Technology Image

ফেসবুক সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে আসছে নতুন প্রযুক্তি

প্রযুক্তির ব্যবহার দিনে দিনে এতো বেড়ে যাচ্ছে যে বোঝার উপায় নেই। এমন এক সময় আসছে যে, এই প্রযুক্তি ছাড়া চিন্তাই করতে পারবে না মানব সমাজ। ভালোর সাথে খারাপও যুক্ত হবে কেননা মানব জাতি অনেক লোভী। ক্ষমতা যার নিকট সেই সুযোগ খুঁজে বেড়াবে। প্রযুক্তির কল্যাণ না করে নিজের কল্যাণে ব্রত হয়ে যাবে। যাই হোক এমনটি কামনা করা যায় না প্রযুক্তি ক্ষেত্রে। তার চেয়ে প্রযুক্তিকেই সত্য মিথ্যে বোঝাতে শিখিয়ে নেওয়াটাই শ্রেয়। তেমনি ফেসবুকে আসছে সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ে নতুন প্রযুক্তি!



ফেসবুক স্ট্যাটাসের সত্যমিথ্যা যাচাইয়ের জন্য আসছে নতুন প্রযুক্তি। ইউরোপের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় এটি নিয়ে কাজ করছে৷ এ দলের নেতৃত্বে আছে ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে অবস্থিত শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়৷ তারা এমন একটি সিস্টেম বা ব্যবস্থা তৈরির কথা ভাবছে, যেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে কোনো তথ্যের সত্যতা এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট সূত্র সম্পর্কে জানতে পারবে৷ গবেষকরা জানিয়েছেন, ইমারজেন্সি সার্ভিস, গণমাধ্যম এবং প্রাইভেট সেক্টরে এটা বেশ কাজে দেবে৷ কেননা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব সেক্টর নিয়ে নানা ধরনের গুজব ছড়াতে দেখা যায়৷



ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তায় তিন বছরের প্রকল্পটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ফিমে’৷ এর মাধ্যমে টুইটার ও ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা যাবে৷ এক বিবৃতিতে প্রকল্পের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্তমানে প্রচুর গুজব ও অসত্য তথ্য দেখা যায়৷ এ ধরনের বার্তাগুলোর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের কোনো বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে৷ কিন্তু এই তথ্য ভাণ্ডারটি এতটাই বিশাল যে ঠিক যখন এটা দেয়া হবে তখনই এটা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব নয়৷ এতে কিছুটা সময় লাগবে৷প্রকল্পটি চার ধরনের তথ্য নির্ধারণে কাজ করছে – জল্পনা, বিতর্ক, ভুল তথ্য এবং অসত্য তথ্য৷ মূলত তিনটি ফ্যাক্টর ব্যবহার করে কাজটি করছেন গবেষকরা৷ প্রথমত যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে, দ্বিতীয়ত অন্য কেউ এ ধরনের তথ্য দিলে এবং তৃতীয়ত তথ্য ভাণ্ডার থেকে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা গেলে৷
জানা গেছে, সত্য তথ্যটা যাচাই-বাছাইয়ের পর ব্যবহারকারী তাঁর পেজে দেখতে পাবেন৷ টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই প্রকল্পে ৪৩ লাখ ইউরো ব্যয় করছে এবং এটি শেষ হতে অন্তত ১৮ মাস সময় লাগতে পারে৷ শেফিল্ড ছাড়া বাকি চারটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো কিংস কলেজ লন্ডন, ইংল্যান্ডের ওয়ারউইক, জার্মানির সারল্যান্ড এবং ভিয়েনার মোডুল বিশ্ববিদ্যালয়৷ এর সাথে আরো চারটি কোম্পানি কাজ করছে৷ সেগুলি হলো – স্পেনের আটোস, কেনিয়ার আইহাব, বুলগেরিয়ার অনটোটেক্সট এবং সুইস-ইনফো৷