"ধর্ম ও দর্শন" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

সাইফুল ইসলাম

১ বছর আগে লিখেছেন

রুকইয়াহ শারইয়াহ এর ধারনা

রুকইয়াহ কি?
রুকইয়াহ অর্থঃ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি... ইত্যাদি।
আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقية شرعية) মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
তবে রুকইয়া শব্দটি দ্বারা সচরাচর ঝাড়ফুঁক করা বুঝায়, এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি মানুষের ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। আর সবগুলোই সালাফে সালেহিন থেকে প্রমাণিত।
ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি
শরঈ বিধান
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।”
বিশুদ্ধ আক্বিদা
উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে... continue reading

১১৯

সাইয়িদ রফিকুল হক

১ বছর আগে লিখেছেন

রোহিঙ্গা-ইস্যুতে ইসলামের দেশ সৌদিআরব নীরব কেন?

রোহিঙ্গা-ইস্যুতে ইসলামের দেশ সৌদিআরব নীরব কেন?
সাইয়িদ রফিকুল হক
 
বর্তমানে বাংলাদেশে ছোট-বড় প্রায় সবাইকে রোহিঙ্গানির্যাতনের বিষয়ে যথেষ্ট সরব হতে দেখা গেছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক দিক। যেকোনোস্থানে মানবতাবিরোধী-অপরাধ সংঘটিত হলে আমাদের অবশ্যই সরব হতে হবে। আর এখানে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমানদৃষ্টি রাখতে হবে। কোনো ধর্মের প্রতি কিংবা কোনো ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে অবিচার ও অনাচার নিঃসন্দেহে গর্হিত ও মানবতাবিরোধী-অপকর্ম। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ ‘হুজুগে মুসলমান’ কোথাও কোনো মুসলমান নির্যাতিত হলে শুধু তাদের পক্ষেই কথা বলতে শুনি। এরা কিন্তু জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে সকল মানুষকে ভালোবাসতে শেখেনি কিংবা এদের প্রতি সহানুভূতিপ্রদর্শন করতে জানে না। এরা সবসময় সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে শুধু নিজেদের স্বার্থআদায়ে সচেষ্ট থাকে।
 
সাম্প্রতিককালে... continue reading

১৯১

সাইয়িদ রফিকুল হক

২ বছর আগে লিখেছেন

পবিত্র ঈদের দিনে সবার সঙ্গে হাসিমুখে হিংসামুক্ত মনে কোলাকুলি করুন

পবিত্র ঈদের দিনে সবার সঙ্গে হাসিমুখে হিংসামুক্ত মনে কোলাকুলি করুন
সাইয়িদ রফিকুল হক
পবিত্র ঈদের দিন কোলাকুলি করাটা ইসলামের প্রাথমিক-যুগের রেওয়াজ। আর এটি ইসলামী তাহজীব ও তমুদ্দনের প্রকৃষ্ট একটি উদাহরণ। তাই, যারা ইসলামের প্রতি আস্থাবান ও শ্রদ্ধাশীল তারা অবশ্যই পবিত্র ঈদের দিন ঈদগাহে বা মসজিদে গিয়ে ঈদের নামাজশেষে আপনার কাতারের আশেপাশের মানুষ থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন-পাড়াপড়শি-বন্ধুবান্ধব সকলের সঙ্গেই (সম্ভব হলে) কোলাকুলি করুন।
ইসলামী রেওয়াজ-রসম থেকে কোলাকুলির উদ্ভব। শুধু ঈদের দিনে নয়—এক মুসলমানের সঙ্গে আরেক মুসলমানের দেখা হলে সালাম-বিনিময়ের পর কোলাকুলি ও মোসাফাহ করা উত্তম কাজ। আমাদের প্রিয়-নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়েও সাহাবাগণ একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্যবৃদ্ধির জন্য কোলাকুলি করেছেন।... continue reading

২১৬

সাইয়িদ রফিকুল হক

২ বছর আগে লিখেছেন

ইসলামের নামে ইফতারমাহফিল বা ইফতারপার্টি স্রেফ ভণ্ডামি

ইসলামের নামে ইফতারমাহফিল বা ইফতারপার্টি স্রেফ ভণ্ডামি
সাইয়িদ রফিকুল হক
 
দেশে ধার্মিকের চেয়ে ভণ্ডের সংখ্যা অনেকগুন বেশি। আর এই দেশে এখন প্রতিনিয়ত ভণ্ডের চাষ হচ্ছে। আজ ধর্মের নামে বুকফুলিয়ে শয়তানী-আবাদ করা হচ্ছে। তাইতে আমাদের এই ছোট্ট দেশটাতে আজ এতো-এতো শয়তান! এখানে, শয়তানের কোনো অভাব নাই। তাই, এখানে  জাতশয়তান, কালশয়তান, পাতিশয়তান, ভণ্ডশয়তান, আর ধর্মের নামে সর্বপ্রকার শয়তান নানারূপে, নানাবর্ণে, নানাউদ্দেশ্যে আজকাল আসন গেড়ে বসেছে। আর সব শয়তানের উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই—ধর্মের নামে যেকোনোভাবে নিজেদের স্বার্থউদ্ধার করা।
 
আমাদের দেশে আশির দশক থেকে ইফতারমাহফিলের প্রচলন হতে শুরু করে। আর এই সময়টা ছিল সামরিকজান্তা ও স্বৈরাচার এরশাদ-সরকারের আমল। এইসময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে পাকিস্তানের দালালগোষ্ঠী—জামায়াত-শিবির তাদের প্রাণপ্রিয় খলিফা... continue reading

২৩৩

সাইয়িদ রফিকুল হক

২ বছর আগে লিখেছেন

যারা বলে ‘শবে বরাত বলে কিছু নাই’—তারা ইসলামের শত্রু ওহাবীসম্প্রদায়। আর ‘শবে বরাতে’র পক্ষে কয়েকটি দলিল পেশ

যারা বলে ‘শবে বরাত বলে কিছু নাই’—তারা ইসলামের শত্রু ওহাবীসম্প্রদায়। আর ‘শবে বরাতে’র পক্ষে কয়েকটি দলিল পেশ
সাইয়িদ রফিকুল হক
 
বিশ্বমুসলমানের নিকট অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি রজনী(রাত)হলো ‘শবে বরাত’ বা ‘লাইলাতুল বরাত’। প্রতিবছর ‘শাবান-মাসে’র ১৫ তারিখ রাতে এই মহিমান্বিত-রাতটি উদযাপিত হয়। আর ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশ্রেণীর মুসলমানের নিকট এই রাতটি ‘শবে বরাত’ বা ‘শব-ই-বরাত’ নামে সুপরিচিত। এটি খুবই পুণ্যময় রাত। আরবি-ভাষায় এই রাতটিকে ‘লাইলাতুল বরাত’ নামে অভিহিত করা হয়েছে। মহান আল্লাহ ও তাঁর পবিত্র রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি যার সামান্যতম বিশ্বাসও আছে তার কাছে এই রাতটি খুবই পুণ্যময় ও বরকতময় বলে মনে হবে।
 
আমাদের পবিত্র রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং এই রাত পালন করতেন। আর তিনি এই... continue reading

২১৬

তানজিমুল ইসলাম

২ বছর আগে লিখেছেন

“কবিদের প্রস্থান”

হাসি মুখে প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দ, মুক্তি দায় কালিমা ।
অন্তর্ঘাতে যদি গুড়িয়ে দেয়া যায় প্রিয় ফুলদানি,
তাতে নিজের ক্ষতি হলেও, মুক্তি পায় বিষাক্ত ফুল ।
যেখানে বুঝা না বুঝার ভান,মানবীর- চিরদিনের ;
সেখানে শ্রদ্ধার বাচনিক ভঙ্গি,অনেকটাই- পঙ্গু ।
'বিভ্রান্তি, বলতে যা বুঝায় তা নয়,
একটা প্রধাণ 'ভাবাবেগ,
শেষের কবিতার সুনিশ্চিত প্রস্থানের পূর্বাভাস যদি হয় ঠিক, তবে,
বিদায়ের শোক সুনিশ্চিত
বায়বীয়,
অষ্পষ্ট,
মৃদু সন্দ্ধ্যার মত ।
আজ, এক-দুই করে ফেলে আসা ছোট সন্ধ্যার অতীত,
তার দ্বায় ভার কম নয় ।
সুললিত ছন্দে গড়ে ওঠা
এক সম্পর্কের পটভূমিকায়
আমরা- এক প্রলম্বিত ছায়া,
চিরন্তন আকৃতি,
কোন কৃত্রিম... continue reading

৩৬৭

তানজিমুল ইসলাম

৩ বছর আগে লিখেছেন

“নেহাত জন্মেছি বলে”

তোমার বুকে নির্মাণ করেছি পৃথিবী,সংসার,জগৎকাল।
আমার প্রথম সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-আবাসযোগ্য পৃথিবী পায়নি বলে।
তোমার ঠোঁটে চেপে ধরেছি ক্ষুধা,অম্লান তৃষ্না,বাসনা বাঁজায়
বাঁশি।আমার দ্বিতীয় সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-খাদ্যপায়নি বলে।

তোমার চোখে তুলে ধরেছি চিত্ত,মনি-মাণিক্য,সমৃদ্ধির সমাহার।
আমার তৃতীয় সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-বস্ত্রপায়নিবলে ।
তোমার কপালে লিখেছি জয়গান,শ্লোগান ভরাডুবি বহমান।
আমার চতুর্থ সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-বাসস্থান পায়নি বলে ।
তোমার মাঝে বেড়ে উঠেছি আমি,আমার পৃথিবী আমারপঞ্চম সন্তান।
আমার শতশত সন্তান জন্মেছে,
অভিমান করেছে-
পৃথিবী তাদের মুক্তি দিতে পারেনি বলে।।
continue reading

৪০৮

রুদ্র আমিন

৩ বছর আগে লিখেছেন

এসো মনুষ্যত্বে মানুষ হই (সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগিতা ২০১৬ ক্যাটাগরি -৩, পর্ব-২)

আচ্ছা এই আলো যদি আঁধার হয়ে যায়, সে আর ফিরে না আসে কোনোদিন তবে কতদিন আঁধারে বেঁচে থাকবো। আসলেই কী বেঁচে থাকা যায় ? আমি কিংবা আপনি পারবো তো। আমার নিকট উত্তর জানা নেই। পারবেন কী কেউ উত্তর দিতে।

যখন চোখ মেলে আলোকিত পৃথিবী দেখি, দেখি পিতা-মাতার মুখ। মনে হয় বেঁচে আছি। যখন রাত গভীর হয় নিজকে হারিয়ে ফেলি, উম্মাদ নিজেকে নিজেই খেতাব দিই, আর প্রশ্ন সে প্রশ্ন করেই চলে; ভোর হবে তো, শুনতে পারবো কি ফজরের আযান, পাখ-পাখালির কলবর ? নাকি আঁধারে আধারি হবে জগৎ।

ইদানিং ভাবনা গুলো কুরেকুরে খেয়ে চলেছে উলু পোকার মতো, যার... continue reading

৪১৯

আতা স্বপন

৩ বছর আগে লিখেছেন

নাস্তিক ধোলাই (২য় পর্ব)

৩.
একবার এক নাস্কিক বন্ধু আমায় মহানবী সা: বহু বিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করল। আচ্ছা তোর ধর্মগুরু মুহাম্মদ সা. তিনি বহু বিবাহ করলেন কেন? আবার তার মধ্যে একজন শিশু (কথাগুলো সে একটু ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করে বলেছিল। মহানবী সা. এর সম্মান রক্ষায় সেভাবে প্রশ্নটি করলাম না।) ।
তোর প্রশ্নের জবাব দেব। তার আগে তোকে ক্ষমা চাইতে হবে। তুই বিশ্বাস করিস আর না করিস ওনি আমার নবী। ইসলামের নবী। তাকে এভাবে তুচ্ছ তাচ্ছিল করা তো একদম ঠিক হয় নাই। নিজেকে এতো পারফেক্ট ভাবিস কেন? তোর ভাবনাই ঠিক এমন ভাবছিস কেন? কোন জিনিস পুরোপুরি না জেনে এভাবে সার দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ সম্পর্কে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ... continue reading

৬৯৩

আতা স্বপন

৩ বছর আগে লিখেছেন

নাস্তিক ধোলাই (পর্ব-১)

১.
আমার অনেক নাস্কিক বন্ধু আছে। এরা মাঝে মাঝে এমন ভাব নেয় যেন মহাজ্ঞানী এরিষ্টেটল। আর এমন সব প্রশ্ন করার চেষ্টা করে -ভাব খানা এমন তোরে আজকা পাইছি টাইপ। এমন একজন আমাকে বলল আচ্ছা তুই ধর্ম কেন মানিস? ধর্ম না মানলেইতো ভাল। স্বাধীন জীবন লিড করা যায়। ধর্ম মানলেই যত গেনজাম। বিশ্ব আজ ধর্মিয় উগ্রতার স্বিকার।
আমি বললাম তোর কথা শেষ? নাকি আরো কিছু বলবি?
না আগে এইটাই বল তুই ধর্ম মানিস কেন?
আমি বললাম, তার আগে তোকে একটা প্রশ্ন করি। তুই জামা কাপর পরিস কেন?
কেন আবার! আমিতো আর জংগলি না। মানুষ। আমার শরম আছে । লজ্জা আছে। তাই পরি।
জামা... continue reading

৮৭১