Lifestyle Image

মাত্র ৫ টি ধাপ মানলেই চলে যাবে আপনার টেলিভিশন আসক্তি



একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের মানুষ শুধুমাত্র বিটিভি দেখত। ফলে টিভি দেখার সময় ছিল ধরাবাঁধা। কিন্তু এখন স্যাটেলাইট এবং বাংলাদেশী চ্যানেলের ভীড়ে টিভি দেখার সময় বেড়ে গিয়েছে অনেকাংশে। এর মাধ্যমে অনেকের জীবন থেকে মূল্যমান কিছু সময় টিভি দেখার পিছনেই চলে যায়। যারা এরকম সমস্যায় আক্রান্ত তারা নিচের ৫ টি ধাপ মেনে চললেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন।

১। প্রথমে চেষ্টা করুন সপ্তাহে অন্তত একদিন অন্তত টিভি না দেখে থাকুন। কিন্তু সেইদিন অবশ্যই সেটার পরিবর্তে অন্যান্য কাজ করুন যা আপনাকে আনন্দ দেয়। কোন ধরনের সিরিয়াস কাজ সেদিন করবেন না। আপনার যদি ছেলে মেয়ে থাকে তবে তাদের সাথে খেলে সময় কাটান। আর যদি আপনি স্টুডেন্ট হন তবে মজাদার কোন বই পড়ুন, গীটার বাজান ইত্যাদি।

২। বেশিরভাগ মানুষেরই প্রিয় টিভি শো থাকে। টিভি দেখা বন্ধ করার আগে তা অবশ্যই দেখতে থাকুন। কিন্তু সেটি সম্প্রচার একবার বন্ধ হয়ে গেলে সেই সময়ে অন্য কোন টিভি শো দেখা বন্ধ করে দিন। এসময় হালকা ব্যায়াম, কোন শখের কাজ বা বন্ধুদের ফোন করে সময় কাটান। দেখবেন অনেক আত্নতৃপ্তি আসবে।

৩। এখনকার প্রায় সব টিভিতেই টাইমার সেট করা যায়। টিভি টাইমার দিয়ে আপনার সময় নির্দিষ্ট করে দিন। টিভি যখন নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যাবে তখন টিভির সামনে থেকে উঠে পড়ুন এবং প্রয়োজনীয় কাজ করুন।

৪। অনেকেরই মনে সব সময় কাজ করতে থাকে যে, একটু দেখি টিভিতে কি হচ্ছে, দেখেই রেখে দিব। কিন্তু ভেবে দেখুন এর মাধ্যমে অনেক সময় নষ্ট হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্যে নিজেই নিজের একটি টিভি গাইড বানিয়ে ফেলুন। দেখবেন অযথা টিভির পাশে ঘোরাফেরা আর করবেন না।

৫। আপনার হাতে যখন নিজস্ব একটি টিভি গাইড থাকবে তখন সপ্তাহে মোট কত ঘন্টা আপনি টিভি দেখেন তা জেনে যাবেন। জানার পর নিজেকে জিজ্ঞেস করুন যে, এই সময়টা আর কি করলে জীবনের জন্য মূল্যবান হত। দেখবেন অনেক কিছুর উত্তর আপনি নিজেই দিতে পারছেন। আপনার পরিবারের যদি আর্থিক অবস্থা ভাল না হয় তবে সেই সময়টা পার্ট টাইম কাজ করে টাকা আয় করতে পারেন। আপনার ওজন যদি অনেক বেশি হয় তবে তা কমিয়ে নিতে পারেন। অথবা বন্ধু বা পরিবারের সাথে এই সময়টা কাটিয়ে তাদের সাথে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে পারেন।