Lifestyle Image

ড্রাই ফ্রুটসের গুণাবলী



কাজুবাদাম-

*কাজুবাদামে রয়েছে স্বাস্থ্যকর মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হূদক্রিয়া ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে গেলে হার্টের অসুখের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
*কাজুবাদামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না। এই বাদাম প্রচুর এনার্জি সরবরাহ করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
*দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে কাজুবাদাম সাহায্য করে।
*কাজুবাদামে ফাইবার ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

পেস্তাবাদাম-

*পেস্তাবাদামে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে।
*পেস্তাবাদাম লো-গ্লিসেমিক ইনডেক্স ধরনের খাবার। অর্থাত্ পেস্তা থেকে কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ফলে রক্তে গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় থাকে।
*পেস্তাবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬।
*পেস্তাবাদামে রয়েছে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোস্টেরল। পেস্তাবাদামে লুটেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বয়সের কারণে সৃষ্ট নানা শারীরিক সমস্যা যেমন মাংসপেশির দুর্বলতা, চোখের ছানির সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। *পেস্তাবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে ফ্যাটের পরিমাণও কম। ফলে রক্তে লিপিডের পরিমাণ বজায় রাখতে পেস্তা সাহায্য করে।
*দাঁতের রোগ ও লিভারের সমস্যায় পেস্তাবাদাম বেশ উপকারী।

কাঠবাদাম-

*প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছে ৬৫৫ ক্যালরি।
*কাঠবাদাম খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
*কাঠবাদাম ভিটামিন ই-এর অন্যতম উত্স।
*কাঠবাদামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।
*কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।

এপ্রিকট-

*এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি২, ভিটামিন-বি৩, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।
*এপ্রিকটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাট।
*রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে তুলে রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে এপ্রিকট।
*এপ্রিকটের পেকটিন ও সেলুলোজ পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এপ্রিকট খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
*জ্বরের সময় এপ্রিকট পিষে মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

আখরোট-

*আখরোটে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি। প্রতি ১০০ গ্রাম আখরোটে ৬৮৭ ক্যালরি রয়েছে।
*আখরোটে প্রচুর পরিমাণে উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড ওমেগা-৩ রয়েছে।
*আখরোট মস্তিষ্ক গঠনে সহায়তা করে। মস্তিষ্কের বিভিন্ন রোগও দূরে রাখে।
*আখরোট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
*আখরোটে রয়েছে অ্যালার্জিক অ্যাসিড যা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটা রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তোলে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

কিশমিশ-

*কিশমিশ দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর তাড়াতাড়ি সেরে উঠতে সাহায্য করে।
*পানিতে ভেজানো কিশমিশ নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
*কিশমিশে রয়েছে প্রচুর এনার্জি। ক্লান্তি কাটাতে সহায়তা করে।
*কিশমিশ খান ওজন বাড়াতে।