Lifestyle Image

নিয়মিত পানি পান করুন



* সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করুন। দেখবেন শীত, গ্রীষ্ম অর্থাৎ সারা বছরই ভালো কাটবে। এতে মাথাব্যথা, কিডনি সমস্যা, গ্যাস্ট্রাইটিস, কোষ্ঠকাঠিন্য, উচ্চ রক্তচাপ, মেয়েলি রোগজনিত সমস্যাগুলো থেকে রেহাই পাওয়া যায়। পানি খাওয়ার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অর্থাৎ পানিকে ওষুধ হিসেবে ধরা যায়। পানি পানের অভ্যাস ছোটবেলা থেকেই করা ভালো।

* পানি পান করলে শরীরের শক্তি বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১৮ গ্লাস পানি পান করলে তা ঘাম অথবা মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। প্রচুর পানি পানের ফলে শরীরের বাড়তি চর্বি গলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ওজন ঝড়ে পড়ে।

* কিডনির কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান এক ধরনের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা, যা হাঁপানি এবং বিভিন্ন ব্যথার ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়। পানির বদলে কোকা কোলা, ফান্টা বা চিনি মিশ্রিত পানীয় না খাওয়াই শরীরের জন্য ভালো।

* পানি পান ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে। এর ফলে শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো সজীব ও প্রাণবন্ত হয় এবং ত্বক হয়ে উঠে মসৃণ ও সুন্দর। পানিত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে। পানির কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় থাকে। তবে কিডনি, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা পানি পানের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।

* যারা মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পানি ওষুধের ভূমিকা পালন করে। পানিশূন্যতা মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ, তাই মাইগ্রেনকে দূরেরাখতে বেশি বেশি পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

* ঠান্ডা লাগা ও পেট খারাপের সময় বাড়তি পানি পান প্রয়োজন। পেট খারাপের সময় ফার্মেসিতে পাওয়া যাওয়া লবন পানি বেশ উপকারী।

* রাতে ঘুমানোর কারণে একটা দীর্ঘ সময় হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে খালি পেটে এক গ্লাস পানি খেলে মাংসপেশী ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং এর মাধ্যমে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়েযায়।

...শীতের কারণে অনেকেই পানি পানের ব্যাপারটি কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাপারটি মোটেও ঠিক নয়। পানি না খেয়ে মানুষ বেশি দিন বাঁচতে পারে না। তবে শুধুবেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজনীয় এমনটি নয়। সুস্থ থাকার জন্যও পানি খাওয়ার ভূমিকা অনেক।