Technology Image

স্টিভ জবসের অজানা তথ্য



গত সপ্তাহে বাজারে এসেছে স্টিভ জবসকে নিয়ে লেখা বই ‘বিকামিং স্টিভ জবস: দ্য ইভোলিউশন অফ অ্যা রেকলেস আপস্টার্ট ইন্টু অ্যা ভিশনারি লিডার’। বইটিতে জবস সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য তুলে ধরেছেন ব্রেন্ট শ্লেন্ডার এবং রিক টেটজেলি।

অ্যাপলের নির্বাহীরাও জানিয়েছেন, বইটিতে স্টিভ জবসের জীবনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। বইটিতে জবস সম্পর্কে এমন অনেক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে যা গণমাধ্যমেরও জানা ছিল না।

শ্লেন্ডারের সাথে জবসের ছিল বেশ ভালো সম্পর্ক। তিনি কাজ করতেন ফরচুন ম্যাগাজিন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে। ২৫ বছর ধরে তিনি এই দুইটি সংবাদমাধ্যমে অ্যাপলের হয়ে কাজ করেছেন।

বইটি থেকে সংগৃহীত জবসের কিছু অজানা তথ্য আজ তুলে ধরা হল:

১. কর্মীদের বরখাস্ত করা অপছন্দ করতেন জবস: কর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা অপছন্দ করতেন জবস। আর সন্তানের বাবা হওয়ার পর এই অপছন্দ করার ব্যাপারটা আরও বেশি হয়েছিল। এ বিষয়ে বইটিতে জবসের একটি বক্তব্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। জবস বলেছিলেন, "আমি মনে করি এটি হয়তো আমিও হতে পারতাম যে বাড়ি গিয়ে স্ত্রী এবং সন্তানকে বলছে যে আমাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। অথবা ২০ বছর পর হয়তো এটা আমার সন্তানের ক্ষেত্রেও হতে পারে। আমি এর আগে কখনও এই বিষয়টি নিয়ে এর আগে কখনও এভাবে চিন্তা করিনি।"

২. স্কুলে দুটি গ্রেড না পড়েই পার পেয়েছিলেন জবস: জবস তার স্কুলে ষষ্ঠ গ্রেড বাদ দিয়েছিলেন। পরে তার শিক্ষকরা তাকে সপ্তম গ্রেড বাদ দিয়ে একেবারে অষ্টম গ্রেডে প্রমোশন দিয়ে দেন। আর এই ঘটনা দেখে জবসের বাবা-মা তাকে আরও প্রতিযোগিতামূলক স্কুলে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

৩. জবস তার পছন্দের ব্যক্তিদের কথা শুনতেন: অল্পতেই রেগে যেতেন জবস। আর তাই তার সাথে কাজ করাও ছিল কঠিন ব্যাপার। একবার জবস ম্যাক টিমের এক প্রকৌশলীকে অপসারণ করে বসেন। পরে সেই টিমের অন্যরা যখন তাকে বলেন যে সে প্রকৌশলীর মতো অভিজ্ঞ কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, তখন জবস তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তাকে আবার ফিরিয়ে আনেন।

৪. জবস ভাবতেন সবাই তাকে ব্যবসা করার অযোগ্য ব্যক্তি মনে করে: "আমি যখন বেঁচে থাকব না, তখন আমার সৃজনশীল কাজের জন্য সবাই বাহবা দেবে। কিন্তু কেউ জানবে না যে আমিও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে পারি।", নেক্সটে কাজ করার সময় বলেছিলেন জবস।

৫. জবসের প্রথম চাকরি ছিল একটি আপেল বাগানে: কলেজ থেকে ড্রপ আউটের পর জবস ওরিগনের একটি আপেল বাগানে চাকরি নিয়েছিলেন যা ছিল তার জীবনের প্রথম চাকরি।