Beauty Image

ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে যে খাবার



*বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে দুধ খেলে ব্রণের উপদ্রব বাড়ে। এর একটি কারণ হতে পারে দুধের প্রাকৃতিক গ্রোথ হরমোন। বেশিরভাগ দুধই গর্ভবতী গরুর থেকে নেয়া হয় এবং তাতে প্রাকৃতিক গ্রোথ হরমোনের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা ব্রণ সৃষ্টি করে। কেবল মাত্র দই ছাড়া দুধ ও দুগ্ধজাত যে কোনো খাবারেই ব্রণের উপদ্রব বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। গবেষকরা যারা নিয়মিত দুধ খায় তাদেরকে দুধের বদলে দই খেতে দিয়ে দেখছেন তাদের ব্রণের উপদ্রব ৮০% পর্যন্ত কমে গিয়েছে। তাই দুধের বদলে দই খান কারণ দুধের প্রায় সব পুষ্টিগুণ দইয়ে বিদ্যমান।

*সুন্দর ত্বকের জন্য রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত থাকা প্রয়োজন। মিষ্টি জাতীয় খাবার বিশেষ করে কোমল পানীয় বেশি খেলে ত্বকের স্বাস্থ্যজ্জ্বল ভাব কমে যায়। মাঝারী আকারের এক গ্লাস কোমল পানীয়তে ৫৬ গ্রাম চিনি থাকে। তাই নিয়মিত কোমল পানীয় খেলে ব্রণের যন্ত্রণা বাড়ে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বয়সের ছাপ ফেলে দেয় কোমল পানীয়।

*অনেকেরই খাবারের সাথে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস আছে। কেউ কেউ আবার তরকারীতেও বেশি লবণ খেয়ে থাকেন। অতিরিক্ত লবণ খেলে ত্বকে ফোলা ভাব আসে। ফলে মুখ ফোলা ফোলা লাগে এবং চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়ে। তাই বেশি লবণাক্ত খাবার ও ভাতের সাথে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করা উচিত।

*প্রতিদিন দুই থেকে তিন কাপ চা খাওয়া যায়। কিন্তু এর থেকে বেশি চা কিংবা কফি খেলে ত্বকের ক্ষতির হয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে কর্টিসলের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় যা খুব সহজেই বুড়িয়ে ফেলে ত্বক। এছাড়াও এটি ত্বককে পাতলা করে ফেলে এবং সহজেই ভাজ ফেলে দেয়। এছাড়াও অতিরিক্ত ক্যাফেইন ত্বকে পানিশূন্যতার সৃষ্টি করে যা ত্বকে বলিরেখা ফেলে। তাই ত্বকে সজীবতা ধরে রাখতে চাইলে অতিরিক্ত চা কফি খাওয়া পরিত্যাগ করা উচিত।

*অতিরিক্ত গরম তেলে কড়া করে ভাজা পোড়া খাবার ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। অতিরিক্ত গরম তেলে খাবার ভাজলে হাইড্রোজেনাটেড ফ্যাট উৎপন্ন হয় যা ফ্যাটি এসিডের অক্সিডেসন ঘটায় এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ভিটামিন ই, ওমেগা ফ্যাট ৩) ধ্বংস করে। ফলে ত্বকের সজীবতা হারিয়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে ব্রণের উপদ্রব হয়।

*গরু কিংবা খাসীর মাংস ভালোবাসেন যারা তাদের জন্য দুঃসংবাদ হলো অতিরিক্ত লাল মাংস খেলে ত্বকে বিরূপ প্রভাব পরে। লাল মাংসে আছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং ত্বকের সৌন্দর্য কমিয়ে দেয়।