Beauty Image

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে



ব্রণের সমস্যা নিয়ে কম-বেশি চিন্তিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এখন গরমকাল আসি আসি করছে। তাই ব্রণের সমস্যা এই সময়েও শুরু হতে পারে। আজ আমরা জানবো খুব সহজেই কীভাবে আপনি ব্রণ থেকে নিজের ত্বক সুস্থ এবং উজ্জ্বল রাখতে পারবেন।

ব্রণের নানান রকম চিকিৎসা রয়েছে। তবে সকল চিকিৎসা করানোর পরেও কিন্তু ব্রণ সম্পূর্ণরূপে নিরাময় হয় না। কিংবা কিছুদিন পর আবার ব্রণ দেখা দেয়।

অনেকের ত্বক খুব বেশি সেনসেটিভ হয়ে থাকে। ফলে ব্রণ হয়ে মুখের ত্বক ফেটে গিয়ে রক্ত এবং পুঁজ নির্গত হয়। সাথে যন্ত্রণা হয় অসহ্য। আপনি ওষুধ প্রয়োগে সাময়িক ভাবে ব্রণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ঠিকই; তবে ব্রণ যেহেতু একটি এলারজি সম্পর্কিত রোগ তাই আপনার লাইফ স্টাইলের ওপর নির্ভর করে ব্রণ কমা বা বাড়া।

ব্রণ কমিয়ে আনতে আপনাকে কিছু সাধারণ কাজ করতে হবে, যা ব্রণ কমার পাশাপাশি আপনার লাইফ স্টাইলেও ভালো প্রভাব ফেলবে। চলুন জেনে নিই আপনাকে যা যা করতে হবে।

রাত জাগা পরিহার
আপনাকে অবশ্যই ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে হলে বেশি রাত জাগা যাবে না। রাত জাগলে আপনার ত্বকে ব্রণ বৃদ্ধি পাবেই। আপনি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাবেন এবং সকালে তাড়াতাড়ি উঠে যাবেন। এভাবে নিয়মিত ৬ ঘণ্টা ঘুম আপনার ত্বকে ব্রণ অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

খাবারের অভ্যাস
ত্বকে ব্রণ ওঠার সাথে আপনার খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই সম্পর্কিত। আপনি যদি ব্রণ থেকে নিস্তার পেতে চান, তবে অবশ্যই তৈলাক্ত খাবার, অর্থাৎ ভাজা পোড়া খাবার, অধিক তেলযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। এছাড়া চকলেট খাওয়া কমিয়ে দিন। মনে রাখবেন চকলেট আপনার ব্রণ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

অপ্রয়োজনে মুখে হাত দেবেন না
মুখে সব সময় হাত দিয়ে খুঁটাখুঁটি অনেকের স্বভাব। আপনার যদি ব্রণ থাকে তবে আপনাকে মুখে হাত লাগানো এবং বিভিন্ন জিনিস দিয়ে মুখে খোঁচানো পরিহার করতে হবে। যতটা সম্ভব মুখে হাত কিংবা অন্যান্য কিছু দিয়ে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।

মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে
মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। আপনার যদি ব্রণ হয় তবে নিশ্চিতভাবে বুঝতে হবে আপনার ত্বক তৈলাক্ত। ফলে সব সময় ত্বকে তেল জমতে বাধা দিতে হবে। কীভাবে দিবেন? হ্যাঁ ওয়েল ফ্রি ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন নিয়মিত। যখনই ত্বকে তেল জমছে মনে হবে তখনই মুখ ধুবেন। এতে ত্বকে তেল জমতে না পারলে ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে।