তানজিমুল ইসলাম

২ বছর আগে লিখেছেন

“কবিদের প্রস্থান”

হাসি মুখে প্রতিমা বিসর্জনের আনন্দ, মুক্তি দায় কালিমা ।
অন্তর্ঘাতে যদি গুড়িয়ে দেয়া যায় প্রিয় ফুলদানি,
তাতে নিজের ক্ষতি হলেও, মুক্তি পায় বিষাক্ত ফুল ।
যেখানে বুঝা না বুঝার ভান,মানবীর- চিরদিনের ;
সেখানে শ্রদ্ধার বাচনিক ভঙ্গি,অনেকটাই- পঙ্গু ।
'বিভ্রান্তি, বলতে যা বুঝায় তা নয়,
একটা প্রধাণ 'ভাবাবেগ,
শেষের কবিতার সুনিশ্চিত প্রস্থানের পূর্বাভাস যদি হয় ঠিক, তবে,
বিদায়ের শোক সুনিশ্চিত
বায়বীয়,
অষ্পষ্ট,
মৃদু সন্দ্ধ্যার মত ।
আজ, এক-দুই করে ফেলে আসা ছোট সন্ধ্যার অতীত,
তার দ্বায় ভার কম নয় ।
সুললিত ছন্দে গড়ে ওঠা
এক সম্পর্কের পটভূমিকায়
আমরা- এক প্রলম্বিত ছায়া,
চিরন্তন আকৃতি,
কোন কৃত্রিম উপাখ্যান নয় ।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - জাকিয়া জেসমিন যূথী

    য়ানকমন শিরোনাম। ভাল্লাগলো। এবং শুভকামনা জানালাম। 

তানজিমুল ইসলাম

৩ বছর আগে লিখেছেন

“নেহাত জন্মেছি বলে”

তোমার বুকে নির্মাণ করেছি পৃথিবী,সংসার,জগৎকাল।
আমার প্রথম সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-আবাসযোগ্য পৃথিবী পায়নি বলে।
তোমার ঠোঁটে চেপে ধরেছি ক্ষুধা,অম্লান তৃষ্না,বাসনা বাঁজায়
বাঁশি।আমার দ্বিতীয় সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-খাদ্যপায়নি বলে।

তোমার চোখে তুলে ধরেছি চিত্ত,মনি-মাণিক্য,সমৃদ্ধির সমাহার।
আমার তৃতীয় সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-বস্ত্রপায়নিবলে ।
তোমার কপালে লিখেছি জয়গান,শ্লোগান ভরাডুবি বহমান।
আমার চতুর্থ সন্তান এসেছে,
অভিমান করেছে-বাসস্থান পায়নি বলে ।
তোমার মাঝে বেড়ে উঠেছি আমি,আমার পৃথিবী আমারপঞ্চম সন্তান।
আমার শতশত সন্তান জন্মেছে,
অভিমান করেছে-
পৃথিবী তাদের মুক্তি দিতে পারেনি বলে।।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

তানজিমুল ইসলাম

৩ বছর আগে লিখেছেন

লাল গোলাপের অবরোধ ভেঙ্গে

জীবনের কায়া ভাষ্য যখন খুব যত্ন করে
বেড়ে ওঠে,যখন আঘাতের প্রত্যাশারা
বিলীন হয়ে যায় মহাভারতের প্রান্তে,
বেঁচে থাকে মহান মিথ্যা-মানুষের মুখে ।
অসহায় মানুষ তখন ভালবাসার
ঘরে বন্দী ।
লাল গোলাপের অবরোধ ভেঙ্গে
তোমার দিকে হাত বাড়িয়েছি,চোখের
কাজলে লিখেছি জীবনের গল্প,নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে চুমু খেয়েছি কপালে ।
কেঁদে যায়,কেঁদে যায়......
এখনো ঘুম ভাঙ্গেনি।মেঘলা আকাশে
ছায়া পড়েনি তোমার,ওঠেনি আমার
প্রেমের পতাকা।পায়নি তোমার চুলের
গন্দ্ধ ।
কেঁদে যায়,কেঁদে যায়... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাসুম বাদল

    খুব খুব ভাললাগা জানালাম...!!! 

    emoticonsemoticonsemoticons

    • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

      শ্রদ্ধা জানবেন কবি emoticons

    - সুমন সাহা

    //কলুষের ইতি করে পায়রা উড়ায় ঘরে
    শান্তির কথা ভাসে বাতাসের সাদা সুরে,
    নতির আঁচল ছোঁয়ে কালো সব যায় ধোয়ে
    মিনার হয়ে যায় প্রাপ্তি সব লোকালয়ে।//

    খুব ভালো লাগলো ভাই।

    শুভেচ্ছা জানবেন।emoticonsemoticons

    • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

      ধন্যবাদ। শুভকামনা রইল emoticons

    - আলমগীর সরকার লিটন

    অসাধারণ দাদা

    • - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

      ধন্যবাদ দাদা emoticons

    Load more comments...

তানজিমুল ইসলাম

৪ বছর আগে লিখেছেন

মধুচক্র,আমার প্রিয় চারকোণা বাসস্থান

গন্ধের শরীর বেঁয়ে উপচে পড়া সুগন্ধির বাসনা,কখনো কখনো।
রাত,পারহয়ে রাত-এপাশওপাশ;এলোমেলো বিছানার
চারকোণা ছোট্টখাটের পার।
ভদ্রতার শরীরে ভেজা লালসার কাণা মুখোঁশ
ক্ষুব্ধহয়ে ওঠে-বদ্ধ ঘরে।

নোংরা দেহের কলকলানি,শব্দ-ছন্দ-কবিতা মিলে
রাতভর আবৃত্তি।
নিরাশার ভাঙ্গা দেহ যখন ক্লান্ত;দিন দু’য়ের অপেক্ষা করেই
ফের ঘিরে ধরে নেশা।

রাত,পারহয়েরাত-এপাশওপাশ;মমতার চোঁখে
তুলে রাখি নষ্ট কল্পনা।পঙ্কিলমন খুঁজে পায়
নোংরা দেহ,গন্ধেরশরীর।

“…মধুচক্র,আমার প্রিয় চারকোণা বাসস্থান…” continue reading
Likes Comments
০ Shares

তানজিমুল ইসলাম

৪ বছর আগে লিখেছেন

সময়ের নষ্টামি

    আত্নসংযম,কঠোর,পরিশ্রম সাধ্য,
একনিষ্ঠ,পূণঃপ্রচেষ্টা,কর্তব্যপরায়ণ-
এদের কেউ কেউ আহত কেউ কবরে শায়িত আজ।
অনেকেই আবার বিদ্ধস্ত,নিপীড়িত।
মানবাধিকার,মনুষত্ব
অথবা এদের সমমানের অনেককেই আমি দেখেছি,
যাদের চোখ ঠুকরে বের হচ্ছে তাজা রক্ত-
এরা তখনো জীবিত।
কালের সন্ধ্যায় কিছু সভ্য মানুষকে
সংসদ ভবনের এদিকটাতে দৌড়ে আসতে দেখে ভাবলাম.......।
কিন্তু না -পাল্টা ধাওয়া করতে না পারায় তাদের এ অবস্থা ।
খারাপ কিছু মানুষ ;সত্য আর সততাকে
ধর্ষণ করেছে ,খোলা ময়দানে,সেমিনারে।
নেংটা করে নাচিয়েছে জনতার সম্মুখে।
ক্ষুধার্থ কুত্তার মত কামড়ে খাচ্ছে
তাদের অপবিত্র লিঙ্গ গুলো ।
আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে
সংবিধানের এক বৈধ ধারার অনুচ্ছেদে ফাঁসি হবে
'শান্তি'নামে একটি শব্দের।
এবারের পূণঃজন্মে একটি মনুষত্ব এসেছে-
যে মানুষ খুন করে,একটি মানবাধিকার এসেছে-
যে ক্ষুণ্ন করার পদ্ধতিতে পূরণ করে থাকে অন্যের অধিকার।
একটা সভ্যতা এসেছে-
যে তৈরী করেছে ,কাঙ্ক্ষিত এক দৃশ্যপট।
সেখানে দৃশ্যায়ন হয় নানা রঙের যৌন প্রেমর শিল্প।
এখন তাদের আর জোর করে ধর্ষণ করতে হয় না ময়দানে,সেমিনারে।
নেঙটা করে নাচাতে হয় না জনতার সম্মুখে।
তারা এখন নিজ ইচ্ছায় রাত কাটিয়ে যায় আমার পাশে।
নিজেকে রক্ষীতা বানিয়ে মিশে থাকে অন্যের রক্তে-মাংসে,
নেংটা হয়ে কেপে ওঠে আমাদের তৈরী করা তরঙ্গে।
জোর করে টেনে নেয় আমাদের অপবিত্র সব অঙ্গ সমূহ।
খুব অযত্নেই আমাকে ভুলে যেতে হয়েছে
দায়বোধের সব রক্ত দেবার ঘটনাগুলো।
এখন তো আমাকে সঙ্গ দিতে হচ্ছে তাদের সাথে-
এক ঘরে বসে,শুয়ে,যেভাবে ইচ্ছা-সেভাবে।
আমি অন্ধ হয়ে গেছি,বোবা বনে গেছি
কিন্তু অকপটে খুলে গেছে আমার আপত্তিকর সেই অঙ্গ গুলো।
যা উৎপাদন করছে একের পর এক নষ্ট শূয়োর। continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - টোকাই

    ভালো লিখেছেন । আরো আসুক এমন বিশ্লেষণ আপনার ।

Load more writings...