Technology Image

স্মার্ট বাইকের স্মার্ট ফিচার



বাইক চুরি হওয়া প্রতিরোধ কিংবা বাইক আরোহীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, এমন একটি স্মার্ট বাইক তৈরি করেছে কানাডার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভ্যানহক্স। Valour নামক এই বাইক তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির সমন্বয়ে।

প্রতি বছর কানাডায় হাজার হাজার বাইক চুরির ঘটনা ঘটে। আর এর মধ্যে মাত্র পাঁচ শতাংশ বাইক উদ্ধার করা সম্ভব হয়। আর তাই এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ শুরু করে ভ্যানহক্স।

বাইকটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে খুবই হালকা কার্বন ফাইবার। এতে আছে জিপিএস ডিভাইস। বাইকের অবস্থান সম্পর্কে এটি প্রয়োজন অনুযায়ী এর মালিকের ফোনে সংকেত পাঠিয়ে থাকে। এর পাশাপাশি বাইকে থাকা অন্যান্য প্রযুক্তি আরোহীর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

ভ্যানহক্সের বিক্রয় ব্যবস্থাপক অ্যালেক্সান্ডার ছই জানান, একজন বাইক আরোহীর মূল চিন্তার বিষয় যেগুলো, সেগুলোতেই ফোকাস করা হয়েছে এই বাইকে। "এই শহরে সাইকেল চালানো খুবই বিপদজনক ব্যাপার, কারণ এখানে রাস্তায় অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়, রাস্তায় প্রচুর গাড়ি চলাচল করে। আর তাই আমরা এই বাধাসমূহ দূর করতে চেয়েছিলাম", জানান তিনি।

একজন বাইক আরোহী তার নতুন এই বাইকটি নিয়ে যখন নতুন কোন রুটে রওনা দিবেন, তখন তিনি আগে থেকেই বাইকের অ্যাপ ব্যবহার করে তার গতিপথ ঠিক করে নিতে পারবেন। পরবর্তীতে সেই রুটে চলার সময় তার হ্যান্ডেলবার তাকে নিশ্চিত করবে তিনি ঠিক পথে চলছেন কিনা।

এছাড়া এখানে আছে ‘স্মার্ট রুট’ নামের অপর একটি অপশন যেখানে আরোহীকে বাধাবিপত্তি নেই, এমন রুটের কথা জানানো হবে। আর রাস্তার উপর থাকা যেকোনো বিপত্তিকর বস্তু সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আরোহীকে সতর্ক করে দিবে বাইকটি।

বাইকটির ওজন মাত্র ৭.৩ থেকে ১০ কেজির মধ্যে যা নির্ভর করবে ফ্রেম সাইজ এবং আনুষঙ্গিক কিছু বিষয়ের উপর। এর মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ডলার।

গত বছরের মে মাসে কিকস্টার্টার থেকে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে ৮ লাখ ২০ হাজার ডলার উত্তোলন করে ভ্যানহক্স। আর এরপর শুরু হয় এর উৎপাদন কার্যক্রম। প্রাথমিক অবস্থায় তৈরি করা হয়েছে ৯০০ বাইক যা শীঘ্রই বিক্রির জন্য পাঠানো হবে।