Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

বাংলা মায়ের গান

বাংলা মায়ের গান
    মিলন বনিক
ঘুরছে নাটাই উড়ছে ঘুড়ি
দূর আকাশের পানে,
খোকার চোখে স্বপ্ন আনে
বাংলা মায়ের গানে।
আউল বাউল জারি সারি
ভাটিয়ালী গান,
কৃষক মজুর কামার তাঁতী
মাঝি মাল্লার প্রাণ।
নদীর ঘাটে হিজল তলায়
রাখাল বাজায় বাঁশী,
কলসী কাঁখে লাজুক বধূর
মুখে ছড়ায় হাসি।
স্বপ্নে দু’চোখ যায় ভরে যায়
পাখির কলতানে,
মুক্ত স্বাধীন স্বদেশ এলো
বাংলা মায়ের গানে।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (4)

  • - নুসরাত জাহান আজমী

    কও কি?? উনি জানে না তুমি কে? 

    • - নুসরাত জাহান আজমী

      এক কাজ কর, আমারে নাম্বারটা দাও, আমি ফুন কইরা দিহি, কেডায় আছে ঐ পাশে।

    • Load more relies...
    - কামরুন নাহার ইসলাম

    সেই সাথে মিলিয়ে, সে আমায় লিখতো “নীল” নামে। আমাদের মেসেজ দেয়া-নেয়া হতো বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি সব ভাষাতেই। অবশ্যই সেটা ইংরেজি অক্ষরে।     

    • - নুসরাত জাহান আজমী

      সমস্যা নাই, বুঝা তো যাইতেসে।

    • Load more relies...
    - কামরুন নাহার ইসলাম

    "সেই সাথে মিলিয়ে "----- চারবার  সংশোধন করেও এই লেখাটুকু মূল পোষ্টে পোষ্ট করতে পারলাম না কেন ????? 

    Load more comments...

Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

অনাথ রাজা

অনাথ রাজা
মিলন বনিক
আজ রাজার মন খারাপ।
সকাল থেকে গোঁ ধরে বসে আছে। কিছুই বলছে না। তিন নম্বর বেডের রোগী কত করে ডাকছে। কাকুতি মিনতি করছে। বার বার বলছে, আইজ আমাগো রাজার কি হইলো। গোস্ সা করছে ক্যান। অ রাজা, ভাই আমার, আমারে একটু ধইর‌ রইদে বসাইয়া দে। বেলা দশটা বাজে। পোলাডা আইজও আইল না। বয়স হইছে। পোলার সংসার বাড়ছে। অহন আর বুড়া মায়ের খবর কেডা লয়। অ নানু ভাই, আমার রাজা। তরে এখকান আপেল খাইতে দিমু। আমারে একটু ধইর‌ খালি রইদে বসাইয়া দিবি।
 
রাজা তেমনি নিশ্চুপ। দুই নাম্বার ওয়ার্ডের গেইটম্যানের ছোট কাঠের টুলে বসে আছে রাজা। দু’মাস ধরে সীতাকুন্ড হাসপাতালের প্রতিটা রোগী রাজাকে দেখে আসছে। আজ হঠাৎ রাজার কি হলো। কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারছে না। ছোট রাজা। দশ বছর বয়স। নাদুস নুদুস গোল গাল চেহারা। সারা মুখে দুষ্টুমি খেলা করছে। মায়া ভরা একখানি নিষ্পাপ মুখ। দু’হাতে চোখ মুছে দ্রুত তিন নম্বর বেডের রোগীর মাথার পাশে বসে। মাথায় হাত বুলিয়ে বলে, তোমারে না ডাক্তারে কইছে, পা নাড়াইতে পারবা না। আমি ধইর‌্যা নিয়া গেলে ডাক্তার আমারে বাইর কইর‌্যা দিবো। হেইয়া তুমি বুঝ না।
- তর আইজ কি হইছে ভাই। তর মন খারাপ ক্যান।
- মায়ের কথা মনে পড়ছে।
- এমন পোড়াকপাইল্যা মা বাপ। এতদিনে পোলাডার একটা খবরও নিতে আইল না।
 
এদিকে সাত নাম্বার বেডের মফিজ ছেলেটা প্রচন্ড যন্ত্রÍনায় ছটপট করছে। রাজা দ্রুত দৌড়ে নার্স রুমে গেল। নার্স নেই। তিন নম্বর ওয়ার্ডে আছে। রাজা ছুটছে সেই ওয়ার্ডে। পেছন থেকে এপ্রোন টেনে ধরে বলল, আপা তাড়াতাড়ি চলেন। সাত নাম্বার বেডের মফিজ ভাই কেমন করতাছে। বড় ডাক্তার... continue reading
Likes ১৩ Comments
০ Shares

Comments (13)

  • - মোঃসরোয়ার জাহান

    বেশ ভালো লাগলো গল্পটি পড়ে।

    - আলমগীর সরকার লিটন

    দাদা

    অসাধারন সুন্দর লাগল

    আবারো ভোট দানে আমন্ত্রিত

     

    - ঘাস ফুল

    বেশ রসালো গল্প লিখেছেন। অনেক মজা পেলাম। বাংলাদেশে যে অবস্থা চলছে তাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের ডিগ্রী প্রয়োজন পড়লে অবাক হওয়ার থাকবেন না। হয়তো দেখা যাবে এর জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ব্যবসা খুলে বসেছে। ভালো লাগলো লেখাটা। ধন্যবাদ বিষাদ নীল। 

Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

তবে তাই হোক (গল্প প্রতিযোগীতা)

তবে তাই হোক
মিলন বনিক
এইতো নিয়তি।
ভাদ্র মাস। ঘর্মাক্ত দুপুর। ঘা থির থির করছে। স্কুল থেকে ফিরে লম্বা ডাটের শরীফ ছাতাটা ঝুলিয়ে রাখলেন দরজার পাশে। অমন কালো ছাতাটা রোদে পুড়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। পায়ে বাটা কোম্পানীর প্লাষ্টিকের কালো পামসু, খুলে রাখলেন বারান্দায়। পরনে হালকা সবুজ রঙ্গের বুক কাটা হাফ হাতা পাঞ্জাবী। ওহ! কি যে গরম পরছে বলে পাঞ্জাবীটা খুললেন। ভিতরে হাফ হাতা গোল গলা গেঞ্জি। ঘামে ভিজে গায়ের সাথে লেপ্টে আছে। কয়েক জায়গায় ছেড়া। ভাগ্যিস সবুজ মোটা কাপড়ের পাঞ্জাবী বলে ভিতরেরটা দেখা যায় না। পাঞ্জাবীটা দেওয়ালের সাথে হ্যাংগারে ঝুলিয়ে কাঠের টুলটায় বসলেন। গেঞ্জিটা আর খোলা হয়নি। ওঠা ঘরোয়া পোষাক।
হায়রে সংসার। বুঝলে বৌমা। এ সংসারে সং সেজে থাকাটায় হচ্ছে সার। তার-ই নাম সংসার। এক বুক চাপা কষ্ট নিয়ে বললেন অবিনাশ চ্যাটার্জী।
- ও বৌমা, আজ তো অরু আসার কথা। এখনও আসেনি।
- না বাবা।
- দেরী হবেই তো। আজকাল রাস্তা ঘাটের যা অবস্থা। আর সময়মত গাড়ী পাওয়াটাও মুশকিল।
তারপর গামছাটা কাধেঁ ঝুলিয়ে পুকুরের দিকে রওয়ানা দিয়ে বললেন - বৌমা তুমি ভাতটা বেড়ে নাও, আমি হাত মুখ ধুয়ে আসছি।
দুইটা বাজে। এটাই নিয়মিত রুটিন। স্কুল শিক্ষক অবিনাশ চ্যাটার্জী। দুই ছেলে। অরিন্দম আর শুভাগত। ঘরে অসুস্থ বউ নিয়তি চ্যাটার্জী। বছর খানেক আগে ষ্ট্রোক করে এখন প্যারালাইজড। সারাক্ষন বিছানায়। একজন আদর্শ শিক্ষকের আদর্শে মানুষ করেছে ছেলে দু’টোকে। বড় ছেলে অরিন্দম একটা ঔষধ কোম্পানীতে ভালো পজিশনে আছে। ছোট ছেলেও একটা শিপিং কোম্পানীতে ভালোই আছে। দু’ভাইয়ের মধ্যে বছর দু’য়েকের ব্যবধান। শৈশব থেকে দু’ভাইয়ের বেড়ে উঠা। নিবিড় বন্ধুত্ব, পারিবারিক বন্ধন সবকিছুতেই যেন পিতার আদর্শের ছোঁয়া।
পৈতৃক কিছু ধানি জমি আর ভিটে বাড়ি। এই নিয়ে সংসার।... continue reading
Likes ১৩ Comments
০ Shares

Comments (13)

  • - আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

    চমৎকার গল্প। একজন পাগল সুমনের মাধ্যমে সমাজের ক্লেদাক্ত কুৎসিত চরিত্র গুলো পাঠকের সামনে নগ্ন ভাবে ফুটে উঠেছে। ধন্যবাদ, প্রিয় তৌফিক মাসুদ।

    • - তৌফিক মাসুদ

      আমিও ঠিক এমনটিই চেয়েছিলাম। প্রথমে অবশ্য একটা রস রচনা লেখতে  চেয়েছিলাম। গল্পের শিরোনামে সেটা অনেকটাই বোঝ যায়। পরে আর হলনা। লেখা কেমন যেন বিধ্বংসী হয়ে গেল। কিন্তু শিরোনামটা আমার কেন যেন ভাল লাগল। তাই আর পাল্টাইনি। 

      ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় গল্পকার আপনাকে। 

    - সুলতানা সাদিয়া

    খুব ভালো.... শুভকামনা রইল।

    • - তৌফিক মাসুদ

      আপনার জন্যও শুভকামনা অনেক অনেক। 

    - মাঈনউদ্দিন মইনুল

    সুন্দর মেসেজ দিয়েছেন সুমনের কাহিনী দিয়ে। সমাজের আদেবরদেরকে কবে যে দূর করা যাবে!

    গল্পকার তৌফিক মাসুদের জন্য অনেক শুভেচ্ছা.... 

    • - তৌফিক মাসুদ

      সত্যি আমাদের দেশের সাধারণ সকলের চাওয়াটা আপনার মত হত, তাহলে দেশে আজ আর এত হানাহানি থাকত না।

      শ্রদ্ধা রইল বড় ভাইয়ের জন্য।  

    Load more comments...

Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

আত্মসমর্পণ

আত্মসমর্পন
       মিলন বনিক
প্রতিদিন সবুজের স্বপ্ন ডানায় ভর করে
রঙ্গিন সুতোয় ভালোবাসার স্বপ্ন বুনি।
অভাবের তাড়নায় প্রিয়তমার পাংশু মুখ দেখেও
আমার কখনও মনে হয়নি,
বনানী, ধানমন্ডি কিংবা গুলশানের সুরম্য এপার্টমেন্টের কথা,  
যেখানে নিয়ত স্বর্গ সুখের স্বপ্ন বিলাস।
ভেবেছিলাম সবুজ জমিনে গাঢ় লাল পাড়ের শাড়ীতে
তোমায় বেশ মানাবে।
লাল ফিতার সাথে যদি খোঁপায় গুঁজে দেয় দু’টো রক্ত জবা,
তবে তো কথা-ই নেয়।
নিদ্দিষ্ট কোন কাঁচের ফ্রেমে নয়,
নদীর জলে খুঁজে নেব তোমার সুন্দরের সংজ্ঞা।
বিএম ডব্লিউ কিংবা মার্সিডিজে নয়, তুমি আসবে
আলতা পায়ে বর্ষার কাদা জল মাড়িয়ে
নদীপারের সেই পুরানো বটগাছের নীচে,
বসে কাটাবো অখন্ড অবসর, অলস দুপুর, দীর্ঘ সময়।
সযতেœ গুছিয়ে দেবো বর্ষার মাতাল হাওয়ায়
উড়তে থাকা এলোমেলো চুলগুলো।
তোমার ভালো লাগবে ভেবে,
উচ্চাবিলাসী কোন স্বপ্ন দেখা হয়নি।
পড়ন্ত বিকেলে গাছ পাকা আমের সাথে
কাঁচা লংকা আর লেবু পাতা মিশিয়ে,
মধুমাসের ফল খাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে
স্যান্ডউইচ কিংবা ফ্্রাইড চিকেন খাওয়া হয়নি।
রাত জেগে লোডশেডিং-এর যন্ত্রনায়
হাঁস ফাঁস করার কোন উৎকন্ঠাও ছিল না।
সবুজের আঙ্গিনায় হাস্নাহেনা, শিউলী কিংবা কাঁঠালি চাঁপার
গন্ধ মাখা সাদা জল জোস্নায় দাঁড়িয়ে
মধ্যরাতে দেখতাম অনন্ত অম্বর।
শ্বাপদ পৃথিবীর সুখী মানুষের তালিকায়
আমরা উঠে আসতাম এক নম্বরে।
অতঃপর নীল কষ্টগুলো বিসর্জন দিয়ে
দু’চোখ ভরে দেখতাম রাতের আকাশ,
এখনি হয়তো খসে পড়বে অসংখ্য ধ্রুবতারা।
অবশেষে সবুজের গালিচায়, মেঘ পালকের বালিশে শুয়ে
অনূভবে, উপলব্দিতে হতো আমাদের আত্মসমর্পন।
continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (9)

  • - হাছান উদ্দিন রোকন

    কি হচ্ছে এইসব কিছুইত বুজতে পারছিনা 

    - সকাল রয়

     সমাধান হোক তবুও ঝগড়া নয়

    - ঘাস ফুল

    রোদেলা আমাকে অন্তত দুটো পোস্টে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছে। আমি এর কারণ জানতে চাচ্ছি সঞ্চালক মহোদয়ের কাছে। যদি রোদেলা নিজে দেন, তাতেও চলবে। অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ সঞ্চালক সাহেব এবং রোদেলা।  

    • - কামাল উদ্দিন

      কন কি ভাই ? কোন পোষ্টে বলা যাবে কি ?

    • Load more relies...
    Load more comments...

Milan Banik

৫ বছর আগে লিখেছেন

উদাসী পথ

উদাসী পথ
      মিলন বনিক
পথ আঁকড়ে ধরে অনেক না পাওয়ার ক্লান্তি
ভূমিসুতো মেটো পথে অবিরাম যাওয়া আসা।
নিশীথিনীর কোলাহল থামে না
অতিকায় পথ যেন ফুরোয় না, ক্ষীণ পদ যাত্রায়
অস্ফুট ধ্বনি তুলে, এ কেমন ভালোবাসা।
ঈর্ষা নয়, ভালোবাসার নোঙ্গর ফেলে থামি
কত অচেনা পথ ঘাট।
বাবুইয়ের বাসা দোলে হালকা বাতাসে,
মনের সংকটে পরে ধরাশায়ী কু›তল মন।
হয়তো মনের অমিল, নয়তো সামিল হবো
অচেনার পথ ধরে অজানা আকাশে।
তবুও দোলন চাঁপা কিংবা শিউলীর গন্ধে
ভরবে আকাশ। অচেনা নয় সেতো চিরচেনা,
যমুনা কিংবা ব্রম্মপুত্র বয়ে যাবে নিরবধি
চেনা পথ ধরে সাগর সংগমে। এই আমি শুধু
উদাসী পথটুকু ছুঁতে পারি না বলে
নিজেকে মনে হয় বড় বেশী আনমনা।
continue reading
Likes ১২ Comments
০ Shares

Comments (12)

  • - সনাতন পাঠক

    মূল্যবান লেখা।
    সুন্দর লিখেছেন ভাই

    - মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা

    অনেক কিছু জানা হলো। আগামী পর্বে হয়তো আরো কিছু জানা যাবে।

    শুভকামনা।

    - পলাশমিঞা

    ডাকের কথা সব সময় সত্য হয়।

    • - লুব্ধক রয়

      কেমন আছেন দাদা?

    Load more comments...
Load more writings...