Beauty Image

রুপচর্চায় আইস কিউব ফেসিয়াল



আপনি প্লেন বরফ ব্যবহার করতে পারেন, তবে সবচেয়ে ভালো হবে যদি বরফের সাথে শশা, গোলাপ জলের মত উপকারী উপাদান নিতে পারেন। চাইলে কমলার রস, লেবুর রস এগুলোও যোগ করতে পারবেন। এই ফেসিয়ালের উপাদান গুলো সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করবে।
*শশা ২টি, ১ বোতল গোলাপ জল, আইস কিউব ট্রে, বেবি লোশন, গরম পানি নিয়ে নিন।
*ফেসিয়াল শুরু করার আগে একটি বড় গামলা বা সিঙ্কে গরম পানি ভর্তি করে ফেলুন। তারপর লোশনের বোতলের মুখ খুব ভালো করে আটকে নেবেন যেন এর ভেতর কোন পানি না ঢুকতে পারে। গামলা বা সিঙ্কে গরম পানির ভেতর বোতলটি দিয়ে দিন যেন বোতলে থাকা লোশন উষ্ণ গরম হয়ে যায়।
*এরপর খোসা ছাড়িয়ে শশা ছোট ছোট টুকরো করে নিন।
*এবার একটি পাত্রে সমান পরিমাণে শশা ও গোলাপ জল নিবেন। কিন্তু সমান সমান হতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই।
*এখন কয়েক মিনিটের জন্য উপকরণ গুলো বয়েল করুন। তারপর ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য মিশ্রণটি রেখে দিন।
*ঠাণ্ডা হলে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। তারপর গোলাপজল-শশার জুস আইস কিউব ট্রেতে জমতে দিন।
*প্রত্যেক রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো ভাবে পরিষ্কার করে একটি আইস কিউব সার্কুলার মোশনে পুরো মুখে রাব করবেন। ততক্ষণ করবেন যতক্ষণ পর্যন্ত না বরফটি গলে যায়।
*আইস কিউব ফেসিয়াল করার পর গরম পানির নীচ থেকে লোশনের বোতল বের করে পুরো মুখে হালকা ম্যাসাজ করে লোশন লাগিয়ে নিন।
...কখনও টানটান হয়ে যাচ্ছে আবার কখনও তেলতেলে এমন ত্বকের জন্য আইস কিউব ফেসিয়াল। এই ফেসিয়াল আপনার রাতের রূপচর্চার রুটিনের অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। বরফ ত্বকের ব্লাড ফ্লো বাড়িয়ে দেয় কয়েকশো গুণ আর মলিন লুকের বদলে আপনার ত্বকে ছড়িয়ে দেয় গোলাপি আভা। এই ফেসিয়ালের উপকারিতা এখানেই শেষ নয়। ত্বকের রন্ধ্রের সাইজ ছোট করে, ত্বকের হারানো জেল্লা ফিরিয়ে আনে, ত্বকের চুলকানি ও ফোলা ভাব কমায়, চোখের নীচের কালো দাগও দূর করে। আইস কিউব ফেসিয়াল করার জন্য বয়সের কোন ভেদাভেদ নেই। তবে যদি আপনার আ্যাজমার সমস্যা থেকে থাকে বা ঠান্ডাতে এলার্জি থেকে থাকে অবশ্যই এই ফেসিয়াল পরিহার করবেন।