Lifestyle

কিছু খাবার যা আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি আপনার স্মার্টনেস বাড়াতেও সাহায্য করে... চলুন জেনে নেই-
*তৈলাক্ত মাছঃ এখন অনেকেই খাবার-দাবারে শর্টকাট করতে চান। এ কারণে মাছের মতো কাটাযুক্ত খাবার, যা কিছুটা সময় ও মনযোগের সঙ্গে খেতে হয়, এগুলো খাদ্যতালিকা থেকে চলে যাচ্ছে। কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে তেল আছে এমন মাছ কোনোভাবেই খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে আপনার যদি স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ইচ্ছে থাকে তাহলে তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত মাছই হওয়া উচিত আপনার প্রথম পছন্দ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চর্বিযুক্ত মাছে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এগুলো মস্তিষ্ক ছাড়াও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে এবং আপনাকে স্মার্ট করে তুলবে।
*শাক-সবজিঃ সবজি খেতে অনেকেই অনীহা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে শিশুরা এটা খেতে চায় না। কিন্তু সবুজ শাক ও সবজিতে রয়েছে বহু ধরনের পুষ্টিগুণ। আর এগুলো মস্তিষ্কের জন্যও অত্যন্ত...

Read More

Lifestyle

* ফ্রিজ পরিষ্কারের সময় ভেতরের সব সবজি, ফল বাইরে বের করে রাখুন।
* এরপর ফ্রিজের তাকে শুকনো কাগজ রেখে দিন। ফ্রিজকে ডিপফ্রস্ট মোডে দিয়ে দিন৷ বরফ গলে গেলে ফ্রিজ থেকে...

Read More

Lifestyle

চলুন জেনে নিন ব্রেকআপের কয়েকটি সুফল-
* ব্রেক হওয়া মানেই মনের জমা দুঃখ কষ্ট ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায়। এতে মনে নতুন করে কিছু করার উদ্যম জন্মায়৷ এতে আপনি আপনার...

Read More

Lifestyle Image

সামান্য কিছু আপনাকে করে তুলবে অসাধারণ

নির্মল সৌন্দর্যের মানুষের দেখা মেলা ভার আজকাল। কিন্তু এভাবে নিজের সত্ত্বা হারিয়ে তো চলা সহজ নয়। তবে চলুন না ফিরিয়ে আনুন নিজের আসল সৌন্দর্যটাকে। সাজিয়ে নিন নিজেকে সরল সৌন্দর্যে-
*একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব যতোটা আকর্ষণীয় হতে পারে একটি সুন্দর চেহারা ততোটা হতে পারে না। আপনি অপরূপ সুন্দর, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব এমন যে সহজে মন কাড়ে না, তাহলে আপনি যতোই সুন্দর হন না কেন যেদিন এই সৌন্দর্য ফিকে হয়ে আসবে সেদিন আপনার পাশে কাউকে পাবেন না। যদি আপনার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ হয়ে থাকে তবেই আপনি সকলকে ধরে রাখতে পারবেন। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করুন নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়।
*অন্যের কাছে আকর্ষণীয় হতে যেয়ে আপনি যদি নিজের সত্ত্বাকে বিসর্জন দিয়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম একজন হিসেবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান তবে আপনি নিজের অনেক বড় ক্ষতি করলেন। আপনি দুটি সত্ত্বার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন যা পরবর্তীতে আপনার জন্য দুঃখই বয়ে আনবে। তাই আপনি নিজে যেমন সেভাবে সকলের সামনে এসে দাঁড়ান।
*মানুষ সব সময় যে ভুলটি করেন তা হলো নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে উপযুক্ত না করেই সফলতার পেছনে ছুটতে থাকেন। কথাটি এমন যে অনেকেই কষ্ট না করেই সফলতা পেতে চান। এতে করে অনেকে অনেক সময় ভুল পথ অবলম্বন করে থাকেন। কিন্তু ভুল পথে সফল হলে সেই সফলতা বেশিদিন টেকে না। তাই সফলতার পেছনে না ছুটে নিজেকে এমনভাবে উপযুক্ত এবং সমর্থ করে তুলুন যেন সফলতা আপনার পেছনে ছোটে। তখনই আপনি সকলের কাছে হয়ে উঠবেন নিরমন সৌন্দর্যের মানুষ।
*যারা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ তাদের কাছে ছোট বড় কোনো প্রকারভেদ নয়। তারা সকলের সাথে সমান ব্যবহার করতে পারেন। সকলের কাছে অকপটে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে পারেন। বয়সে ছোট এবং সমাজের তথাকথিত...[…]

Lifestyle Image

ধূমপান ছাড়ুন

ক্ষতিকর জেনেও ধূমপায়ীরা নিজেদেরকে এর থেকে দুরে রাখতে পারে না। চেষ্টা করেও এই নেশা রোধ করতে পারেন না অনেকে। কিন্তু কিছু সাধারণ এবং প্রাকৃতিক উপায়ে এই ধূমপানের আসক্তি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেই-
* প্রচুর পরিমাণ ঠাণ্ডা পানি খেতে হবে তবে খুব ঠাণ্ডা পানি বা ফ্রিজে রাখা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভাল। আর এই পানি যদি তামার পাত্রে রাখা যায় তাহলে শরীর থেকে ধূমপানের ফলে যা জমেছে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে।
* অশ্বগন্ধা, ত্রিফলা এবং সুদর্শণচূর্ণ আমাদের শরীরে জমে থাকা দূষিত উপাদানগুলোকে বিষক্ষয় করতে সাহায্য করে। তবে এইগুলো সেবন করার আগে ডাক্তারের পারমর্শ নিয়ে ব্যবহার করা ভাল।
* প্রথম প্রথম ধূমপান ছেড়ে দিতে ভীষণ কষ্ট হতে পারে তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে এই সময় সব থেকে ভাল উপায় হল সাধারণ সিগারেটের বদলে হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করা। এই হার্বাল সিগারেটে সাধারণত হলুদ, তুলসি, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং এলাচ দিয়েই তৈরি হয়ে থাকে। ধূমপান থেকে নিজেকে একটু দূরে রাখতে চাইলে, নিকোটিন যুক্ত সিগারেটের বদলে এই হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করাকেই সব থেকে ভাল উপায় বলে পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক ডাক্তাররা। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা আরও একটি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাঁরা বলেন- আদা, হলুদ, আমলা গুঁড়ো করে মিশ্রণ বানিয়ে একটি বলের আকারে গড়ে মুখের মধ্যে কিছুক্ষণ রেখে রেখে খাওয়া যেতে পারে। এই মিশ্রণ প্রতিদিন বা সপ্তাহে কয়েকদিন খেলে সিগারেটের প্রতি আকর্ষণ একেবারেই চলে যাবে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।
* ধূমপান হঠাৎ করে ছেড়ে দেওয়ার পর পরই খাবার খেতে গেলেই অনেকের মুখে একরকমের তেঁতো স্বাদ লাগে৷ তাই এই সময় কিছুদিন নিরামিষ খাওয়া যেতে পারে। অ্যালকালিন জাতীয় খাবার যেমন শাক-সবজি, ফল, শুকনো বাদাম, ইত্যাদি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পাঁউরুটি, দুধ...[…]

Lifestyle Image

ক্যারিয়ার গঠনে পরামর্শ

* সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগ হতে পারে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং রূপান্তরিত হচ্ছে এমন একটা ইন্ডাস্ট্রিতে বিশেষ কোনো ক্ষেত্রের দক্ষতা অর্জন করা।
* সিলিকন ভ্যালিতে না হোক বেছে নিন এমন প্রতিষ্ঠানকে যারা প্রযুক্তি বোঝে এবং প্রযুক্তিগত ব্যবসার দিক থেকে যারা দূরদর্শী। কারণ এসকল প্রতিষ্ঠান দ্রুত বর্ধনশীল এবং টিকে থাকতে সক্ষম, অপরদিকে বাকিরা হয় পিছিয়ে পড়ে নয়তো হারিয়ে যায়।
* তরুণদের উচিত আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা করা, এমনকি দশ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান সে সম্পর্কে আগেই ভেবে রাখা উচিত। পরিকল্পনায় অবশ্যই যেসব প্রশ্নের উত্তর থাকতে হবে, সেগুলো হলোঃ আপনি কী হতে চান? আপনি কী করতে চান? আপনি কতটা সাফল্য চান? পছন্দের চাকরিতে আপনার পদটা আসলে কী হবে? আপনার রিজিউমে বা জীবনবৃত্তান্তটা আসলে দেখতে কেমন? এসব প্রশ্নের উত্তর মেলাতে মেলাতে আপনার সক্ষমতা ও দুর্বলতার দিকগুলো খুঁজে বের করুন। আর সেই অনুযায়ী পাঁচ বছরের প্রস্তুতি ও কর্মপরিকল্পনা ধরে এগিয়ে যান।
* আপনি প্রযুক্তি, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, ফার্মাসিউটিক্যালস, বিজ্ঞাপন, গণমাধ্যম, বিনোদন, ব্যাংকিং কিংবা কনজিউমার ইলেকট্রনিকস—যে ক্ষেত্রের পেশাজীবীই হন না কেন, নিজের ক্ষেত্র সম্পর্কে বিষদভাবে জানার চেষ্টা করুন। নিজের পেশার গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখুন। আপনার পেশার অন্যদের সঙ্গে এসব খবর আদান-প্রদান করুন এবং এভাবে নিজেদের একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন। টুইটার, লিঙ্কডইন বা এ ধরনের সামাজিক যোগাযোগের সাইট ব্যবহার করেও তা করতে পারেন।
* নিজের কাজ আর অবস্থানটা স্পষ্ট করে বুঝুন। ভাবুন অফিসে হঠাৎ করেই আপনার সিইওর সামনে পড়ে গেলেন এবং তিনি জানতে চাইলেন আপনি এখন কী করছেন। মাত্র ৩০ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে আপনি তাকে কীভাবে বলবেন যে, আপনি এখন ঠিক কোন কাজটা করছেন এবং এটা কোম্পানির কোন প্রকল্প বা কোন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে করা হচ্ছে। ফলে আপনাকে...[…]

Lifestyle Image

মুখের দুর্গন্ধে আর নয় বিব্রত

*মুখের দুর্গন্ধ মূলত ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্টি হয় যা পানি পানের ফলে দূর করা সম্ভব। তাই পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এছাড়াও প্রতিবার পানি পান করার আগে একটু গার্গল করে নিলেও এই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
*দাঁতের ফাঁকে খাবারের কণা থাকার ফলেই মুখে ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি ঘটে। এতে করে দাঁতের যেমন ক্ষতি হয় মুখের দুর্গন্ধেরও সৃষ্টি ঘটে। নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মুখের দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব। তাই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ এবং সেই সাথে ফ্লস করে নিন।
*অনেক সময় নিয়মিত দাঁত ব্রাশ ও ফ্লসের পরও মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। এর কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার জিহ্বা। একারণে দাঁত পরিষ্কারের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা উচিত সকলের।
*বাজারে যে মাউথওয়াশ কিনতে পাওয়া যায় তাতে অ্যালকোহলের পরিমাণ বেশি থাকে। এতে করে দাঁতের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। ১ কাপ হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও কয়েক ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল ভালো করে মিশিয়ে মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
*চা/কফিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড থাকে যার কারণে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই চা/কফির পরিমাণ যতোটা সম্ভব কমিয়ে দেয়া উচিত।
*ধূমপানের ফলে মুখের ভেতরটা একেবারে শুকিয়ে যায় এবং নিকোটিন স্যালাইভার সাথে মিশে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। তাই মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে ধূমপান বন্ধ করে দিন।
...যদি উপরের পদ্ধতিগুলো অবলম্বনের পরও মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি না পান তবে অবশ্যই ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিতে হবে।[…]

Lifestyle Image

সম্পর্কে বিশ্বাস

* কোনো মিথ্যা কথা, ভুল বোঝাবুঝির জন্য আপনার প্রেমিকের যদি বিশ্বাস ভাঙে, তাহলে প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করুন কেন সেই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল৷ তারপর বদলান নিজের মানসিকতা, স্বভাব। একদিনে হবে না কিন্তু ক্রমশ প্রেমিককে বোঝাতে হবে, আপনি আর আগের মতো নেই। আপনার মুখের ভাব আর মনের কথায় যেন কোনো অসামঞ্জস্য ফুটে না ওঠে৷পরিবর্তনগুলো প্রতিদিন চালিয়ে যেতে হবে।
* দোষ যদি আপনার হয় মানে আপনার কাজ, মানসিকতার জন্য অনেকেই আপনার ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়েছে, তাহলে আপনাকে থাকতে হবে শান্ত ও সংযত৷ যদিও এটা খুব একটা সহজ নয়৷উল্টোদিক থেকে এটাও ভাবুন আপনার কৃতকর্মের জন্য রাতারাতি কারওর পক্ষেই আপনাকে ক্ষমা করে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়৷তাই শান্ত রেখে অযথা উত্তেজিত হওয়া, স্ক্যান্ডাল ছড়ানোর মতো ব্যাপারগুলো বন্ধ করুন।
* আপনার ওপর থেকে সঙ্গী বা সঙ্গীনীর বিশ্বাস হারিয়ে গেলে, তা ফিরিয়ে আনতে কয়েক সপ্তাহ বা মাসখানেক সময় দিন৷দুদিন ভালো ব্যবহার করে যদি বার বার তাকে জিজ্ঞেস করতে থাকেন, আপনি কতটা পাল্টেছেন, তাহলে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যাবে।
* ছেলে হোক বা মেয়ে দোষ যে পক্ষেরই হোক, আই অ্যাম স্যরি বলার মধ্যে কিছু দোষ নেই। কারণ আপনার সঙ্গীটিও দেখতে চান, আপনি কতটা আন্তরিক পুরো ব্যাপারটা সামলে অন্যের বিশ্বাসভাজন হতে চান।
* আপনাদের দুজনের মধ্যে ইমোশনাল টাচআপের কাজ করতে পারে স্বচ্ছতা। বিশেষ করে ঝগড়ার সময় কোনও বেঁফাশ কথা মুখ দিয়ে বের করেও কথা ঘুরিয়ে বা মিথ্যে কথা বলে তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। খোলামেলা আলোচনা করুন৷ আপনার ওপর সঙ্গীর বিশ্বাস থাকবে।
* নিজের বিশেষ কিছু সমস্যাকে যেগুলো একান্তই ব্যক্তিগত বা আপনাদের দুজনের সেগুলোকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কারওর সঙ্গে আলোচনা করবেন না। সঙ্গীর বিশ্বাস আর মনোবল দুই-ই এতে নষ্ট হয়ে...[…]

Lifestyle Image

ঘুমটা হোক পরিপূর্ণ

* ঘুমানোর জায়গা অবশ্যই নিঃশব্দ রাখুন কারন আমরা ঘুমিয়ে গেলেও আমাদের মস্তিষ্ক জেগে থাকে। ছোটখাট শব্দেও সে বিচলিত হয়ে উঠতে পারে এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই শব্দহীন পরিবেশে ঘুমাতে যান। এমনকি আশেপাশে ফোনও রাখবেন না। কারণ রিংটোন যতই কমানো থাকুক না কেন, তা রাতে অনেক জোরে শোনা যায় এবং ঘুম ভেঙে যায়।
* ঘুমানোর সময় ঘর অন্ধকার করে নিন। গাঢ় অন্ধকারে মস্তিষ্ক দ্রুত প্রশান্তি লাভ করে। ড্রিম লাইটের আলোও আপনার আরামের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই শান্তিতে ঘুমাতে চাইলে অবশ্যই অন্ধকার ঘরে ঘুমান।
* রাতের খাবার গ্রহণের করার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না। খাবার গ্রহণ এবং ঘুমের মধ্যে অন্তত দু ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন। কারণ ঘুমানোর পর আমাদের শারীরিক প্রক্রিয়াগুলোর গতি ধীর হয়ে যায়। খাবার গ্রহণের পর পরই ঘুমিয়ে গেলে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায় এবং শরীরে অস্বস্তি বোধ হয়। এতে ভালো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
* ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করে নিন যে প্রতিদিন অবশ্যই একই সময়ে ঘুমাতে যাবেন। কারন সঠিক সময়ে ঘুমিয়ে পড়তে পারলে ঘুম পরিপূর্ণ হয় পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে।
* প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। প্রথম দিকে ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখতে পারেন। এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে ওঠা অভ্যাস হয়ে যাবে। আর ঘুম যদি ঠিকমতো হয়, তাহলে অ্যালার্মেরও প্রয়োজন হবে না।
* অবশ্যই প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যায়াম করুন। এটি আপনাকে সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি শান্তিতে আরাম করে ঘুমাতে সাহায্য করবে।
* ঘুমাতে যাবার সময় বই বা পত্রিকা সাথে নিয়ে বিছানায় যাবেন না। বই পড়লে ঘুম আসলেও ঘুমাতে ইচ্ছে করে না। সব শেষ করে তবেই বিছানায় যান।
* বিছানায় যতটা সম্ভব জিনিসপত্র কম রাখুন। বালিশ ছাড়া...[…]