরুরী যে আপনি যখন থেকে মনকে কোনও ব্যাপারেবলবেন-“এটি ঠিক নয়”, ঠিক তখন থেকেই মন উক্ত বেঠিক কাজের ব্যাপারে আপনাকে বারেবারে সজাগ করবে। তাই অভ্যাসের পরিবর্তন আনতে আগে তাকে ঘৃণা করুন।

২।দেরি নয়ঃ
“আচ্ছা কাল থেকে শুরু করবো বা আজকেই শেষ দিন”- এমন সব সুযোগ নেওয়া থেকেবিরত থাকুন। যেহেতু সিদ্ধান্ত আপনি নিয়েই ফেলেছেন-“এটি খারাপ অভ্যাস” তাইআজ এখন এই মুহূর্ত থেকে তাকে “না” বলা শুরু করুন। অহেতুক বারেবারে নিজেকেসুযোগ দিলে তা আদৌ ত্যাগ করা সম্ভব হবে না ।

৩।একবারে নয়,ধীরে ধীরেঃ
একবারেই রাতকে দিন করে ফেলতে পারবেন না। তার জন্য চাই ধৈর্য সাথে সততা।অভ্যাসটাকে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আনুন। প্রয়োজনে কাগজ কলম নিয়ে বসে পড়তেপারেন আর লিখে ফেলতে পারেন কেমন পরিকল্পনা করলে পুরোপুরি উত্তরণ সম্ভব। হতেপারে লাগতে পারে ৬ মাস থেকে ১ বছর। তবু ক্ষতি কি! একটি অভ্যাসের বিসর্জনমানেই নতুন কিছুর জন্য তৈরি হওয়া আর খারাপ কিছুকে ছাড়তে পারলে নিশ্চয় ভালোকিছুই নিতে পারবেন!!

৪।চাই শক্ত হওয়াঃ
ছেড়ে দেওয়ার পদক্ষেপযেহেতু নিয়েই ফেলেছেন তাই মাঝ পথে ক্ষণিকের জন্য “করবো কি করবো না” বিষয়েভাবতে যাবেন না। যখনই এমন চিন্তা আসবে চেষ্টা করুন অন্য কিছুতে নিজেকেব্যস্ত রেখে পূর্বের বিষয়টিকে আড়াল করতে। নিজেকে যতো বেশি সুযোগ দিবেন ততোবেশিয় আক্রমণের শিকার হবেন।

৫।এবং একটু ধৈর্যঃ
সময় নিন। হঠাৎএকটু ব্যতিক্রম করে ফেলেছেন তো ধৈর্য ধরুন। তিরস্কার করুন... continue reading
Likes Comments
০ Shares