লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

নক্ষত্র বনভোজনের কিছু মুহুর্ত - ফুটবল ম্যাচ ও অন্যান্য

ফেসবুক থেকে পাশা দাদার এলবাম থেকে ছবিগুলো নিয়ে এই পোষ্ট সাজিয়েছি। 

ড্রিবলিং চলছে
বল কাটিয়ে নিয়েছেন তিনি
এগিয়ে যাচ্ছেন বল নিয়ে
লড়াই চলছে

প্রথম অর্ধের খেলা শেষে খেলোয়াড়গণ 
খেলতে খেলতে কাহিল সুমন দাদা
ফুটবল ম্যাচের দর্শক সারি
শাহিদুল ইসলাম প্রামানিক দাদা র গান 
পুরস্কার বিতরনী
অধিনায়ক কবি ফাতিন আরফি দাদাসহ বিজয়ী দলের খেলোয়াড়গন 

দাদারা সবাই


পাশা দাদা

দাদারা

ছবি পোজ

দাদারা খাচ্ছে
continue reading
Likes ১০ Comments
০ Shares

Comments (10)

  • - শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

    খাগড়াছড়ি থেকে বান্দরবন। সু্ন্দর প্লান। সফল হোক এই কামনা করি।

    - ঘাস ফুল

    অনেক শুভ কামনা রইলো। আশা করছি ভ্রমণের পুরো চিত্র নিয়ে এসে পোষ্ট দিবেন। বেশী বেশী করে ছবি তুলে আনবেন কিন্তু। ধন্যবাদ দস্যু। 

    - চাতক পাখী

     

লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

সোনাবউ

বাংলাদেশের প্রায় বেশির ভাগ এলাকাতেই এক সময় সোনাবউ নামের এই পাখিদের দেখা যেত। এখন সিলেট এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও এদের খুব একটা দেখা যায় না। বেনেবউ-এর সঙ্গে সোনাবউ-এর স্বভাবের ফারাক খুব কম। শুধু রঙ দেখেই এ দুটি পাখিকে আলাদা করা যায়। 
পুরুষ সোনাবউয়ের গায়ের রঙ উজ্জ্বল সোনালি হলুদ। ঠোঁটের গোড়া থেকে একটি টানা কালো দাগ চোখের উপর দিয়ে চলে গেছে কান পর্যন্ত। দেখলে মনে হয়, কাজলটানা দুটি চোখ। ডানার পালক ও লেজ কালো। অন্যদিকে মেয়ে সোনাবউয়ের গায়ের উপরের অংশ সবুজাভ হলুদ। পেটের হলুদ অংশটা একটু ফিকে-হয়ে-আসা। ডানার পালকের ডগায় সবুজাভ হলুদ রং থাকে। আর ঘাড়ে আছে সামান্য বাদামি ছোপ।
গ্রীষ্ম থেকে শরৎ-- মূলত এই ছয় মাস সে থাকে তার আবাসস্থলে। বাকি ছয় মাস খুব কমই দেখা যায় এদের। তখন ওরা দলে দলে শীত কাটাতে চলে যায় আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে। অর্থাৎ তাপমাত্রা একটু কম হলেই সহ্য করতে পারে না। যে দেশে তাপমাত্রা বেশি, চলে যায় তেমন দেশে। আর এ কারণেই এই পাখিদের বেশি দেখা যায় সিংহল বা শ্রীলঙ্কা, ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ আর পাকিস্তানের উত্তর-পূর্ব বেলুচিস্তানে। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মহীশুর, বিহার এবং রাজস্থানেও ওদের দেখা পাওয়া যায়।
ওদের মধ্যে একটা প্রবণতা আছে যে, ওরা লোকালয়ের আশেপাশে খুব একটা আসে না। তাই ওদের দেখাও মেলে কম। এ থেকেই অনেকে ধারণা করেন, ওরা আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে গেছে। আসলে ওরা কখনও-ই খুব বেশি পরিমাণে ছিল না। আর যাও-বা আছে, তারাও লোকালয়ে আসে না বলে দেখা পাওয়া-ই ভার। মাঝেমধ্যে ভুল করে লোকালয়ে চলে আসলেই ওদের দেখা যায়।
ওরা লোকালয় এড়িয়ে চলে ওদের লাজুক প্রকৃতির জন্য। মূলত বড় বড় গাছের মগডালে ঘোরাঘুরি... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (7)

  • - মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা

    নক্ষত্র ব্লগ: একুশে সংকলনএর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

    আশা করি ছড়া, কবিতা, স্মৃতিচারণ, গল্প,  প্রবন্ধ ইত্যাদি নিয়ে একটি দারুন সংকলন হবে।

    ব্লগারদের পক্ষ থেকে নীলদাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    এ ধরনের সৃজনশীল কাজ অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা।

    শুভকামনা।

    • - নীল সাধু

      ইনশাল্লাহ

    - মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা

    নক্ষত্র ব্লগ: একুশে সংকলনএর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

    আশা করি ছড়া, কবিতা, স্মৃতিচারণ, গল্প,  প্রবন্ধ ইত্যাদি নিয়ে একটি দারুন সংকলন হবে।

    ব্লগারদের পক্ষ থেকে নীলদাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

    এ ধরনের সৃজনশীল কাজ অব্যাহত থাকবে এ প্রত্যাশা।

    শুভকামনা।

    - আলভী

    দারুন! সফলতা কামনা করছি।

    • - নীল সাধু

    Load more comments...

লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

ভয়াবহ ভয়ংকর সুন্দর ৫টি সড়ক

 
ভাবছেন সড়ক আবার ভয়ংকর হয় কী করে! তাই না? পৃথিবীতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ মানুষ কিন্তু মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনাতেই। তাই রাস্তার সাথে ভয়াবহতার আসলে অনেক পুরনো সম্পর্ক। আজকে আমরা নিয়ে এলাম পৃথিবীর সবচাইতে ভয়ানক ও বিপদজনক পাঁচটি সড়কের কথা। এগুলো দেখতে যেমন ভয়ানক,তেমনই খুনে প্রকৃতির। তালিকার প্রথমেই রয়েছে "মৃত্যু সড়ক" নামে কুখ্যাত বলিভিয়ার ‘Old Yungas’ রোড। প্রতিবছর এখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন!
১. বলিভিয়ার ‘Old Yungas’ রোডঃ
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর রাস্তা এটা। স্থানীও লোকজনের কাছে এটা ‘মৃত্যু সড়ক’ অথবা ‘Road Of Death’ নামেও পরিচিত। প্রতিবছর এই রাস্তায় প্রায় ৩০০-৪০০ লোক মারা যায়। এই রাস্তা এতই সংকীর্ণ যে মাত্র একটি গাড়ি চলাচল করতে পারে। এই রাস্তাটি লা পাজ এবং করইকো নামক স্থান দুটির সংযোগ সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রাস্তাটি ভূমি থেকে প্রায় ৩০০০ ফুট উপরে অবস্থিত। রাস্তার একপাশে পাহাড় থাকার কারনে এই রাস্তায় ভূমি ধস ও পাহাড় ধস হয়ে থাকে।
২. জেমস ডাল্টন হাইওয়েঃ
ডাল্টন হাইওয়ের প্রকৃত নাম হচ্ছে জেমস ডব্লিও ডাল্টন হাইওয়ে। ডাল্টন হাইওয়ের অবস্থান আলাস্কায়। এটা ৪১৪ মাইল লম্বা। উত্তর ‘Fairbanks’ এর ইলিওট হাইওয়ে থেকে এই রাস্তার শুরু এবং রাস্তার সমাপ্তি ঘটে আর্কটিক সাগরের কাছাকাছি ‘Dead Horse’ নামক স্থানে। জেমস ডাল্টনের নামানুসারে এই হাইওয়ের নাম হয় ‘ডাল্টন হাইওয়ে’ ,পেশায় তিনি ছিলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং তিনি কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন।
৩. Stelvio Pass, ইতালিঃ
এটা সুইস সীমান্তের খুব কাছাকাছি অবস্থিত এবং আল্পস এর পূর্ব দিকে অবস্থিত। সমুদ্রতল থেকে ৯০০০ ফুট ওপরে অবস্থিত এই রাস্তাটি পৃথিবীর বিপজ্জনক রাস্তা গুলোর মধ্যে একটি কারন এতে রয়েছে ৪৮ টির মত তীক্ষ্ণ বাঁক। এবং এই রাস্তার মাঝে কোন উঁচু... continue reading
Likes ১০ Comments
০ Shares

Comments (10)

  • - চারু মান্নান

    বাহ দারুন কবি ভাই,

    মাঘের মৌনতা ভাঙে,পানকৌড়ির ডুবসাঁতারে!,

     

    • - আলমগীর সরকার লিটন

      চারু দা

      সুন্দর মন্তব্য করার জন্য

      অসংখ্যা ধন্যবাদ

      ভাল থাকুন----

    - মাসুম বাদল

    কবিতায় ভাললাগা... 

    • - আলমগীর সরকার লিটন

      দাদা

      কবিতা ভাল লাগার জন্য

      অসংখ্যা ধন্যবাদ

      ভাল থাকুন----

       

    - সনাতন পাঠক

    খুব সুন্দর লিখেছেন। শুভেচ্ছা 

    • - আলমগীর সরকার লিটন

      সুন্দর মন্তব্য করার জন্য

      অসংখ্যা ধন্যবাদ

      ভাল থাকুন----

    Load more comments...

লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

দীপ নিভে গেছে - রহস্যময়ী মহানায়িকার মহাপ্রস্থান

চলে গেলেন মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। কিন্তু বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক কি কোনো দিন ভুলতে পারবেন সাগরিকা সিনেমার সেই অবিস্মরণীয় সংলাপ ‘ভালো না বাসলে কি তাকে এতখানি ছলনা করতে পারতাম?’ কিংবা ‘তুমি যে আমার’ গানের সঙ্গে সেই অনন্য অভিব্যক্তি?
বাংলা চলচ্চিত্রের ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ ছিলেন সুচিত্রা সেন। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগে যে মহানায়িকার আবির্ভাব তিনি সুচিত্রা সেন। অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্যে তিনি হয়ে উঠেছিলেন কিংবদন্তি।
সুচিত্রা সেনের চেয়ে সুন্দরী বা তার চেয়ে প্রতিভাবান অভিনেত্রী বাংলা চলচ্চিত্রে যে আসেননি তা নয়। কিন্তু তাকে ঘিরে যে রোমান্স ও রহস্যের বাতাবরণ ছিল, তা একান্ত ও একমাত্র তারই। সুচিত্রা সেন যখন পর্দায় তার ভুবনমোহিনি হাসি দিয়ে দর্শককে মোহিত করতেন তখন দর্শকের মনে হত এই নারী যেন ধুলো-কাদার বিশ্বের নয়। এ যেন ধরাছোঁয়ার বাইরের জগৎ থেকে আসা এক অধরা স্বপ্ন। তিনি যে চরিত্রগুলোতে অভিনয়ের জন্য খ্যাতি পেয়েছেন সেগুলোও যেন গড়পরতা চরিত্র থেকে একটু আলাদা। হয়তো কিছুটা অবাস্তবও। যেমন ‘সাগরিকা’ সিনেমার তরুণী সাগরিকা। পঞ্চাশের দশকে এক ধনী নারী, তদুপরি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী, বিশাল এক বাড়িতে একাই থাকেন। তিনি প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী। সেইসঙ্গে আবার প্রেমের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত।
‘হারানো সুর’ সিনেমার ড. রমা। যিনি অ্যামনেশিয়ার রোগী উত্তম কুমারকে কলকাতা থেকে নিয়ে যান প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকা পলাশপুরে। সেখানে চিকিৎসার জন্য তাকে বিয়ে করেন। আবার তার পূর্ব স্মৃতি ফিরিয়ে আনার জন্য কলকাতায় উত্তমের বাড়িতে সামান্য গভর্নেস সেজে থাকেন।
সপ্তপদীর অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মেয়ে রিনা ব্রাউন যে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে আসামে মেডিকেল কোরের নার্স। কিংবা বিপাশা চলচ্চিত্রের পাঞ্জাবি ও বাঙালি বাবামায়ের সন্তান বিপাশা যে একা থাকে এবং প্রেমিককে খুঁজে বের করতে ভারতবর্ষের বিভিন্ন এলাকা একাই চষে বেড়ায়। অথবা ব্রাহ্মণকন্যা ইদ্রাণী যে সমাজের কোনো অনুশাসনই প্রায়... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (9)

  • - ঘাস ফুল

    ভোট কীভাবে এবং কোথায় দিবো?

    • - তাহমিদুর রহমান

      মন্তব্যের ঘরেই গল্পের সিরিয়াল নম্বর লিখে দিন। আপনি লেখা দিলেন না কেন? 

    • Load more relies...
    - নীল সাধু

    পোষ্ট দেখে মনে পড়ে গেলো এই আয়োজনের জন্য আমি নিজেই একটা অনূগল্প পুষ্ট দিসিলাম আজকের লিষ্টিতে আমার গল্প নাই - তার মানে প্রাথমিক সিলেকশানে বাদ পড়ে গেছে।
    কিন্তু যে ১৫টি গল্প নির্বাচিত হয়েছে তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই 
    এই কঠিন কর্মের জন্য তাহমিদের প্রতি শুভেচ্ছা শুভকামনা

    আমার ভোট আমি পরে দিমু। দু একটা পড়া হয়নি।
    সব পড়ে যাচাই বাছাই করে কঠিন কইরা ভোট দিতে হইবো।
    নীড টাইম।

    সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
    সফল হোক সৃজনশীল এই আয়োজন।

    • - আলভিনা চৌধুরী

      আপনে  বাদ !  

      ভাগ্যিস আমি দেই ই নাই । হিহিহি 

      তবে অংশগ্রহণই মূল কথা  

    • Load more relies...
    - ইকবাল মাহমুদ ইকু

    ভোট তা গোপনে নিলে ভালো হইতনা ? 

    • - তাহমিদুর রহমান

      এইটা রাজনীতি টাইপ ভোট নারে পাগলা 

    Load more comments...

লুব্ধক রয়

৫ বছর আগে লিখেছেন

খিল মি, ছামউয়ান খিল মি। (মাইরালা, কেউ আমারে মাইরালা।) ফিরে দেখা ২০১৩

 
বালিকা অফ দি ইয়ারঃ ঐশী
কাপল অফ দি ইয়ারঃ আসিফ নজরুল - শীলা আহমেদ ।
বাচ্চা অফ দি ইয়ারঃ শাবনূরের বাচ্চা (পয়দা হওয়ার আগেই আলোচনায়)
নায়ক অফ দি ইয়ারঃ অনন্ত জলিল (অসম্ভবকে সম্ভব করাই আমার কাজ)
নায়িকা অফ দি ইয়ারঃ জয়া আহসান (বয়স হৈলেও এখন সতেজ আছে)
লুইচ্যা অফ দি ইয়ারঃ আরেফীন রুমি (তোমার চোখে আকাশ আমার চাঁদ উজালো পূর্ণিমা ,জেলের ভিতর বলছে হৃদয় শুকনা রুটি ভালো লাগে না)
বিজ্ঞাপন অব দ্যা ইয়ারঃ সিটি টাচের মোবাইল ব্যাংকিং (ভাবীটা সেই ছিল)
বিয়া অব দ্যা ইয়ারঃ তামিম-আয়শা ।
ষ্ট্যাটাস অব দ্যা ইয়ারঃ Smartphone and PC News
কমেন্ট অফ দি ইয়ারঃ এড মি, আই এম ব্লক
আবেদন অফ দি ইয়ারঃ মাইরালা কেউ আমারে মাইরালা ।
অপবাদ অফ দি ইয়ারঃ তুই রাজাকার, তুইনাস্তিক ।
ঝামেলা অফ দি ইয়ারঃ ফটো ভেরিফিকেশন
প্রশ্ন অফ দি ইয়ারঃ আপনার অনুভূতি কি? (মুন্নী সাহা)
কারণ অফ দি ইয়ারঃ দেয়াল ধরে নাড়াচাড়া করায় রানা প্লাজা ধ্বসে পড়েছে (মখা আলমগীর)
ফল অফ দি ইয়ারঃ তেতুল (শফি হুজুরের তেতুল)
দাবী অফ দি ইয়ারঃ"Fassy Fassy fassy chai.ragakarar fassy chai"
স্লোগান অফ দি ইয়্যারঃ অ তে অমুক তুই রাজাকার তুই রাজাকার ।
গুজব অফ দি ইয়ারঃ সাঈদী সাহেব কে চান্দে দেখা গেছে ।
নির্বুদ্ধিতা অফ দি ইয়ারঃ ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালানো
আন্দোলন অব দ্যা ইয়ারঃ পাকিস্তানী পন্য বর্জন ।
আশা অফ দি ইয়ারঃ এখনো আলোচনার সুযোগ আছে ।
ধমক অফ দি ইয়ারঃ চুপ কর বেয়াদব মেয়ে (খালেদা জিয়া) xD
হুমকি অফ দি ইয়ারঃ গ্রেফতারের চেষ্টা করলে আত্মহত্যা করব। (এরশাদ)
হ্যাপিনেস অফ দি ইয়ারঃ বাংলা ওয়াশ
স্যাডনেস অফ দি ইয়ারঃ হরতাল ,অবরোধ ,ককটেল ,সহিংসতা ,
গর্ব অফ দি ইয়ারঃ সিদ্দিকুর রহমান
রেকর্ড অফ দি... continue reading
Likes ১২ Comments
০ Shares

Comments (12)

  • - মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা

    হেনা ভাইয়ের হাতের লেখায় অতিরিক্ত কোন রং থাকে না। বাস্তব কাহিনিকে রাঙ্গিয়ে দিতে পারেন নিজের প্রতিভার রং দিয়ে। ন্বপ্নাদি ভারতে চলে গেছে কিন্তু লেখকের স্মৃতিতে অম্লান সাথে সে অনুভূতি ছড়িয়ে দিলন পাঠকদের হৃদয়ে । সার্থক লেখা আপনার ।

    শ্রদ্ধা জানবেন।

    • - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

      প্রিয় বাবলা ভাই, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এটি সম্পূর্ণ সত্য ঘটনা ভিত্তিক লেখা। স্বপ্নাদিকে ঠিক যেভাবে দেখেছি, অনুভব করেছি, ঠিক সেই ভাবেই গল্পে তাঁকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি। আপনাদের ভালো লেগে থাকলে আমার শ্রম সার্থক।

      শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল।

    - ঘাস ফুল

    আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল হেনা ভাই। আবারও পড়ে নিলাম। কারণ এই ধরণের গল্প বার বার পড়লেও তৃপ্তি মিটে না। এই গল্পের কাহিনী যে সত্য সেটাও আমার এখনো মনে আছে। তাকে যে এখনো আপনি স্বপ্নে মাঝে মাঝে দেখেন, সেটাও আপনি বলেছিলেন। আপনার উপন্যাস 'স্বপ্ন বাসরে' স্বপ্নাদির কথা ছিল। গল্পটা প্রথম বার যখন পড়ি তখন আমার চোখে পানি এসেছিল আমার মনে আছে। আজও চোখ ভিজে গেলো। প্রথমবার পড়ার পর যে মন্তব্যটা করেছিলাম সেটাই আমার হিসাবে যথার্থ ছিল বলে কপিপেস্ট করলাম হেনা ভাই। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিবেন।

     

    "চোখে পানি এসে গেল। কেউ পড়ে হয়তো বলতে পারেএই গল্প পড়ে চোখে পানি আসার কি আছেকিন্তু আমার মতো ক্ষুদ্র পাঠকের চোখে ঠিকই পানি এসে গেছে। গল্প যখন পড়ছিলাম নিজেকে পটলার জায়গায় কখন বসিয়ে রেখেছি জানি না। তাই হয়তো স্বপ্নাদির জন্য চোখে পানি এসে গেল। কি সুন্দর সম্প্রীতির সম্পর্ক। ধর্মের সম্পর্ক যেখানে গৌণ ছিল। একদিকে যেমন গল্পটা অসাম্প্রদায়িকতার সুফল তুলে ধরেছে ঠিক অন্য দিকে সাম্প্রদায়িকতার কুফলও তুলে ধরেছে। পটল আর স্বপ্নাদির মেলামেশায় অসাম্প্রদায়িকতার সুফল আর হিন্দুরা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়াটা ছিল সাম্প্রদায়িকতার কুফল। ধন্যবাদ হেনা ভাই "

    • - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

      প্রিয় ঘাস ফুল, আমি জানি এই গল্প তুমি আগে পড়েছ। তাই আবার পড়বে, এমনটা ভাবিনি। যাই হোক, পুনরায় পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। বর্তমানে একটা উপন্যাস লেখার কাজে ব্যস্ত থাকায় নতুন গল্প লেখার সময় বের করতে পারছি না। তাই আগে লেখা গল্প গুলিই পোস্ট দিচ্ছি।  

       হৃদয় ছোঁয়া আন্তরিক মন্তব্যের জন্য তোমাকে আবারো ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল।

    • Load more relies...
    - লুৎফুর রহমান পাশা

    আবু হেনা ভাইয়ের গল্প। পড়ছি এরপর মন্তব্য করবো। হাজিরা দিয়ে গেলাম।

     

    • - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

      প্রিয় পাশা ভাই, আপনি গল্পটি পড়ছেন, এতেই আমি খুশি। মন্তব্য খুব জরুরী কিছু নয়। শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকবেন।

    Load more comments...
Load more writings...