তাহমিদুর রহমান

২ বছর আগে লিখেছেন

যে বইগুলো পড়ে চেঞ্জ করতে পারেন নিজের জীবন

মানব জীবনে বই অনেক মূল্যবান সম্পদ। এর গুরুত্ব উপেক্ষা করতে পারবে না কেউই। এই বই আমাদের হাসায়, এই বই আমাদের কাঁদায় আবার এই বই আমাদের নতুন করে বহুকিছুই ভাবতে শিখায়। এই বই পারে আমাদের জীবনের অনেক হতাশাকে দূর করতে, আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে, আমাদের জীবনকে আরও সুন্দর ও অর্থবহ করতে।
০০। দ্য পাওযার অব ইউর সাবকনশাস মাইন্ড - জোসেফ মারফি
০১। দ্য পাওয়ার অব্‌ পজিটিভ থিংকিং- নরম্যান ভিনসেন্ট পিল
০২। দ্য স্যাভেন হ্যাবিটস অফ হাইলি এফেক্টিভ পিপল- স্টিফেন আর. কোভি
০৩। দ্য এলকেমিষ্ট- পাওলো কোৱেলহো
০৪। তুমিও জিতবে - শিব খেরা
০৫। লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না- ড. আইদ আল কারণী
০৬। আত্মনির্মাণ- মহাজাতক
০৭। কোয়ান্টাম মেথড- মহাজাতক
০৮। মোরা বড় হতে চাই - আহসান হাবীব ইমরোজ
০৯। উইংস অব ফায়ার- এ. পি. জে. আবদুল কালাম
১০। টার্নিং পয়েন্টস- এ. পি. জে. আবদুল কালা
১১। উচ্চাকাঙ্খার ম্যাজিক- ডেভিড জোসেফ শ্বার্টজ
১২। জিতুন বা হারুন তৈরি থাকুন- ড. উজ্জ্বল পাটনি
১৩। সফল বক্তা সফল ব্যক্তি - ড. উজ্জ্বল পাটনি
১৪। নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারবেন না- ডাঃ ড্যানিয়েল জি. আমেন
১৫। নিজেকে বদলান নিজেই- ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
১৬। একশ মনীষীর জীবনী- মাইকেল এইচ হার্ট
১৭। ডেল কার্নেগীর রচনাসমগ্র- ডেল কার্নেগী
১৮। লুৎফর রহমানের রচনাসমগ্র- লুৎফর রহমান
১৯। সাফল্যসমগ্র- মোস্তাক আহ্‌মাদ
২০। ব্যর্থতা ও হতাশার অবসান- এস. এম. জাকির হুসাইন
২১। দ্যা ওল্ড ম্যান এন্ড দ্যা সি - আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
নিজে একটি ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ রয়েছে। পৃথিবীর বড় বড় ব্যবসায়ীরা তাদের বাণিজ্যিক সফলতা নিয়ে নানা বই লিখেছেন। এমন নানা বই ঘেঁটে পরামর্শদাতারা আপনাকে ১২টি বইয়ের সন্ধান দিয়েছেন যেগুলো একটি নতুন ব্যবসা শুরুর আগে সবারই পড়া উচিত।
১.... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - এস আহমেদ লিটন

    চমৎকার গ্রাম বাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে কিন্তু ভোটিং সিস্টেম কই? 

তাহমিদুর রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

একটা গল্পের শুরু

বাজারটার সামনেই প্রায় পঞ্চাশ মানুষের জমায়েত। সবাই লুঙ্গি পরিহিত। আজকালকার যুগে এত মানুষকে একসাথে লুঙ্গি পড়া অবস্থায় দেখা যায় না। অথচ আজ শুক্রবার, বাজার বন্ধ। বাজারের উল্টো পাশে অলস ভঙ্গীতে দোকানি তালা চাবি বিক্রি করার দোকানটা খুলছে। তার ভঙ্গীটা এমন যে সে ভেবেই রেখেছে আজ খদ্দের তেমন আসবে না। তবে পাশের কম্পিউটার দোকানটাই যেন বিরাম নেই। এই সকালেই কিবোর্ডের তাল তুলেছে কম্পিউটারওয়ালা। আর মাঝে মাঝে জড়ো হওয়া লোকগুলোর দিকে তাকিয়ে নিজের চোখকে বিশ্রাম দেওয়ার চেষ্টা করছে। সাথে একটা ছোটখাটো হোটেল, ডিম ভাজার গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। সেই হোটেল থেকে ব্যাগ হাতে বের হয়ে এল এক যুবক, বোঝাই যায় স্থানীয় নয়। তার কপাল বেয়ে কয়েক ফোটা ঘাম গড়িয়ে পড়তেই ধাক্কা খেল লুঙ্গি পরিহিত এক লোকের সাথে। হাত থেকে পড়ে গেল পঁচিশ হাজার টাকার সোনালী রঙের মোবাইল সেটটা। সাথে সাথেই খিস্তি ঝাড়ল যুবকটা। ঠিক তখনই মিউনিসিপ্যালিটির ট্রাক এসে ডাস্টবিনে জমানো ময়লা নিতে শুরু করল। পচা গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে গেলেও কারো মাঝে ভ্রুক্ষেপ নেই। শুধু একটি ছোট বাচ্চা সকালে হাঁটতে বের হওয়া বাবার পাশে চলতে চলতে প্রশ্ন করে বসল, “বাবা এত গন্ধ কেন?” উত্তরে বাবা শুধু বলল, “হু”। বাচ্চাটা আবার জড়ো হওয়া লোকগুলোর দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করল, “বাবা ওরা কে?” এবার বাবা উত্তর দেয়, “রাজমিস্ত্রী”। ছেলেকে আর কোন প্রশ্ন না করতে দিয়েই রিক্সার জন্যে হাঁক মারে। হয়ত হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছেন। ততক্ষণে ধাক্কা খাওয়া যুবক রীতিমত ঝগড়া লাগিয়ে দিয়েছে সেই লুঙ্গি পরিহিত লোকটার সাথে। “সালা, চাষার দল, দেখে চলতে পারিস না?” একটা মেয়ে হোটেল থেকে দ্রুত এসে যুবকটাকে থামায়। নইলে সেই চাষার সাথে হাতাহাতি মারামারি হয়ে যেত তার। 
এতগুলো চরিত্রের মাঝে কোন চরিত্রই মূল গল্পের কোন চরিত্র নয়।... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - প্রলয় সাহা

    valo laglo

    - দীপঙ্কর বেরা

    ভাল । ভোট দিলাম। 

তাহমিদুর রহমান

৩ বছর আগে লিখেছেন

বেনামী গল্প ২

আরিফুর সাহেবের মেজাজটা অত্যন্ত খারাপ। মানুষের মেজাজ মাপার কোন যন্ত্র থাকলে নিশ্চিত সবচেয়ে উঁচু মানই দেখাত। বলা হত আরিফুর সাহেব উচ্চমাত্রার মেজাজে আক্রান্ত। যার উপর তার এই মেজাজ খারাপ তার নাম হচ্ছে রইসুল, গাড়ির ড্রাইভার। একটা কাজে নিজের গাড়িটা রেখে ভাইরার গাড়িতে করে পান্থপথ এসেছিলেন। কি মনে করে প্রায় এক যুগ পর রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালেন। ঠিক সেই সময় তিনি উচ্চমাত্রার মেজাজে আক্রান্ত হলেন। দেখলেন রইসুল তার গাড়ি দিয়ে ভাড়া খাটাচ্ছে। তাকে যাত্রীদের কথা জিজ্ঞেস করতেই বলল,
-স্যার এরা আমার দূরসম্পর্কের আত্নীয়।
-দূরসম্পর্কের আত্নীয় থেকে টাকাও নাও দেখলাম।
-স্যার আপনি যা ভাবছেন তা না। টাকা ভাংতি ছিল না তাই ভাংতি করছি আর কি।
আরিফুর সাহেব আর কিছু বললেন না তবে ঠিক করলেন এই ব্যাটাকে উচ্চমাত্রার শাস্তি দিতে হবে। চাকরি চ্যূত না করে উচ্চমাত্রার শাস্তি, মানসিক শাস্তি।
গল্পটি অসামাপ্ত।  continue reading
Likes Comments
০ Shares

তাহমিদুর রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

বেনামী গল্প ১

নীলয় অফিসে বের হবার সময় সিড়িতে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে তাকাল। না, প্রতিদিনের মত দিবা দাঁড়িয়ে নেই। বুঝতে পারে, গতকাল রাতের ঝগড়ার রেশ এখনো কাটেনি। গতকাল রাতে একথা, ওকথা মিলে কথা কাটাকাটি হল আর সেই থেকেই ঝগড়ার সূত্রপাত।
নীলয় আর দিবার পরিচয় বছর দশেক হয়ে যাবে কিন্তু বিয়ে হয়েছে মাত্র তিন বছর। এই তিন বছরে ঝগড়া জিনিসটা তাদের কাছে নিত্ত নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছি। অফিসে পৌঁছেই তার কিছু লিখতে ইচ্ছা হল। বহুদিন হল লেখালিখি ছেড়ে দিয়েছে। তবে সে আর কবিতা লিখবে না। কবিতা লিখে বড় মানুষেরা। তার মত ক্ষুদ্র মানুষ আর যাই লেখুক, কবিতা লিখতে পারে না। কোথায় জানি পড়েছিল, কবিরা হেঁটে গেলে তাদের সামনে থেকে পথ ছেড়ে দিতে হয়। তার জন্যে কেউ পথ ছেড়ে দিতে পারে না। সে মার্কেটিং এর লোক, মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে হাত কচলায় তাই তার কবিতা লেখা মানায় না। 
সে অনেকক্ষণ চিন্তা করে ঠিক করল দিবাকে নিয়ে লিখবে। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঠিক করল, দিবাকে একটা চিঠিই লেখা যাক। কিছুদূর লিখে আর চোখ জলে ভরে উঠে। কেউ যেন দেখে না ফেলে সেজন্যে তাড়াহুড়ো করে চোখ মুছে। কেউ দেখে ফেললে লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। continue reading
Likes Comments
০ Shares

তাহমিদুর রহমান

৪ বছর আগে লিখেছেন

লেখক পরিচিতি ১

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ২৬শে জুন ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত
কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং
সে বছরই ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরিতে নিযুক্ত হন। বঙ্কিমচন্দ্র তেত্রিশ বছর একই পদে
চাকরি করে ১৮৯১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি পাঠ্যাব¯’ায়ই সাহিত্যচর্চা শুর“ করেন। তাঁর অসামান্য কৃতিত্ব
প্রকাশ পেয়েছে পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ হিসেবে। ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত তাঁর প্র ম বাংলা
উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী বাংলা কথাসাহিত্যে এক নবদিগন্ত সৃষ্টি করে। তাঁর অন্যান্য উপন্যাস হলো : কপালকুণ্ডলা,
মৃণালিনী, বিষবৃক্ষ, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, রাধারানী, চন্দ্রশেখর, রজনী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ, আনন্দমঠ, দেবী
চৌধুরানী ও সীতারাম। প্রবন্ধ সাহিত্যেও বঙ্কিমচন্দ্র কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। কমলাকান্তের দপ্তর, লোকরহস্য, কৃষ্ণ চরিত্র
ইত্যাদি তাঁর উলে−খযোগ্য প্রবন্ধগ্রš’। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ৮ই এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    হ্যা হ্যা বাদল দাদা যে

    অনেক দিন পর পেলাম দদা

    সালাম নিবেন

    ভাল আছেন নিশ্চিয়-----------

    - Sadat Chowdhury

    সুন্দর

Load more writings...