Lifestyle Image

সকালটা হোক শান্তিময়




আপনার সব কিছু যদি সঠিক চলমান না থাকে তাহলে আপনার প্রতিটি সকালই হবে আপনার জন্য এলোমেলো... অনেকেই হয়তো সকালটা শুরু করেন ক্লান্তি ও চাপ নিয়ে এবং সারাটা বেলা সেভাবেই। কিন্তু এমনটি হবে না যদি আপনি নিজেকে নিয়মের মাঝে আবদ্ধ করে ফেলেন। চলুন জেনে নেই কিছু পদক্ষেপ...যা আপনাকে এনে দিবে পারফেক্ট জীবন-

*রাতেই প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় সবকিছু তৈরি করে রাখুন। যেমন – কাপড় আয়রন করে রাখা, দুপুরের খাবার তৈরি রাখা, দরকারি চাবি জায়গামত রাখা, স্বাস্থ্যকর নাস্তা তৈরির চিন্তা করা ইত্যাদি। এসব কাজ সম্পন্ন করতে হয়তো আধাঘন্টার বেশি লাগবে না। কিন্তু এই কিছু সময়ের প্রস্তুতি আপনার সকালটা ঝামেলা মুক্ত রাখবে।

*প্রতিদিন একটি কাজের তালিকা তৈরি করুন যা আপনার আগামী দিনের জন্য আবশ্যিক। সেসব কাজকে প্রাধান্য দিন সে তালিকায় যা আপনার অবশ্যই করতে হবে। অবশ্যই অযথা কাজ তালিকায় রাখবেন না যা না করলেও চলবে।

*যদি আপনার আশেপাশে এমন সাউন্ড হয় যা শুনে প্রতি সকালেই আপনি বিরক্ত হন, তবে তার সমস্যার সমাধান দ্রুত করুন। এমন বিরক্তিকর পরিবেশ চাইলেই খুব সহজেই পরিবর্তন করা যায়, যা আপনার সকালের একটি ভালো সূচনা করবে।

*প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ না ঘুমোনোর কারণে অনেকের সারাদিন মেজাজ খিটখিটে থাকে। এছাড়া, খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ সঠিক ঘুমের অভাব। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

*যখন সাধারণত ঘুম থেকে উঠলে চলবে মনে করে উঠেন, সে সময় থেকে অবশ্যই তিরিশ মিনিট আগে উঠার অভ্যাস করুন। কারন এই সময়টা আপনাকে মানসিকভাবে সবক্ষেত্রে এগিয়ে থাকার শক্তি প্রদান করবে।

*এক গ্লাস পানি ঘুম থেকে উঠার পরপরেই পান করুন। যেহেতু আমাদের দেহের ৬০%-৭০% পানি দিয়ে গঠিত, সেহেতু সকালের এই পানি পানে আপনার শরীরে যোগ হয় এক গ্লাস জীবনী শক্তি। আজ থেকে অবশ্যই এটা অভ্যাসে পরিণত করুন।

*শরীরের মাংসপেশীতে ক্লান্তি থেকে যায় মাঝে মাঝে, যার কারনে অনেকেই মেরুদন্ডে চিকন ব্যাথা অনুভূত করে থাকেন। তাই অবশ্যই বিছানা ছাড়ার পর নিয়মিত সহজ কয়েকটি ব্যায়াম করে চাঙ্গা করে নিন নিজের শরীরকে।

*হালকা গরম পানিতে গোসল জাগিয়ে তুলবে আপনার দেহের প্রতিটি কোষ। প্রতি সকালে এই গোছলে নিজেকে চাঙ্গা করে নিন।

*মন মতো কাজ দিয়েই দিন শুরু করুন। যে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য ফীল করেন, যা করতে ভালো লাগে অথবা যে কাজটি করে আপনি আনন্দ পাবেন তেমন কাজ দিয়ে শুরু করুন আপনার দিনটি। হতে পারে এটা আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে কিছুক্ষণ কথা বলা অথবা আপনার প্রিয় চায়ের দোকানের এক কাপ চা পান করা অথবা পছন্দের গান শুনে।