Technology Image

ব্যাটারি গ্রাফ বৃত্তান্ত



আপনি যে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করছেন সেই ফোনটিতে রয়েছে একটি বিল্ট-ইন অ্যাপ যা আপনার ব্যাটারির ইউসেজ প্যাটার্নকে ভিস্যুয়ালি মনিটর করে। এটি দেখার জন্য আপনাকে Settings > Battery তে যেতে হবে অবশ্য, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন বা রমের উপর ভিত্তি করে অন্যকোন স্থানেও এই অ্যাপটি থাকতে পারে। যাই হোক, Settings থেকে Battery তে গেলে আপনি দেখতে পাবেন ঠিক কোন কোন অ্যাপলিকেশনগুলো আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি সবচাইতে বেশি কনজিউম করছে এবং আপনি আর কতক্ষণ স্মার্টফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ আর কতটা সময় পরে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যাবে তাও দেখতে পারবেন।
আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েডের এই ব্যাটারি গ্রাফ আরও ভালোভাবে লক্ষ্য করুন তাহলে আপনি অনেক ইন্টারেস্টিং ব্যাপার দেখতে পারবেন। যেমন ধরুন, এখান থেকে আপনি আপনার মোবাইল সিগন্যালের স্ট্রেংথের প্যাটার্ন সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়া কোন কোন অ্যাপগুলোর কারণে স্লিপিং মোড থেকে আপনার ফোনটিকে ওয়েক আপ হতে হয়েছে এবং কতবারই বা এরকম হয়েছে সেই তথ্যগুলোও আপনি পেয়ে যাবেন এখান থেকে।


এটি হচ্ছে মূল ব্যাটারি গ্রাফ এবং এটি ইন্টারপ্রেট করাও খুবই সহজ। যদি এই গ্রাফে আপনি কোন ব্রেক দেখতে পান এর মানে হচ্ছে সেই সময়টা আপনার ডিভাইসটি বন্ধ ছিল। আর যদি কোন লাল বা হলুদ লাইন দেখতে পান গ্রাফটিতে তাহলে বুঝবেন সেই সময়টিতে আপনার স্মার্টফোনে চার্জ খুবই কম পরিমাণে ছিল। আর গ্রে অংশগুলো দ্বারা বুঝায় রিমেইনিং চার্জের পরিমাণ।
আপনি যদি এই ব্যাটারি হিস্টোরি গ্রাফটিকে ট্যাপ করেন তবে আপনি ব্যাটারি ইউসেজে এবং চার্জিং টাইমগুলোর আরও ডিটেইলড ব্রেকডাউন দেখতে পারবেন। নিচের স্ক্রিনশটটি লক্ষ্য করুন।


চিত্রের কালারড বারগুলো মোবাইলের নেটওয়ার্ক সিগন্যাল ইন্ডিকেট করে থাকে। যদি আপনি ডার্ক গ্রিন বার দেখতে পান তবে এর অর্থ সেই সময়টাতে আপনার স্মার্টফোনে স্ট্রং সিগন্যাল ছিল। আর এভাবেই লাইট গ্রিন বার ভালো সিগন্যাল এবং রেড ও ইয়েলো বার খুবই পুর সিগন্যাল প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আপনি যদি কোন গ্যাপ দেখতে পান তবে বুঝতে হবে যে এই সময়টিতে স্মার্তফোনটি স্ক্যানিং মোডে ছিল যার অর্থ হচ্ছে তখন আপনার স্মার্টফোনে কোন প্রকার নেটওয়ার্কই ছিলনা।