চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

একুশ সে তো কথার মালা

একুশ সে তো কথার মালা
একুশ সে তো কথার মালা
রক্ত ঢেলে পেয়েছি মোরা।
মায়ের কথায় মালা গাঁথা
বাংলায় মোদের জন্মকথা।
আমের মুকুলে মৌ মৌ গন্ধ
দক্ষিণের খোলা জানলা ফাগুনে
শোক গাঁথা সেই একুশের গানে
শোক যাপনে তাই ফাগুন ফিরে।
কোথায় তারে রাখি মাগো?
রক্তের ঋণ শুধিবো কি সে?
চেতনার ঘ্রাণ মন মননে মনে
এ কোন দিশা ছড়িয়েছে বনে বনে?
মায়ের ভাষা বিশ্বজুড়ে জনে জনে
এমন শান্তি পরম প্রাপ্তি কোন খানে?
চেতনার বানে মশাল উঠুক জ্বেলে
মায়ের তরে রক্তঋণ ঘুচাব আলো জ্বেলে।
৮ ফাল্গুন/বসন্তকাল/১৪২৪
(একুশের ফেব্রয়ারীর বীর শহীদানের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী)
continue reading
Likes Comments
০ Shares

চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

তোমারই বোল কিনেছি মাগো

তোমারই বোল কিনেছি মাগো
তোমার বোলে মুক্তির কথা
বজ্রমুষ্টি আর স্লোগানে; আঁকিতে ব্যনার ফেষ্ঠুন রং এ রাঙা
মুক্তির মৌলিক অধিকারে।
তোমার বোলে লড়াইয়ের গান
মিছিল ব্যানার জনে জনে; যাতনা কত সয়েছে প্রাণ?
তোমারই কথার স্বপ্ন বানে।
তোমারই বোলে স্বপ্নের জাল
পৃথিবী জুড়ে মাতৃভাষা গর্বভরে; তাজা প্রাণের রক্ত দানে
তোমারই বোল কিনেছি মাগো।
১৪২৪/২১ মাঘ/শীতকাল।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

মাগো তোমার শোকের বসন

মাগো তোমার শোকের বসন
একুশ এলো মাঘের শীতে
কুয়াশায় ডুবা ভোরে
শিশির ঝরে ঘাসের ডগায়
আকাশের খোলা দোরে।
মায়ের বোলে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে
সর্ষে ফুল গায়
হলুদ রাঙা বেশুমার রং এ
একুশের কথা কয়।
মাগো তোমার শোকের বসন
তোমারই বেদনার তরে
ফিরে এলো একুশ বছর ঘুরে
তোমারই উঠান পরে।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

হাওয়ায় বেঁচে থাকা

হাওয়ায় বেঁচে থাকা
কোথা হতে বাতাস ছুটে আসে? 
কোথায় বয়ে যায়?
সব কিছুতেই তার ঠাঁই? কোথায় বল নাই?
তার কি মূল্য ভারি? বুঝতে কিসের লয়?
মহা বৈভব মহাকালের হাওয়ার পরতে পরতে
গেঁথে রয়; প্রকৃতির এক শুভ খেলা।

এই উধাও এই ছুঁয়ে যায়
অনুভবে কি বুঝতে শেখায়?
কোথায় উর বসত বাড়ি?
কে রাখে তারে সংরক্ষনাগারে?
একটু শুন্য হলেই ছুটে এসে ঢুকে পরে।

এই হাওয়ার কি তার মূল্য? 
বোধ গম্য নাহি হয়; মৃত্যুকালে একটু হলেও
এর সাধটি বুঝা যায়।

১৪২৪/ মাঘ/ শীতকাল।

continue reading
Likes Comments
০ Shares

চারু মান্নান

১ বছর আগে লিখেছেন

সজনের পাতা ঝরা দিন

সজনের পাতা ঝরা দিন
সজনের পাতা ঝরা দিন
পৌষের সকাল ঘাসের ডগায়; শিশিরের ফোটা
কুয়াশায় ঢাকা লাউফুলে ফড়িং এর ডানা ভেজা।
মাকড়ষা জাল বুনে
টোপ ফেলেছে শিশির ঘ্রাণে ; পোকামাকড় ভেজা জালে
গেঁথে থাকে শীতের কাঁপনে।
উত্তরের ক্ষেপ শীতল বায়ু
তির তির করে কাঁপে, ঘাসের ডগায় শিশির ফোটা
সজনে ডালে ডানা ঝাপটায় তিলা ঘুঘুজোড়া।
মেঠো পথের ধুলো ভিজে সারা
মাদার ফুলের লাল পাঁপড়ি; দুর্বাঘাসে পরে রয় অভিমানে
আগাছার ঝাড়ে বুনো শিউলি ঝরে থাকে।
কুয়াশার চাদরে সন্ধ্যাবতী গাঁও
সন্ধ্যাবতীর গা ঘেঁসা খালের টলটলে জল। সন্ধ্যাবতীর জলছবি ভাসে। কুয়াশা রাঙা সকালে শিশিরের ঘ্রাণ। খেজুরের শীতল রসে ঠোঁট ভেজায় লালঝুটির বুলবুলি। মৌমাছিরা গান গায় গুন গুন করে। একঝাঁক চড়ুই পালক ফুলিয়ে, শিশির ভেজা উঠানে কিচির মিচিরে মাতে। একদল হাস শিশির মাখা খালে জলে ভাসে। মৃদু হাওয়ায় জলের কাঁপন। মৃদু ঢেউ যেন জলের মৌনতা ভাঙ্গে। কুয়াশার চাদরে সন্ধ্যাবতী গাঁও, কাঞ্চজঙ্ঘার আবির বিলায়।
কুয়াশায় পৌষ শিশির
কুয়াশায় পৌষ শিশির
উঠান ভিজে যায় পুঁই মাচা ভিজে সারা।
ডালিম ডালে টোনাটুনির বাসা
আমলকির ঝির ঝিরে পাতা ঝরে
কইতরের বাগবাগুম ডাক ভাের সকালে।
কুয়াশার আবির মাখা পথে
পথিক যায় হেঁটে ক্ষেতের আইল পথে
পথিকের পা ভিজে শিশিরে।
খেজুর গাছে হাঁড়ি ভরা কাঁচারস
মিষ্টি রসে চুমুকের নেশা শৈশবে
কোজাগরি চাঁদের কুয়াশার আলো
কাঁচা রসের ক্ষিরে কৈশর ছিপ ফেলে।
১৪২৪/৪ পৌষ/শীতকাল।
continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...