Lifestyle Image

নিজেকে বদলান



* যখন আমরা কোনও ব্যাপারে অতিরিক্ত স্ট্রেসড থাকি মানসিকভাবে, তখন আমাদের শরীরে মাত্র ৯০ সেকেন্ড তার প্রভাব থাকে। তারপরেই তা চলে যায়। এর অর্থ আবেগের জন্যই আমাদের শরীর স্ট্রেসের ফলে রি-অ্যাক্ট করে। আমাদের ভাবনাতে নেগেটিভ আবেগকে আমরা বার বার ফিরে আসতে বাধ্য করি বলেই আমরা বেশি করে স্ট্রেসড হই। তাই ক্রমশ খানিকক্ষণের ভাবনাচিন্তায় বিরতি দিয়ে দিয়ে নেগেটিভ চিন্তা করলে স্ট্রেস লেভেল আস্তে আস্তে কমবে। আসলে দুঃখবিলাসীরা একেবারে চিন্তা মন থেকে ঝেরে ফেলতে পারবেন না কখনও।

* আমাদের অনেকেরই একটা স্বভাব রয়েছে, ঝামেলায় পড়লেই আমরা জনে জনে নিকট-পরিচিতদের সঙ্গে বারে বারে একই আলোচনা করি, কী করে সমাধান হবে। কিন্তু এত বেশি আলোচনার তো প্রয়োজন পড়ে না। যত বেশি আপনি এসব ভাবনা/চিন্তা করবেন আপনার দুশ্চিন্তা, স্ট্রেস, অবসাদ, দুঃখ ততই বাড়বে। বেশি লোককে সমস্যা বললে তো সমাধানটা সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যাবে না, এটা আপনাকে বুঝতে হবে।

* অফিসের কাজ, আপনার কোনও হবি পূরণ হওয়া, বা বাড়িতে খানিকটা সময় প্যাশনেট কোনও কাজে কাটানো, যেটা আপনার করতে ভালো লাগে, সেখানে যদি কেউ অযাচিতভাবে এবং ভুলভাবে আপনার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে, তাহলে কীরকম লাগবে? ভালো না।

আর তার থেকেও বেশি ভালো লাগে না তখনই, যখন কেউ সেটা প্রতিবাদ না করে মেনে নেয় চুপচাপ। মনে রাখবেন আপনার সমালোচনা বা কাজের ভুল কেউ ধরতেই পারে কিন্তু অযথা ইগো প্রবলেম করে তৈরি হওয়া অশান্তির পরিবেশ কোথাওই কাম্য নয়।

* কোনও পুরনো গেট টুগেদার বা বাড়িতে কোনও আত্মীয় এসেছে অথচ তাদের সঙ্গে সেই সময় কাটানোর স্মৃতিটা হয়তো ভালো না। কিন্তু আমরা কিছুতেই তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারি না। অথচ এটা তখনকার ব্যাপার। আর আমরা রয়েছি এখন, এই মুহূর্তে। অথচ কোনও অনুষ্ঠান বা গ্যাদারিং উপলক্ষেই আমাদের পুরনো স্মৃতি ফিরে আসে। এই ভাবনাগুলো বাদ দিন। এখন আপনার পাশে যারা রয়েছে তাদের ভালো-মন্দ নিয়েই আপনাকে বাঁচতে হবে। এই সহজ-সরল সত্যটা মেনে নিন।

…নিজেকে একটু বদলে নিতে পারলেই ফিরে আসবে জীবনের সঠিক ছন্দ। তার জন্য সামান্য, হয়তো খুব সামান্য কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রেখে এগোতে হবে।