"অদূরদর্শী দুঃস্বপ্ন"

"অদূরদর্শী দুঃস্বপ্ন" স্বপ্নাতুর কোটরাগত চোখদুটো মেলে আমি আবার তাকাই সামনে-
দৃষ্টিসীমার পুরোটা জুড়েই তখন জমাট বাঁধা অন্ধকার;
যান্ত্রিকতার যাতাকলে অবিরত পিষ্ঠ হতে হতে এই মন বড় বেশি নির্মোহ আজ। বিভীষিকারূপী হায়েনার ঝাঁকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে
তবু আমি ফিরতে চাই শুভ্রতার বসত ভিটায়।। ধোঁয়াশার আঁধারে কখন জানি বেড়ে গিয়েছে বয়স;
দেহের এই প্রাচীন জীর্ণ দেয়াল বেয়ে উঠেছে অনেক লতা-গুল্ম।
আমার বয়ষ্ক হাত, মুখের বলিরেখা-
সবকিছু খুব অচেনা মনেহয় আজ। অথচ, সেই প্রিয় যাচিত সময়- যখন আড়ষ্টতার শৃঙ্খল খুলে বেরিয়ে পড়েছি ঢের,
লাগাম ছেড়ে দুরন্ত ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে পার হয়েছি মাঠ-ঘাট, বন-প্রান্তর।। অদূরদর্শী দুঃস্বপ্নের মতই সামনে এবার প্রতীক্ষিত অনাগত দিন,
যেদিনের আকাশে থাকবেনা চাঁদ;
অসংখ্য নক্ষত্রের নীলচে ফিঁকে রঙের আলোটুকু সম্বল করে
আমি দীর্ঘ সময় ধরে থাকব বসে; জনশূন্য উপত্যকায়।
নিরাশার বেলাভূমিতে লেখা হলে মৃত্যুর ইতিহাস-
পৃথিবী হারাবে তার রং, ডাকবেনা পাখি;
নিভে যাবে সবটুকু আলো- হারাবে সবকিছু চীরচেনা নিস্প্রাণ সাগরের জলে,
আমিও হারিয়ে যাব সেইদিন সেইক্ষণে,
ডুবে গিয়ে নিঃসংকোচে সময়ের গভীর অতলে।।। -কৃষ্ণেন্দু দাস// ১৩ জুলাই ২০১৭ খ্রিঃ।।

০ Likes ০ Comments ০ Share ২১২ Views

Comments (0)

  • - প্রিন্স মাহমুদ রহিম

    ভাল লাগল