ওমর ফারুক কোমল

২ বছর আগে লিখেছেন

‘আপনাকেই বলি’- বাবাদেরকে উৎসর্গ করা একটি শর্ট ফিল্ম


‘আপনাকেই বলি’ একটি শর্ট ফিল্ম, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের সেইসব বাবাদেরকে উৎসর্গ করে বানানো হয়েছে যারা সৎ পথে থেকে তাদের পরিবারের ভরণপোষণ করার চেষ্টা করে।
কি পাবেন এই শর্ট ফিল্মে? পাবেন একজন সৎ নীতিবান মানুষের জীবনের অতি সহজ স্বীকারোক্তি। দুই প্রতিবেশী বন্ধুর খানিক আলাপচারিতা। সাংসারিক জীবনের নানা টানা-পোড়েনের অকপট বর্ণনা।
পরিচালক আরাফাত হোসেন দুটা ডায়লগ বলার সুযোগ দিয়েছে তার এই শর্ট ফিল্মটিতে, যা আমি একটু ভালো ভাবে বলার চেষ্টা করেছি। এই যা….
দেখতে পারেন। আপনাদের ভালো লাগাটাই আমাদের স্বার্থকতা। আর হ্যাঁ, আপনাদের মূল্যবান মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের গঠনমূলক মন্তব্যই আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। ধন্যবাদ।
শর্ট ফিল্মটি দেখুন এই লিঙ্কে
এখানে ক্লিক করুন প্লিজ।
https://youtu.be/52PpnFGK2MU continue reading
Likes Comments
০ Shares

ওমর ফারুক কোমল

৩ বছর আগে লিখেছেন

‘দেবদাস’-একটি অসমাপ্ত প্রেমের কথন

শৈশবকাল থেকেই ডানপিটে এক বালক দেবদাসের সাথে মায়াবতী, সোহাগিনী এক বালিকা পার্বতীর বন্ধুত্ব। নিজের দুরন্তপনার কারণে যতবারই দেবদাস মুখোমুখি হয়েছে বিপদের ততবারই তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে যায় পার্বতী। শাস্তির ভয়ে দেব বাবু যখন ক্ষুদা ভরা পেটে জঙ্গলে বসে কাতরায়, পার্বতী তখন আঁচলে করে অন্ন বয়ে নিয়ে দেবার খোঁজে যায়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মধুর এই বন্ধুত্ব কখন যে ভালোবাসায় রুপ নেয় বুঝতে পারেনা কেউই। তবে হ্যাঁ, পারুর মা বিষয়টি আন্দাজ করে। দেবদাসকে তার ভালোই লাগে, মেয়ের বর বানাতে নেই কোনও আপত্তিও। কিন্তু....! কিন্তু দেবদাস যে জমিদার বংশের ছেলে আর পারু যে বেচা-কেনা চক্রবর্তী বাড়ির মেয়ে, এ সম্পর্কের কথাকি তারা মেনে নিবে?
উপন্যাসটির প্লট শুরু হয় এভাবেই। সদ্য যৌবনে পা রাখা দুটি ছেলে-মেয়ে যখন বুঝতে পারে তারা একে ওপরকে প্রচণ্ড রকমভাবে ভালোবাসে, ঠিক তখনই পারিবারিক সীমাবদ্ধতায় আটকে যেতে থাকে তাদের ভালোবাসা। ভালোবাসা নামক সুখকর অনুভূতি তখন যেন অনেকটা বিষমাখা তীরের মত পীড়া দিতে লাগল তাদেরকে। এক পর্যায়ে যখন দেবদাসের জীবন থেকে ইতি টেনে অন্য কারো ঘরের গিন্নী হল পার্বতী, তখন যেন দেবদাসের ধরণী বলতে রইল না আর কিছুই। চারিদিক যেন শূন্য আর অন্ধকার হয়ে গেল। মদই তখন হয়ে গেল দেব বাবুর একমাত্র সঙ্গী।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়_এর অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস হচ্ছে এই ‘দেবদাস’। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। মূলত তখনকার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করেই এমন অসমাপ্ত প্রেমের উপন্যাস নির্মাণ করেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ঔপন্যাসিক।
শরৎচন্দ্রের জন্ম ১৮৭৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে। চব্বিশ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করে হয়েছিলেন সন্ন্যাসী। জীবিকার সন্ধানে হয়েছিলেন দেশান্তরও। পরবর্তীতে তার জীবনের এতসব অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করেই শুরু করেন লেখালেখি। ১৯১৩ সালে তার প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ ‘বড়দিদি’... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - সুমন সাহা

    ভালো লাগলো লেখা। emoticons

    • - মুহম্মদ ফরহাদ ইমরান

      emoticons

    - মাসুম বাদল

    লেখাটা ভালো লাগল। 

    কিন্তু 

    অসমাপ্ত মনে হল... 

    • - মুহম্মদ ফরহাদ ইমরান

      শ্রদ্ধা জানবেন । আসলে বিচিত্র গাছ আর ফলের কথাই বলতে চেয়েছিলাম । তাই.........আর টানতে ইচ্ছে করেনি । 

    - মাইদুল আলম সিদ্দিকী

    দারুণ! emoticons

    • - মুহম্মদ ফরহাদ ইমরান

      emoticons জানালাম

    Load more comments...

ওমর ফারুক কোমল

৪ বছর আগে লিখেছেন

কবিতা- 'মধ্যবিত্তের সন্তান'

মধ্যবিত্তের সন্তান
           ------ওমর ফারুক কোমল
জন্ম হোক মোর যথা-তথা
কর্ম হবে ভালো,
এই আশাতেই বুক বেঁধেছি
অন্ধকারের আলোয়।
কৈশোর গেলো, যৌবন যাচ্ছে
ভয়টাও যেন দিন দিন বাড়ছে,
রেসের ঘোড়ার দৌড় লেগেছে
দুর্বলরা তাই দুমড়ে যাচ্ছে।
‘এ প্লাস’ মোরে পেতেই হবে
হোক না আগাম প্রশ্ন পেয়ে,
চাকরির পরীক্ষায় পাশ করেছি
ফেল করেছি টাকার কাছে।
বৃদ্ধ বাবা কেশে বলেন
অকর্মা হয়ে জন্মেছি ঘরে,
অকর্মা আমি টাকার কাছে
সমাজের এই নিয়মের কাছে।
মিতুর বিয়েটা হয়েই গেলো
হয়নিকো আমার সাথে,
ডাক্তার জামাই পেয়েছে শ্বশুর
বেকারকে কি আর মনে ধরে?
ধনী ঘরের কিছু বন্ধু আছে
ঘন ঘনই পার্টি করে,
যাই না বলে রাগ করে বেশ
ভাব দেখাই, এটাই নাকি কেস।
আমার যে ভাই পকেট ফাঁকা
রেসের মাঠে ছুটতে ছুটতে,
জীবন যুদ্ধে মহাব্যস্ত
আমার কি আর পার্টি সাজে?
বড় আমি হবই একদিন,
টাকার নয়, মেধার জোড়ে।
নিন্দুকরা সব পালিয়ে যাবে
বাবা-মার বুক উঁচু দেখে। continue reading
Likes Comments
০ Shares

ওমর ফারুক কোমল

৪ বছর আগে লিখেছেন

আমি মুসলিম, সন্ত্রাসী নই!

"আমি একজন অমুসলিম, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।
আমি একজন ধর্ম নিরপেক্ষ লোক, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।
আমি একজন নাস্তিক, তাই আমার বাঁচার অধিকার নাই।"
বর্তমানে কিছু সংখ্যক তথা-কথিত মুসলিমদের থিউরিটা এমনি।

 কিছু অন্ধ-মূর্খ মুসলিমদের কারনে আজ পুরো মুসলিম জাতি লজ্জার সম্মুখীন ।

বাংলাদেশ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত, তবে আসলেই কি তাই? এদেশে কি সকল হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ নিরাপদ? আপনার কাছে মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে না।

জিহাদের নামে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে তাকি ইসলামের আইন? নিশ্চয়ই না। তাহলে কেন এই হত্যাযজ্ঞ?

আচ্ছা, ইসলাম ধর্ম মতে আমাদের সকলের আদি পিতা হচ্ছে হজরত আদম (আঃ) এবং আদি মাতা হচ্ছে বিবি হাওয়া (আঃ)। আমরা সকলেই যদি তাহার বংশোদ্ভূত হয়ে থাকি, তাহলে কি সকল ধর্মের সকল লোক আমাদের আপন জন হয় না?

যদি ইসলাম ধর্ম প্রধান রাষ্ট্রে অন্য ধর্মের লোকেদের জীবনের কোন নিরাপত্তাই না থাকে, তাহলে অন্য ধর্ম প্রধান রাষ্ট্রে মুসলিমদের কি কোন নিরাপত্তা থাকবে?

আজ তথা-কথিত সেই সব মুসলমানদের জন্যে যখন অন্য ধর্মের কোন ভাই আমাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বলে ডাকে, তখন কি লজ্জায় আমাদের মাথা নিচু হয় না?

আমরা মুসলমান, সন্ত্রাসী নই, এই কথাটা প্রমান করতে তখন হাজারো যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়, কিন্তু কেন?
লিখনিটির মাধ্যমে দুটি জিনিসই বোঝাতে চেয়েছি , এক, ধর্মের নামে অন্ধ গোঁড়ামি। দুই, কিছু লোকের জন্যে পুরো জাতি দোষী নয় ।

এই লেখাটি যদি আইএস কর্মীরা দেখে তখন হয়ত জাপানি সাংবাদিকের মত আমাকেও অপহরণ করবে, তবে যাই হোক, সত্যের জয়... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    তাই জানি হয়

    শুভ কামনা

    - টি.আই.সরকার (তৌহিদ)

    সেই প্রত্যাশা আপনার মতো আমারও ! আপনার প্রতিও শুভ কামনা ।