Sports Image

নেইমার কে নিয়ে কিছু অজানা তথ্য




আধুনিক বিশ্বের উদীয়মান ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম। ২০১০ সালে ৩য় হওয়ার পর নেইমার ১৯ বছর বয়সে ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন।২০১১ সালে নেইমার ফিফা ব্যালন ডি'অরের জন্য মনোনয়ন পান, তবে ১০ম স্থানে আসেন। তিনি ফিফা পুস্কাস পুরষ্কারও অর্জন করেন। তিনি সর্বাধিক পরিচিত তাঁর ত্বরণ, গতি, বল কাটানো, সম্পূর্ণতা এবং উভয় পায়ের ক্ষমতার জন্য। তাঁর খেলার ধরন তাকে এনে দিয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা, সাথে প্রচুর ভক্ত, মিডিয়া এবং সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার পেলের সঙ্গে তুলনা। পেলে নেইমার সম্পর্কে বলেন, "একজন অসাধারন খেলোয়ার।" অন্যদিকে রোনালদিনহো বলেন, "নেইমার হবে বিশ্বসেরা।" লিজেন্ডদের কথা কি আর বিফলে যায়, যার প্রমান নিচেরঅর্জনগুলো :

সম্মান ও অর্জন

ক্লাব সান্তস চ্যাম্পিওনাতো পৌলিস্তা (৩): ২০১০, ২০১১, ২০১২
কোপা দো ব্রাজিল (১): ২০১০
কোপা লিবারতোদাস (১): ২০১১
রেকোপা সুদামেরিকানা ( ১): ২০১২
বার্সেলোনা সুপারকোপা দে স্পানা ( ১): ২০১৩
জাতীয় দল ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশিপ ( ১): ২০১১
সুপার ক্লাসিকো দে লাস আমেরিকাস (২): ২০১১, ২০১২
অলিম্পিক রৌপ্য পদক (১): ২০১২
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ ( ১): ২০১৩
ব্যাক্তিগত অর্জন চ্যাম্পিওনাতো পৌলিস্তার সেরা যুব খেলোয়াড় (১): ২০০৯
চ্যাম্পিওনাতো পৌলিস্তার সেরা ফরোয়ার্ড (৪): ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩
চ্যাম্পিওনাতো ব্রাসিলেইরো সিরিস এর সেরা ফরোয়ার্ড (৩): ২০১০, ২০১১, ২০১২
চ্যাম্পিওনাতো পৌলিস্তার সেরা খেলোয়াড় (৪): ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩
দক্ষিণ আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা খেলোয়াড় ( ১): ২০১১
কোপা লিবারতোদাসের সেরা খেলোয়াড় ( ১): ২০১১
চ্যাম্পিওনাতো ব্রাসিলেইরো সিরিজ এর সেরা খেলোয়াড় ( ১): ২০১১
রেকোপা সুদামেরিকানার সেরা খেলোয়াড় (১): ২০১২
ফিফা কনফেডারেশন কাপের গোল্ডেন বল (১): ২০১৩
বর্ষসেরা যুব খেলোয়াড় ( ১): ২০১১
চ্যাম্পিওনাতো ব্রাসিলেইরো সিরিজ এ চ্যাম্পিয়নশিপ স্কোয়াড ( ৩): ২০১০, ২০১১, ২০১২
কোপা লিবারতোদাস চ্যাম্পিয়নশিপ স্কোয়াড ( ১): ২০১২
আর্থার ফ্রাইডেনরেইচ পুরষ্কার ( ২): ২০১০, ২০১২
আরমান্দো নগুইরা ট্রফি (২): ২০১১, ২০১২
গোল্ডেন বল (১): ২০১১
ম্যাগাজিন প্লাসার কর্তৃক নির্বাচিত ব্রাজিলিয়ান লীগের সেরা খেলোয়াড় সিলভার বল (২): ২০১০, ২০১১ 
ম্যাগাজিন প্লাসার কর্তৃক নির্বাচিত ব্রাজিলিয়ান লীগের সেরা ফরোয়ার্ড সিলভার বল হর্স কঙ্কারস (১): ২০১২
গোল্ডেন বুট (৩): ২০১০, ২০১১, ২০১২ 
ব্রাজিলের সকল প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক গোল কোপা দো ব্রাজিলের বেশি গোলদাতা ( ১): ২০১০ দক্ষিণ
আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশিপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ( ১): ২০১১
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ব্রোঞ্জ বল (১): ২০১১
বর্ষসেরা দক্ষিণ আমেরিকার খেলোয়াড় (২): ২০১১, ২০১২
ফিফা পুস্কাস পুরষ্কার (১): ২০১১
চ্যাম্পিওনাতো পৌলিস্তার বেশি গোলদাতা ( ১): ২০১২
কোপা লিবারতোদাসের বেশি গোলদাতা (১): ২০১২
ফিফা কনফেডারেশন কাপের ব্রোঞ্জ স্যু (১): ২০১৩
ফিফা কনফেডারেশন কাপের ড্রিম টিম ( ১): ২০১৩

২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রোন্জ বুট মাত্র ২২ বছর বয়সে জীবনের সবকিছুই অর্জন করেছেন, এখন শুধু ব্যালন ডি ওর আর বিশ্বকাপ বাকি আশা করি খুব শীয্রই এ স্বপ্নও পূরন করবেন নেইমার।