ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

২ বছর আগে লিখেছেন

শেখ কামালের তথাকথিত ব্যাংক ডাকাতি

প্রধানমন্ত্রীর ছেলের টাকার জন্য ব্যাংক ডাকাতির প্রয়োজন হয় না এবং ব্যাংক ডাকাতি করবার অভিপ্রায় থাকলে কেউ কেন্দ্রীয় ব্যাংককে হানা দেয় না কিন্তু গুজব হিসেবে এটা বেশ মুখরোচক যে বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামাল ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা করেছেন। আর  যুদ্ধ পরবর্তী দেশে নানা অনিয়ম, আনাচার, অন্যায়ের পিঠে চড়ে যখন এমন গুজব ছড়ায় তখন এর মাত্রা বেগ পায় বিদ্যুতের।
বাংলাদেশের প্রথম বিরোধীদল জাসদ আর বাংলাদেশের প্রথম গেরিলা দল সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি। স্বাধীনতার কিছুদিন পর থেকেই এরা সরকার বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়, দুই দলের কাছেই ছিল অস্ত্র, দুই দলের মধ্যে ছিল মুজিব ঘৃণার বীজ। হত্যা, ডাকাতি আর অস্ত্রের ঝনঝনানি দিয়ে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিল সর্বহারা পার্টি আর জাসদের আস্ত্রধারীরা সন্ধ্যার পর ঢাকার অলিগলিতে খুন, রাহাজানি, অপহরণের মাধ্যমে সরকারকে অচল করার প্রয়াস চালাচ্ছিল। জাসদ আবার 'গণকণ্ঠ' নামে তাদের মালিকানায় প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি, আওয়ামী লীগের রাজনীতির বিরুদ্ধচারন করতো। এখন অবশ্য তা বুঝবার উপায় নেই যে সেইসময় জাসদ ছিল আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং যে ক্ষতি এই দলের নেতারা বাংলাদেশের, আওয়ামী লীগের, বঙ্গবন্ধুর করেছে, তা আর কোন দল, ব্যক্তি এখন পর্যন্ত করতে পারেনি। অবাক হতে হয় যে আওয়ামী লীগের বিচিত্র রাজনৈতিক সমীকরণে সেই জাসদের নেতারা এখন সরকারের অংশ।
সময়টা তখন ১৯৭৩।
সেই সময় পুলিশ কর্মকর্তা এসপি মাহবুব উদ্দিন আহমদ ঢাকায় কয়েকটি দল পরিচালনা করতেন জাসদের গণবাহিনী এবং সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি দমন করার জন্য। দলগুলো সাদা পোশাকে কিন্তু সশস্ত্র অবস্থায় প্রাইভেট গাড়ীতে ঘুরত গণবাহিনী ও নকশালীদের ধরার জন্য এবং
সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই চ্যালেঞ্জ করত। এসপি মাহবুবের টিমগুলোর পরিচিতি হতো টিম লিডারের নামানুসারে যার একটির নাম ছিল 'কিবরিয়া বাহিনী'। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    ভালোবাসার সুন্দর বন্দনা

    শুভ কামনা--------------

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

২ বছর আগে লিখেছেন

সম্রাট আকবরের বশ্যতা অস্বীকার করা ঈসা খাঁ

পরাক্রমশালী সম্রাট আকবরের বশ্যতা অস্বীকার করে বীরদপে সোনারগাঁও থেকে জঙ্গলবাড়ী, সরাইল থেকে রংপুর এলাকায় বিরাজ করা বীরের নাম ঈসা খাঁ। তিনি মোগলদের আক্রমণকে বারবার প্রতিহত করেছেন এবং আকবরের কাছ থেকে সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন নিজ স্বকীয়তায়। আকবরের শাসনামলে ভারতের প্রায় সকল এলাকা মোগল কর্তৃত্বে এলেও বাংলাকে পুরোপুরি কব্জা করা যায়নি তেজস্বী ঈসা খাঁর সাহসীকতায়।
ঈসা খাঁর পিতা ছিলেন কালিদাস গজদানী। তিনি ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলাদেশে ব্যবসা বানিজ্য করতে আসেন। এক সময় তিনি মুসলমান হন এবং নাম পরিবর্তন করে সোলায়মান খাঁ রাখেন। মূলত ব্যবসা করে সোলায়মান খাঁ প্রচুর টাকা পয়সা, বিত্ত বৈভব অর্জন করেন। পরে তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মেয়েকে বিয়ে করে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সরাইল পরগণা ও পূর্ব মোমেনশাহী অঞ্চলের জায়গীরদারী লাভ করেন। ঈসা খাঁ ছিলেন সোলায়মান খাঁর প্রথম পুত্র। ঈসা খাঁ বাবার জমিদারী পেয়ে তীক্ষ-বিচার বুদ্ধির মাধ্যমে বাংলার অন্যান্য শাসকদের নিজ আয়ত্বে নিয়ে আসেন এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সরাইলে নিজ শাসন কেন্দ্র স্থাপন করেন। সেসময় বাংলায় কয়েকজন স্বাধীন সামন্ত শাসক সম্মিলিত ভাবে মৈত্রিজোট গঠন করে নিজ নিজ এলাকা শাসন করতেন। ঈসা খাঁর অধীনে ছিল সোনারগাঁও থেকে জঙ্গলবাড়ী, সরাইল থেকে রংপুর। সম্রাট আকবর বারবার সৈন্য পাঠিয়েছেন ঈসা খাঁকে পরাস্ত করতে। বর্তমান কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে, গাজীপুরের কালীগঞ্জে আর নারায়ণগঞ্জ জেলার খিজিরপুরে মোঘল সৈন্যদের সাথে ঈসা খাঁর যুদ্ধ হয়। বেশীরভাগ যুদ্ধে ঈসা খাঁ জয়ী হন।
১৫৯৫ সালে মোঘল সেনাপতি মানসিংহ আসেন ঈসা খাঁকে মোকাবেলা করতে। ব্রক্ষপুত্র তীরে এগারসিন্দুর দুর্গের পাশে, বর্তমান ময়মনসিংহ জেলার সর্ব দক্ষিণ প্রান্তে, টাঙ্গার গ্রামে হয় শেষ যুদ্ধ। ঈসা খাঁ প্রস্তাব করেন দন্ধ যুদ্ধের। মানসিংহ তাতে সম্মত হন। ঠিক হয় যিনি যুদ্ধে জয়ী হবেন তিনি সারা বাংলার কর্তৃত্ব লাভ করবেন। চতুর মানসিংহ কৌশলের আশ্রয়... continue reading
Likes Comments
০ Shares

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

২ বছর আগে লিখেছেন

সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ

সময় ১৩৮৯ সাল। বাংলার ক্ষমতায় তখন ইলিয়াস শাহী রাজবংশ। সুলতান সিকান্দার শাহ দ্বিধাদন্ধে আছেন কাকে মনোনীত করবেন পরবর্তী সুলতান হিসাবে। এই সময় গিয়াসউদ্দিন আজমের আবির্ভাব। তিনি সুলতান সিকান্দার শাহ এর প্রথম পুত্র। গিয়াস উদ্দিন আজমের সৎ মা কৌশলে ক্ষমতা নিতে চাইছিলেন। সৎ মা ও সৎ ভাইদের দ্বারা চুড়ান্ত প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের স্বীকার হন গিয়াসউদ্দিন আজম। এক পর্যায়ে বাবা সুলতান সিকান্দার শাহ কে জানান হয় যে গিয়াস উদ্দিন আজম  বিষ প্রয়োগে তাকে হত্যা করে সিংহাসন লাভের চেষ্টা করছেন। সুলতান সিকান্দার শাহ আর গিয়াসউদ্দিন আজমের দূরত্ব বাড়তে থাকে। 
সংঘাত আসন্ন কিন্তু দুইপক্ষ শেষ চাল দেবার আগে কালক্ষেপণের সিধান্ত নেয়। এক সময় গিয়াসউদ্দিন আজম খবর পেলেন যে তাকে বন্দি করা হবে ও তার সৎ ভাইকে করা হবে পরবর্তী সুলতান। এক শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে হরিণ শিকারে যাবার বাহানায় গিয়াস উদ্দিন আজম  চলে আসেন সোনারগাঁয়ে। এখানে তিনি সৈন্য সংগ্রহ করেন। এরপর শুরু করেন  বাবা সিকান্দার শাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। গোয়ালপাড়া যুদ্ধের এক পর্যায় হয়ে তিনি বাবাকে হত্যা করেন এবং সিংহাসন দখল করেন। ধারন করেন শাহ উপাধি। সিংহাসনে বসেই গিয়াসউদ্দিন আজম তার ১৭ জন ভাইয়ের চোখ তুলে ফেলেন আর বিশেষ পানীয় পান করিয়ে ঘটান বুদ্ধি-বিকৃতি। সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী আরও অনেককে করেন হত্যা। শুরু হয় তার ২২ বছরের শাসনামল। 
ক্ষমতা কণ্টকমুক্ত করতে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ মনুষত্বহীনতার পরিচয় দিলেও ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন সত্তায় পরিচালিত হয়েছেন। ধীরে ধীরে তিনি বিদ্যোৎসাহী, ন্যায় বিচারক ও সুশাসক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন যদিও তার জীবনহানি ঘটেছিল রাজা গণেশের পাঠানো গুপ্তঘাতকের হাতে। আবার রাজা গণেশের মৃত্য হয় পুত্র যদুর হাতে। 
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময় বস্ত্র শিল্প, বাণিজ্য ও শিল্পকলার সব ক্ষেত্রে বাংলার উজ্জ্বল অবস্থান তৈরি হয়। কৈশোরে ও... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - এই মেঘ এই রোদ্দুর

    ভোট দিলাম

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

৩ বছর আগে লিখেছেন

মায়ানমার - অং সাং সুচি ইন, স্বৈরতন্ত্র আউট

অবশেষে স্বৈরশাসনের রাহুগ্রাস মুক্ত হচ্ছে মায়ানমার
অং সাং সুচির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়লাভ করেছে। তবে ক্ষমতার পালাবদল ২০১৬ সালের মার্চের আগে হচ্ছে না কারণ তার আগে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। অবশ্য তখনও সুচি মায়ানমারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না; তার দল থেকে অন্য কেউ রাষ্ট্রপতি হবেন। এর কারণ, মায়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী বিদেশিদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কেউ দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানের পদে অসীন হতে পারবেন না। সুচির দুই ছেলে যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টধারী। তবে এই বাধা তাকে মায়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতার নিয়ন্ত্রক হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাড়াতে পারবে না। সম্ভবত তিনি এমন একটি পদে অসীন হবেন যেটা রাষ্ট্রপতির চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী হবে। তবে সেটা কেবল তখনই সম্ভব হবে যদি মায়ানমারের সেনাবাহিনী ঠিক ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। ১৯৯০ সালেও ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি নির্বাচনে জয় লাভ করেছিল। কিন্তু সেনাশাসকরা সেই ফল উপেক্ষা করে নিজেরা দেশ পরিচালনা করতে থাকে এবং সুচিকে দুই দশক গৃহবন্দি করে রাখে।
পরিবর্তন এসেছে!
পরিবর্তন এসেছে; মায়ানমার গণতন্ত্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে। (এনএলডি) সরকার গঠনের পর ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে; তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে নয়। অবশ্য সংবিধান অনুযায়ী সেনাবাহিনী দেশটির সংসদের ২৫ শতাংশ আসন দখলে রাখবে। এ জন্য মায়ানমারের নতুন এই প্রশাসনটি কার্যত হবে জাতীয় ঐক্য ও সমন্বিত সরকারের। মায়ানমারের এক তৃতীয়াংশ লোক জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তারা গেল কয়েক দশক ধরে জাতিগতভাবে সংখ্যাগুরুদের দ্বারা নানাভাবে শসিত ও শোষিত হয়ে আসছে। জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যারা প্রতিনিধিত্ব করেন তারা এখনো মনে করেন একমাত্র অং সাং সুচিই সেনাবাহিনীর বিরোধিতা করার সামর্থ রাখেন। তার নেতৃত্বেই দেশটি অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে ধাবিত হতে পারে। তারা এও... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - প্রলয় সাহা

    দারুণ একটা পোষ্ট। 

ওয়াসীম সোবাহান চৌধুরী

৪ বছর আগে লিখেছেন

চেনা থমাস আলভা এডিসন এবং অচেনা নিকোলা টেসলা

বৈদ্যুতিক বাতি, ফোনোগ্রাফ এবং মুভিং পিকচার উদ্ভাবন করেছেন থমাস আলভা এডিসন। বিজ্ঞানকে একাই অনেকদুর এগিয়ে নিয়েছেন  তিনি। তবে তার সবচেয়ে বড় গুন ছিল ব্যবসায়ী বুদ্ধির সাথে তার উদ্ভাবনের সংমিশ্রণ করা। তিনি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম  বৃহত্তম কোম্পানী জেনারেল ইলেকট্রিকের জনক।  তিনি তার যুগের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আবার সেরা ব্যবসায়ীও। এমন কম্বিনেশন খুব কম হয়। কিন্তু সেসময় বৈদ্যুতিক বাতি, ফোনোগ্রাফ, মুভিং পিকচার সহ যেসব বিষয় নিয়ে থমাস আলভা এডিসন কাজ করছিলেন, সেসব বিষয় নিয়ে অন্য বিজ্ঞানিরাও অনেকদুর এগিয়ে গিয়েছিলেন। এডিসন এসব উদ্ভাবন  ও তার পেটেন্ট  না করলে অন্য কেউ অল্প দিনের মধ্যেই তা উদ্ভাবন  করে ফেলতেন।  যেমন এডিসনের আলোর বাতির তত্ত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার অনেক আগেই জোসেফ সোয়ান নামে এক বিজ্ঞানী ইংল্যান্ডের এক শহরে আলোর বাতি স্থাপন করেছেন। এডিসন সুচারু ব্যবসায়ী হওয়াতে জোসেফ সোয়ানকে তার  কোম্পানীর একজন অংশীদার করে নেন। এডিসন ব্যবসায়ী হিসেবে তার প্রভাব খাটিয়ে তার আবিষ্কার করা বৈদ্যুতিক বাতি ডিসি প্রযুক্তি দিয়ে অভিজাতদের অন্দর মহলে আর কর্পোরেট অফিসগুলোতে স্থাপন করেন। বিশ্ব অভিভুত হয় বৈদ্যুতিক আলোর বিস্ময়ে।  
ধীরে ধীরে অভিজাতদের মহল থেকে বৈদ্যুতিক বাতি পৌঁছে যেতে লাগলো সাধারণ মানুষের বাসস্থানে। এডিসন একের পর এক পাওয়ার প্ল্যান্ট ডিজাইনের কাজ পেতে লাগলেন। তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী জেনারেল ইলেকট্রিক আর্থিক ভাবে ফুলে ফেপে উঠতে লাগলো। কিন্তু একটা ছোট সমস্যা দেখা দিল। এডিসনের বিদ্যুৎ বেশিদূর শক্তি পাঠাতে পারে না। এডিসনের উদ্ভাবিত ডিসি প্রযুক্তি দ্বারা পাঠানো বিদ্যুত যখন তারের মধ্য দিয়ে যায়,তখন আস্তে আস্তে তার দম ফুরাতে থাকে; ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় যাকে বলা হয় লাইন লস। । দুই কিলোমিটার যেতে না যেতেই দম শেষ তাই পাওয়ার প্ল্যান্টের দুই কিলোমিটারের বাইরের বাড়ী ঘরে আর বিদ্যুত পৌঁছানো যাচ্ছে না।
সমাধান দিলেন... continue reading
Likes Comments
০ Shares

Comments (0)

  • - আলমগীর সরকার লিটন

    হু বর্তমান দৃশ্য

    বাহ অনেক অভিনন্দন

    - সোহেল আহমেদ পরান

    ভালো লিখেছেন ভাইজান emoticons

Load more writings...