Technology Image

অ্যালকাটেল ওয়ানটাচ আইডল ৩



অ্যালকাটেল ওয়ানটাচ আইডল ৩ ডিভাইসটি প্রতিষ্ঠানটির একটি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস। ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস হলেও অন্যান্য জায়ান্ট স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠানগুলোর ফ্লাগশিপ থেকে দুটি দিক দিয়ে এর পার্থক্য রয়েছে, এক - অ্যালকাটেলের এই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসটির স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ বা অ্যাপেলের ৬এস এর মত বড় মার্কেট নেই এবং দুই - এটি অন্যান্য ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস থেকে অনেক সস্তা।

মজার বিষয় হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটি অ্যালকাটেলের এই একই মডেলের দুটি আকার বের করেছে, মডেল দুটি যথাক্রমে ৪.৭ ইঞ্চি এবং ৫.৫ ইঞ্চি। তবে এই পার্থক্য ছাড়া খুব বড় কোন পার্থক্য নেই ডিভাইসটিতে। মডেল দুটির ডিজাইন ফিলসফি এবং স্পেসিফিকেশন প্রায় একই। তবে আজকে আমি ৫.৫ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে সমৃদ্ধ মডেলটি নিয়েই আলোচনা করবো। চলুন, আজকে এই ডিভাইসটি সম্পর্কে আমরা জেনে নিতে চেষ্টা করি।

প্রথমেই ডিভাইসটির কী-ফিচারস সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

৫.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে
স্ন্যাপড্রাগন ৬১৫ কোয়াড-কোর সিপিইউ
অ্যাড্রিনো ৪০৫ জিপিইউ
২ গিগাবাইট র‍্যাম
১৩ মেগাপিক্সেল প্রাইমারী ক্যামেরা ইউনিট
৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা (সেকেন্ডারি)
ফ্রন্ট ফেসিং জেবিএল ক্যামেরা
অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ (ললিপপ)
৩২গিগাবাইট অন-বোর্ড মেমরি স্টোরেজ (মডেল ভেদে)
মেমোরি এক্সপেনশন স্লট
ডিভাইসটির কী-ফিচারস সম্পর্কে আমরা জেনে নিয়েছি, এবার চলুন সরাসরি বিস্তারিত রিভিউয়ে চলে যাওয়া যাক।


ডিজাইন
আপনার নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন যে শুধুমাত্র প্রিমিয়াম এবং টপ-কোয়ালিটির হাই এন্ড ডিভাইসগুলোতেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাই-গ্রেড গ্লাস বা অ্যালুমিনিয়ামের ফিনিশিং ব্যবহার করা হয় সেখানে অ্যালকাটেল ওয়ানটাচ ডিভাইসটিতো অনেক কম মূল্যের একটি ফ্ল্যাগশিপ একটি ফোন। সহজভাবে বললে, অ্যালকাটেলের এই ডিভাইসটিতে আপনি অ্যালুমিনিয়াম বা গ্লাসের ফিনিশিং পাবেন না তবে প্রতিষ্ঠানটি বেশ চমৎকার ভাবে প্লাস্টিক ব্যবহার করেই এই ডিভাইসটিকে তৈরি করেছে, আপনি মুগ্ধ হবেন এর বিল্ড কোয়ালিটি দেখে।
স্মার্টফোনটির এজে ব্যবহার করা হয়েছে সিলভার প্লাস্টিক, টু-টোনড ট্রিম এবং ম্যাট গ্রে ব্যাকের কম্বিনেশন যেগুলোতে আবার রাখা হয়েছে কিছুটা ব্রাশড ফিনিশিং তাই এই চমৎকার ডিভাইসটি সহজেই একজন ব্যবহারকারীর নজর কাড়তে সক্ষম হবে। ডিভাইসটির কর্নারগুলো কার্ভড এবং স্লিম ফ্রেমের চমৎকার প্ল্যাস্টিক ফিল সহজেই অন্যান্য প্ল্যাস্টিক স্মার্টফোন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আদর্শ হয়ে দাঁড়ায়।
ডিভাইসটির আপ-ফ্রন্টে আপনি পাবেন ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, সেন্সর এবং এর নিচের দিকে পাবেন একটি চমৎকার ফ্রন্ট ফেসিং জেবিএল স্পিকার। ডিভাইসটির ডান পাশে রাখা হয়েছে ভলিউম রকার এবং বাম পাশে পাবেন পাওয়ার বা স্ট্যান্ডবাই বাটন এবং এর নিচের রাখা হয়েছে একটি ৩জি/৪জি সিম স্লট যার মধ্যেই আপনি পাবেন একটি মেমরি কার্ড এক্সপেনশন স্লট। ডিভাইসটির একদম নিচে রয়েছে চার্জিং এবং পিসি সিংক পোর্ট এবং একটি মাইক্রোফোন এবং এর উপরের অংশে রয়েছে একটি হেডফোন জ্যাক এবং সেকেন্ডারি মাইক্রোফোন। ডিভাইসটির পেছনে আপনি পাবেন এর রেয়ার ক্যামেরা ইউনিট এবং একটি এলইডি ফ্ল্যাশ। ডিভাইসটির ব্যাক প্যানেল নন-রিমুভাল, বুঝতেই পারছেন এর ব্যাটারিটিও তাই।
আইডল ৩ ডিভাইসটিতে রয়েছে দুটি মাইক্রোফোন। সাধারণ ভাবে সেকেন্ডারি মাইক্রোফোনটি নয়েজ ক্যান্সেলেশনের জন্য হলেও এই ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি চমৎকার একটি সুবিধা দিয়েছে। এই ডিভাইসটি ব্যবহার করে আপনি যে কোন পাশ দিয়েই কথা বলতে পারবেন, এতে কল কোয়ালিটি সামান্য পরিমাণেও কমবেনা।


স্ক্রিন
বর্তমানের সব ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোতেই মোটামুটি ২কে রেজ্যুলেশন বিশিষ্ট ডিসপ্লে ইউনিট যোগ করা হলেও এই ডিভাইসটির ডিসপ্লে প্যানেলটি কিন্তু শুধু ফুল এইচডি। তবে আসলে এটি কোন বড় ব্যাপার নয়, কেননা প্রথমত, এই দামে আপনি চমৎকার একটি ডিসপ্লে প্যানেল পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, ২কে ডিসপ্লে ইউনিটগুলো বেশ ব্যাটারি অপচয় করে থাকে এবং মূল পয়েন্টটি হচ্ছে আসলেই কি একটি স্মার্টফোনের ছোট্ট স্ক্রিনে ফুল এইচডি ডিসপ্লেরও দরকার হয়?! ভাবুনতো।
ডিভাইসটিতে রয়েছে একটি ল্যামিনেটেড আইপিএস এলসিডি স্ক্রিন যার প্রতিটি ইঞ্চিতে রয়েছে ৪০০ পিক্সেল। এছাড়াও, ডিসপ্লে ইউনিটটির ব্রাইটনেস খুবই শক্তিশালী! ফলে, সবমিলিয়ে ডিভাইসটির ডিসপ্লেটি শার্প, এক্সেপশনালি ব্রাইট এবং এর রয়েছে শক্তিশালী ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল। অ্যালকাটেল বর্তমানে পার্টনারশিপ করেছে টেকনিকালারের সাথে যার ফলে তারা এই ডিভাইসটির মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে 'কালার এনহেন্সমেন্ট টেকনোলজি'র যার ফলে ডিভাইসটিতে এক্সপেরিয়েন্স করা যাবে ইম্প্রুভড কন্ট্রাস্ট এবং আরও বেশি ভিভিড কালার।
যদিও ডিভাইসটির ডিসপ্লে প্যানেল স্যামসাংয়ের অ্যামোলেড স্ক্রিনের মত ততটা চমৎকার নয় কিন্তু এই মূল্যে এটিই সম্ভবত 'বেস্ট'!

ক্যামেরা
সবসময়ই অ্যালকাটেল প্রতিষ্ঠানটি চেষ্টা করে এসেছে যেন তাদের ডিভাইসগুলো চমৎকার মানের ছবি ক্যাপচার করতে সক্ষম হয় আর ফলেই প্রতিষ্ঠানটি তাদের এই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসটির ক্যামেরা সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারে এনেছে বেশ কিছু ইম্প্রুভমেন্ট সমূহ যার ফলে ডিভাইসটি হতে পারে একটি চমৎকার অল-রাউন্ড পারফর্মার। ডিভাইসটিরে পেছনে রয়েছে ২.০ অ্যাপারচার যুক্ত সনি আইএমএক্স২১৪ সেন্সর যুক্ত ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং একটি লেড ফ্ল্যাশ যা লো-লাইট শুটিং-এর ক্ষেত্রে চমৎকার সাপোর্ট দিবে। আর সামনে রয়েছে ফ্রন্ট ফেসিং ৮ মেগাপিক্সেল সেলফি শুটার যা অন্তত খাতা কলমের হিসেব অনুযায়ী 'ইম্প্রেসিভ'!
একটি মাত্র ইস্যু এর ক্যামেরা ইউনিটের যা আপনি পেতে পারেন তা হচ্ছে দুটি ক্যামেরাতেই ডিফল্ট ভাবে এদের সর্বোচ্চ ছবির আকার নির্ধারণ (মেগাপিক্সেল) করা থাকেনা, এটি নির্ধারণ করতে হলে আপনাকে সেটিংসে ঢুকে তা পরিবর্তন করে নিতে হবে। আপনি যদি ১৩ মেগাপিক্সেল আকার ব্যবহার করতে চান তবে আপনাকে ছবি তুলতে হবে ৪:৩ রেশিওতে অথবা ১৬:৯ রেশিওতে তুলতে চাইলে আপনার ছবির আকার নেমে আসবে ১০ মেগাপিক্সেলে।

ডিভাইসটির ক্যামেরা অ্যাপ অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড স্টক অ্যাপলিকেশনের মতই। তবে একটি নতুন ফাস্ট ফেস ফোকাস মোড যুক্ত হয়েছে এই অ্যাপলিকেশনটিতে যা মাত্র ফোকাস করে ০.২৬ সেকেন্ডেই আপনার ছবি তুলে ফেলতে পারবে।
অটোম্যাটিক শুটিং মোডে তোলা ছবিগুলোর ইমেজ কোয়ালিটি চমৎকার পাবেন। চমৎকার লাইট কন্ডিশনে অটো ফোকাস বেশ ভালো কাজ করে থাকে এবং ছবিতে বেশ ডিটেইলস পাওয়া যায় এবং কালার অ্যাকুরেসিও বেশ ভালো আসে।



এখন আসা যাক লো-লাইট শুটিং-এর ব্যাপারে! ডিভাইসটির লো লাইট শুটিং পারফর্মেন্স ডিসেন্ট। এমনকি অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন ছাড়াও আপনি এই ডিভাইসটিতে এই ডিসেন্ট ফলাফলটি পাচ্ছেন। শাটার লো-লাইটে কিছুটা ধীর গতির কিন্তু, আপনি চমৎকার কিছু শট সহজেই পাবেন।

এবার আসা যাক সামনের ক্যামেরার প্রসঙ্গে। বেশি মেগাপিক্সেল মানেই যে ছবির কোয়ালিটি অসাধারণ হবে তা কিন্তু নয়, বরং এক্ষেত্রেও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে পারফেক্ট লাইটিংকে। যাই হোক, এই দামের অন্যান্য ডিভাইসের ফ্রন্ট ক্যামেরা থেকে এই ডিভাইসটির ফ্রন্ট ক্যামেরা বেশ চমৎকার আউটপুট দিয়ে থাকে।
আইডল ৩ ডিভাইসটি দিয়ে আপনি ১০৮০পিক্সেল ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন। ভিডিও আউটপুট শার্প হলেও এতে কিছুটা কম কালার প্রোডাকশন পাওয়া গিয়েছে। আর অন্য একটি ড্র-ব্যাক হতে পারে এর সাউন্ড কোয়ালিটি, আশানুরূপ নয়!

পারফর্মেন্স
আইডল ৩ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়ালকমের ৬৪-বিট অক্টাকোর স্ন্যাপড্রাগন ৬১৫ প্রসেসর। এছাড়াও স্মার্টফোনটিতে চমৎকার মাল্টিটাস্কিং এবং বড় আকারের গেম খেলার জন্য রয়েছে ২গিগাবাইট র‍্যাম এবং অ্যাড্রিনো ৪০৫ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট। এই সেট-আপটি সহজেই বেসিক টাস্ক সম্পাদন করতে পারলেও ভারী কাজে খাতা কলমের মত অতটা ইম্প্রেসিভ নয়।
গিকবেঞ্চ ৩ বেঞ্চমার্কে ডিভাইসটি গড়ে স্কোর করেছে ৪,০৫৮ (মাল্টি কোর টেস্ট) যা এইচটিসি ওয়ান এম৯ (স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ বেসড, স্কোর ৩৯৫৯) এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ (এক্সিনোস পাওয়ারড, স্কোর ৪৫,৪৭) এর তুলনায় বেশ পিছিয়ে আছে।
গেমিং টেস্টের জন্য ডিভাইসটিতে রিয়েল রেসিং ৩ গেমটি রান করা হয়েছিলো যা স্মুথলি প্লে করতে সক্ষম হয়েছিলো এবং কোন প্রকার ফ্রেম ড্রপও লক্ষ্য করা যায়নি। তাই বলা যায় বর্তমানের ভারী গেমগুলো সহজেই খেলতে পারবেন এই ডিভাইসটিতে।

সফটওয়্যার
আইডল ৩ ডিভাইসটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েডের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ (৫.০.২) যার উপরের লেয়ারে অ্যালকাটেল ব্যবহার করেছে তাদের কাস্টম স্কিন। যারা অ্যান্ড্রয়েডের অপারেটিং সিস্টেমের সাথে পরিচিত তাদের খুব একটা সমস্যা হবেনা অ্যালকাটেলের এই লেয়ারের সাথে বরং এতে যোগ করা হয়েছে চমৎকার কিছু এডিশন যেমন, ডাবল ট্যাপ টু ওয়েক। এছাড়াও কিছু প্রয়োজনীয় শর্টকাট যোগ করা হয়েছে লকস্ক্রিন মেন্যুতে।
স্মার্টফোনটিতে দেয়া হয়েছে রিভার্সিবল মোডের সুবিধা যা অনেক বেশি চমৎকার একটি ফিচার। ফিচারটির মূল কাজ হচ্ছে অরিয়েন্টেশন সুইচ করা যার ফলে আপনি পকেট থেকে যখন ডিভাইসটি কল ধরার জন্য বের করবেন তখন এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে রোটেট হয়ে যাবে যার ফলে আপনি যদি তাড়াহুড়ার মধ্যে ফোন কল রিসিভ করেন তবে কোন প্রকার সমস্যাই হবেনা। হয়তো অনেকের কাছেই এটি শুনতে ঝামেলা বা বেখাপ্পা লাগছে কিন্তু বিশ্বাস করুন, বাস্তব জীবনে চমৎকার একটি ফিচার হতে পারে এটি।
অ্যালকাটেল তাদের নিজস্ব অ্যাপ স্টোর যোগ করেছে। এছাড়াও মিউজিক প্লেয়ার, ডিজে মিউজিক ক্রিয়েটর সফটওয়্যার এবং ব্রাউজারেও করেছে কিছু ইম্প্রুভমেন্টস।
সবশেষে বলতে হয়ে আপনি ডিভাইসটিতে একটি ফ্যামিলিয়ার অ্যান্ড্রয়েড এক্সপেরিয়েন্স পাবেন যাতে কিছু এক্সট্রা চমৎকার সুবিধা অ্যালকাটেল আপনার জন্য যোগ করে দিয়েছে।


ব্যাটারি লাইফ
আইডল ৩ ডিভাইসটিতে দেয়া হয়েছে ২,৯১০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের নন-রিমুভাল ব্যাটারি। এই আকারের স্মার্টফোনের সাথে যদি তুলনা করেন যেমন, গ্যালাক্সি নোট ৪ বা এলজি জি৪ তবে আপনি দেখতে পাবেন প্রায় সমান ক্যাপাবিলিটির ব্যাটারিই যোগ করা হয়েছে।
সাধারণ ব্যবহারে ডিভাইসটির ব্যাটারি আপনাকে দেড় দিনের মত ব্যাটারি ব্যাক-আপ দিয়ে যাবে, মাঝে মধ্যে এর চাইতেও বেশি সময় ধরে ব্যাক-আপ পেতে পারেন যদি স্মার্টফোনটি বেশি সময়ের জন্য স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে।
এক ঘণ্টার মত নেটফ্লিক্স থেকে কিছু ভিডিও দেখে ব্যাটারি ড্রপ লক্ষ্য করা গিয়েছে ১০%, এবং ৩০ মিনিট গেম খেলার পরেও দেখা গিয়েছে ১০% ব্যাটারি ড্রেইন হয়েছে।

স্মার্টফোনটিতে কোন প্রকার কুইক চার্জিং সিস্টেম নেই, আর এর মূল চার্জার দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগে স্মার্টফোনটির ১০০% চার্জ হতে।

শেষ কথা

২৫০ থেকে ২৬০ ইউরো বাজেটের এই স্মার্টফোনটির মূল দিকগুলো আমি আপনাদের সামনে তুলতে ধরার চেষ্টা করলাম। আমার মতে এই বাজেটের অন্যান্য ডিভাইসগুলো থেকে এই ডিভাইসটি অনেক দিক থেকেই এগিয়ে থাকবে। এখন বাকীটা আপনার ইচ্ছা।