Site maintenance is running; thus you cannot login or sign up! We'll be back soon.

আবিদ রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

কবিতার সংজ্ঞা

কবিতার সংজ্ঞা যদি জিজ্ঞেস না করা হয়, আমি জানি। যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আমি জানি না।
—সেন্ট অগাস্টিন
.
কবিতা মানে সর্বোত্তম শব্দ সর্বোত্তমভাবে সাজানো।
—কোলরিজ
.
যা পুরোপুরি বুঝে উঠব না, বুকে ওষ্ঠে হৃৎপিণ্ডে রক্তে মেধায় সম্পূর্ণ পাব না; যা আমি অনুপস্থিত হয়ে যাওয়ার পরও, রহস্য রয়ে যাবে রক্তের কাছে, তার নাম কবিতা।
—হুমায়ুন আজাদ continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - মাসুম বাদল

    বাহ... emoticons

আবিদ রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য

গ্র্যজুয়েশন শেষ করার পর আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হয় একটি চাকরি খোজা। অনেকেই আবার গ্র্যাজুয়েশনের আগেই চাকরি খোজা শুরু করে। প্রয়োজনের তাগিদে তখন পড়া লেখা শেষ করার আগেই চাকরিতে প্রবেশ করে। এবং নাম মাত্র মূল্যে নিজের জীবনের অমূল্য সময় গুলো বিক্রি করতে থাকে।
 
পরিচিত অপরিচিত সবার কাছ থেকেই একটা প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। কি কর তুমি? যদি কোন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি থাকি, বলা যায়, পড়ালেখা করি। যদিও পড়া লেখা  করতে ইন্সটিটিউট এর প্রয়োজন হয় না।
যদি কোথাও না পড়ি, তখন যদি বলি কিছু করি না। তখন প্রশ্ন কর্তার অভিব্যাক্তি অবশ্যই ভালো দেখায় না। আর উত্তর যদি হয় জব করি, ঐ কম্পানিতে, তখন অবশ্যই অভিব্যাক্তি দারুণ দেখায়। কিন্তু চাকরি করা থেকে অনেক ভালো কিছু রয়েছে করার মত। চাকরি বলতে যদি বুঝায় টাকা উপার্যন করা। তবে সৎ ভাবে টাকা উপার্জন করার অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে।
 
চাকরি বলতে যতক্ষন কাজ করা, ততক্ষনই টাকা। কাজ বন্ধ তো টাকা ও বন্ধ। আর মাসের শেষে একটা এমাউন্ট। যা প্রথম সপ্তাহেই শেষ হয়ে যায়। মাসের বাকি দিন গুলো আবার এদিক ঐদিক করে চলতে হয়।
 
কেমন হয় যদি সারাক্ষনই টাকা উপার্জন হতে থাকে? কাজ করলেও, কাজ না করলেও? সারাক্ষন উপার্জন করা কি অসম্ভব কিছু? অবশ্যই না। অনেক গুলো সুন্দর পথ রয়েছে। ব্যবসা করা, ইনভেস্ট করা, ক্রিয়েটিভ কাজ করা যেমন ডিজাইনিং, ডেভেলপিং, লেখালেখি/ব্লগিং, ফটোগ্রাফি, সহ আরো অনেক। এগুলো থেকে রায়ালিটি ইনকাম আসতে থাকে। প্রথম প্রথম সময় দিতে হয়। এর পর আর তেমন সময় না দিলেও হয়। প্রথম প্রথম যে সময় দিতে হয়, তা একটি চাকরি খোজার সময় থেকেও কম। অনেক কম কষ্টের।
 
চাকরি... continue reading
Likes Comments
০ Shares

আবিদ রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

আগরবাতি ব্যবসা

অনেকদিন পর এলাম। নিশ্চয় সবাই ভালো আছেন। 
আগরবাতি হল কাঠিতে মশলামাখা সুগন্ধিযুক্ত এক ধরণের বাতি। আগরবাতিতে আগুন জ্বালালে তা ধীরে ধীরে পুড়ে চারপাশে সুগন্ধ ছড়ায়। সাধারণত বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও অনুষ্ঠানে আগরবাতি জ্বালানো হয়। আগরবাতি জ্বালালে ঘরের পরিবেশ ও চারপাশ সুগন্ধে ভরে যায়। ক্ষুদ্র ব্যবসা হিসেবে আগরবাতি তৈরি করে আয় করা সম্ভব। যে কোন ব্যক্তি নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার জন্য আগরবাতি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আগরবাতির চাহিদা প্রায় সারাবছরই থাকে। মন্দির, মসজিদ, গির্জা প্রভৃতি উপাসনালয়ে বা বাড়িতে পূজা বা মিলাদে আগরবাতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া সুগন্ধি হিসেবে এখন অনেকে প্রতিদিন ঘরে বা দোকানেও আগরবাতি ব্যবহার করেন। স্থানীয় বাজার, থানা শহর অথবা উপজেলা শহরে আগরবাতি বিক্রি করা যায়। পাইকারি হিসেবে দোকানদারদের কাছে অথবা খোলা বাজারে বা হাটে খুচরাভাবে ক্রেতাদের কাছে আগরবাতি বিক্রি করা সম্ভব। সবচেয়ে বেশি বিক্রি করা যায় মাজারের কাছে। এছাড়া বিভিন্ন উপাসনালয়ে আগরবাতি বিক্রি করা সম্ভব।
 
আগরবাতি তৈরির জন্য স্থায়ী উপকরণ কিনতে আনুমানিক ১৫০০ টাকার প্রয়োজন হবে। ১০০টি আগরবাতি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনতে আনুমানিক ৩০০০ টাকার প্রয়োজন হবে। অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে আগরবাতি তৈরি এবং এ ব্যবসার বিস্তারিত জেনে নিলে ব্যবসা করতে সুবিধা হবে।
 
আগরবাতি তৈরি করতে যা যা লাগবে -
 
স্থায়ী উপকরণ
গামলা, বাটি, ডালা, চুলা, পিঁড়ি ও বেলন, দাঁড়িপাল্লা, চালনি, প্যাকেট
 
কাঁচামাল 
রঙ, কাঠের গুড়া/ভূষি, কয়লার গুঁড়া, বিজলা গাছের ছাল, ডিপিই তেল, তরল সেন্ট, বাঁশের কাঠি 
 
আগরবাতি তৈরির নিয়ম – কানুন  
 
১। চিকন করে মাপ মতো বাঁশ কেটে টুকরো করতে হবে। নরম কাঠি ব্যবহার না করাই ভালো। কাঠিগুলো রঙিন করতে চাইলে গামলায় রঙ গুলে কাঠিগুলো... continue reading
Likes Comments
০ Shares

আবিদ রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

পেটেন্ট কি ?

ধরেন, আপনি কোনো কিছু আবিষ্কার করলেন। সেই আবিষ্কার-করা জিনিসটি বাজারে বিক্রি করে বেশ একটা ব্যবসা জমিয়ে তোলা সম্ভব। এখন, তোমার অনুমতি ছাড়াই আরেকজন তোমার আবিষ্কার-করা জিনিসটি বানিয়ে বানিয়ে বাজারে বিক্রি করতে শুরু করল। ব্যাপারটা কি তোমার তখন ভালো লাগবে? বিষয়টাও তো ভালো হবে না!
এখন কী করলে ব্যাপারটা বন্ধ করা যায়? হ্যাঁ, সেই রাস্তাই হল পেটেন্ট করা। তুমি আবিষ্কারটি নিজের নামে পেটেন্ট করে ফেলবে। তাহলে চাইলেই কেউ আর তোমার আবিষ্কার-করা জিনিসটি বানিয়ে বিক্রি করতে পারবে না। করলে, তুমি মামলা করে তারও একটা বিহিত করতে পারবে।
 তাহলে যেটা দাঁড়াল, পেটেন্ট হল একধরনের অধিকার। তুমি কোনো কিছু আবিষ্কার করলে রাষ্ট্রকে জানাবে, এটা তোমার আবিষ্কার। এটা বানানোর অধিকারও তোমার। বিনিময়ে রাষ্ট্রও তোমাকে কিছু শর্ত দিয়ে দেবে। যেমন, এই অধিকারটা কিন্তু তোমার আজীবনের নয়; একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জিনিসটি তুমি একা বিক্রি করতে পারবে। সাধারণভাবে, মেয়াদটা অন্তত বিশ বছর হয়। আবিষ্কার-করা জিনিসটার ধরন অনুযায়ী এই মেয়াদ কমবেশিও হতে পারে। আরেকটা শর্তও কিন্তু থাকে- তোমাকে আবিষ্কারের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করতে হবে।
 পেটেন্ট করার এই অধিকার রাষ্ট্র দেবে তো! আগে সেটা রাষ্ট্রের ইচ্ছাধীন ছিল। চাইলে কোনো রাষ্ট্র এই অধিকার না-ও দিতে পারত। পরে, বিশ্ব শ্রম সংস্থা একটা বোঝাপড়া করল যে, সংস্থাটির সব সদস্যকে এই পেটেন্ট অধিকার দিতে হবে। এখন বিশ্ব শ্রম সংস্থার ১৫৯টি সদস্য দেশকেই পেটেন্ট অধিকার দিতে হয়।
 এই পেটেন্ট শব্দটা কোথা থেকে এল? এসেছে ল্যাটিন শব্দ patere থেকে, যার অর্থ খুলে রাখা। পৃথিবীতে প্রথম পেটেন্টের ধারণা চালু হয় প্রাচীন গ্রিসের একটি শহর সাইবেরিসে, খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে। সেটি অবশ্য এখনকার পেটেন্ট ব্যবস্থার মতো ছিল না। যা হোক, আধুনিক পেটেন্ট প্রথম চালু হয় ভেনিসে, ১৪৭৪... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - শাহ আলম বাদশা

    লেখার উদ্যম থাকা ভালো। কিন্তু কবিতা লিখতে হলে ছন্দজানা জরুরি। আর উপমা-তাল-লয় সম্পর্কে জানলেও কবিতার মান আরো ভাল হবে। 

    আর বেশ বানানও ভুল; যেমন- মত=মতো/মতোন, নিরবে =নীরবে,  আর সাধুভাষার শব্দ কবিতায় লা লেখাই ভালো-যেমনঃ দিব=দেবো হবে। 

     

    ভেওতরে কবিত্ব আছে বোঝা গেলো। 

    - আলমগীর সরকার লিটন

    কবিতা ভাল লাগল কিন্তু

    প্রেফাইলের ছবি যদি পরিবর্তন করতেন

    • - পিয়ালী দত্ত

      khub valo

আবিদ রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

ঠিক করো, কীভাবে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখবে _এ পি জে আবদুল কালাম

চারোতার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আমি অভিবাদন জানাচ্ছি স্নাতকদের, তাদের শিক্ষাগত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য। আরও অভিনন্দন জানাই তাঁদের শিক্ষকদের, যাঁরা এই তরুণ আত্মাগুলোকে পরিপূর্ণ করে তুলেছেন।
 
‘অসাধারণ গবেষণা একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে মহৎ করে তোলে’—এ বিষয়ে আজ আমি আমার কিছু অভিমত তুলে ধরব।
 
তৃতীয় বর্ষে বৈমানিক প্রকৌশলবিদ্যা পড়ার সময় পাঁচজন সহপাঠী নিয়ে আমার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হলো একটি নিম্নস্তরবর্তী আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমানের নকশা তৈরি করার। সিস্টেম নকশা প্রণয়ন এবং সমন্বয় সাধনের গুরুদায়িত্ব আমার। প্রকল্পটির আনুষঙ্গিক, বিমানের গতির হিসাব এবং কাঠামোগত নকশাও আমাকে দেখতে হবে। বাকি দলের কর্মীরা দেখবে বিমানের পরিচালনক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, নেতৃত্বের ভূমিকাসহ অন্যান্য যান্ত্রিক বিষয়গুলো। আমাদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মাদ্রাজ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শ্রীনিবাস। আমাদের কাজ দেখে তিনি ঘোষণা দিলেন, প্রকল্পটির পুরোটাই হতাশাজনক। এতজনের নকশা একত্র করে এ পর্যন্ত উপস্থাপন করতে আমরা যে কতটা পরিশ্রম করেছি এবং কতটা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে এসেছি, সেটা তিনি কানেও তুললেন না। আমি এক মাস সময় চাইলাম। অধ্যাপক শ্রীনিবাস জবাব দিলেন, ‘দেখো, ইয়ং ম্যান! আজ শুক্রবার দুপুরবেলা। আমি তোমাকে তিন দিন সময় দিচ্ছি। সোমবার সকালের মধ্যে এই নকশার কনফিগারেশন হাতে না পেলে তোমার স্কলারশিপ বন্ধ।’ আমার পুরো জীবনটাই যেন কেঁপে উঠল। স্কলারশিপই আমার বেঁচে থাকার প্রধান মাধ্যম। নয়তো আমার পড়াশোনাই হয়তো থেমে যাবে। তাই এ প্রকল্পটি শেষ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। পুরো দল আমরা দিন-রাত কাজ করার প্রয়োজন অনুভব করলাম। রাতে ঘুমাতাম না। খাওয়ারও ঠিক নেই। শনিবার নিলাম এক ঘণ্টার ছুটি। রোববার সকালে আমাদের কাজ প্রায় শেষের দিকে। হঠাৎ মনে হলো, ল্যাবরেটরিতে কারও শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে ছিলেন অধ্যাপক শ্রীনিবাস, যিনি আমাদের কাজের... continue reading
Likes Comments
০ Shares
Load more writings...