Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

"সকল" বিভাগের পোস্ট ক্রমানুসারে দেখাচ্ছে

কৃষ্ণেন্দু দাস

৮ বছর আগে লিখেছেন

"অদূরদর্শী দুঃস্বপ্ন"

"অদূরদর্শী দুঃস্বপ্ন" স্বপ্নাতুর কোটরাগত চোখদুটো মেলে আমি আবার তাকাই সামনে-
দৃষ্টিসীমার পুরোটা জুড়েই তখন জমাট বাঁধা অন্ধকার;
যান্ত্রিকতার যাতাকলে অবিরত পিষ্ঠ হতে হতে এই মন বড় বেশি নির্মোহ আজ। বিভীষিকারূপী হায়েনার ঝাঁকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে
তবু আমি ফিরতে চাই শুভ্রতার বসত ভিটায়।। ধোঁয়াশার আঁধারে কখন জানি বেড়ে গিয়েছে বয়স;
দেহের এই প্রাচীন জীর্ণ দেয়াল বেয়ে উঠেছে অনেক লতা-গুল্ম।
আমার বয়ষ্ক হাত, মুখের বলিরেখা-
সবকিছু খুব অচেনা মনেহয় আজ। অথচ, সেই প্রিয় যাচিত সময়- যখন আড়ষ্টতার শৃঙ্খল খুলে বেরিয়ে পড়েছি ঢের,
লাগাম ছেড়ে দুরন্ত ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে পার হয়েছি মাঠ-ঘাট, বন-প্রান্তর।। অদূরদর্শী দুঃস্বপ্নের মতই সামনে এবার প্রতীক্ষিত অনাগত দিন,
যেদিনের আকাশে থাকবেনা চাঁদ; continue reading

০ ২১২

শাহআজিজ

৮ বছর আগে লিখেছেন

সময় তুমি

 
 
এই মার্চে , তুমি আমার জননী
বসে গেলে বেলুনি – পিড়ি নিয়ে
চল্লিশখানা রুটি হবে বানাতে
পাড়ার ছেলেরা যুদ্ধরত
খালিশপুরে বিহারিদের সাথে
ওরা ক্ষুধার্ত তাই পাড়ার মায়েরা
ব্যাস্ত সবাই রুটি বানানোয়
সাথে যাবে গুড় আর চিড়া ।
আমার ছোট দুটি হাত দিয়ে
জীবনের প্রথম সেঁকেছিলাম রুটি
তোমার দেখানো কায়দায়।
আমরা অভুক্ত ভুলে গেছি ক্ষুধা
তুমি বল স্বাধীনতার দিয়েছে ডাক
ওই সেইযে শেখের বেটা
মা, তুমি সাক্ষী ৪৬ এর দাঙ্গা
৪৭ এর দেশ ভাগ চারিদিক অনাচার
বুকে জড়িয়ে একমাত্র সন্তান, স্তব্ধ বাবা
পার্ক স্ট্রীটের ভাড়াটে বাড়িতে ।
দেখেছ... continue reading

০ ২৩০

দীপঙ্কর বেরা

৮ বছর আগে লিখেছেন

চলাফেরা

এঁকে বেঁকে চলাটাই চলার গতি
তাতেই ইঁদুর দৌড়ের সম্মতি
ভেতরে ভেতরে কিছু পূর্ণ চাঁদ
পুকুরের জল ধরে রাখা বাঁধ।
মাটির ভেতরে ক্ষয় রোগের
হিসেব বলছে ওসব তো পরের
তারপর ভেঙে পড়া একদিন
সামনে দাঁড়িয়ে বাজায় বীন।
বলার পরেও ভাবনা ভাবি
লুকিয়ে রাখি লুকানো চাবি
তারপর খুলতে গিয়ে সাফল্য
আঁকাবাঁকা ধরে নেয় মূল্য।
দূরে দেখা যায় কত কি চিত্র
দেখেই, নিজেকে ভাবি বিচিত্র
অধরা সেইসব ধরেও হারাই
সোজা চলা বারবার ভুলে যাই। continue reading

০ ১৭৬

রেজা

৮ বছর আগে লিখেছেন

প্রভু

প্রভু
ভুলিনি কভু
সকলি তোমার দান
তোমাতে সঁপেছি এই প্রাণ
সদা সর্বদা করি তোমার জয়গান
মোরা তোমারি সকাশে যাঁচি সদাই পরিত্রাণ।
ওগো তোমার দয়ায় তোমার মায়ায়
দয়া করে করোগো উপায়
তুমিই আজি সহায়
এই দুনিয়ায়
দয়াময়।
মোদের অন্যায়
অবিচারে মোরা কলঙ্কময়
ক্ষমা চাহিতেছি তোমার দরজায়
তুমি অসীম দরদী দয়াল করুণাময়
পাপিষ্ঠ ক্ষমা চায় বঞ্ছিত করোনা আমায়।
continue reading

০ ১৯২

চারু মান্নান

৮ বছর আগে লিখেছেন

একুশ সে তো কথার মালা

একুশ সে তো কথার মালা
একুশ সে তো কথার মালা
রক্ত ঢেলে পেয়েছি মোরা।
মায়ের কথায় মালা গাঁথা
বাংলায় মোদের জন্মকথা।
আমের মুকুলে মৌ মৌ গন্ধ
দক্ষিণের খোলা জানলা ফাগুনে
শোক গাঁথা সেই একুশের গানে
শোক যাপনে তাই ফাগুন ফিরে।
কোথায় তারে রাখি মাগো?
রক্তের ঋণ শুধিবো কি সে?
চেতনার ঘ্রাণ মন মননে মনে
এ কোন দিশা ছড়িয়েছে বনে বনে?
মায়ের ভাষা বিশ্বজুড়ে জনে জনে
এমন শান্তি পরম প্রাপ্তি কোন খানে?
চেতনার বানে মশাল উঠুক জ্বেলে
মায়ের তরে রক্তঋণ ঘুচাব আলো জ্বেলে।
৮ ফাল্গুন/বসন্তকাল/১৪২৪
(একুশের ফেব্রয়ারীর বীর শহীদানের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী)
continue reading

০ ১৭০

রেজা

৮ বছর আগে লিখেছেন

অপার

দেখি নাই যারে শুধু বলি তারে
রেখো দয়া করে শান্তির পরপারে
আঁধারের মাঝে ঘোরাঘুরি করি
জীবনের আলো দেখিতে না পারি।
জীবন জোয়ারে দেখি বারে বার
চারিদিকে শুধু দেখি অন্ধকার
চক্ষু মুদিয়া যবে দেখি আপনারে
দেখি সেথা তারে আশাহত অন্তরে।
মুক্তির আশা নাই কোথা তার
জগতে শুধু আশা যাওয়া সার
তোমার দয়ার জগৎ সংসার
করুণা ভিক্ষা চাইগো তোমার
দয়াল মওলা দয়াল খোদা অপার।
#রেজা ২০/২-২০১৮
continue reading

০ ১২৭